Monday, September 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 114

লুচি তৈরিতে খেয়াল রাখুন ৬ বিষয়

কবিতা বিশ্বাস

বাঙালির উৎসব-পার্বনে লুচি না হলে যেন চলেই না। সবজি হোক, কিংবা মাংস কষা অথবা ছোলার ডাল- সবকিছুর সঙ্গেই লুচি অনায়াসে চলে যায়। তবে এটি সঠিকভাবে বানানোর কিছু নিয়ম রয়েছে। না হলে আসল স্বাদটাই নষ্ট হয়ে যায়। লুচি সঠিকভাবে বানানোর কিছু নিয়ম রইল পাঠকদের জন্য-

১. লুচি তৈরিতে ময়দার সঙ্গে সামান্য চিনি, লবণ ও অল্প ঘি বা তেল দিয়ে তিন থেকে চার মিনিট শুকনো অবস্থায় ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এতে অল্প অল্প পানি দিয়ে ডো তৈরি করতে হবে। ডো- টা ভালো করে মাখিয়ে, একটু তেল দিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট ঢেকে রেখে দিন।

২. লুচির জন্য এমনভাবে ডো বানাতে হবে যেন এটি হাতে না আটকে যায়।

৩. এটি বেলার আগে ছোট বলের আকৃতি করার সময় এতে আবার একটু তেল মাখিয়ে নিতে হবে।

৪. এটি এমনভাবে বেলতে হবে যেন খুব পাতলাও না হয়, আবার ভারীও না হয়। এতে ভালোভাবে ফুলবে।

৫. খুব গরম ডুবো তেলে লুচি ছাড়তে হবে। চামচ দিয়ে একটু চেপে চেপে ফুলে উঠলে একে উল্টে দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

৬. লুচি বানাতে একটু বেকিং পাউডারও ব্যবহার করা যেতে পারে। লুচি ফুলকো করতে বা ফোলাতে এটি খুব ভালো পদ্ধতি। এ ছাড়া সুজি বা খাবার সোডা দিয়েও তৈরি করতে পারেন। এতে অনেক্ষণ মুচমুচে থাকবে।

‘উজ্জ্বলা পাশে ছিল বলেই শক্তি পেয়েছি’

সাতকাহন২৪.কম

‘উজ্জ্বলা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। করেছে পরিপূর্ণ। বিয়ের নয় বছর পরও আমার সন্তান হচ্ছিলো না। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। যেকোনো কাজের ভেতরে ডুবে থাকতে চাইতাম। উজ্জ্বলা সেই সুযোগ করে দিয়েছে। এখান থেকে বিউটিফিকেশনের কোর্স করে খুব উপকৃত হয়েছি। জীবনের অনেক বাঁঁক রয়েছে, মোড় রয়েছে। কেবল এক কেন্দ্রিক হয়ে পড়ে থাকা জীবন নয়- এই বিষয়টা উজ্জ্বলার কাছ থেকে শিখেছি’, বলছিলেন শাহরিয়ার সুলতানা।

শাহরিয়ার সুলতানা সিদ্ধেশরী গার্লস কলেজ থেকে মার্কেটিং বিভািগে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করেন। ছোটবেলা থেকেই সাজগোজের প্রতি টুকটাক আগ্রহ ছিলো তাঁর। সখের বসেই বিউটিফিকেশনের কোর্স করেন জাতীয় মহিলা সংস্থায়। এরপর এই বিষয়টি শেখার তীব্র আগ্রহ হয়। উজ্জ্বলায় ভর্তি হন। শুরুর দিকে স্বামী একটু সংকোচ করলেও, উজ্জ্বলার পরিবেশ দেখে এবং ফ্যাকাল্টিদের সঙ্গে কথা বলে এখানে কোর্স করাতে রাজি হন। তবে খুব কঠিন সময়ে এই শেখাটাই কাজে আসবে ভাবেননি।

