Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 123

রোজায় মাথাব্যথার কারণ, সমাধানে করণীয়

শাশ্বতী মাথিন
রোজা রাখলে শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমে, ওজন কমে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ছাড়া আরো উপকারী দিক রয়েছে রোজা রাখার। তবে দৈনন্দিন রুটিনের পরিবর্তন হওয়ার এ সময় অনেকেই পানিশূন্যতা, মাথাব্যথা ইত্যাদি জটিলতায়ও ভোগে। তবে একটু খেয়াল রাখলে কিন্তু এ ধরনের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি মেলে।

রোজার সময় মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিরোধের বিষয়ে জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ সাভারের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাকিল মাহমুদ।

কারণ
# পানিশূন্যতা
# দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে গ্লুকোজের ঘাটতি
# ঘুমের অসুবিধা
# দৈনিক রুটিনের তারতম্যের কারণে শরীরবৃত্তিয় চক্রের পরিবর্তন
# আগে থেকে মাথাব্যথার সমস্যা থাকলে এ সময় বাড়তে পারে

প্রতিরোধ
# ইফতার ও সেহরিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। পাশাপাশি তরল জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।

# একজন সুস্থ-সবল মানুষের দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি। রমজান মাসে যেহেতু ঘুমের সময়ের পরিবর্তন হয় তাই অনেক রাত র্পযন্ত না জেগে দ্রুত ঘুমিয়ে পরুন।

# মাথাব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেহরি বাদ দেওয়া যাবে না। সেহরি ও ইফতারে শর্করা জাতীয় খাবার রাখুন।

# যারা মাথাব্যথা কমানোর জন্য আগে থেকে ওষুধ সেবন করছেন, তারা রোজার সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেটি চালিয়ে যান।

রোজায় সুস্থ থাকতে জরুরি ৪ পরামর্শ

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রমজান মাস শুরু হয়ে গেছে। রোজার সময় যেহেতু সারাদিন না খেয়ে থাকা হয় এবং খাবার খাওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন আসে, তাই বিষয়টির সঙ্গে শরীরের খাপ খাওয়াতে কিছুটা সময় লাগে। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে কোনো জটিলতা ছাড়াই সুস্থ ও সুন্দরভাবে রোজা পালন সম্ভব। সুস্থভাবে রোজা পালনে কিছু পরামর্শ জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ এক্সচেঞ্জ।

১. সেহরি বাদ নয়
সারাদিনের মধ্যে সকালের নাস্তা খাওয়া যেমন জরুরি, তেমনি রোজার সময় সেহরি করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে আলসেমির কারণে সেহরির সময় না খেয়েই রোজা রাখেন। এটি একদম ঠিক নয়। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার কারণে পানিশূন্যতা, মাথাব্যথা, অবসন্নভাবসহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। রোজার সময় সারাদিন যেহেতু খাওয়া হয় না, তাই শরীরের শক্তি ধরে রাখতে সেহরি বাদ দিলে চলবে না।

২. ইফতারে বেশি খাবার নয়
সারাদিন রোজা রাখার পর অনেকেই ইফতারের সময় অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলেন। এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। ইফতার হতে হবে ভারসাম্যপূর্ণ। এমন খাবার নির্বাচন করতে হবে যা পুষ্টিগুণে ভরপুর। অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ও বেশি চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া হজমের সমস্যা করতে পারে। এতে ওজনও বেড়ে যাবে।

৩. পর্যাপ্ত পানি পান
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ মানুষের দৈনিক ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করা জরুরি। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। পাশাপাশি পানীয় জাতীয় খাবার, যেমন, দুধ, শরবত, রসালো ফল ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখুন। এড়িয়ে যান কোমল পানীয়, দুধ-চা, কফি ইত্যাদি। এগুলো পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

