Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 124

কোলেস্টেরল বাড়ে কেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
মানবদেহে সাধারণত দুইভাবে কােলেস্টেরল পাওয়া যায়। একটি হলো, হাইডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন অর্থাৎ ভালো কোলেস্টেরল। অপরটি লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন, মানে বাজে কোলেস্টেরল। দেহে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, রক্ত চলাচলে সমস্যা হতে পারে। কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। আসুন জানি সেগুলো :

১. মুটিয়ে যাওয়া
দেহের বাড়তি মেদ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে উচ্চতা অনুযায়ী ওজন ঠিকঠাক রাখা জরুরি।

২. ধূমপান ও মদ্যপান
ধূমপান কেবল ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর নয়। এটি
ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। সোজা কথায়, ধূমপান করলে দেহে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। এ ছাড়া মদ্যপানেও একই ঝুঁকি। তাই শরীর সুস্থ রাখতে এ দুটো বদঅভ্যাস ছেড়ে দেওয়াই ভালো।

৩. প্রক্রিয়াজাত মাংস
প্রক্রিয়াজাত মাংস, লাল মাংস, বেশি তেল-মশলাযুক্ত খাবার কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। তাই এ ধরনের খাবার যত কম খাওয়া যায়, তত ভালো- এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।

৪. ব্যায়াম না করা
অ্যাকটিভ থাকলে বা কায়িক পরিশ্রম করলে কোলেস্টেরলের ঝুঁকি কমে। নিয়মিত ব্যায়াম করা, ওজন নিয়ন্ত্রণের রাখা ইত্যাদি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের বড় হাতিয়ার।

সূত্র : হেলথলাইন

কাজে লাগান যানজট

সাতকাহন২৪.কম

বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় নেমেই থমকে দাঁড়ানো, যেদিকে চোখ যায় শুধু বিভিন্ন রঙের, নানা ধরনের বাহন। ঘোরে না গাড়ির চাকা। রোদে পুড়ে বা বৃষ্টিতে ভিজে কাজে পৌঁছাবার ইচ্ছাটাই চলে যায় তখন। আর ফেরার সময়ে ক্লান্ত দেহে থেমে থেমে চলা যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। তেতো হলেও সত্য, যানজট আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে একটু কৌশলী হলে এই নষ্ট হওয়া সময় কিন্তু কাজে লাগানো যায়। কীভাবে কাজে লাগাবেন এই সময়? রইল কিছু পরামর্শ।

১. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অন্যের গল্প দেখে অযথা সময় পার করবেন না। এর চেয়ে কানে হেডফোন লাগিয়ে শুনে নিন কোনো অডিওবুক বা পডকাস্ট।

২. ঘনবসতির ঢাকায় জীবন যাপন মানেই মানসিক চাপ, যানজট তা আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই অভ্যাস করুন শ্বাসের ব্যায়াম ( ব্রিদিং এক্সারসাইজ), যা আপনার চাপ কমাবে।

৩. কথা বলুন প্রিয়জনের সঙ্গে। ফোনে খোঁজ নিন আপনার স্বজন ও বন্ধুদের। জানুুন, তারা কেমন আছে, কেমন যাচ্ছে তাদের দিনকাল।

৪. নতুন কিছু শিখুন, নতুন কিছু লিখুন। মোবাইলে সহজে ইন্সটল করে নিতে পারেন ভাষা শেখার সফটওয়্যার। যানজটে প্রতিদিন ঘণ্টাখানেক সময় দিয়ে অচিরেই আয়ত্ত করে নিতে পারেন নতুন কোনো ভাষা। যদি লেখালেখির অভ্যাস থাকে তবে মোবাইলেই লিখে রাখতে পারেন নিজের গল্প-কবিতা।

৫. কানে হেডফোন গুঁজে কোনো রিলাক্সিং মিউজিক ছেড়ে মেডিটেশন করতে পারেন, যাতে বাসায় পৌঁছে ঘরের কাজগুলাে শান্ত মনে শুরু করা যায়।

৬. পড়তে পারেন কোনো বই, তা পড়ার হোক বা গল্পের। বই পড়ার অভ্যাস আর দশ জনের চেয়ে আপনার চিন্তাকে শাণিত, কথা বলাকে আকর্ষণীয় আর শব্দচয়ন সুগঠিত করবে।

