Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 119

পেশাগত দিকে যা ভালো লাগে সেটিই করা উচিত

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

উজ্জ্বলা লিমিটেড, বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। উদ্যোক্তাদের যোগ্য করে তুলতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিংয়ের সব খুঁটিনাটি শেখানো হয় এখানে। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক বিশেষ আয়োজনের আজ রইল ১২তম পর্ব।

পর্ব ১২ : আয়শা সিদ্দিকা রফরফ

চট্টগ্রামের মেয়ে আয়শা সিদ্দিকা রফরফ ২০১৯ সালে উজ্জ্বলাতে প্রশিক্ষণ নিতে আসেন। প্রথমে চট্টগ্রামে ক্লাস করেছেন। পরে ঢাকা গিয়ে ক্লাস করেন। উজ্জ্বলা তাঁকে শিখিয়েছে কীভাবে স্বাবলম্বী হতে হয় এবং সব পরিস্থিতিতে নিজেকে শক্ত রাখতে হয়। বর্তমানে দ্যা পার্ল অ্যান্ড বিউটি নামে একটি স্যালন খুলেছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন একজন স্বাবলম্বী উদ্যোক্তা। সংসার ও কাজ দুটো সামলাচ্ছেন দাপটের সঙ্গে।

‘ছোটবেলা থেকে মেকআপ করার প্রতি খুব আগ্রহ ছিলো। মেকআপ করতে খুব পছন্দ করি। চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি থেকে লেখাপড়া শেষ করার পর মনে হচ্ছিলো কী করলে পরিবারকে সময় দিতে পারবো, আবার কাজও করতে পারবো। বিউটিফিকেশনকে আমার জন্য আসলে খুব স্বস্তির জায়গা মনে হয়েছে। এখানে মেয়েদের জন্য কাজ তো করতেই পারবো, পাশাপাশি চাকরি ও পরিবার দুটোকেই ভালোভাবে চালিয়ে যেতে পারবো। মনে হয়েছিলো যেই কাজটা ভালো লাগে, সেই কাজটি করা উচিত। সেই কাজটি করলেই ভালো করা যাবে.’ বলছিলেন আয়শা সিদ্দিকা।

উজ্জ্বলার কোর্সগুলো করার সময় ভেবেছিলাম নিজের একটি প্রতিষ্ঠান দিতে হবে। এই ভাবনা থেকে চট্টগ্রামে স্যালন শুরু করি। স্যালন থেকে মোটামুটি ভালো আয় হয়- জানান তিনি।

স্যালন শুরু করতে এবং প্রশিক্ষণ নিতে আমার স্বামী খুব সহযোগিতা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত তিনিই সবচেয়ে সহযোগিতা করছেন এবং স্যালনটিও তিনি তৈরি করে দিয়েছিন। আমার স্বামী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রফেসর মো. আবুল বাসার। আমার বাবার বাড়ি ও শশুড় বাড়ির মানুষও আমাকে সহযোগিতা করেছে, করছে কাজটি করার জন্য।’

উজ্জ্বলাতে এসে আমি অনেক শিখেছি। সমাজে শক্তভাবে দাঁড়াতে, নিজেকে গড়ে তোলার জন্য ভালো ব্যবহার যে একটি বড় বিষয় সেটি বুঝেছি।। উজ্জ্বলা আমাকে এসব শিখিয়েছে। এই জন্য নিজেকে উজ্জ্বলা মনে করি- জানান আয়শা সিদ্দিকা।

দেশের বাইরে গিয়ে বিউটিফিকেশনের ওপর প্রশিক্ষণ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজের প্রতিষ্ঠানটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে চাই। কাজ দিয়ে আরো পরিচিত হতে চাই সমাজে। কাজ দিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।’

অনেক পানি একসঙ্গে পান কি ভালো?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পানি শরীরকে আর্দ্র রাখতে জরুরি। একজন সুস্থ-সবল মানুষকে দৈনিক আট থেকে ১২ গ্লাস পানি পানের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। তবে অনেকেইে রয়েছেন যারা একসঙ্গে এক বোতল বা কয়েক গ্লাস পানি পান করে ফেলে। আর মাঝখানের সময়টাতে একদমই অবহেলা করে।