করোনার তীব্র ভয়াবহতার সময় এটিই হয়ে উঠে তাঁর মূল পেশা। বলছিলেন, ‘আমি একটি বেসরকারি ব্যাংকে কাজ করতাম। ছোট বেলায় বাবা মারা যান। আমরা নানার বাড়িতে থাকতাম। করোনার সময়ও অন্তত দুই ঘণ্টা আমাদের ব্যাংকে গিয়ে কাজ করতে হতো। বাড়ির সবার সুস্থতার কথা ভেবে এই কাজ করাটা খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছিলো। পরে কাজটি ছেড়ে দিই। কয়েক মাস পর বাসার কাছেই একটি স্যালন খুলি।’

এখন আমার মূল আয় হয় স্যালন থেকে। তবে এটি খোলার আগে তেমন সাহস পাচ্ছিলাম না। ভাবছিলাম, পারবো তো! সেই সময়ে উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন ম্যামের সঙ্গে কথা বলি। ম্যাম আমাকে ভীষণ উৎসাহ দেন। সেই সাহস আজও আমার চলার পথের শক্তি- জানান তিনি।

২০ মার্চ, ২০২২- এ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে সারা দেশ থেকে বাছাইকৃত ১০০ জন সফল তরুণ-তরুণীকে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা ও সনদ প্রদান করে উজ্জ্বলা।
শাহরিয়ার সুলতানা উজ্জ্বলার পক্ষ থেকে সেরা ১০- এর অ্যাওয়ার্ড পান। ‘এটি আমার জন্য অনেক আবেগঘন দিন ছিলো। ভাবতেই পারিনি অ্যাওয়ার্ড পাবো। সে সময় আমার স্যালনটা একটু খারাপ চলছিলো। তবে উজ্জ্বলার কাছ থেকে পাওয়া এই সম্মাননা আমাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। প্রতিষ্ঠানটি পাশে ছিলো বলেই শক্তি পেয়েছি। আমার মতো যারা এই সম্মাননা পেয়েছে, তাদের কাছেও বিষয়টি এমন,’ বলেন তিনি।

উজ্জ্বলার সব ফ্যাকাল্টিরাই খুব আন্তরিকতার সঙ্গে ক্লাস করান। আমাদের ফ্যাকাল্টিরা দেশের শীর্ষস্থানীয় আর্টিস্ট ছিলেন। তাদের কাছ থেকে শিখতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হয়। এখানে বিজনেস ডেভলপমেন্টের ওপর একটি কোর্স করান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আদিত্য সোম স্যার। শুরুর দিকে মনে হতো এই ক্লাসটি কেন করানো হয়। একদমই মনোযোগ দিতাম না ক্লাসটিতে। তবে এখন স্যালন খোলার পর বুঝি এই কোর্সটি কত উপকারী ছিলো। আসলে একজন বিউটি আর্টিস্টের প্রতিষ্ঠিত হতে যেসব বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন, তার সবগুলো কোর্সই করানো হয় উজ্জ্বলায়- জানান তিনি।

‘ভবিষ্যতে নিজের পার্লারকে আরো প্রতিষ্ঠিত করতে চাই এবং একজন দক্ষ বিউটি আর্টিস্ট হয়ে উঠার স্বপ্ন দেখি। উদ্যোক্তা হিসেবে আরো যোগ্য হতে চাই,’ বলেন শাহরিয়ার সুলতানা।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ২৭তম।

‘উজ্জ্বলা সুযোগ না দিলে বিউটি আর্টিস্ট হতে পারতাম না’

সাতকাহন২৪.কম

ছেলে হয়ে বিউটি আর্টিস্ট হয়েছেন- সমাজ এই বিষয়টিকে ভালোভাবে নিতে চায়নি। একবার তো এক বিয়ের অনুষ্ঠানে বউ সাজাতে গিয়ে ভীষণ অপদস্ত হয়েছিলেন। পরে অবশ্য বউয়ের সাজ দেখে সবাই খুব সমাদর করে। এমনকি যিনি সবচেয়ে বেশি বাজে কথা বলেছিলেন, তিনিই তার মেয়ের বিয়েতে সাজাতে বলে।