৭. করতে পারেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। নতুন চাকরি বা কোনো ব্যবসা শুরুর কথা ভাবছেন? কিন্তু কাজের চাপে চিন্তাগুলো গুছাতে পারছেন না? যানজটের স্থবির সময় মনোযোগ দিয়ে ভাবতে পারেন আপনার পরিকল্পনার খুঁটিনাটি।

৮. সবসময়ে সঙ্গে রাখুন পর্যাপ্ত পানি ও কিছু হালকা খাবার। সুযোগ পেলে খেয়ে নিন। ক্ষুধা-তৃষ্ণায় কাবু হয়ে গন্তব্যে পৌঁছালে কাজটাই হয়তো ঠিকমত হবে না।

সূত্র: পিটম্যানট্রাফিক

প্রবীণরা কেন ভুলে যায়?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বয়স বাড়ার সঙ্গে বাড়ে ভুলে যাওয়ার অভ্যাস। কেউ কেউ ছোট ঘটনা বা কাজের কথা ভুলে যায়, কেউবা প্রতিদিনের জরুরি কাজ ভেবেচিন্তে করতেই হিমশিম খায়। প্রবীণ বয়সে কিছু জিনিস ভুলে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়, তবে তা যদি দৈনন্দিন জীবনের কাজে ব্যঘাত ঘটায় তবে চিন্তার বিষয়।

স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়ার মধ্যে রয়েছে, ‘ মাইল্ড কগনেটিভ ইম্পেয়ারমেন্ট’- যার বৈশিষ্ট্য হলো ঘনঘন জিনিসপত্র হারিয়ে ফেলা, অত্যন্ত জরুরি কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট বেমালুম ভুলে যাওয়া, কথা বলার সময়ে লাগসই শব্দ খুঁজে পেতে কষ্ট হওয়া ইত্যাদি। এটি হতে পারে আলঝেইমার্স রোগের পূর্বলক্ষণ।

আরও জটিল সমস্যা হলো, ‘ডিমেনশিয়া’। এটি শুধু স্মৃতিবিভ্রাট নয়। ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিন্তাশক্তি, স্মরণশক্তি, যুক্তিবোধ ও নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়। ডিমেনশিয়ার অনেক কারণ থাকলেও আলঝেইমার্স রোগই এটার প্রধান কারণ।

প্রবীণকে কখন ডাক্তার দেখাবেন?

১. সে যখন একই প্রশ্ন বারবার করতে থাকে
২. সুপরিচিত রাস্তা বা স্থানে হারিয়ে যায়
৩. দিকনির্দেশনা বা রান্নার সহজ রেসিপি ভুলে যায়
৪. স্থান-কাল-পাত্র নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভোগে
৫. নিজের যত্ন নিতে ভুলে যায়- গোসল, খাওয়া ইত্যাদি

কীভাবে ঠেকানো যায়?

কিছু নিয়ম মেনে চললে দীর্ঘদিন স্মরণশক্তি চাঙা থাকতে পারে। যেমন-

১. নতুন কোনো দক্ষতা অর্জন
২. প্রাত্যহিক কাজের রুটিন মেনে চলা
৩. চাবির গোছা, ঘড়ি, চশমা ইত্যাদি একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখা
৪. পর্যাপ্ত কায়িক শ্রম ও বিশ্রামের অভ্যাস করা
৫. সুষম খাদ্যাভ্যাস
৬. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা
৭. বিষণ্ণতা থাকলে চিকিৎসা করান
৮. মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে পরিহার করা
৯. দৈনিক কাজের তালিকা লিখে রাখা
১০. পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে নির্মল সময় কাটানো

সূত্র : ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব অ্যাজিং

উজ্জ্বলা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে

উজ্জ্বলা লিমিটেড, বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। নারীকে যোগ্য করে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে, বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব খুঁটিনাটি শেখানো হয় এখানে। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারীর সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক বিশেষ আয়োজনের আজ রইল দ্বিতীয় পর্ব। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শাশ্বতী মাথিন।

পর্ব ২ : শ্রীদেবী রাণী প্রীতি

গায়ের রং কালো হওয়ায় ভীষণ দুঃখ ছিল মেয়েটির। আয়নার সামনে নিজেকে দেখত আর ভাবত, মানুষ কত সুন্দর, ফর্সা। সে কত কুৎসিত! একটু যেন সুন্দর দেখায়, সেই আশায় রং ফর্সাকারী ভালো ক্রিমের খোঁজে কত যে দোকান ঘুরে বেড়িয়েছে মেয়েটি, তার শেষ নেই। তবে উজ্জ্বলা তাকে প্রথম আত্মবিশ্বাস দিল, ‘সে সুন্দর।’ কালো তো জগতের আলো।

