Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 125

দেহে পানিশূন্যতা হচ্ছে, কীভাবে বুঝবেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পানিশূন্যতার বৈজ্ঞানিক নাম ডিহাইড্রেশন। সহজ কথায়, যতটা পানি বা তরল খাওয়া হয় তার চেয়ে বেশি বের হয়ে গেলেই হয় ডিহাইড্রেশন। প্রস্রাব ছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম, বমি বা ডায়রিয়া থেকে এই সমস্যা হতে পারে।

কাদের ঝুঁকি বেশি?

শিশু, প্রবীণ, যারা ক্রনিক ডিজিজ (ডায়াবেটিস, কিডনির রোগ) ইত্যাদিতে ভোগেন, যারা রোদে কায়িক পরিশ্রম করেন তাদের এ সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

কীভাবে বুঝবেন?

বিভিন্ন বয়েসে পানিশূন্যতার লক্ষণ বিভিন্ন রকম।

# শিশুদের ক্ষেত্রে ঠোঁট ও জিহ্বা শুকিয়ে যাওয়া, চোখ ও গাল গর্তে বসে যাওয়া, কান্নার সময়ে চোখের পানি না ঝরা, তিন ঘণ্টার বেশি ডায়াপার শুকনো থাকা, নেতিয়ে পড়া ও খিটখিটে ভাব ইত্যাদি।

# প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে তীব্র তৃষ্ণা, দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে অল্প বা গাঢ় রঙের প্রস্রাব হওয়া, ক্লান্তভাব, মাথা ঝিমঝিম করা, বিভ্রান্ত বোধ করা পানিশূণ্যতার লক্ষণ।

কীভাবে ঠেকাবেন?

প্রাপ্তবয়স্কদের দৈনিক দুই থেকে দুই দশমিক পাঁচ লিটার বা আট থেকে ১০ গ্লাস এবং শিশুদের এক থেকে এক দশমিক পাঁচ লিটার বা চার থেকে ছয় গ্লাস পানি পান করতে হবে। যারা কিডনির রোগে ভুগছেন, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ মতো পান করবেন। এ ছাড়া তৃষ্ণা পেলে পানি পান করুন অথবা রসাল ফল ও সবজি খান।

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

১. ২৪ ঘণ্টার বেশি ডায়রিয়া
২. খিটখিটে মেজাজ, বিভ্রান্তিকর আচরণ, স্বাভাবিকের তুলনায় নিস্তেজভাব
৩. পানি বা তরল খেলেই বমি
৪. রক্তমাখা বা কালো পায়খানা

সূত্র : মায়ো ক্লিনিক

কোন প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্ক হয়?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

জলাতঙ্ক- নামটি সবার মনে ভয় জাগায়। সমাজে এ রোগ নিয়ে রয়েছে নানা কুসংস্কার। জেনে নিন, জলাতঙ্ক নিয়ে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য।

র‍্যাবিস ভাইরাস জলাতঙ্কের জীবাণুর নাম। ভাইরাসটি জীবাণুবাহী প্রাণীর লালা, কামড়ের মাধ্যমে মানুষের দেহে ঢুকে পড়ে এবং স্নায়ু বেয়ে মস্তিস্কে ছড়ায়।

কোন প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্ক হয়?

কুকুর, বেড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড়।

কোন প্রাণীর কামড়ে ছড়ায় না?

ইঁদুর, খরগোশ, কাঠবিড়ালি, গুইসাপ, মানুষ।

প্রাণী কামড় দিলে প্রাথমিকভাবে করণীয়

১. ক্ষতস্থান অতিদ্রুত কাপড় কাচার সাবান ও প্রচুর পানি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধুবেন।

২. দেরি না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কয়টি ইনজেকশন নিতে হয়?

সাত দিন পরপর মোট চারটি, এক বছর পর বুস্টার ডোজ নিতে হবে।

কারা নিতে পারবেন?

গর্ভাবস্থায়, দুগ্ধদান কালে, অন্য অসুস্থতায়, ছোট শিশু, বৃদ্ধরা নিতে পারবেন।

সূত্র: জাতীয় জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

১শ সফল তরুণ-তরুণীকে সম্মাননা দেবে উজ্জ্বলা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আগামী ২০ মার্চ, সন্ধ্যা ৬টায়, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা, শাহবাগ-এ, ‘রূপাঙ্গনে উজ্জ্বলার স্বীকৃতি’ শিরোনামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে উজ্জ্বলা। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে সারা দেশ থেকে বাছাইকৃত ১০০ জন সফল তরুণ-তরুণীকে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা ও সনদ প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে নারীর ক্ষেত্রে ‘শ্রেষ্ঠ উজ্জ্বলা’, ‘সেরা উজ্জ্বলা’ এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ‘অদম্য উজ্জ্বলা’- এই তিন ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন জনাব নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, শিল্প মন্ত্রণালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন জনাব মেহের আফরোজ চুমকি, এমপি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সভাপতি, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সম্মানিত অতিথির আসন অলংকৃত করবেন জনাব হাবিবুর রহমান, পিপিএম (বার), বিপিএম (বার), ডিআইজি, ঢাকা রেঞ্জ এবং আফসানা মিমি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