৪. বেশি ভাজাপোড়া খাবার নয়
পেঁয়াজু, বেগুণী, চপ, মাংসের পরোটা ইত্যাদি অবশ্যই মুখরোচক খাবার। সারাদিন রোজা রাখার পর অনেকেই হয়তো এসব খুব স্বাদ করে খান। তবে এ ধরনের খাবার হজমে যেমন সমস্যা করে, তেমনি ওজনও বাড়িয়ে দেয়।
তাই এসব খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে যান। পাশাপাশি অতিরিক্ত লবণাক্ত ও চিনিযুক্ত খাবারও এড়ান। এর বদলে খাদ্যতালিকায় রাখুন গোটাশস্য, ফল, সবজি, সালাদ, দুধ, দই ইত্যাদি।

কেমন হবে সেহরি ও ইফতার?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
রোজার সময় সুস্থ থাকতে সেহরি ও ইফতারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া সবচেয়ে জরুরি। ভারি খাবার, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া হজমে সমস্যা, পেট ফোলাভাব, পানিশূন্যতা ইত্যাদি তৈরি করে ডেকে নিয়ে আসতে পারে নানা বিপত্তি। রোজার সৌন্দর্যই তখন মাটি হয়ে যেতে পারে।

রোজায় সুস্থ থাকতে সেহরি ও ইফতার কেমন হবে, এ বিষয়ে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ সাভারের চিকিৎসক ডা. শাকিল মাহমুদ। তাঁর পরামর্শ মতে,

# ইফতার ও সেহরিতে সুষম, পুষ্টিকর ও ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খেতে হবে। এমন ধরনের খাবার খেতে হবে, যা দেহের পানিশূন্যতা বা হজমের সমস্যা প্রতিরোধ করবে। এ ক্ষেত্রে খেতে পারেন- ঢেঁকি ছাটা চাল, লাল আটার রুটি, সবজি, শশা, টমেটো, গাজর ও খেঁজুর ইত্যাদি। প্রোটিনের চাহিদা পূরণে মাছ- মাংস, ডিম ও দুধ ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে।

# পানিশূন্যতা, প্রস্রাবের বেগ বেশি হওয়া, ঘাম বাড়া ইত্যাদি প্রতিরোধে সেহরি ও ইফতারে চা-কফি, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরক্ত থাকুন।

# সেহরি শেষ সময়ে খান। এতে পেট বেশিক্ষণ ভরা থাকবে। হজম দেরি করে হবে। এতে শরীর শক্তি ধরে রাখবে।

# সহজে হজম হবে এমন খাবার সেহরিতে খেতে হবে। যেমন : দই-চিড়া, আপেল, ডাবের পানি, মৌসুমী ফল ইত্যাদি।

# ইফতার শারীরিক অবস্থার ওপর বিবেচনা করে খেতে হবে। ভাজা পোড়া খাবার দিয়ে ইফতার না শুরু করাই ভালো। কারণ, রোজার পর পাকস্থলী স্পর্শকাতর থাকে। তরল, অর্ধতরল, ফলের জুস, খেঁজুর, পাতলা খিচুরি, বাসার তৈরি হালিম খাওয়া যেতে পারে। তাড়াহুড়া করে খাওয়া যাবে না। ধীরে ধীরে খেতে হবে।

# রোজা রেখে অতিরিক্ত ব্যায়াম/ পরিশ্রম করা, অযথা রোদে ঘোরাফেরা থেকে বিরত থাকুন।

ঘর ঠান্ডা রাখতে চান? ২ গাছ ঘরে রাখুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ঘর ঠান্ডা রাখার বিষয়টি মনে করলেই প্রথমে মাথায় আসে এসির কথা। তবে এসি ছাড়াও কিছু প্রাকৃতিক পদক্ষেপ ঘরকে অনায়াসে ঠান্ডা রাখে। এর মধ্যে অন্যতম হলো গাছ রাখা।

ভারমন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়, সঠিক গাছপালা রাখলে ঘরের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে। দুটো অত্যন্ত উপকারী গাছ রয়েছে, যেগুলো ঘরকে ঠান্ডা রাখতে কাজে দেবে।