উজ্জ্বলার সহপ্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন বললেন, ‘তোমার চোখ-ভ্রু কত সুন্দর! নাক-নকশার গঠন কত সুন্দর!’ আফরোজা পারভীনের ভিডিও টিউটোরিয়ালে তাকে মডেল বানালেন। সেই থেকে মডেল হওয়ার জন্য আরও অফার পেতে লাগল মেয়েটি। যার কথা বলছি, তিনি শ্রীদেবী রাণী প্রীতি। বর্তমানে উজ্জ্বলা কেয়ারের সিনিয়র সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কর্মরত। এর আগে উজ্জ্বলার অ্যাসিস্ট্যান্ট ফ্যাকাল্টি, ফ্যাকাল্টি হিসেবে কাজ করেছেন।

উজ্জ্বলা কেবল তার আত্মবিশ্বাসই বাড়ায়নি; তাকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতেও পাশে দাঁড়িয়েছে। টাকার অভাবে অনার্স প্রথম থেকে তৃতীয় বর্ষের বই কিনতে পারেনি। বই ছাড়াই পরীক্ষা দিয়েছে। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়ে বিউটি সেক্টরের কিছুটা কাজ শেখার পর বই কিনে অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের পড়ালেখা করে। শ্রীদেবী রাণী বলেন, ‘উজ্জ্বলা আমার জীবন বদলে দিয়েছে। ইন্টারমিডিয়েটের পর বাড়ি থেকে কোনো টাকা নিইনি লেখাপড়ার জন্য। টিউশনি করিয়ে সেই টাকা দিয়ে পড়তাম। সেই টাকা থেকে একটু একটু জমিয়ে উজ্জ্বলায় ট্রেনিং করি। সম্পূর্ণ কোর্স ফি একসঙ্গে দিতে পারতাম না। ধীরে ধীরে দিতাম। এ ক্ষেত্রে উজ্জ্বলা ভীষণ সহযোগিতা করেছে।’

মেকআপ আর্টিস্ট হওয়ার প্রতি আগ্রহ কীভাবে হলো? ‘ছোটবেলায় কেউ মেকআপ করলে দেখতে ভালো লাগত। মূলত ছোটবেলা থেকেই মেকআপের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। তখন মা-বাবা যে-ই হাতখরচ দিতেন, তা থেকে বাঁচিয়ে মেলা থেকে কসমেটিকস কিনতাম। ভাইবোনকে সাজিয়ে দিতাম। মূলত তারাই ছিল আমার গিনিপিগ। হা হা হা…। তবে তখন মেকআপের খুঁটিনাটি বুঝতাম না। বেইজ, কন্টোরিং বলে যে কিছু বিষয় রয়েছে, জানা ছিল না। ২০১৮ সাল থেকে উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করি। প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে এগুলো শিখেছি’, বলেন তিনি।

মেকআপের প্রতি আগ্রহ দেখে একজন শিক্ষক আমাকে উৎসাহ দিয়েছিলেন। তিনি নিজে থেকেই বলেন, ‘তুমি প্রশিক্ষণ নাও, আমি টাকা দেব।’ স্যারের কথায় উৎসাহিত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রশিক্ষণের জন্য খোঁজ নিই। কিন্তু তাদের খরচ এত বেশি যে আমার পক্ষে বহন করা সম্ভব ছিল না। এত টাকা লাগবে, এই ভেবে পিছিয়ে যাই। এরপর উজ্জ্বলার সন্ধান পেলাম। ধীরে ধীরে কোর্স করা শুরু করি। তবে আমার বাবা-মা চাইতেন না আমি বিউটি আর্টিস্ট হই। তাদের মনে হতো, মেকআপ বা কসমেটিকস কেনার পেছনে এত টাকা নষ্ট করে কী হবে। এগুলো আমার জন্য একটা বাধা ছিলো। তবে পরে তাদের বোঝাতে সক্ষম হই, এ সেক্টরে থাকলে ভালো আয় করা যায়- জানালেন শ্রীদেবী রাণী।

