Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 126

শিশুদের নিয়ে মুগদা মেডিকেলের পাঁচ দিনের কর্মসূচি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২২ উপলক্ষে মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিভাগ থেকে পাঁচ দিন ব্যাপী কর্মসূচি গতকাল ১৩ মার্চ উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. নিয়াতুজ্জামান ও মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এবিএম জামাল।

মুগদা মেডিকেলের কনসালটেন্ট ডা. আবু সাঈদ শিমুলের পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিশুদের পাঁচ দিন ব্যাপী বিশেষ সেবা দানের যে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি শিশু বিভাগ গ্রহণ করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয় । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ্য অধ্যাপক শামিমা পারভিন, শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সেলিম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. দিলারা আলো সহ প্রমুখ । প্রথম দিন নির্ধারিত পুষ্টি ও খাবার বিষয়ক পরামর্শ নিতে শতাধিক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পাঁচ দিন ব্যাপী কর্মসূচিতে শিশুদের বিশেষ সেবা গুলোর মধ্যে রয়েছে – ১৩ মার্চ ( রবিবার ) শিশুদের অপুষ্টি ও স্থুলতা নির্ণয় ও পরামর্শ, ১৪ মার্চ (সোমবার) শিশুদের হাঁপানি বা অ্যাজমা নির্ণয়, চিকিৎসা ও পরামর্শ, ১৫ মার্চ (মঙ্গলবার) শিশুদের মানসিক বিকাশ, বেড়ে ওঠা ও অটিজম সম্পর্কে পরামর্শ ও স্ক্রিনিং, ১৬ মার্চ (বুধবার)- নবজাতকের অত্যাবশ্যকীয় পরিচর্যা এবং মায়ের দুধ খাওয়ানো নিয়ে পরামর্শ, ১৭ মার্চ বৃহস্পতিবার শিশু দিবস উদযাপন – কেক কাটা এবং শিশুদের মধ্যে উপহার সামগ্রী বিতরণ। নির্ধারিত তারিখগুলোতে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত হাসপাতালের ২য় তলার শিশু বহির্বিভাগে পরামর্শ ও সেবা দেওয়া হবে।

‘পার্লারের মেয়ে ভালো নয়’ এ রকম কথা শুনেছি

উজ্জ্বলা লিমিটেড, বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। নারীকে যোগ্য করে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে, বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব খুঁটিনাটি শেখানো হয় এখানে। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারীর সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক বিশেষ আয়োজনের আজ রইল প্রথম পর্ব। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শাশ্বতী মাথিন।

পর্ব ১ : জান্নাত হোসেন খান

ছোটবেলা থেকে মেকআপের বিষয়ে আগ্রহ ছিল জান্নাত হোসেন খানের। কাউকে মেকআপ করতে দেখলে ভীষণ উৎসাহ নিয়ে দেখতেন। ব্লাশন, আইশ্যাডো, আইলাইনারের ছোঁয়ায় একটা মানুষকে কী সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা যায়, ভাবতেই অবাক হতেন। ধীরে ধীরে নিজেও একটু-আধটু মেকআপ করতে শুরু করেন। একটা সময় ভাবলেন, এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেবেন। প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বেছে নিলেন ‘উজ্জ্বলা’-কে।

মেকআপের হাত ভালো দেখে বড় চাচি, মেজ চাচি ও ফুফাতো বোন উৎসাহ দিলেন প্রশিক্ষণ নিতে। কিন্তু সে সময় বাদ সাধলেন বাবা। বাবার চাওয়া, মেয়ে লেখাপড়ায় বেশি মনোযোগী হোক। পরে অবশ্য বাবাও রাজি হন। কেবল রাজিই হননি, যথেষ্ট সহযোগিতাও করেছেন। এরপর প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু। জানান, ২০১৯ সালে আমি উজ্জ্বলা থেকে অ্যাডভান্স মেকআপ কোর্স করি। উজ্জ্বলা কেবল আমাকে বিউটি আর্টিস্ট হতে শেখায়নি, কীভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেকে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা যায়, সে বিষয়টি শিখিয়েছে।