উজ্জ্বলা, বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। উজ্জ্বলা প্রান্তিক নারীকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে কাজ করে, যা দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদকে শক্তিশালী করতে সহায়ক। নতুন প্রজন্মের নারীরা যেন বিশ্বমানের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং-এ নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারেন, সেই চিন্তা থেকে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে উজ্জ্বলা। নারীকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব বিস্তারিত শেখায় প্রতিষ্ঠানটি। দেশের সেরা বিউটি আর্টিস্টরা এসব প্রশিক্ষণের ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে থাকছেন। উজ্জ্বলার বিভিন্ন কোর্স করার মাধ্যমে নারীরা নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারছেন ও দেশীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। গত পাঁচ বছরে প্রায় চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর ট্রেনিং শেষ করেছে উজ্জ্বলা। তরুণ শক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করাই প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য।

উড়ে যায় টিয়ে

মানব বসতির খুব কাছে বাসা বাঁধে টিয়ে। খাবারের খোঁজে মাটির কাছাকাছি নেমে আবার উড়ে যায়। ছবি তুলেছেন : ওয়াহিদুল হুদা ডালটন

ভালোবাসা চাঙা রাখুন ৩ উপায়ে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

খুব ভালোবাসেন- তবুও দুটো মানুষ একসঙ্গে পথ চলতে গিয়ে কখনো কি ক্লান্তি আসে? কী মনে হয়? সম্পর্কবিদরা কিন্তু এর উত্তরে ‘হ্যাঁ’ বলেন। একটা সময় মানুষটির সঙ্গে কথা বলতে যতটা ভালো লাগতো, এখন হয়তো আর লাগে না বা কাজের ব্যস্ততার কারণে কথা বলার সময়ই হয়ে উঠে না। অথবা বাচ্চাদের সময় দিতে দিতে জীবনসঙ্গীর যত্নটাই হয়তো নেওয়া হয়ে উঠে না সেভাবে।

আসলে যেকোনো সম্পর্কই গাছের মতো। এতে প্রতিদিন পানি দিতে হয়। নয়তো অযত্ন- অবহেলায় মরে যায় গাছটি। শত ব্যস্ততার ভেতরও সম্পর্ক চাঙা রাখার কিছু উপায় জানিয়েছে ওইকিহাউ।

সঙ্গীকে সারপ্রাইজ দিন
ব্যস্ততার ভেতরেও সঙ্গীকে খুশি করার অনন্য উপায় হচ্ছে সারপ্রাইজ দেওয়া। হোক এক গুচ্ছ ফুল বা হুটহাট রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাওয়া। অথবা ছোট একটি কার্ডে লিখে দিন ‘ভালোবাসি’, ‘তোমাকে দেখার জন্য অস্থির হয়ে আছি’। দেখবেন, ছোট ছোট এই বিষয়গুলো কতটা আন্তরিকতা বাড়াবে আপনাদের ভেতর।

সপ্তাহে একটা রাত শুধু নিজেদের
সপ্তাহে একটা দিন বা রাত শুধু নিজেদের জন্য রাখুন। সেখানে কোনো ফোন কল ধরা নয়, ফেসবুক বা ম্যাসেঞ্জার নয়। কেবল নিজেদের সময় দিন। পুরোনো ভালো লাগার স্মৃতিগুলো মনে করুন। সঙ্গীকে বোঝান আপনার জীবনে তার গুরুত্ব কতখানি।

বেড়াতে যান
দুই থেকে তিন মাস পর পর বড় কোনো ট্যুরে যান। প্রকৃতির সান্নিধ্যে গেলে মানুষ নিজেকে খুঁজে পায়। মনের ভেতরের অস্থিরতা, যন্ত্রণাগুলোও কিছুটা কমে। তাই, ঘুরে আসুন সঙ্গীকে নিয়ে। হয়তো নতুন করে নিজেদের আবিষ্কার করবেন এ সময়।

দাঁত কখন ফেলা জরুরি?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
একটা সময়, ব্যথা হলেই মনে করা হতো দাঁত ফেলে দিতে হবে। তবে এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দাঁত রেখে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে কিছু ব্যতিক্রমী কারণ রয়েছে যেগুলোতে ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। দাঁত কখন ফেলা জরুরি- এ বিষয়ে সাতকাহন২৪.কমের একটি অনুষ্ঠানে কথা বলেছেন ডা. আশাফুজ্জোহা রাজ।

