সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বায়ুদূষণে বাংলাদেশ শীর্ষস্থানে রয়েছে। ‘বিশ্বের বায়ুর মান প্রতিবেদন ২০২১’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়। প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭০ লাখ মানুষ বায়ু দূষণের কারণে মারা যায়। দূষণ ঠেকাতে ব্যক্তিগতভাবে করণীয় কী? এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ঘরে থাকুন
ঘরে থাকুন- বলা যত সহজ করাটা তত কঠিন। কাজের কারণে তো ঘর থেকে বের হতেই হয় আমাদের। তবে এ ক্ষেত্রেও কিছুটা সতর্ক হওয়া ভালো। অযথা বাইরে না বের হওয়া, ঘরের ভেতরেরই ব্যায়াম করার চেষ্টা ইত্যাদি অনেকটা সুরক্ষা দেবে এমনই মত বিশেষজ্ঞদের।
মাস্ক ব্যবহার করুন
মাস্ক ফুসফুসকে বায়ুদূষণ থেকে সুরক্ষা দেয়। গবেষণায় বলা হয়, নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার অন্তত ১০ বছর আয়ু বাড়ায়। তাই বাইরে বের হলে অবশ্যই এটি ব্যবহার করুন।
এয়ার পিউরিফায়ার
এই টেকনিক্যাল ডিভাইসটি ঘরে বায়ুর ময়লাগুলোকে শুষে নেয়। যাদের সামর্থ রয়েছে, তারা এটি ব্যবহার করতে পারেন।
উজ্জ্বলা লিমিটেড, বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। উদ্যোক্তাদের যোগ্য করে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব খুঁটিনাটি শেখানো হয় এখানে। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক বিশেষ আয়োজনের আজ রইল ১১তম পর্ব।
বিউটি ইন্ডাসট্রিতে একজন মেয়ে যত সহজে কাজ করতে পারে, একজন ছেলের কাজ করা বা প্রবেশ করাটা হয় ততটাই কঠিন। তারা যেমন শেখার সুযোগ কম পায়, তেমনি বেশিরভাগ ক্লাইন্ট তাদের কাছে সাজতেও অনীহা প্রকাশ করে। তবে এসব প্রতিবন্ধকতা পার হয়ে যারা সামনে এগিয়ে এসেছেন এবং বিউটি ইন্ডাসট্রিতে স্বনামে খ্যাত হয়েছেন, তাদের মধ্যে একজন খোকন বড়ুুয়া। মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে পুরষ্কৃত হয়েছেন ২০১৯ সালে। বিউটি এক্সপো ইন্ডিয়া টেলেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।
‘পথটা মসৃণ ছিলো না। ২০০৯ সালে বিউটি আর্টিস্ট শাহনাজ পারভীন ভারত থেকে এসেছিলেন। তার কাছে কিছুদিন কাজ শিখি। পরে আত্মীয়-স্বজনদের সাজাতাম। বাসায় টুকটাক কাজ হতো। এক সময় দেখা গেলো ছেলে হিসেবে আমার কাছে অনেকে আসতে চাইতো না বা কাজ করতে চাইতো না। এক সময় কাজটাকে বন্ধ করে দিতে শুরু করি। একটি চাকরি করতাম চট্টগ্রাম জজ কোর্টে। আমার একজন দাদা ছিলেন, অ্যাডভোকেট পিন্টু দাস। তিনি আমাকে উৎসাহ দিলেন মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজটি করার জন্য। এটিকে বাদ না দেওয়ার অনুরোধ করলেন। তখন আবার কাজ করতে থাকি। কাজ করতে গিয়ে মনে হলো আমার আরো প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রয়োজন। আরো দক্ষ হতে হবে বিষয়টিতে। এরপর প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য ছোট-বড় অনেক পার্লারে নক করি। কিন্তু কোথাও শেখার সুযোগ পাচ্ছিলাম না। তখন উজ্জ্বলার সন্ধান পেলাম। ছেলে হওয়ার পরও উজ্জ্বলা আমাকে সাদরে গ্রহণ করে,’ বলছিলেন খোকন বড়ুয়া।