জান্নাত হোসেন খান ২০১৬ সালে স্কুল অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ থেকে এসএসসি এবং ২০১৮ সালে কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে ইংলিশ বিভাগে লেখাপড়া করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তিনি ল্যাঙ্গুয়েজ লিগ, এআইএম ইনিশিয়েটিভ ফাউন্ডেশন ও ব্লাড কানেকশন প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসাডর হিসেবে কাজ করছেন। এ ছাড়া ইউএপি সেন্ট্রাল ইংলিশ লিগ ক্লাবের জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং ভলান্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আজীবন ভলান্টিয়ার হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সামাজিক কাজে যুক্ত থাকার কারণে আমাকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইংরেজি শেখাতে হতো। শেখানোর কাজটি করতে এসে আমার বারবার যে মানুষটির কথা মনে পড়ত, তিনি উজ্জ্বলার সহপ্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশে বিউটি ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম নাম আফরোজা পারভীন। আফরোজা ম্যাম আমাদের গ্রুমিং শেখাতেন। তার প্রশিক্ষণ দেওয়ার গুণ অসাধারণ। মুখ দেখলেই কী করে যেন বুঝে যেতেন মনের কথা। কেউ কষ্টে রয়েছে বা কানও মন খারাপ, অনায়াসে বুঝে যেতেন সব। উজ্জ্বলা থেকে শিখেছি কোন জায়গায় কোন ধরনের পোশাক পরতে হয়, কীভাবে মানুষকে উৎসাহ দিতে হয়। প্রশিক্ষণ শেষে ভালো ফলাফল করি আমি। আমার সাজ সবাই খুব পছন্দ করে। বর্তমানে সোশ্যাল ওয়ার্কের পাশাপাশি মেকআপের কাজও করছি। আমার বাড়িতে এসে মেয়েরা সাজে। কাউকে সুন্দর করে সাজাতে পারলে ভীষণ তৃপ্তি লাগে।’

পার্লারে কোনো মেয়ে কাজ করছে, বিষয়টি আমাদের সমাজে এখনো ভালো দৃষ্টিতে দেখা হয় না। কাজ করতে গিয়ে অনেক ধরনের সামাজিক বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। ‘পার্লারের মহিলা বা মেয়ে ভালো নয়’- এমন একটি বাজে ধারণা রয়েছে সমাজে। অনেক পরিবারে তো মেয়ে পার্লারের কাজ শিখবে এবং মানুষকে সাজাবে, এটি এখনো মেনেই নিতে পারে না। এটা যেন খুব হীন একটি কাজ। এ ধরনের কথা আমাকেও শুনতে হয়েছে। খুব কেঁদেছি। মন ভেঙে গেছে এসব শুনে। তবুও বাধা অতিক্রম করে কাজ করছি। এটি হালাল কাজ। এভাবে একজন মানুষ আয় করলে সেটা দোষের নয়। আর বাংলাদেশের বিউটি ইন্ডাস্ট্রিকে কানিজ আলমাস, ফারজানা শাকিল, আফরোজা পারভীন আপারা এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বিশ্বাস করি, তাদের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আমরাও একে আরও এগিয়ে নিতে পারব- জানান জান্নাত হোসেন খান।

উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিতে পেরে এবং নিজেকে উজ্জ্বলার একজন সদস্য ভাবতে পেরে গর্ব লাগে জানিয়ে জান্নাত বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের ভেতর একটি সুপ্ত আগুন থাকে। আমার ভেতরের আগুনটাকে উজ্জ্বলা বের করে নিয়ে এসেছে। আগে খুব নার্ভাস থাকতাম। প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর সেই নার্ভাসনেস কেটে গেছে। আমি নিজে আলোকিত হয়েছি। অন্যদের মাঝেও সেই আলোর দীপ্তি ছড়িয়ে দিতে পারছি। ভবিষ্যতে উজ্জ্বলার মতো একটি প্রতিষ্ঠান গড়ার ইচ্ছে রয়েছে, যেখানে কেবল মেকআপের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে না; একজন নারীকে কীভাবে শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করে গড়া যায়, সেই কাজও করা হবে।’