যাঁর কথা বলছি, তিনি আরিয়ান মামুন। উজ্জ্বলা থেকে বিউটিফিকেশনের কোর্স করে বর্তমানে নিজেই একজন প্রতিষ্ঠিত বিউটি আর্টিস্ট হয়েছেন। মিডিয়াতে কাজ করছেন। যখন কাজ খুব কম থাকে তখনও প্রায় ২৫ হাজার টাকার মতো মাসিক আয় করেন তিনি। জানালেন, ছোটবেলা থেকেই মেকআপের বিষয়ে একটি আগ্রহ ছিলো। কেউ সাজলে দেখতে ভালো লাগতো। ইউটিউবে এসব সম্পর্কিত ভিডিওগুলো দেখতাম। ছেলে হয়ে মেকআপের প্রতি আগ্রহ, এটি হয়তো পরিবার পছন্দ করবে না। তাই কারো কাছে প্রকাশ করতে সংকোচ করতাম।’

নিজে নিজে শিখতে গিয়ে একটা সময় ভাবলেন মেকআপ নিয়ে কিছু করা দরকার। সেই ভাবনা থেকেই প্রফেশনালভাবে শেখার আগ্রহ তৈরি হওয়া। তবে এতেও অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হয়েছে। অনেকগুলো বিউটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঘুরেছেন। তবে ছেলে হওয়ার কারণে কেউই তাকে শেখার সুযোগ দিতে চায়নি। এরপর সন্ধান পেলেন উজ্জ্বলার। ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রতিষ্ঠানটিতে শেখা শুরু করেন। বললেন, ‘অনেক জায়গায় কোর্স করার জন্য যোগাযোগ করি। কেউ সাহায্য করেনি। মুখের ওপর নিষেধ করে দিয়েছে। তবে উজ্জ্বলা সেই পথটা খুলে দেয়। উজ্জ্বলা সাদরে গ্রহণ করে। তারা সুযোগ না দিলে হয়তো বিউটি আর্টিস্টই হতে পারতাম না।’

উজ্জ্বলার ফ্যাকাল্টি ও শিক্ষকরা আমাকে খুব সহযোগিতা করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এমনকি যেসব আপুগুলো প্রশিক্ষণ নিতে আসতো, তারাও অনেক সাহায্য করেছে। প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের জন্য মডেল প্রয়োজন হতো। আমি সেটা জোগাড় করতে পারতাম না। তখন শিক্ষার্থী আপুরাই নিজে থেকে আমার মডেল হতেন। উজ্জ্বলা খুব আপন একটা জায়গা আমার জন্য।’

উজ্জ্বলায় সবকিছু খুব নিঁখুতভাবে শেখায়। কোনো কিছু না বুঝতে পারলে শিক্ষকরা কখনো বিরক্ত হয় না। বিষয়টিকে খুব সহজ করে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। উজ্জ্বলায় শেখার পর থেকে খুব ভালোভাবে কাজটি করতে পারছি- জানান তিনি।

বিউটি আর্টিস্ট হওয়ার শুরুর দিকে যখন ফেসবুকে পোস্ট দিতেন, তখন অনেকেই তাকে খুব বাজেভাবে কথা বলতো। গালিগালাজ করতো। ‘ছেলে হয়ে মেয়েদের সাজাচ্ছে- বিষয়টিকে এতো নোংরাভাবে নিতো! আমি বোঝাতে পারতাম না এটা আমার পেশা। এর মধ্যে বাজে কিছু নেই। বিষয়গুলো আমাকে ভীষণ আঘাত করতো। হিজড়া, থার্ড জেন্ডার এসব গালিও শুনতে হয়েছে। এগুলো যে কী কষ্টের বলে বোঝাতে পারবো না।’

মেকআপ না করতে পারলে, কাজ না করতে পারলে, বোধ হয় আমার সত্ত্বাকে মেরে ফেলতাম। আসলে আমি তো একজন শিল্পী। মেকআপের শিল্পী। উজ্জ্বলার কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। তারা আমাকে কাজটি করতে দিয়েছে। আমার জীবনকে বদলে দিয়েছে। উজ্জ্বলার কাছ থেকে অদম্য ১০- এর সম্মাননা পেয়েছি। নারী-পুরুষ সবার জন্যই উজ্জ্বলার পরিবেশ খুব ভালো,’ বলছিলেন তিনি।

ভবিষ্যতে এই পেশার মধ্যেই প্রতিষ্ঠিত হতে চাই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পেশাটিকে আমি খুব ভালোবাসি ও সম্মান করি। ছেলেদের জন্য এই সেক্টরে কাজ করা সহজ হোক এটাই স্বপ্ন দেখি।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ২৬তম।

পূজায় কেমন হবে আবৃত্তি ও অভিনয় শিল্পী সুপ্রীতির সাজ?