প্রশ্ন : দাঁত তুলতে হলে কখন তোলা ভালো?
উত্তর : ২০০০ সালের আগের কথা, বেশিদিন নয়। তখন বাংলাদেশে অনুমোদিত ডেন্টাল চিকিৎসকের সংখ্যা ছিলো হাতে গোণা। হয়তো মাত্র এক হাজারের মতো চিকিৎসক ছিলো সারা বাংলাদেশে। দেখা যেত, মানুষ অনেকটা নিরুপায় হয়ে, এক ধরনের হাতুরে চিকিৎসকের কাছে যেতো। ব্যথা হলেই মনে করতো দাঁত ফেলে দিতে হবে। এসব তথাকথিত হাতুরে চিকিৎসকরা এর বাইরে কোনো জ্ঞান রাখতো না। এ জন্য অনেকে এখনো মনে করে যে ব্যথা হলেই দাঁত তুলে ফেলতে হয়। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখন প্রয়োজনীয় দাঁত অনেকাংশে নষ্ট হয়ে গেলেও আমরা রাখার চেষ্টা করি। এরপরও কিছু বিষয়ে আমরা ইচ্ছে থাকলেও দাঁতটি রাখতে পারি না। কোনো দাঁত অবেহেলা জনিত কারণে যদি ভেঙে গোড়া রয়ে যায়, সেই দাঁত ফেলে দিতেই আমরা উৎসাহ দিই। এই ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল চিকিৎসার কথা বলা হয়। তবে এই চিকিৎসা করার পর ক্যাপ বা ক্রাউন পরিয়ে দিতে হয়। অনেকে হয়তো অবহেলা করে এটি করে না। এরপর হয়তো একেবারে ফেলে দিতে হতে পারে। এটি হলো প্রধান কারণ। এ ছাড়া আরো কারণ রয়েছে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো আক্কেল দাঁত। এই দাঁত একটু দেরিতে উঠে বলে অনেক সময় আঁকাবাঁকা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই দাঁতগুলোর ক্ষেত্রে আগে ক্ষয় হয়, জিহ্বা বা মাড়িতে কামড় লাগে, মাড়িতে সংক্রমণ করে। এসব দাঁত ফেলে দেওয়ার কথা বলি। খুব কম কিছু কারণেই দাঁত ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নারী দিবস উপলক্ষে উজ্জ্বলার আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে কেন্দ্র করে নিজস্ব কর্মী ও প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উজ্জ্বলা লিমিটেড। আজ সোমবার বিকেল ৪টায় উজ্জ্বলার নিকেতনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠানটি পালিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিউটি ইন্ডাস্ট্রির পরিচিত নাম ও উজ্জ্বলার সহপ্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন, উজ্জ্বলার চেয়ারম্যান আদিত্য সােম, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্ল্যানিং ম্যানেজার সাবিহা মোস্তফা, প্রফেশনাল ডিভিশনের সেলস ম্যানেজার সামরিন হাসান, অপারেশন ম্যানেজার তাসমিয়া হাসান প্রমুখ।

উজ্জ্বলার সহপ্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন বলেন, ‘নারীকে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। সেই স্বপ্নের কিছু তো পূরণ হবেই। নিজে স্বাবলম্বী হয়ে, নিজেকে আলোকিত করে অন্যের মাঝে আলো ছড়িয়ে দিতে হবে।’

উজ্জ্বলার চেয়ারম্যান আদিত্য সােম বলেন, ‘নারীর জন্য আসলে একটি বিশেষ দিন নয়। নারীর জন্য ৩৬৫ দিন। উজ্জ্বলার সবকিছু নারীর উন্নয়নের জন্য। উজ্জ্বলা নারীর জন্য আগামীতেও কাজ করবে।’

উজ্জ্বলা লিমিটেড বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। নতুন প্রজন্মের নারীরা যেন ওয়ার্ল্ড ক্লাস বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ে নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারেন এবং প্রফেশনালি কাজ করতে পারেন, সেই চিন্তা থেকে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে উজ্জ্বলা। মূলত নারীকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব ডিটেইল শেখায় উজ্জ্বলা।

চুল পড়ছে? রোধ করুন ৩ উপায়ে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

চুল পড়ার সমস্যায় কম-বেশি সবাই ভোগেন। দৈনিক ১০০ টি চুল পড়া স্বাভাবিক হিসেবেই ধরেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বেশি পড়লে এবং মাথায় টাকভাব আসলে প্রতিরোধ তো করতেই হবে। চুল পড়া কমাবে এবং চুল ঘন দেখাবে, এমন কিছু ঘরোয়া উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েলনেসবিন।