আবার কেউ কেউ এক চুমুক করে কয়েক বার পানি পান করে। পানি পানের কোন নিয়ম শরীরের জন্য ভালো? বিশেষজ্ঞরা জানান, পানি পান করতে হবে কিছুক্ষণ পর পর। একসঙ্গে অনেক নয়, আবার এক চুমুক করে করে নয়। কিছুক্ষণ পর পর এক থেকে দুই গ্লাস করে সারাদিন পানি পান করতে হবে।

কিছুক্ষণ পর পর পানি পানের উপকারিতা কী?
# শরীরে ক্লান্তিভাব কমে।
# হজম শক্তি ভালো হয়।
# দেহ আর্দ্র থাকে, যা সম্পূর্ণ শরীরের জন্যই ভালো।
# ক্ষুধা কম লাগে।

সূত্র : হেলথ লাইন

ঝটপট নাস্তায় এগ ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস

হঠাৎ করে অতিথি এসে হাজির, কিংবা সন্তান খেতে চাইছে মজাদার কোনো খাবার। এমন সময় ঝটপট তৈরি করে দিতে পারেন এগ ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস। সময়ও কম লাগবে, উপাদানও বেশি প্রয়োজন হবে না। এগ ফ্রেঞ্চ ফ্রাইসের রেসিপিটি জানিয়েছেন সুসমা আক্তার।

উপাদান
আলু – ৩ টি
ডিম -২ টি
মরিচগুঁড়া- ১ চা চামচ
আদা গুঁড়া – আধা চা চামচ
চাট মশলা- ১ চা চামচ
লবণ- স্বাদমতো
ওরেগানো- চার ভাগের এক ভাগ
ময়দা- আধা কাপ

যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথম আলুর খোসা ছাড়িয়ে নিন। ফ্রেঞ্চ ফ্রাইসের আকারে কেটে নিন। পানি দিয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। এরপর টিস্যু পেপার দিয়ে চেপে চেপে বাড়তি পানি মুছে ফেলুন। তারপর এর মধ্যে দুটো ডিম দিন। এবার এতে মরিচগুঁড়া, আদাগুঁড়া, লবণ, চাট মশলা ও ওরেগ্যানো দিয়ে ভালোভাবে মেশান। ময়দা দিয়ে মাখিয়ে নিন।

এবার একটি পাত্রে তেল গরম করে আলুগুলো ভেজে ফেলুন। লালচে হয়ে এলে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেলো মজাদার এগ ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস।

চল্লিশের পর পুরুষের জন্য জরুরি ৫ স্বাস্থ্য পরীক্ষা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা রোগব্যাধি দেহে বাসা বাঁধতে শুরু করে। তাই কয়েকটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা বেশ জরুরি। না হলে ভুগতে হয় দীর্ঘদিন। চল্লিশের পর পুরুষের করা ভালো এমন কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মানসিক চাপ পরীক্ষা
উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা, মানসিক চাপ জীবনেরই অংশ। তবে এগুলো বেশি হয়ে গেলে এবং সারাক্ষণ অবসন্নভাব থাকলে ভাবার বিষয়। মানসিক চাপ থেকে হৃদরোগ, স্ট্রোক, শ্বাসকষ্ট, বুক ধরফর, ছোট শ্বাস ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। তাই মনের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে জেনে নিন মানসিক চাপের অবস্থা। মনোচিকিৎসকদের কাছে এ সমস্যা ধরার কিছু প্যারামিটার রয়েছে। বিভিন্ন সমস্যা থেকে রেহাই পেতে চল্লিশের পর একজন মনোচিকিৎসকের কাছ থেকে বিষয়টি পরীক্ষা করে নিতে পারেন।

ডায়াবেটিস
চল্লিশের পর ডায়াবেটিস রয়েছে কি না পরীক্ষা করান। এটি এমন একটি রোগ যা সারাজীবন তো ভোগাবেই, দেহের বিভিন্ন অঙ্গেরও ক্ষতি করবে। তাই দেরি করবেন না।