সাতহাকন২৪.কম

সুপ্রীতি গোস্বামী প্রিয়া একাধারে অভিনয় ও আবৃত্তি শিল্পী। পাশাপাশি একজন বিউটি আর্টিস্ট। বিউটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বর্তমানে একটি স্যালন চালাচ্ছেন। এ ছাড়া পঞ্চকর্মা আয়ুর্বেদিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে হার্বালজি ও ম্যাসাজের ওপর ডিপ্লোমা করেছেন। একজন বিউটি আর্টিস্ট ও শিল্পী হিসেবে এবারের পূজায় এই গুণী মানুষটি কীভাবে সাজবেন, তাই জানাবো সাতকাহনের পাঠকদের। চাইলে আপনিও তার সাজ অনুসরণ করে এবারের পূজায় নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে পারেন।

‘যেহেতু আমি শিল্পী ও মেকআপ আর্টিস্ট, তাই দুটি বিষয়েই নজর রাখতে হয়। নিজের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায় এমন মেকআপ করতেই পছন্দ করি। আমার কাছে মেকআপ মানে বেশি ফাউন্ডেশন, কনসিলার বা কনটোর ব্যবহার করে ভারি বেজ করা নয়। আমি মনে করি, মুখের ছোট খুঁতগুলো ঢেকে সাবলীলভাবে নিজেকে উপস্থাপনটাই জরুরি,’ বলছিলেন সুপ্রীতি গোস্বামী।

ষষ্ঠীর দিন

ষষ্ঠীর দিন বোধনের ঘট বসে। সেই দিনটা ঘরোয়াভাবে সাজবেন তিনি। পরনে থাকবে দেশি তাঁতের শাড়ি। জানান, এ দিন মেকআপের ক্ষেত্রে ত্বক পরিষ্কার করে, টোনিং করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবো। এরপর ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে কমপ্যাক্ট পাউডার দেবো। কমপ্যাক্ট পাউডারটি এসপিএফ ৩০ থেকে ৫০- এর মধ্যে হলে ভালো, যেহেতু পূজার কাজ আগুনের পাশে করতে হয়, আবার মণ্ডপে কড়া আলোকসজ্জা থাকে, তাই ভালো ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে হবে এস পি এফ যুক্ত। চোখে হালকা রঙ্গের আইশ্যাডো লাগাবো। এরপর কাজল দিবো হালকা করে । হালকা রঙের লিপস্টিক থাকবে ঠোঁটে। লিপস্টিক ন্যুড টোনের ব্যবহার করবো। মেকআপটা হালকা বাদামি টোনের হবে। হালকা হাইলাইটার ব্যবহার করবো। কপালে একটা ছোট্ট লাল টিপ, আর চুলে খোঁপা।

সপ্তমীর দিন

এ দিন সকাল থেকে দোঁড়-ঝাপ শুরু হয়ে যাবে তাই সালোয়ার-কামিজ পরবো। বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে বাইরে ঘুরতে যাবো। এ দিন হাইলি সান প্রোটেকডেট বা রোদ সুরক্ষাকারী প্রসাধনী ব্যবহার করবো। সকাল বেলা গাঢ় মেরুন রঙের ধুতি-কামিজ পরবো। যেহেতু ঘুরতে বের হবো, তাই একটু গাঢ় রং ব্যবহার করবো। মেরুন রঙের লিপস্টিক, গাঢ় কাজল থাকবে। সঙ্গে টিপ, আর হাত ভর্তি চুরি। বেজ মেকআপটা করবো সম্পূর্ণ রোদ সুরক্ষাকারী প্রসাধনী দিয়ে। বিবি ক্রিম দিয়ে বেজ রেডি করে ফেস পাউডার লাগানোর পর, হালকা শেডের ব্লাশন আর একটু হালকা টোনের কনটোর ব্যবহার করবো। হাইলাইটার যতটা স্বাভাবিক রাখা যায়, তত ভালো। চুল ছেড়ে দিবো ব্লো ড্রায় করে । গোসলের পর অবশ্যই চুলে কন্ডিশনার ও সিরাম ব্যবহার করবো- জানান তিনি।