মানি প্ল্যান্ট

মানি প্ল্যান্ট ঘরে থাকলে আয়-রোজগার বেশি হয়- এমন একটি ধারণা বেশ প্রচলিত। তবে এটি মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘোরায় কিনা, তার সঠিক জবাব না থাকলেও বাতাস বিশুদ্ধ করতে গাছটি উপকারী। বাতাসের বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ দূর করে ঘরকে ঠান্ডা রাখতে এই গাছ সাহায্য করে।

ছোট রাবার গাছ
রাবার গাছ কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণে খুব সাহায্য করে। কার্বন ডাইঅক্সাইড বেড়ে গেলে বাতাস ভারী হয়ে ঘর গরম হয়ে যায়। তাই ঘরকে ঠান্ডা রাখতে এবং অক্সিজেনের মাত্রা ঠিকঠাক রাখতে এই গাছ নির্বাচন করতেই পারেন।

সূত্র : সিমপ্লিমোস্ট

ঘামের দুর্গন্ধ কমাতে নিয়মিত খান ৩ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
গরম বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘাম আর ঘামের দুর্গন্ধ। তবে কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো এই সমস্যা থেকে রেহাই দিতে উপকারী। ঘামের দুর্গন্ধ কমাবে, এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট লাইফহ্যাক।

১. পালংশাক
পালংশাকে উচ্চ পরিমাণে ক্লোরোফিল রয়েছে। এটি দুর্গন্ধ তৈরিকারী উপাদানগুলোর সঙ্গে লড়াই করে। দুর্গন্ধ কমাতে খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখুন এই শাক।

২. আঁশযুক্ত খাবার
আঁশযুক্ত খাবার ঘামের দুর্গন্ধ থেকে রেহাই দিতে উপকারী। এ ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন গোটাশস্য, ওটস, আপেল, পেয়ারা ইত্যাদি।

৩. পানি
পানি গরমের সময় কেবল তরলের চাহিদা পূরণ করে না, ঘামের দুর্গন্ধ কমাতেও সাহায্য করে। পানিশূন্যতা হলে দেহের বিষাক্ত পদার্থের ঘনত্ব বাড়ে। এতে দুর্গন্ধ হয়। এ ছাড়া পানির পাশাপাশি বেশি করে তরল জাতীয় খাবার (যেমন : ফলের রস, শরবত, স্যালাইন ইত্যাদি) খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

থাইরয়েডের সমস্যা হচ্ছে বুঝবেন ৩ লক্ষণে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
থাইরয়েডকে এনড্রোক্রাইন গ্রন্থি বলা হয়। মানুষের গলার সামনে এর অবস্থান। এই গ্রন্থি থেকে থাইরয়েড হরমোন বের হয়। এই হরমোন দেহের সব রেচন প্রক্রিয়ায় সহযোগী হিসেবে কাজ করে।

দেহ সুস্থ রাখতে থাইরয়েড গ্রন্থি ভালো থাকা জরুরি। কিছু লক্ষণ রয়েছে, যেগুলো দেখলে বোঝা যাবে থাইরয়েডের সমস্যা হচ্ছে। আসুন, জানি সেগুলো।

ওজন বাড়া-কমা
হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া থাইরয়েডের সমস্যার লক্ষণ। থাইরয়েড হরমোনের নিঃসরণ কমে গেলে একে হাইপোথাইরয়েডিজম বলে। এ সমস্যায় ওজন বাড়ে। অপরদিকে হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে গেলে, অর্থাৎ হাইপারথাইরয়েডিজম হলে ওজন কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সুতরাং হঠাৎ এ ধরনের সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হঠাৎ চুল বেশি পড়া
দৈনিক ১০০ চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে এর বেশি পড়লে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। হঠাৎ চুল বেশি পড়া কিন্তু থাইরয়েডের সমস্যার লক্ষণ। থাইরয়েড হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে গেলে এই সমস্যা হতে পারে।

উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা
আপনার কি উদ্বেগ, বিষণ্ণতা বা প্যানিক ডিজঅর্ডারের সমস্যা রয়েছে? থাইরয়েড হরমোনের সমস্যার কারণেও অনেক সময় এসব হয়। তাই এ ধরনের অসুবিধায় দীর্ঘদিন ভুগলে হরমোন পরীক্ষা করান।

শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সহ্য করেও এগিয়েছি

শাশ্বতী মাথিন

উজ্জ্বলা লিমিটেড, বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। নারীকে যোগ্য করে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব খুঁটিনাটি শেখানো হয় এখানে। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারীর সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক বিশেষ আয়োজনের আজ রইল তৃতীয় পর্ব। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শাশ্বতী মাথিন।

পর্ব ৩ : মোহসেনা মুন্নি

গরিবের মেয়ে, দেখতে আহামরি সুন্দর নন, তবুও কেন স্বামী এত সহযোগিতা করে- এ জন্য শ্বশুরবাড়ির ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল মেয়েটিকে। তবুও থেমে থাকেননি। জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্সে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করেছেন। উজ্জ্বলাতে মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন দীর্ঘদিন। পাশাপাশি উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি হয়ে কাজ করেছেন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। ৬০ জন নারী-পুরুষকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। কক্সবাজার, উখিয়া, টেকনাফ ও নীলাতে পার্লারের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ৮৪ নারীকে প্রশিক্ষণ দেন। বলেন, ‘শ্বশুরবাড়িতে প্রচুর নির্যাতনের শিকার হয়েছি। কেবল মানসিক নয়, শারীরিক নির্যাতনেরও শিকার হতে হয়েছে। পরীক্ষার আগের দিন শ্বশুরবাড়িতে একগাদা লতি দেওয়া হয় বাছার জন্য। যেন পড়তে না পারি, পরীক্ষা ভালো না হয়। এখন মনে হয়, কত বিভীষিকাময় জীবন পার করেছি! সেসব পার করে আমি যে মোহসেনা মুন্নি হয়ে উঠেছি, তা উজ্জ্বলার অবদান।’

উজ্জ্বলাতে এসে নিজেকে তৈরি করতে পারব, এই আত্মবিশ্বাস ছিল জানিয়ে মোহসেনা মুন্নি বলেন, ‘উজ্জ্বলাতে প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলাম ২০২০ সালের ৮ মার্চ। বিউটিফিকেশনের সম্পূর্ণ কোর্স করেছি। যত অ্যাডভান্স কোর্স ছিল, করেছি। উজ্জ্বলা আমাকে মানসিকভাবে দৃঢ় হতে সাহায্য করেছে। এখন আমার মনে হয়, আমি যেকোনো ধরনের লড়াই করতে পারব।’

‘আমার দুটো ব্যবসা রয়েছে। পার্লার রয়েছে। অর্গানিক পণ্য উৎপাদন করি। মাসে লাখ খানেক টাকা আয় হয় দুটো ব্যবসা মিলে। অর্গানিক পণ্যের মধ্যে রয়েছে নারকেল তেল, ফেসপ্যাক, বডি প্যাক, মুলতানি মাটি, আমলকী হেয়ার প্যাক। নিজেই তৈরি করে বিক্রি করি। পার্লারে দুজন মেয়ে কাজ করে। আর অর্গানিক পণ্য তৈরির কারখানায় আরও কয়েকজন কাজ করছে’ বলে জানান তিনি।