প্রোস্টেট ক্যানসার
বয়স বাড়তে থাকলে পুরুষের প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যায়। প্রোস্টেট ক্যানসার হওয়ারও আশঙ্কা বাড়ে। তাই চল্লিশের পর এ পরীক্ষা করাতে একদমই দেরি নয়।

হাড় ক্ষয়
চল্লিশের পর পুরুষের অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয় রোগের আশঙ্কা বাড়ে। হাড়ের কোনো সমস্যা খেয়াল করলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং অস্টিওপরোসিস রয়েছে কি না পরীক্ষা করান।

কোলেস্টেরল
চল্লিশের পর কোলেস্টেরলের পরীক্ষাটিও জরুরি। দেহে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে।

করোনা বাড়ছে, মেনে চলুন ৫ বিষয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
কোভিড-১৯ এর চতুর্থ ঢেউ শুরু হয়ে গেছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত শুক্রবার পর্যন্ত নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে এক হাজার ৬৮৫ জনে। এ নিয়ে মোট সনাক্ত হলো, ১৯ লাখ ৬২ হাজার ২১৪ জন।

এ রকম পরিস্থিতিতে করোনা প্রতিরোধে আরো সতর্ক হওয়া জরুরি। সতর্কতার বিষয়গুলো জানা থাকলেও অনেকেই তা পালনে অবহেলা করেন। তাই বার বার বিষয়গুলো মাথায় নেওয়া প্রয়োজন।

১. ভ্যাকসিন নেওয়া
যারা ইতোমধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে নিয়েছেন তারা তো সুরক্ষিত আছেনই। তবে যারা ভ্যাকসিন নেননি তারা দেরি না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিন এবং যাদের বুস্টার ডোজ দেওয়া বাকি রয়েছে তারাও এটি দিয়ে দিন।

২. মাস্ক পরুন
মাস্ক ছাড়া বাড়ির বাহিরে যাবেন না। কাপড়ের মাস্ক থেকে শুরু করে সার্জিক্যাল বিভিন্ন মাস্ক পাওয়া যায় এখন। এটি বায়ুদূষণের হাত থেকেও রক্ষা করবে আপনাকে।

৩. দূরত্ব বজায় রাখুন
খুব ভীড় বা জনসমাগমপূর্ণ স্থান এড়িয়ে চলুন। বাইরে বের হতে হলে একজন থেকে আরেকজনের ক্ষেত্রে অন্তত ছয় ফিট দূরত্ব বজায় রাখুন।

৪. হাত ধোন
কিছুক্ষণ পর পর হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন। এ ছাড়া হাঁচি-কাশি দেবার পর অবশ্যই হাত ধোন।

হাত কখন ধুতে হবে-
# খাবার রান্নার আগে
# মুখে হাত দেবার পর
# বাথরুম থেকে আসার পর
# জনসমাগম ত্যাগ করার পর
# শিশুর ডায়াপার পরিবর্তনের পর
# পশু-পাখি ধরার পর
# অসুস্থ কোনো ব্যক্তির সেবা করার পর বা তাকে সাক্ষাতের পর

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এমন খাবার খান
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এমন খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।ভিটামিন সি যুক্ত ফল, যেমন- পেয়ারা, লেবু, কমলা, কাঁচা মরিচ, মাল্টা ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় বেশি করে রাখুন। এ ছাড়া সুষম খাবার হিসেবে দুধ এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার হিসেবে মাছ, মাংস, ডাল ইত্যাদি খান। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

তুলসি-আদার চা কেন উপকারী?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা কি মন ভালো করে দেয় আপনার? চা পান করে দিনটা শুরু করা কি আপনার দৈনন্দিন অভ্যাস? অভ্যাসটা কিন্তু মন্দ নয়। তবে চা-এর মধ্যে কিছু উপাদান মেশালে বিষয়টি আরো স্বাস্থ্যকর হয়; রোগব্যাধিও দূরে থাকে।

তুলসি-আদার চা এমনই একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়। তুলসীকে ভেষজ উপাদানের রাণী বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ওষুধি গুণাগুণ। এটি বিভিন্ন সংক্রমণ প্রতিরোধ করে, রক্তের সুগারের মাত্রা কমায়। আর আদা দেহ থেকে বিষাক্ত পদার্থ কমায়। এর প্রদাহরোধী উপাদান বিভিন্ন সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসি-আদার চা তৈরির প্রক্রিয়া জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