মডেল শ্রীদেবী রাণী জানান, প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় উজ্জ্বলার চেয়ারম্যান আদিত্য সোম স্যার আমাকে একবার বললেন, ‘তোমার মধ্যে প্রতিভা আছে, তুমি অনেক এগোতে পারবে।’ এ কথাটি আমাকে ভীষণ উৎসাহ দিয়েছিল। এখনো কোনো কাজ করতে গেলে আমি কথাটি মনে করি এবং আত্মবিশ্বাস পাই। আসলে আমি বর্তমানে যতটুকু স্বাবলম্বী হয়েছি, উজ্জ্বলা পাশে দাঁড়িয়েছে বলেই সেটা সম্ভব হয়েছে। আজকে আমি স্বাবলম্বী হয়ে নিজের, পরিবারের ও দেশের ‘উজ্জ্বলা’ হয়েছি। কিছুদিন আগে বিয়ে হয়েছে আমার। স্বামীর নাম উজ্জ্বল। সে আমাকে কাজের ক্ষেত্রে খুব সহযোগিতা করে, উৎসাহ দেয়। ভবিষ্যতে বিউটি সেক্টরে আরো ভালো কাজ করতে চাই যেন সবাই আমাকে নিয়ে গর্ব করতে পারে।

কম ঘুমালে কি হার্টের ক্ষতি হয়?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

হার্ট সারা শরীর থেকে রক্ত সঞ্চালন করে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোকে ঠিকঠাক রাখতে সাহায্য করে। হার্ট থেমে গেলে পুরো দেহ থেমে যায়, মৃত্যু হয়। তাই এই অঙ্গটির যত্ন নেওয়া জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম না করা, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর ও অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া, বেশি ওজন, মদ্যপান ইত্যাদি হার্টের জন্য ক্ষতিকর। এ ছাড়াও কিছু অভ্যাস রয়েছে যেগুলো এই অঙ্গটির ভীষণ ক্ষতি করতে পারে। আসুন জানি সেগুলো।

ঘুম কম হওয়া
অফিস ও বাড়ির কাজ সামলাতে গিয়ে অনেকেরই হয়তো ঘুমটা ঠিকঠাকমতো হয় না। বেশি ঘুমানো বা কম ঘুমানো দুটোই হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। হার্ট ভালো রাখতে দৈনিক অন্তত সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

দাঁতের সমস্যা
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা মাড়ির সমস্যায় ভোগে, তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় বেশি হয়। তাই হার্ট ভালো রাখতে সুস্থ দাঁত জরুরি।

মেজাজ
মানসিক চাপ, উদ্বেগ, রাগ ইত্যাদি নেতিবাচক আবেগগুলো হার্টের উপর প্রভাব ফেলে। নেতিবাচক আবেগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, বিশ্বস্ত কারো সঙ্গে কথা বলুন। প্রয়োজনে কাউন্সিলরের পরামর্শ নিতে পারেন।

পরোক্ষ ধূমপান
ধূমপান হার্টকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কেবল তাই নয়, যারা ধূমপান করে না, তবে ধূমপায়ীর কাছকাছি থাকে অর্থাৎ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার, তারাও হৃদরোগের ঝুঁকিতে ভোগে। তাই বিষয়টিতে সতর্ক থাকুন।

রূপাঙ্গনে উজ্জ্বলার স্বীকৃতি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে সারা দেশ থেকে বাছাইকৃত ১০০ জন সফল তরুণ-তরুণীকে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা ও সনদ প্রদান করেছে উজ্জ্বলা। রবিবার, ২০ মার্চ, সন্ধ্যা ৬টায়, ঢাকার শাহবাগে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘রূপাঙ্গনে উজ্জ্বলার স্বীকৃতি’ শিরোনামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে নারীর ক্ষেত্রে ‘শ্রেষ্ঠ উজ্জ্বলা’, ‘সেরা উজ্জ্বলা’ এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ‘অদম্য উজ্জ্বলা’- এই তিন ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পুরষ্কারপ্রাপ্তরা, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত উজ্জ্বলার প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তারা প্রশিক্ষণ নিয়ে, নিজ পেশায় দক্ষতা অর্জন করে সমাজের অর্থনৈতিক বুনিয়াদকে মজবুত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, শিল্প মন্ত্রণালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জনাব মেহের আফরোজ চুমকি, এমপি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সভাপতি, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সম্মানিত অতিথির আসন অলংকৃত করেন আফসানা মিমি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