অষ্টমী

সুপ্রীতির কাছে অষ্টমীটা খুব বিশেষ। তাই এ দিন একটু বিশেষভাবেই সাজবেন তিনি। চাপা সাদা রঙের শাড়ি পরবেন। অষ্টমীর সকাল মানেই যেহেতু আশ্রমের পূজা দেখতে যাওয়া, তাই পিচ টোনে মেকআপ করবেন। বললেন, ‘কনসিলার, ময়েশ্চারাইজার, ফাউন্ডেশন একদম হালকাভাবে ব্যবহার করবো। এরপর একটু হ্যাভি কভারেজ দেয় এমন কমপ্যাক্ট পাউডার লাগাবো। ব্লাউজ, চুরি ও গয়না মাল্টি রঙের পরবো। অফ হোয়াইটের সঙ্গেও মাল্টি রং একটা আভিজাত্য লুক দেয়। চুলে মৌউস ও সিরাম লাগিয়ে খোপা বাঁধবো। মাথা থাকবে বেলি ফুলের গাজরা, যেন দিনটা শুভ্র হয়ে যায়।’

নবমী

নবমীর রাতটা বিশেষ হয়। এ দিন সবকিছু একটু বেশি বেশি করতে ইচ্ছে করে। হ্যান্ড পেইন্টের মিষ্টি রঙের আভিজাত্যপূর্ণ মসলিন পরবো। সঙ্গে থাকবে পার্লের গয়না। চুলকে ব্লো ডাই করে সেট করবো। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে মেকআপের ক্ষেত্রে হালকা টোনের মিষ্টি রঙের ছোঁয়া থাকবে। টোনিং, ময়েশ্চারাইজিং করার পর প্রাইমার লাগাবো। এরপর হাই কাভারেজ ফাউন্ডেরশন ব্যবহার করবো। পরে সেটিং পাউডার দিয়ে মেকআপটা সেট করবে নেবো।

ব্লাশন পিচ রঙের ও লিপস্টিক ন্যুড রঙের ব্যবহার করবো। চোখে আই কন্টোর করে নিবো। এরপর বাদামি বেজের মিষ্টি রঙের আইশ্যাডো দিবো। হালকা সিলভারি সিমার ব্যবহার করার ইচ্ছে রয়েছে। সেদিন কাজল টেনে দিবো না। চোখের উপরে ও নিচে হালকা কাজল দিয়ে ম্যাশ করে নেবাে যেনো স্মোকি একটা লুক দেয় – জানান তিনি।

দশমী

দশমীর দিনে মেকআপের আগে ত্বকটা প্রস্তুত করা জরুরি। সেদিন যেহেতু সিঁদুর খেলা হয়, তাই ক্লিনজার ও টোনার নন কমডজেনিক ধরনের ব্যবহার করতে হবে। এতে সিঁদুর থেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা কমে যাবে। সুপ্রীতি বলেন, ‘দশমী মানেই ঢাকের তালে নাচ। সেদিন ঘামবো অনেক। তাই মুখ পরিষ্কার করার পরপরই একটু বরফ ঘষে নেবো। এরপর ময়েশ্চারাইজার দিয়ে প্রাইমার ব্যবহার করে ক্রিম বেজ ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবো। হাইকাভারেজের কমপ্যাক্ট পাউডার লাগাবো। বাড়তি করে চোখে কনসিলার বা হাইলাইটার ব্যবহার করবো না। মোটা করে কাজল দিবো। গাঢ় ও হালকা বাদামি রং মিশিয়ে মেকআপ করবো। চোলে হালকা ও গাঢ় বাদামি শ্যাডো লাগাবো। ব্লাশনও হবে সে অনুযায়ী। লিপস্টিক লাল ও বাদামির মিশ্রণে পরবো।’