করোনা ভাইরাসে ভুগেছেন? এসব অঙ্গের ক্ষতি হয়নি তো?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
আপনি কি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন? গত দুই বছর ধরে বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ তার জাল বিছিয়েছে বেশ পাকাপোক্তভাবে। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে শত- সহস্র মানুষ। যারা রোগটির সঙ্গে লড়াই করে টিকে গেছে তারাও ভুগছে কিছু জটিলতায়।

রোগটি কেবল শ্বাসকষ্ট, গলাব্যথা বা জ্বর বাঁধিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, ক্ষতিগ্রস্ত করছে দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গকেও। কোভিড থেকে দেহের কোন অঙ্গের ক্ষতি হয় এবং কীভাবে, তার একটি তালিকা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

১. ফুসফুসে সমস্যা
ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার এক ধরনের রোগ রয়েছে। একে পালমোনারি এমবোলাই বলে। কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়ে উঠা রোগীদের ১৯ শতাংশের ক্ষেত্রে এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ২০২০ সালে করা একটি গবেষণা থেকে এই তথ্য উঠে আসে।

২. হার্টের জটিলতা
এক লাখ ৫৩ হাজার ৭৬০ জনের উপর করা একটি গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ৩০ দিনের মাথায় রোগীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এসবের মধ্যে রয়েছে সেরিবোভাসকুলার ডিসঅর্ডার, ডিসরিদমিয়া, ইসকেমিক ও নন ইসকেমিক হৃদরোগ।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়।

৩. চোখের সমস্যা
কেবল হার্ট বা ফুসফুস নয়, কোভিড আক্রান্ত করে চোখকেও। কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর রোগী চোখে ঘোলা দেখে বা মাঝে মাঝে চোখে অন্ধকার দেখে। দেখুন তো কোভিডের পর আপনারও এই সমস্যা হচ্ছে কি না?

৪. বিষণ্ণতা ও উদ্বেগ
এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মানসিক স্বাস্থ্যেরও অবনতি হয়। ২০২২ সালে লেনসেট জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হচ্ছে, সারা বিশ্বে কোভিড থেকে সুস্থ হয়ে উঠা ব্যক্তিদের মধ্যে ২৭ দশমিক ছয় ভাগ গুরুতর বিষণ্ণতায় আক্রান্ত এবং ২৫ দশমিক ছয় ভাগ উদ্বেগ জনিত সমস্যায় ভুগছে।

করণীয়
বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, কোভিড পরবর্তী জটিলতাকে হালকা ভাবে নেবেন না। সুস্থ হয়ে উঠার পর খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, সঠিক জীবনযাপনের প্রতি নজর দিন। অবশ্যই ভ্যাকসিন নিয়ে নিতে হবে। যেকোনো জটিলতা গুরুতর মনে হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ব্যথানাশক ওষুধ কিডনির কী ক্ষতি করে?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া কিডনির ক্ষতি করতে পারে। এমনটাই মতামত বিশেষজ্ঞদের। টানা ব্যথানাশক ওষুধ (অ্যানালজেসিকস) খেলে অ্যানালজেসিক নিউরোপ্যাথি তৈরি হয়। এটি কিডনিকে নষ্ট করার অন্যতম কারণ। তবে মাঝে মাঝে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া কিডনির তেমন ক্ষতি করে না বলেও জানান বিশেষজ্ঞরা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এই তথ্য।

ভারতের গুরুগ্রামের আর্টিমিস হসপিটালের চিফ মেডিকেল সার্ভিস অ্যান্ড চেয়ারপারসন মনজু আগারওয়াল জানান, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা টানা ব্যথানাশক ওষুধ খেলে কিডনি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়ে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অনেকে দোকান থেকে নিজে নিজে ব্যথানাশক ওষুধ কিনে খায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় রোগীরা একিউট কিডনি ইনজুরি বা হঠাৎ কিডনি অকেজো হওয়ার সমস্যা নিয়ে আসছে।