উজ্জ্বলা, বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। উজ্জ্বলা প্রান্তিক নারীকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে কাজ করে, যা দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদকে শক্তিশালী করতে সহায়ক। নতুন প্রজন্মের নারীরা যেন বিশ্বমানের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং-এ নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারেন, সেই চিন্তা থেকে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে উজ্জ্বলা। নারীকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব বিস্তারিত শেখায় প্রতিষ্ঠানটি। দেশের সেরা বিউটি আর্টিস্টরা এসব প্রশিক্ষণের ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে থাকছেন। উজ্জ্বলার বিভিন্ন কোর্স করার মাধ্যমে নারীরা নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারছেন ও দেশীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। গত পাঁচ বছরে প্রায় চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর ট্রেনিং শেষ করেছে উজ্জ্বলা। তরুণ শক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করাই প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য।

বর্তমানে বিউটি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিউটি/ পারসোনাল কেয়ার পন্য বাজারে এনে নতুন পথচলা শুরু করেছে উজ্জ্বলা। এসব পন্যের মধ্যে রয়েছে শ্যাম্পু, বডি ওয়েল, হেয়ার ওয়েল। পন্যগুলো তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়ার উপযুক্ত করে। বিশুদ্ধ উপাদান ব্যবহার করে দেশীয় ফর্মুলায় তৈরি এসব পন্য বাংলাদেশের মানুষের ত্বক ও চুলের যত্নে উপযোগী। বিউটি কেয়ার পন্য দেশের মাটিতে উৎপাদন করে অর্থনীতির চাকাকে বেগবান করতে উজ্জ্বলা বদ্ধ পরিকর।

গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা হলে করণীয়

ডা. গুলজার হোসেন উজ্জ্বল
গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা থাকলে শিশুর বৃদ্ধি ব্যহত হয়। এ ছাড়া প্রি একলাম্পসিয়া, প্রি-ম্যাচুর ডেলিভারি, প্রসবকালীন রক্তক্ষরণ, প্রস্রাবের সংক্রমণ, ফুসফুসের সংক্রমণ, প্রসব পরবর্তী জরায়ুর সংক্রমণ, জরায়ু সংকুচিত না হওয়া প্রভৃতি ঝুঁকি অনেকখানি বেড়ে যায়। এমনকি গর্ভাবস্থায় রক্ত স্বল্পতা অনেক সময় মাতৃমুত্যুর কারণও হতে পারে। শিশু মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়ে।

চিকিৎসা
যথাযথ আয়রন চিকিৎসার মাধ্যমে এই সমস্যার অনেকখানিই নিরাময় সম্ভব। অন্যান্য রোগ থাকলে সে অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে। প্রয়োজনে রক্ত পরিসঞ্চালনও করতে হতে পারে।

প্রতিরোধ
এ ক্ষেত্রে সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। গর্ভবতী নারী স্বাভাবিকের চেয়ে পরিমাণে একটু বেশি খাবেন। গর্ভাবস্থায় শুরু থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের নিয়মিত তত্ত্বাবধায়নে থাকলে সমস্যা শুরুতেই চিহ্নিত করা সম্ভব। তাই নিয়মিত অ্যান্টিন্যাটাল চেকআপ খুব জরুরি। আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যেমন –পালংশাক, কচু শাক, কাঁচা কলা, মুরগি ও গরু- খাসির কলিজা, মাংস, দুধ, ডিম প্রভৃতি খেতে হবে। প্রয়োজনে আয়রন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে আয়রন ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে। এভাবে সচেতন হলে রক্তস্বল্পতা জনিত শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

লেখক : রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ

ভালো ঘুমের জন্য ৪ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
সুস্বাস্থ্যের চার স্তম্ভ। ভালো ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম, মানসিক সুস্থতা ও পুষ্টি। সুস্থ থাকতে পুষ্টিকর খাবার তো অনেকেই খায়। তবে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি ভালো ঘুম জরুরি। ভালো ঘুমের জন্য উপকারী কিছু খাবারের তালিকা জানিয়েছে ওয়েবএমডি।

মধু
মধু ঘুমের জন্য উপকারী। এর মধ্যে থাকা গ্লুকোজ অরিস্কিনের মাত্রা কমায়। ঘুমের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিতে পারেন। কাঁচা মধু খেতে পারলে আরো উপকার।

দুধ
খেয়াল করবেন, ছোটবেলায় দাদী-নানীরা নাতি-নাতনিদের ঘুমের আগে এক গ্লাস দুধ খেতে দিতেন। তারা বুঝেই হোক আর না বুঝেই হোক একটি চমৎকার কাজ করতেন। গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে এক গ্লাস দুধ খাওয়া ঘুম ভালো করতে সাহায্য করে।