একটা সময় ভারত থেকে অ্যাওয়ার্ড শোতে প্রতিযোগী হিসেবে যাওয়ার সুযোগ আসে। অনুষ্ঠানটিতে বিচারক হিসেবে ছিলেন বলিউডের মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা। ছিলেন আমিসা পাটেল, উর্মিলা মাতন্ডকর, দীপিকা পাড়ুকন প্রমুখ। একটু ভীত ছিলাম- জানিয়ে খোকন বড়ুয়া বলেন, ‘তখন উজ্জ্বলার সহপ্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করি। আপুকে মডেলের ছবি দেখিয়েছিলাম। আপু পরামর্শ দিলেন, তুমি যেহেতু দীপিকা পাড়ুকনের প্রোগরামে যাচ্ছো, তাহলে তার ব্রাইডাল লুকটা অনুসরণ করবে। নুড একটা মেকআপ করবে। কারণ, দিল্লীর সবাই সেটি অনুসরণ করে। প্রতিযোগিতার দিন মডেলকে মেকআপটি করাতে আমার সময় লেগেছিলো ৩৫ মিনিট।’
উজ্জ্বলা পুরুষ হিসেবে বিউটি ইন্ডাসট্রিতে শক্তভাবে দাঁড় হতে শিখিয়েছে খোকন বড়ুয়াকে। এক সময় হাজাটার দরজায় কড়া নেড়েছিলেন তিনি, কেবল ভালোভাবে কাজ শেখার জন্য। তবে এখন সেই অবস্থা বদলেছে। তার কাছে এখন কাজ শিখতে আগ্রহী হয় অনেকে। ‘এসব কারণেই নিজেকে একজন উজ্জ্বলা মনে করি। আর ভবিষ্যতে আরো ভালো কাজ করতে চাই,’ বলেন তিনি।
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
গরমে ডিওডরেন্ট বা পারফিউম মেখে বেশিক্ষণ ঘামের দুর্গন্ধ থেকে রেহাই মেলে না। কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো দীর্ঘ সময় ঘামের দুর্গন্ধ কমাতে কাজে দেয়। তবে এর আগে জানা ভালো কেন এই সমস্যা হয়। ঘামের সময় ব্যাকটেরিয়া আমাদের দেহের উপরিভাগে থেকে প্রোটিনকে ভাঙে এবং কিছু এসিড নিঃসরণ করে। এ কারণেই ঘামে দুর্গন্ধ হয়।
অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
এক কাপ অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের ভেতর আধা কাপ পানি মেশান। একটি স্প্রে বোতলে রেখে দিন। প্রতি রাতে ঘুমের আগে এটি স্প্রে করুন। সকালে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
আলু
আলু কেটে ৩০ মিনিট বোগলে ঘষুন। পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে দুর্গন্ধ কমবে।
বেকিং সোডা ও লেবু
দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডার মধ্যে এক টেবিল চামচ লেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি বোগলে ১০ মিনিট মাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।
উজ্জ্বলা লিমিটেড, বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। নারীকে যোগ্য করে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব খুঁটিনাটি শেখানো হয় এখানে। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারীর সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক বিশেষ আয়োজনের আজ রইল ১০ম পর্ব। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শাশ্বতী মাথিন।
১০ম পর্ব- রেহানা ইয়ছমিন পুষ্প
নিজে সাজেন কম, তবে সাজাতে ভীষণ ভালোবাসেন রেহানা ইয়ছমিন পুষ্প।ছোটবেলায় আশপাশের যখন কেউ সাজতো, সেই ঘরে হয়তো ঢুকতে দেওয়া হতো না তাকে। খুব মন খারাপ হয়ে যেতো, আফসোস হতো। তবে এখন নিজেই মেকআপ আর্টিস্ট। উজ্জ্বলাসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেই পার্লার খুলেছেন চট্টগ্রামে। উদ্যোক্তা হয়েছেন, হয়েছেন স্বাবলম্বী।
রেহানা ইয়ছমিন পুষ্প