দশমী মানেই লাল- সাদা শাড়ি । সেদিন একপেঁচে শাড়ি পরবেন তিনি। কপালে দেবেন বড় টিপ, সিঁথিতে থাকবে মোটা করে সিঁদুর। নাকে নথ । সেদিন পুরোপুরি সোনার গহনা পরবেন তিনি। আর খোঁপায় জড়াবেন জবা ও কাঠবেলির মিশণে ফুল।

পূজার সাজের ক্ষেত্রে পাঠকদের জন্য সুপ্রীতির বিশেষ পরামর্শ-

পূজার কয়েকটা দিন আগে ফেসিয়াল করে নিলে ভালো। না হলে পোরগুলো খুলে যায় যায় এবং এর পর পরই মেকাপ করলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পূজার আগে থেকেই নিয়মিত টোনিং, ক্লিনজিং, ময়েশ্চারাইজিং করতে হবে। এতে পূজার সময় ত্বক স্বাস্থ্যকর থাকে।

মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে এরপর মুখ ফেসওয়াস দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে ডাবল ক্লিনজিং নিয়ম অনুযায়ী। এ ছাড়া ত্বকে স্মুদিং ভাব আনতে নিম পাতার বা পুদিনা পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। এটা টোনার হিসেবে কাজে লাগবে। পরে শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন এতে এ্যালার্জি বা ব্রণ হওয়ার সুযোগ কম থাকে। এমনটাই পরামর্শ দিলেন সুপ্রীতি গোস্বামী।

বিশ্ব হার্ট দিবস : হার্ট ভালো রাখার মোক্ষম ৩ উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বিশ্ব হার্ট দিবস আজ। বাংলাদেশে হৃদরোগে প্রতিদিন অন্তত সাড়ে ৭শ মানুষ মারা যায়। বছরে এই সংখ্যা পৌঁছায় পৌনে তিন লাখের বেশিতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে ৪০ বছর বয়সের নিচে প্রায় ২০ শতাংশ ব্যক্তি হৃদরোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস হৃদরোগের অন্যতম কারণ। হার্ট সুস্থ রাখার মোক্ষম কিছু উপায় জানিয়েছে স্বাস্থবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি।

কায়িক পরিশ্রম করা
হার্ট ভালো রাখার একটি অন্যতম উপায় হলো কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করা। দ্যা আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মধ্যমমানের ব্যায়াম এবং ৫০ মিনিট ভেগোরাস বা সবল ব্যায়াম হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি কেবল এক সপ্তাহ করলেই চলবে না। প্রতি সপ্তাহেই এই অভ্যাস পালন করুন।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
হার্ট ভালো রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় বাজে চর্বির পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর চর্বি রাখুন। অস্বাস্থ্যকর চর্বি জাতীয় খাবারের মধ্যে পড়ে লাল মাংস, যেমন-খাসি, গরু, ভেড়া ইত্যাদি। এসবের পরিবর্তে বাদাম, বিজ ইত্যাদি রাখুন। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণ সবজি ও ফল খান।

ধূমপান ও মদ্যপান
ধূমপান যে হার্টের জন্য ক্ষতিকর, এতো আর অজানা নয়। তাই অবশ্যই এই বদ অভ্যাসটি বাদ দিতে হবে। পাশাপাশি মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে এটিও পরিত্যাগ করুন। এতে সুস্থ-সবল থাকবেন আপনি, ভালো থাকবে আপনার হার্ট।

অষ্টমীতে পাতে থাকুক পটল-পোস্ত

কবিতা বিশ্বাস
সবজি প্রেমীদের জন্য পটল-পোস্ত একটি প্রিয় নাম। দুর্গা পূজার অষ্টমীর দিনে এই সবজিটিও খাবারের তালিকায় থাকতে পারে। চলুন জেনে নিই, পটল-পোস্তের রেসিপি।

উপকরণ
পটল ১ কেজি
পোস্ত দানা দেড় চা চামচ
সরিষা সমান করে ১ চা চামচ
কাঁচা মরিচ ৪টি
পেঁয়াজ মাঝারি ১ টি
লবণ পরিমাণ মতো
চিনি ১ চা চামচ
সামান্য হলুদ
সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন
পটল ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর এর গা একটু চিড়ে দিন। কড়াইতে তেল, লবণ, সামান্য হলুদ ও পটল একসঙ্গে দিয়ে ভেজে নিন। পটলের রং যেন ঠিক থাকে। হয়ে এলে নামিয়ে একপাশে রাখুন।