দুধের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবেই ট্রিপটোফিস এমাইনো এসিড থাকে। ট্রিপটোফেন ঘুম ভালো হতে সাহায্য করে ম্যালাটোনিনের নিঃসরণ বাড়িয়ে। এ ছাড়া ঘুমের আগে এক গ্লাস দুধ খাওয়া মস্তিষ্ক শান্ত রাখতেও কাজ করে।

কলা
কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ পটাশিয়াম। এই মিনারেলটি ঘুম গভীর করতে সহায়ক। কলার মধ্যে মস্তিষ্ক শিথিল করার উপাদান রয়েছে। শোবার আগে একটি কলা খাওয়াও ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে।

বাদাম
ঘুমের আগে একমুঠো বাদাম খেয়ে নিতে পারেন। এটি মস্তিষ্কের সেরেটোনিনের মাত্রা কমায়। বাদাম ম্যাগনেশিয়াম ও ট্রিপটোফেনের চমৎকার উৎস।

বসন্তে শিশুর সুস্থতায় ১০ পরামর্শ

শাশ্বতী মাথিন
বসন্ত চলছে। শীত শেষে আবহাওয়ার এই সময়টায় কখনো ঠান্ডা, কখনো গ্রীষ্মের মতো দাবদাহ। এই সময় শিশুকে সুস্থ রাখতে একটু বাড়তি যত্ন জরুরি। বসন্তে শিশুর সুস্থতায় করণীয় বিষয়ে জানিয়েছে মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আবু সাঈদ শিমুল।

১. ঘুমানোর সময় ফ্যান ছাড়লে খেয়াল রাখতে হবে যেন শিশুর ঠান্ডা না লেগে যায়। শেষ রাতের দিকে প্রয়োজনে উঠে ফ্যান কমিয়ে দিতে হবে। চাদর সরে গেলে গায়ে জড়িয়ে দেবেন।

২. দিনের বেলা যেহেতু অনেক গরম পরে তাই শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে।

৩. ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে তেল, পাউডার ও কাজল ব্যবহার করা যাবে না।

৪. গরমে সুতির পোশাক ব্যবহার করতে হবে।

৬. শিশুকে প্রচুর পরিমাণে তরল ও বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে।

৭. শিশুকে বাইরের জুস বা বাইরের খাবার খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।

৮. যারা বাচ্চাকে লালন-পালন করবে, তারা যেন সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয় এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখে।

৯. দুই বছরের নিচের বাচ্চাদের নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়াতে
হবে এবং সময়মতো টিকা দিতে হবে।

১০. ছয় মাসের নিচের শিশুকে জনসমাগম, সামাজিক অনুষ্ঠান বা হাসপাতালে না নেওয়াই ভালো। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়তে পারে।

বিশ্ব ঘুম দিবস: ভালো ঘুম কেন জরুরি?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বিশ্ব ঘুম দিবস আজ। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য, ‘কোয়ালিটি স্লিপ, সাউন্ড মাইন্ড, হ্যাপি ওয়ার্ল্ড’। এর অর্থ, গুণগত ঘুম, সুস্থ মন, সুখী পৃথিবী। একটি ভালো ঘুম শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পরবর্তী দিনের কাজের জন্য দেহকে চাঙা রাখে। ঘুম কেন জরুরি, এ বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি।

# একটি ভালো ঘুম মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ম রাখতে উপকারী। ভালো ঘুম না হলে, কোনো কিছু মনে করতে না পারার অসুবিধা হয়। ভালো ঘুম হলে পরের দিনের কাজের ফোকাস ধরে রাখা এবং নতুন তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়।

# ভালো ঘুম মেজাজ ভালো রাখে, দেহ ও মনকে প্রশান্ত করে এবং নেতিবাচক আবেগগুলো কমাতে সাহায্য করে। ইতিবাচক চিন্তা বাড়ায়।

# ভালো ঘুম হলে উচ্চ রক্তচাপ কমে। উচ্চ রক্তচাপে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান।

# ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। দেহ বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস দিয়ে বেশি আক্রান্ত হয়। ঘুমালে ক্লান্তিভাব কমে এবং মন চাঙা থাকে। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

# রক্তের সুগারের মাত্রা ঠিকঠাক রাখতে ভালো ঘুম সহায়ক। এতে টাইপ টু ডায়াবেটিসেরও ঝুঁকি কমে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.