ব্যথানাশক ওষুধ দেহের পটাশিয়ামের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় জানিয়ে মনজু আগার ওয়াল বলেন, ‘ অনেকে শ্বাসকষ্ট, বমি, খাবারে অরুচি, পা ফোলা ইত্যাদি সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে হাজির হয়। পরীক্ষা করে দেখা যায়, তাদের কিডনি অকেজো হয়ে পড়ছে।’

প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ব্যথানাশক ওষুধ কম খাওয়া এবং খেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন এই বিশেষজ্ঞ।

হার্ট ভালো রাখতে ৩ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সারাবিশ্বে যত কারণে মানুষের মৃত্যু হয়, তার এক তৃতীয়াংশ হলো হৃদরোগ। হার্ট সুস্থ ও ঝুঁকিমুক্ত রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস জরুরি। হার্ট ভালো রাখে এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে হেলদিলাইন।

সবুজ শাক-সবজি
পাতাসহ সবুজ শাকসবজি হৃদযন্ত্রের জন্য খুবই উপকারী। এসবে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বিশেষ করে এগুলো ভিটামিন ‘কে’- এর চমৎকার উৎস। ভিটামিন ‘কে’ আর্টারি ভালো রাখে এবং রক্তকে সঠিকভাবে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

ওয়ালনাট
এ বাদামটির মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ চর্বি ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস (যেমন : ম্যাগনেসিয়াম, কপার, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি)। গবেষণায় দেখা যায়, ওয়ালনাট হৃদরোগ প্রতিরোধে উপকারী। ২০০৯ সালে ৩৬৫ জনকে নিয়ে করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ওয়ালনাট খেলে দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএলের মাত্রা কমে।

কালো চকোলেট
কালো চকোলেটের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্লেবোনয়েড। এটি সম্পূর্ণ হৃদপিণ্ডের জন্যই ভালো। বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল থেকে জানা যায়, কালো চকোলেট খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

তবে চকোলেটের মধ্যে চিনি বেশি থাকার কারণে এটি অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও ডেকে আনতে পারে। তাই ৭০ ভাগ কোকোয়া রয়েছে এমন চকোলেট বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রবীণদের পড়ে যাওয়া ঠেকাতে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রবীণদের পড়ে যাওয়া একটি জটিল সমস্যা। সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা দুই বার পড়ে গেছেন, তাদের পড়ার ঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ। পড়ে গেলে প্রতি পাঁচ বারে একবার হাড় বা মস্তিষ্কের গুরুতর আঘাত পাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ৭৫ ভাগ পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে নিজের বাড়িতে।

প্রতি ২০ মিনিটে একজন প্রবীণ মারা যায় পড়ে যাওয়ার আঘাতের কারণে। প্রবীণের পড়ে যাওয়ার কারণ ও সমাধানের বিষয়ে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর হেলদি হাউজিং।

প্রবীণরা কেন পড়ে যান?
# চোখে কম দেখা
# বার্ধক্যজনিত কারণে দেহের ভারসাম্য ধরে রাখতে না পারা
# হাড়ক্ষয় রোগ
# হৃদরোগ
# ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
# বাড়িতে অপর্যাপ্ত আলো ও পিচ্ছিল মেঝে

কীভাবে ঠেকাবেন?
# প্রবীণদের নিয়মিত চোখ, হৃদপিণ্ড ও শরীর চেকআপ করা।
# নিয়মিত ব্যায়ামে উৎসাহী করা। বিশেষ করে ভারসাম্য বাড়ানোর ও হাড় ক্ষয়রোধের ব্যায়াম।
# হাড়ক্ষয় রোধে নিয়মিত ক্যালসিয়াম সেবন।
# কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে বার বার পড়ে যাচ্ছে কি না, তা চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নেওয়া।
# বাড়িতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা।
# পিচ্ছিল হতে পারে এমন জায়গা অ্যান্টিস্লিপ ম্যাট লাগানো এবং বাথরুমের দেয়ালে ধরার সুবিধার জন্য অতিরিক্ত হাতল লাগানো।
# বিশেষ রাবারের সোল লাগানো জুতো ব্যবহার করা।