এবার সব মসলা একসঙ্গে পেষ্ট করুন। কড়াইতে সরিষার তেল দিন। তেল গরম হলে এক চিমটি কালোজিরা ফোঁড়ন দিন। এরপর মসলার পেষ্ট আর অল্প তরল দুধ দিয়ে কষাতে থাকুন। এতে ভেজে রাখা পটলগুলো দিয়ে দিন এবং সামান্য চিনি দিন। কম আঁচে এক মিনিট দমে রাখুন । ঢাকনা খুলে লবণ-মিষ্টি চেখে দেখুন। তৈরি হয়ে গেলো সুস্বাদু পটল পোস্ত।

মানুষ চাপে থাকলে গন্ধ শুঁকেই বুঝতে পারবে কুকুর!

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মানুষের দৈনন্দিন জীবন চাপে পরিপূর্ণ। সেটা হোক, মানসিক বা কাজের চাপ। এটি মানুষের জীবনের কঠিন বাস্তবতার নাম। তবে জানেন কি মানুষ চাপে থাকলে তার দেহ থেকে এক ধরনের গন্ধ ছড়ায়? আর সেটি বুঝতে পারে কুকুর। সম্প্রতি একটি গবেষণা এমনটাই বলছে। দ্যা গার্ডিয়ানের প্রকাশিত সংবাদ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আগের করা কিছু গবেষণা থেকে দেখা যায়, শরীরের গন্ধের মাধ্যমে কুকুর মানুষের আবেগগুলো অনেকটাই বুঝতে পারে। সম্প্রতি গবেষণাটিতে বলা হলো, মানুষের কঠিন, ব্যস্ততম দিনগুলোর চাপও কুকুরের পক্ষে বোঝা সম্ভব।

‘এই গবেষণাটিতে আলাদাভাবে দেখা গেছে, মানুষ মানসিক চাপে থাকলে শরীর থেকে এক ধরনের গন্ধ বের হয়। যেটা অন্যান্য সময়ের গন্ধের চেয়ে একটু আলাদা। আর সেটিই ধরতে পারে কুকুর,’ বলেন গবেষণাটির প্রধান গবেষক ও কুইন ইউনিভার্সিটি বেল ফেস্টের পিএইচডি-এর শিক্ষার্থী ক্লারা ওইলসন।

উইলসনের মতে, কুকুরদের ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দিলে তারা পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজ অর্ডারে ভোগা ব্যক্তি এবং যারা প্রচণ্ড মানসিক চাপের কারণে আত্মহত্যার বা আত্মঘাতিমূলক কাজের সিদ্ধান্ত নেয়, তাদের সনাক্ত করতে পারবে। আর এতে অনেক ব্যক্তিকে বাঁচানো সম্ভব হতে পারে।

গবেষকরা প্রাথমিকভাবে অংশগ্রহণকারীদের শ্বাস ও ঘামের নমুনা সংগ্রহ করে। এরপর তাদের মানসিক চাপ তৈরি হবে এমন কিছু গাণিতিক গণনা করায়। কাজ শেষে আবারও তাদের শ্বাস ও ঘামের গন্ধের নমুনা নেওয়া হয়। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী অনেকেই জানান, পরীক্ষাটি দেওয়ার সময় তাদের হার্ট রেট, রক্তচাপ বেড়ে গিয়েছিল।

পরে কুকুরকে ঘামের গন্ধু শুঁকালে ৯৩ ভাগ ক্ষেত্রেই তারা সঠিক উত্তরটি দেয়। অর্থাৎ যেসব ব্যক্তির মানসিক চাপ বেশি হচ্ছিলো তাদের কুকুরগুলো সঠিকভাবে সনাক্ত করে পারে।

কুকুরদের ঘ্রাণ শুঁকার ক্ষমতা এবং এর মাধ্যমে কোনো কিছু চিনতে পারার ক্ষমতা মানুষের তুলনায় অনেক বেশি। আর এতেই এটি সম্ভব হয়েছে বলে জানান ভারজিনা টেক ইন ব্ল্যাকসবার্গের অ্যাসিসট্যান্ট প্রোফেসর ড. মার্ক ফ্রি ম্যান। তবে গবেষণাটি থেকে ভালো ফলাফল পেতে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার দরকার আছে বলে মনে করেন গবেষকরা।