বড় হয়ে ছাত্রী জীবনে বান্ধবী বা তাদের আত্মীয়দের অনুষ্ঠানে মেহেদি পরানো, মেকআপ করে দেওয়ার কাজটি করতাম জানিয়ে রেহানা ইয়ছমিন জানান, এভাবেই চলছিলো সময়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সোসিওলজিতে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করার পর কিছুটা অবসর পাওয়া গেল। সে সময় আমি ও আমার এক বান্ধবী মিলে চট্টগ্রামের একটি পার্লার থেকে বেশ কিছুটা স্যালনের কাজ শিখি। তখন এই পেশাকে কেউ ভালো চোখে দেখতো না। বাবা বললেন, ‘এত পড়াশোনা শিখে চাকরি-বাকরি করবে। এসব কাজ কেন করবে? ‘ মধ্যবিত্ত রক্ষণশীল পরিবারে যা হয় আরকি। আমি বললাম, ‘শিখে রাখি।’ বাবা কোনো টাকা-পয়সা দেয়নি শিখতে। ধীরে ধীরে ইন্সটলমেন্ট দিয়ে শিখলাম। শেখার পর দুই বান্ধবী মিলে একটি স্যালন দিলাম। ইতোমধ্যে লোকাল একটি এনজিওতে আমার চাকরি হয়। এরপর পার্লারটি ছেড়ে চলে আসি।
চাকরি করলে কী হবে, কাজ শেষে পার্লারে গিয়ে বসে থাকতাম। এত ভালোবাসতাম আসলে বিষয়টিকে। একটা নেশা ছিলো। ওই কষ্ট থেকে ভাবতে থাকলাম কী করা যায়। এরপর চাকরি করতে করতেই নিজে একটি পার্লার দিলাম। অফিসের পরে ও বন্ধের দিন সেটা চালাতাম। এভাবে এক বছর চলেছে। এরপর ভাবলাম চাকরি ছেড়ে দিই। যখন এটাই ভালো লাগে এটা নিয়েই কাজ করি। এখন নিজের পার্লারই চালাচ্ছি- জানান রেহানা।
আমাদের সময় ভালো প্রশিক্ষণ সেন্টার ছিলো না জানিয়ে রেহানা বলেন,’২০০৬ এর দিকের কথা বলছি। নিজের পার্লার চালু করার পর ভীষণ অভাব বোধ করছিলাম সম্পূর্ণ ও সঠিক একটি প্রশিক্ষণের জন্য। আর যেসব প্রতিষ্ঠান ছিলো সেখানেও অনেক খরচ। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় গিয়ে আমাদের মতো পরিবারের জন্য এটি সম্ভব নয়। এর মধ্যে আমি চট্টগ্রাম ওমেন চেম্বারের সদস্য হই। ২০১৩ তে গিয়ে এসএমই ফাউন্ডেশনের একটি কোর্স করানো হয়। ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ ছিলো এটি। এর মধ্যে উজ্জ্বলার পোস্ট দেখলাম। ২০১৭ সালে ব্র্যাকের একটি প্রশিক্ষণ হয় উজ্জ্বলার মাধ্যমে। ওখানে দেশের অন্যতম রূপ বিশেষজ্ঞ আফরোজা আপার সঙ্গে দেখা। এরপর ঢাকায় গিয়ে উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিই। বিভিন্ন ছোট ছোট কোর্স করি।বর্তমানে বিউটি আর্টিস্টদের প্রশিক্ষণের সুযোগ বেড়েছে।’
আমার পার্লারটি ভালোই চলছে। তবে সমস্যা হলো প্রশিক্ষণ দিয়ে হয়তো কয়েকজন কর্মী তৈরি করলাম, শেখার পর অন্য পার্লারে চলে গেলো- জানান রেহানা।
বর্তমানে আমি ভালোলাগার কাজটি করতে পারছি জানিয়ে রেহানা বলেন, ‘উজ্জ্বলা আমাকে সেই কাজটি করতে সহজ করে দিয়েছে। আমি যতটুকু আয় করছি, তা থেকে পরিবারকে ১০০ ভাগ সহযোগিতা করছি। আমাকে কারো উপর নির্ভরশীল হতে হয় না। আত্মসম্মান নিয়ে টিকে আছি। এ জন্য নিজেকে একজন উজ্জ্বলা মনে হয়।’
রেহানা স্বপ্ন দেখেন নিজের ব্যবসাকে আরো বড় করার। বললেন, ‘এখন এলাকা ভিত্তিক কাজ করছি। প্রধান শহরে এসে পার্লার খুলতে চাই। আমার কাজটাকে সবাই জানুক এটা চাই। আমি না থাকলেও আমার কাজ নিয়ে মানুষ কথা বলুক।’
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পানি দেহের জন্য জরুরি- এ তো সবারই জানা। তবে যেই পাত্রে পানি পান করছেন সেটি স্বাস্থ্যকর কি না, তা-ও দেখা চাই। অনেকেই কাচের, স্টিলের বা প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করেন। তবে জানেন কি কোন বোতলে পানি পান দেহের জন্য ভালো? এ বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি হিউম্যান ডটকম।