কৃমিতে শিশুর নাজেহাল অবস্থা ? রইল সমাধানের উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রাতের বেলা শিশুর মলদ্বারের চারপাশে চুলকানি, ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা, খিটখিটে ভাব, পেট ব্যথা, মেয়ে শিশুর যোনীর আশেপাশে রাতে চুলকানো ইত্যাদি কৃমি হওয়ার লক্ষণ। কৃমি শিশুর প্রচলিত সমস্যা। এর বিভিন্ন ধরণ রয়েছে। যেমন : গুঁড়া, সুতা, ফিতা ইত্যাদি।

কাদের বেশি হয়?
# পাঁচ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশু
# ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় গাদাগাদি করে থাকা
# আঙুল চোষা বা নখ কামড়ানোর বদঅভ্যাস
# হাত না ধুয়ে খাবার খাওয়া

কীভাবে ছড়ায়?
ময়লা কাপড়, মেঝে, মাটি, নখের নিচে, বিভিন্ন ফলের গায়ে কৃমির ডিম লেগে থাকে। না ধুয়ে ফল খেলে, হাত না ধুয়ে খাবার খেলে কৃমির ডিম পেটে চলে যায়।

সমাধানের উপায়
# হাতের নখ ছোট রাখা
# নিয়মিত সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করা
# বিছানার চাদর নিয়মিত পাল্টানো
# অন্তর্বাস, গায়ের কাপড় নিয়মিত ধোয়া
# ফল ধুয়ে খাওয়া
# মলদ্বার না চুলকানো
# সকালে উঠে শিশুর মলদ্বার ধুয়ে দেওয়া

সূত্র : ওয়েব এমডি

গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতার লক্ষণ কী?

ডা. গুলজার হোসেন উজ্জ্বল
রক্তে স্বাভাবিকের তুলনায় হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে তাকে এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা বলে। বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর তিন ভাগের এক ভাগ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে নানাবিধ কারণে এ সমস্যায় ভুগে।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নারীর গর্ভাবস্থা জনিত রক্তস্বল্পতার হার ৪০ থেকে ৮০ ভাগ। গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতার কারণটি মূলত শরীরবৃত্তীয়। গর্ভধারনের পর নারীর শরীরজুড়ে চলতে থাকে নানা রকম হরমোন ও হরমোন জাতীয় উপাদানের উত্থান-পতন। সঙ্গে রয়েছে গর্ভস্থ শিশুর বাড়তি চাহিদা। এতে শরীরের লোহিত কণিকা উৎপাদনের হার বেড়ে যায় শতকরা ২৫ ভাগ। আর লোহিত কণিকা তৈরির কাঁচামাল হলো আয়রন। এতে তখন কাঁচামালে টান পড়ে এবং বাড়তি আয়রনের জোগান দিতে না পারলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।

অপরদিকে রক্ত রসের পরিমাণ বাড়ে প্রায় ৪৫ ভাগ। এটাও সমস্যা। লোহিত রক্ত কণিকার তুলনায় রক্ত রসের উৎপাদন বেড়ে গেলে রক্তে এক ধরনের তরলায়ন হয়। এতে এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা হয়। এ ছাড়া বিশেষ কিছু অসুখ যেমন কৃমি, পাইলস, আলসার, পাইলস, থ্যালাসেমিয়া প্রভৃতি – এরাও গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতার কারণ হিসেবে যুক্ত হয়।

লক্ষণ

# শারীরিক দুর্বলতা
# অল্প পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট
# বুক ধরফর
# মাথা ধরা ও মাথাব্যথা
# ক্ষুধামান্দ্য
# ফ্যাকাশে বা সাদাটে হয়ে যাওয়া
# চুলের উজ্জ্বলতা নষ্ট হওয়া ইত্যাদি।

তবে এসব লক্ষণের কিছু কিছু গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে এমনিতেও দেখা দিতে পারে। আবার কোনো লক্ষণ ছাড়াও রক্ত স্বল্পতা হতে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় শুরু থেকেই অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়মিত পরামর্শ নিতে হবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা ও অ্যান্টিনেটাল চেকআপ করতে হবে।

লেখক : হেমাটোলজি বিশেষজ্ঞ

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.