আদার খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে নিন। কয়েকটি তুলসি পাতা ধুয়ে রাখুন। এক জনের জন্য তৈরি করতে চাইলে একটি পাত্রে এক কাপের একটু বেশি পানি দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন। এর মধ্যে আদা ও তুলসি পাতা যোগ করুন। এরপর এতে চা পাতা দিয়ে দিন। এর মধ্যে প্রয়োজন মতো চিনি ও দুধ যোগ করুন। হয়ে এলে নামিয়ে ছেঁকে নিন। তৈরি হয়ে গেলো তুলসি- আদার চা। এবার পরিবেশন করুন।

গলাব্যথা কমাতে মধু কতটা উপকারী?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
আপনি কি ঠান্ডা-কাশি বা গলাব্যথার সমস্যায় ভুগছেন? এ সমস্যার সমাধানে মধু হতে পারে চমৎকার উপায়। মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ব্যাকটেরিয়ারোধী, প্রদাহরোধী উপাদান। গবেষণায় বলা হয়, মধু দ্রুত নিরাময়ে সাহায্য করে। তাই গলাব্যথা কমাতে এটি কার্যকরী উপাদান। গলাব্যথা কমাতে মধুর ব্যবহারের বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইডটকম।

মধু ও গরম পানি
কেবল দুই চা চামচ মধু এক গ্লাস পানির ভেতর মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। দিনে তিন থেকে চার বার এভাবে মধু-গরম পানি পান করুন।

মধু ও আদা
আদা ও মধু একসঙ্গে খেলে কাশি, ঠান্ডা ও অ্যালার্জির সমস্যা কমে। এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি গলাব্যথা কমাতেও বেশ উপকারী। কিছু আদা টুকরো করে কেটে নিয়ে এর রস বের করুন। এই রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান। ভালো ফলাফলের জন্য দিনে তিন থেকে চার বার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

মধু ও তুলসি
তিন থেকে চারটি তুলসি পাতা ধুয়ে চিবিয়ে রসটি খান। পাশাপাশি এক চা চামচ মধু খেয়ে নিন। এই পদ্ধতিটিও গলাব্যথা কমাতে কাজে দেবে।

৩০ এর পর সুস্থ থাকার উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
বয়স বাড়তে থাকলে দেহের শক্তি কমে আসে। তাই একটা সময় পর থেকে দেহের বাড়তি যত্ন জরুরি। কোলেস্টেরল, হৃদরোগ, মানসিক চাপ ইত্যাদি কমাতে ৩০ বছরের পর থেকেই কিছু বিষয়ে নিয়মিত নজর দেওয়া ভালো। ৩০ বছরের পরেও দীর্ঘদিন সুস্থ থাকার কিছু উপায় জানিয়েছে বেটারহেলথ।

ঠিকঠাক রাখুন ওজন
ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ইত্যাদি সমস্যা এড়ানো সম্ভব। তাই ডায়েটের দিকে একটু মনোযোগী হোন। অনেকেই কিছুদিন ডায়েট করে ওজন কমে এলেই ছেড়ে দেয়। এটি করবেন না। খাদ্যতালিকা এমনভাবে তৈরি করুন যেন সব খাবার ভারসাম্যপূর্ণভাবে থাকে এবং ওজনও নিয়ন্ত্রণ হয়।

মানসিক চাপ থাকুক দূরে
বললেই তো আর হলো না মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকুন। ব্যস্ত আর জটিল জীবনে কত শত যন্ত্রণা তো থেকেই যায়। তবে এসব চাপের ভেতরেও ভালো থাকাটা যে শিখে নিতে হবে। কী করে? ধ্যান বা শিথিলায়নের চর্চা করুন। পাশাপাশি করতে পারেন প্রাণায়াম। আর খুব বেশি সমস্যা হলে সাইকোথেরাপিস্টরা তো রয়েছেনই। তাদের পরামর্শ নিন।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন
পানিশূন্যতা দেহে নানা জটিলতা তৈরি করে। প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। এতে প্রস্রাবের মাধ্যমে দেহের বিষাক্ত পদার্থগুলো দূর হয়ে যাবে।