পেঁয়াজ
পেঁয়াজ চুল পড়া রোধে উপকারী- অনেকেরই জানা। তবে এর সঙ্গে মধু ব্যবহার করলে কিন্তু বেশি উপকার পাওয়া যায়। পেঁয়াজের রস ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে চুল ও স্ক্যাল্পে মাখুন। এটি স্ক্যাল্পের চুলকানিভাবে কমাতেও কাজ করে। চুল ঘন করতে একদিন পরপর, টানা দুই সপ্তাহ মিশণটি ব্যবহার করুন।

জলপাইয়ের তেল
কেবল খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, জলপাইয়ের তেল চুল গজাতেও কাজ করে। সামান্য গরম তেল মাথা ও চুলে মেখে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করুন অথবা সারারাতও রেখে দিতে পারেন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালোভেরা
চুল ঘন করতে অ্যালোভেরা উপকারী। অ্যালোভেরার জুস স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন। ৩০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুইবার এ পদ্ধতি মেনে দেখতে পারেন।

শিকারি টিয়ে

মানব বসতির খুব কাছে বড় গাছে বাসা বাঁধে টিয়ে। খাবারের সন্ধানে নেমে আসে মাটির কাছাকাছি। ছবি তুলেছেন : ওয়াহিদুল হুদা ডালটন

ত্বক পরিষ্কারের সঠিক নিয়ম জানুন

শাশ্বতী মাথিন
ত্বকের যত্ন বা রূপচর্চা যাই বলি না কেন পরিচ্ছন্নতা বা ক্লিনজিং হলো প্রথম ধাপ। এই পরিচ্ছন্নতার রুটিন সঠিকভাবে মানছেন তো?

ত্বক ভালো রাখতে পরিষ্কার জরুরি- কথাটি সবার জানা। তবে পরিষ্কারেরও কিছু নিয়ম রয়েছে। ভুলভাল পরিষ্কার করলে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। ত্বক সঠিকভাবে পরিষ্কারের কিছু নিয়ম জানিয়েছেন শিওরসেল মেডিকেল বিডি-এর প্রধান ডার্মাটোলজিস্ট ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন। তাঁর পরামর্শ মতে,

১. গরমের এই সময়ে তাপমাত্রা বেশি থাকার কারণে ঘাম বাড়ে। তৈলগ্রন্থি (ওয়েল গ্ল্যান্ড) বেশি পরিমাণ তেল নিঃসরণ করে। পাশাপাশি ময়লা-ধুলা, মেকআপের অবশিষ্ট অংশ তো থাকেই। তাই অনেকে গরম থেকে স্বস্তি পেতে বার বার মুখ ধোয়। মুখ ধুতে হবে, তবে সেটি নিয়ম করে এবং নির্দিষ্ট সময় ধরে।

২. ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেস ক্লিনজার ব্যবহার করতে হবে।
অনেকে ভুল করে ক্ষারযুক্ত ফেসওয়াস বা সাবান ব্যবহার করে এবং তিন/ চার বার মুখ ধোয়। এতে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর্দ্রতা হারায়; ত্বকের উপকারী ব্যকটেরিয়া ফ্লোরা নষ্ট হয়। ফেস ক্লিনজার দিয়ে দিনে দুই বার মুখ ধুতে হবে। বাকি সময় মুখ ধুতে হলে সাধারণ পানির ঝাপটা দিবে।

৩. ফেস ক্লিনজার এমন হবে যেটি একই সঙ্গে অতিরিক্ত তেল, মেকআপ, ময়লা, ধুলো সরিয়ে ফেলবে। পাশাপাশি পোরকে পরিষ্কার করবে এবং ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে।

৪. আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের ত্বক তৈলাক্ত। এদের জন্য যে ধরনের ফেসওয়াস বাজারে পাওয়া যায়, তা ত্বক শুষ্ক করে ফেলে। এ জন্য ক্যামোমাইল নির্যাসযুক্ত ফেসওয়াস ব্যবহার করা যেতে পারে। এর সঙ্গে স্টিয়ারিক এসিড ও মেন্ডালিক এসিড থাকলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সাহায্য করবে।

৫. অনেকে দেখা যায়, ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুলো আর পানির ঝাপটা দিলো। এটি ভুল। মুখ ধোয়ার সময় প্রথমে হাত পরিষ্কার করতে হবে। নোংরা হাত দিয়ে ধুলে জীবাণুর সংক্রমণ বাড়তে পারে। ত্বকে ব্রণ- র্যাশ হয়।

৬. মুখে পানি দিয়ে পরিমাণমতো ফেস ক্লিনজার হাতে নিয়ে এক মিনিট ধরে ম্যাসাজ করতে হবে। পরে পানি দিয়ে ভালোমতো ধুয়ে ফেলবে। ফেস ক্লিনজারের অবশিষ্ট অংশ যেন মুখে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিক হলে ভালো। এরপর নরম কাপড় বা ফেস টাওয়াল দিয়ে আলতো করে মুখ মুছবে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.