স্টিল বা প্লাস্টিকের বোতলের চেয়ে পানি পানের জন্য কাচের বোতল উপকারী- এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, কাচ প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়। এ ধরনের বোতলে পানি পান করলে দেহের তেমন ক্ষতি হয় না।
অপরদিকে স্টিল, প্লাস্টিকের বোতল পানি পানের জন্য তেমন উপযোগী নয়। স্টিল বিভিন্ন ধাতুর মিশ্রণে তৈরি। এসব ধাতু দেহের জন্য ক্ষতিকর। আবার প্লাস্টিকের বোতলগুলোও এমন পদার্থ দিতে তৈরি যা দেহের জন্য অত্যন্ত হানিকর। তাই এ ধরনের বোতল এড়িয়ে কাচের বোতলেই পানি পানের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগ দূরের অন্যতম উপায় হলো বর্তমানে থাকা। দুশ্চিন্তা হলো মনের সেই অবস্থা যখন সব নেতিবাচক, অমূলক ভাবনাগুলো গ্রাস করে আমাদের। আর ভয়াবহভাবে এর ভুক্তভোগী হয় দেহ ও মন। শুরু হয় বিভিন্ন দৈহিক জটিলতা ও মানসিক অশান্তি। দ্রুত দুশ্চিন্তা কমানোর কিছু দাওয়াই বাতলেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইনডটকম। আসুন জানি।
বর্তমানে থাকা
দুশ্চিন্তা দূরের অন্যতম দাওয়াই হতে পারে বর্তমানের দিকে মনোযোগ দেওয়া। এ ক্ষেত্রে কিছু পদ্ধতি মানা যেতে পারে। শ্বাস নেওয়ার সময় বর্তমানের কিছু বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে।
যা করতে হবে
# শ্বাস নিতে নিতে পাঁচটি জিনিসের দিকে তাকান।
# স্পর্শ করতে হবে চারটি জিনিস।
# শুনতে হবে তিনটি বিশেষ শব্দ ।
# দুটি বিশেষ গন্ধ নেবেন
# সম্ভব হলে একটি বিশেষ স্বাদের খাবার খেতে হবে এবং তাতে মনোযোগী হবেন। এভাবে একদম বর্তমান বিষয়ের ওপর মনোযোগ দিয়ে দুশ্চিন্তা কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব।
লিখে ফেলা
কী নিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে, কেন হচ্ছে, আপনার জানা মতে সমাধানের উপাগুলো কী কী হতে পারে সেগুলো লিখে ফেলুন। মানসিক চাপ কমাতে মনের ভাবনাগুলো কাগজে লিখে ফেলার এই পদ্ধতি বেশ পুরােনো। মাথার এলোমেলো ভাবনাগুলো কাগজে লিখে ফেললে একটি আকৃতি পায়, বিষয়টা গুছানো হয়। উদ্বেগ দূর করতে এটি হতে পারে আপনার অন্যতম পদ্ধতি। তবে খুব বেশি সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
রূপার গয়না অনেকেরই পছন্দের। তবে মুশকিল হলো কিছু দিন যেতে না যেতেই গয়নার কালচে দাগ পড়ে যায়। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে কিন্তু গয়না দীর্ঘদিন সুন্দর থাকে, জেল্লাও ছড়ায়।
# টুথব্রাশে টুথপেস্ট ভরে গয়নার ভেতর লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
# একটি পাত্রে ভিনেগার ও বেকিং সোডা মিশিয়ে গয়না ভিজিয়ে রাখুন। পাঁচ মিনিট পর তুলে ফেলুন।
# একটি কাঁচের পাত্রের গায়ে অ্যালুমনিয়াম ফয়েল লাগিয়ে নিন। পাত্রের মধ্যে গয়নাগুলো দিয়ে দিন। এরপর এতে হালকা গরম পানি দিন। এরপর এর ভেতর দুই চা চামচ বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশান। দুই মিনিট পর গয়না তুলে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছুন।
সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