উজ্জ্বলাতে এসে শিখেছি একা নয়, আরও পাঁচজনকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উজ্জ্বলা কেবল প্রশিক্ষণ দিয়ে ছেড়ে দেয় না; কীভাবে এগিয়ে যেতে হবে, পথটাও দেখায়। এখন আমার কাছে কেউ ব্যবসার পরামর্শ নিতে এলে খুব ভালোভাবে দিতে পারি। হয়তো কারও পুঁজি নেই। তাকে পুরোনো ১০টি শাড়ি দিলাম বিক্রি করার জন্য। বললাম, এ শাড়ি বিক্রি করে যে টাকা পাবে, সেটা তোমার পুঁজি। এটা দিয়ে কাজ করবে। কারণ, এখন পুরোনো জিনিসের বিক্রির বাজারও ভালো। আবার হয়তো আরেকজন এসে বলল, তার চার সন্তান। কাজ করতে পারে না। তাকে হয়তো বললাম, একটি ডে-কেয়ার সেন্টার তৈরি করো। তোমার বাচ্চাসহ আরও বাচ্চাদের রাখো। এতে বাইরে গিয়ে কাজ করতে হবে না। ঘরে বসেই আয় হবে। এভাবে যাকে যেভাবে সাহায্য করা যায়, সেটি করি। আর এই মনোবলটি পেয়েছি উজ্জ্বলার সহপ্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন ম্যাডামের কাছ থেকে। তিনি আমাদের পথিকৃৎ।’

যখন প্রশিক্ষণ দিই অধিকাংশের কাছে মোহসেনা মুন্নি নই, আমি তখন ‘উজ্জ্বলা আপা’। এ বিষয়টি ভীষণ ভালো লাগায়। আমি মানুষের কাছে একজন ‘উজ্জ্বলা’ হিসেবে পরিচিত। এটা আমাকে গর্বিত করে। ভবিষ্যতে এভাবেই কাজ করে যেতে চাই। নিজের পাশাপাশি আরও ১০ জনকে স্বাবলম্বী করতে সাহায্য করব, এটাই আশা।

বৃক্ষচারি পাখি বুলবুলি

বুলবুলি এক বৃক্ষচারি পাখি। বর্তমানে সারাবিশ্বে ২৭ ধরনের বুলবুলি দেখা যায়। বাদামী রঙের পাখিটির ছবি তুলেছেন ওয়াহিদুল হুদা ডালটন।

ত্বক, চুল ও নখ ভালো রাখতে ৩ কার্যকর উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বসন্তকাল চললেও গরম পড়ছে বেশ। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় ত্বক, চুল ও নখের যত্ন নিয়ে পুণরায় ভাবতে হয়। কারণ, শীত ও গরম দুই ঋতুর যত্ন দুই ধরনের। ত্বক, চুল ও নখ ভালো রাখতে কিছু কার্যকরী উপায় জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

পানি পান করা
গরমের সময় অতিরিক্ত ঘামের কারণে দেহ পানিশূন্য হয়ে পড়ে। পানিশূন্যতা ত্বক, চুল ও নখের জন্য ক্ষতিকর। তাই এসব অঙ্গ ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। দৈনিক অন্তত আট থেকে ১০ গ্লাস পানি শরীরের জন্য জরুরি।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
মুখে হয়তো অনেক প্রসাধনী মাখছেন, তবে ত্বক ভালো নয়। অথবা চুলের অবস্থা ভঙ্গুর। তাহলে লাভ কী বলুন? সৌন্দর্য বাড়াতে ভেতর থেকে সুন্দর থাকা জরুরি। আর এ জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস জরুরি। ত্বক, চুল ও নখ ভালো রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখুন প্রচুর পরিমাণে সবজি, ফল ও সালাদ।

নিয়ন্ত্রণে রাখুন মানসিক চাপ
বলিরেখা, চোখের নিচে কালো দাগ, ব্রণ , চুল ঝরে পড়া, নখ ভাঙ্গা ইত্যাদি হতে পারে মানসিক চাপের জন্য। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে ধ্যান, পছন্দের কাজ করা সাহায্য করতে পারে।

মেঘ হও মাছরাঙা

ছবিটি মেঘ হও মাছরাঙা পাখির। লম্বা ঠোঁটের এই পাখিটি এক দুর্লভ প্রজাতির মাছরাঙা। গ্রাম-গঞ্জে চলতে গিয়ে কখনো কখনো হঠাৎ চোখে পড়ে পাখিটি। ছবি তুলেছেন : ওয়াহিদুল হুদা ডালটন

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.