চিনি জাতীয় খাবার কম খান
দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। অতিরিক্ত চিনি ওজন বাড়িয়ে দেবে। আর স্থূলতা যেসব বিপত্তিগুলো ডেকে আনে তা তো আর অজানা নয়।

পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি। ঘুম কোষগুলোকে চাঙা করে পরের দিনের কাজের জন্য প্রস্তুত করে আপনাকে।

ঘুমের মতো আরেকটি জরুরি বিষয় হলো ব্যায়াম। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। সবসময় যে ভারী ব্যায়াম করতে হবে তা নয়। হাঁটা, সাইকেলিং, দৌড়ানোও দেহের জন্য বেশ ভালো। নিয়মিত করতে পারেন যোগাসনও।

বৃষ্টির দিনে সুস্থ থাকার ৬ উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বৃষ্টি অনেককেই বেশ কাব্যিক করে দেয়। আবার অনেকের কাছে বৃষ্টি অসহ্যের। স্যাঁত স্যাঁত পরিবেশ, ভেজা-কাঁদা রাস্তা। সর্দি-কাশি- ঠান্ডার সমস্যা অথবা বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি-র্যাশ। তবে এসব সমস্যা থাকবে বলে কি আর বর্ষাকে উপভোগ করবেন না? বর্ষায় সুস্থ থাকার কিছু পরামর্শ জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট ফার্ম ইজি।

  •  এ সময় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি খান। ভিটামিন সি পাওয়া যাবে আমলকী, মাল্টা, কমলা, পেয়ারা, মরিচ, লেবু ইত্যাদিতে।
  • বর্ষার সময় পানি বাহিত রোগ ( টাইফয়েড, জন্ডিস ইত্যাদি) বাড়ে। তাই পরিষ্কার ও পরিশোধিত পানি পান করছেন কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
  • টক দই, বাটার মিল্ক ইত্যাদি এ সময়ের ভালো খাদ্য। এগুলোতে প্রোবায়োটিব থাকে। প্রোবায়োটিক খাবারের পুষ্টিগুলোকে ভালোভাবে শোষণ করতে সাহায্য করে।
  • রাস্তার ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে যান। এগুলোতে ক্ষতিকর মাইক্রোজেনিসম থাকে। এ ধরনের খাবার খেতেই হলে ঘরে বানিয়ে খান।
  • পানি জমিয়ে রাখবেন না। বর্ষায় সুস্থ থাকতে কখনোই বালতি, টায়ার, টব ইত্যাদিতে পানি জমিয়ে রাখা যাবে না। এগুলো মশার চমৎকার বাসস্থল।
  • সুস্থ থাকতে হলে সর্বোপরি পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। হাত ও পায়ের নখে যেন ময়লা না জমে সেদিকেও খেয়াল রাখুন। নিয়মিত গোসল এ সময়টায় আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

দড়ি লাফে দ্রুত কমবে ওজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ছোটবেলায় দড়ি লাফ খেলেননি এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। দড়ি লাফ দেহের পেশিগুলোকে শক্তি দেয়, বাড়তি মেদ ঝড়াতে সাহায্য করে। আর এসব উপকারগুলো না বুঝেই ছোটবেলায় আমরা পেয়ে যেতাম।

তবে কেবল ছোটবেলাই কেন বড় বেলাতেও ব্যায়াম হিসেবে দড়ি লাফকে বেছে নিতে পারেন অনায়াসে। দড়ি লাফের কিছু উপকারের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

# ব্যায়াম করাটা অনেকের জন্যই বেশ একঘেয়ে। দড়ি লাফ ব্যায়ামকে একঘেয়ে করে না।
# এটি হার্ট রেটকে ভালো রাখে।
# এটি হাড়ের শক্তি বাড়ায়।
# দীর্ঘমেয়াদে অবসাদ ও ক্লান্তি দূর করে।
# মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
# দ্রুত পেটের মেদ ঝড়াতে সাহায্য করে।
# দেহকে কর্মক্ষম রাখে।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.