চিকেন উইংস অনেকেরই পছন্দের খাবার। তবে বাসায় রান্না করতে গেলে কিছু কৌশলের অভাবে অনেক সময় হয়তো মাংস কাঁচা থেকে যায় বা কোটিং শক্ত হয়ে যায়। তাই আজ জানাবো সঠিকভাবে চিকেন উইংস তৈরির রেসিপি।
উপাদান
মুরগীরর মাংস- আধা কেজি
দই – পাঁচ টেবিল চামচ
মরিচ – এক চা চামচ
লবণ – স্বাদ মতো
ধনে গুঁড়া- এক চা চামচ
জিড়া গুঁড়া- আধা চা চামচ
গোল মরিচের গুঁড়া- সামান্য
রসুন গুঁড়া- এক চা চামচ
আদা গুঁড়া- এক চা চামচ
রসুন বাটা – এক চা চামচ
সিরকা- দুই টেবিল চামচ ( সিরকা না থাকলে লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।)
কোটিংয়ের জন্য
ময়দা দুই কাপ
রসুন গুঁড়া – এক চা চামচ
লবণ- এক চা চামচ ( সব উপাদান ভালোভাবে মেশাতে হবে।)
যেভাবে তৈরি করবেন
মুরগীর মাংসসহ সব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে কভার করে ফ্রিজে রেখে দিন। দুই ঘণ্টা এভাবে রাখুন। এবার ফ্রিজ থেকে নামিয়ে ময়দার মধ্যে মুরগীর মাংসগুলো মাখাতে হবে। একটি বাটির মধ্যে পানি নিয়ে একটি একটি করে ময়দায় মাখানো মুরগীর মাংস ভেজাতে হবে। পানি ঝরিয়ে আবার ময়দার মধ্যে দিতে হবে। ভালোভাবে মাখিয়ে অল্প আঁচে মাংসগুলো ভেজে ফেলুন। ১২ থেকে ১৪ মিনিট অল্প আঁচে ভাজার পর নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেলে সুস্বাদু চিকেন উইংস।
ঋতুস্রাব নারী শরীরের এক স্বাভাবিক অধ্যায়। টানা তিন থেকে সাতদিন রক্তপাত হওয়ার কারণে স্বভাবতই শরীর ক্লান্ত, শ্রান্ত হয়ে পড়ে। এ সময় সুস্থ থাকতে খাবার-দাবার, পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ঋতুস্রাবের সময় সুস্থ থাকতে কিছু উপায়ের কথা বাতলেছে হেলথশটসডটকম। আসুন জানি।
১. ব্যায়াম
ঋতুস্রাবের সময় সারাক্ষণ শুয়ে-বসে না থেকে একটু ব্যায়াম করুন। খুব ভারী ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। তবে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট হাঁটুন। এটি ঋতুস্রাবের সময় শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
২. পর্যাপ্ত ঘুমান
ঋতুস্রাবের সময় হরমোনের উঠা-নামা ঘটে। এ সময় পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় সাত থেকে আট ঘণ্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে।
৩. স্বাস্থ্যকর খাবার খান
স্থূলতা ও হরমোনের ভারসাম্যহীনতার সঙ্গে একটি শক্ত সংযোগ রয়েছে। ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস এ সময় শরীরকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ সময় সবজি, ফল, বাদাম, প্রোটিন ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখতে হবে।
৪. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
মানসিক চাপে ঋতুস্রাবের ওপর প্রভাব ফেলে। অনেক সময় ঋতুস্রাবের চক্রও বদলে যেতে পারে। আর এ সময় হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে এমনিতেও মন ও শরীর কিছুটা অবসন্ন লাগে। এ অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত ধ্যান করুন। ধ্যান মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে।
৫. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
ঋতুস্রাবের সময়ে সুস্থ থাকতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিতে খেয়াল রাখা জরুরি। পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা পর পর স্যানিটারি ন্যাপকিন পরিবর্তন করুন। অন্তর্বাস ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।
এবার ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামে নতুন শাখা শুরু করেছে উজ্জ্বলা। এই উপলক্ষে গত ২৪ মে, বিকাল ৩টায়, হোটেল রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ববর্গ। তাঁরা হলেন- জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন, আফসানা আরা বিন্দু, সামিয়া আফরীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বনামধন্য ফ্যাশন ডিজাইনার লিপি খন্দকার, শৈবাল সাহা, ডান্স কোরিয়গ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সােহাগ, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর সাইমুল করিম। এ ছাড়াও বিশেষ অতিথির আসন অলংকৃত করেন, মেরিডিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান ও লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিসট্রিক্ট থ্রি ফিফটিন বি ফোর-এর সেকেন্ড ভাইস গর্ভনর কহিনূর কামাল। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের মিডিয়া ইনফ্লুয়েনসার।
উজ্জ্বলা, বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। উজ্জ্বলা প্রান্তিক নারীকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে কাজ করে, যা দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদকে শক্তিশালী করতে সহায়ক।
নতুন প্রজন্মের নারীরা যেন বিশ্বমানের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং-এ নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারেন, সেই চিন্তা থেকে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে উজ্জলা। নারীকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব বিস্তারিত শেখায় প্রতিষ্ঠানটি। দেশের সেরা বিউটি আর্টিস্টরা এসব প্রশিক্ষণের ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে থাকছেন। উজ্জ্বলার বিভিন্ন কোর্স করার মাধ্যমে নারীরা নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারছেন ও দেশীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। গত পাঁচ বছরে প্রায় চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর ট্রেনিং শেষ করেছে উজ্জ্বলা। তরুণ শক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করাই প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য।
বর্তমানে বিউটি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি পারসোনাল কেয়ার পন্য বাজারে এনে নতুন পথচলা শুরু করেছে উজ্জ্বলা। এসব পন্যের মধ্যে রয়েছে শ্যাম্পু, বডি ওয়েল, হেয়ার ওয়েল। পন্যগুলো তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়ার উপযুক্ত করে। বিশুদ্ধ উপাদান ব্যবহার করে দেশীয় ফর্মুলায় তৈরি এসব পন্য বাংলাদেশের মানুষের ত্বক ও চুলের যত্নে উপযোগী। বিউটি কেয়ার পন্য দেশের মাটিতে উৎপাদন করে অর্থনীতির চাকাকে বেগবান করতে উজ্জ্বলা বদ্ধ পরিকর।