বাড়ন্ত শিশুর জন্য জরুরি ৬ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সন্তানের সুস্বাস্থ্য সব মা-বাবারই কাম্য। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম হলো শিশুকে সুস্থ রাখার গুরুত্বপূর্ণ দুটি দিক। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশুর খাওয়া নিয়ে বেশ ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয় মা-বাবাকে। আর এতে পুষ্টিটা রয়ে যায় অপূর্ণ। তবে কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো নিয়মিত খাওয়ালে পুষ্টির চাহিদা ভালোভাবে পূরণ হয়। শিশুর জন্য এমন জরুরি কিছু খাবারের তালিকা দিয়েছে সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটটিন ও হেলথএক্সচেইঞ্জ ডটকম।

ডিম
হিন্দি ভাষায় একটি প্রবাদ রয়েছে, সানডে অর মানডে, রোজ খাও আনডে।’ অর্থাৎ শনি হোক বা রবি বার প্রতিদিন ডিম খাও। বড় বা ছোট- সব বয়সের মানুষের জন্যই ডিম উপকারী। ডিমের মধ্যে থাকা প্রোটিন শিশুর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় রুটি, জ্যাম, কিংবা জেলির সঙ্গে অবশ্যই এই খাবারটিও রাখুন।

দই
শিশুর খাবারের তালিকায় দই অবশ্যই রাখুন। দইয়ের মধ্যে থাকা প্রো-বায়োটিকস শিশুর পেট ভালো রাখে। এ ছাড়া এর মধ্যে থাকা ভিটামিন -ডি হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।

দুধ
শিশুর খাদ্যতালিকায় দুধ রাখতেই হবে। প্রতিদিন অন্তত দুই গ্লাস দুধ শিশুর ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও প্রোটিনের চাহিদা অনেকটাই পূরণে সাহায্য করে। দুধকে আরো শক্তিশালী করতে এর মধ্যে কাঠবাদাম বা স্যাফরন দিতে পারেন।

পিনাট বাটার
পিনাট বাটার বা বাদামের মাখন শিশুর বাড়ন্ত শরীরকে সুস্থ-সবল রাখতে উপকারী। এর মধ্যে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট শিশুর শক্তি বাড়াবে এবং প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করবে।

মাংস
মাংসের মধ্যে আয়রন থাকে। এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে। শিশুর খাবারের তালিকায় এটিও যোগ করতে পারেন।

ফল
ফলের মধ্যে ভিটামিন ও মিনারেল ভরপুর থাকে। অনেক শিশুই ফল খেতে চায় না। তবে ছোটবেলা থেকেই এই খাবারটি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই অভ্যাস কেবল ছোট বয়সেই নয়, বড় হওয়ার পরও স্বাস্থ্যকে ফিট রাখতে কাজে দেবে।

ছেলেদের ৪ যৌনস্বাস্থ্য সমস্যা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পুরুষের মধ্যে অনেকেই যৌনস্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন। তবে অসংকোচ বা সমাজের ভয়ে বিষয়টি প্রকাশে অনেকেরই থাকে দ্বিধাবোধ। আবার কেউ কেউ হয়তো জানেনই না বিষয়গুলো স্বাস্থ্যগত সমস্যা। পুরুষের এমন কিছু যৌনস্বাস্থ্য সমস্যার কথা জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

প্রি ম্যাচিউর ইজাকুলেশন

প্রি ম্যাচিউর ইজাকুলেশন বা দ্রুত বীর্যপাত ছেলেদের একটি সাধারণ সমস্যা। কেবল তরুণদের নয়, অনেক মধ্যবয়সী বা প্রবীণ পুরুষও এই সমস্যায় ভোগে। বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন। আর না পারলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ইরেকটাইল ডিসফাংশন

সহবাসের সময় যৌনাঙ্গ পর্যাপ্ত শক্ত না হওয়ার বিষয়টিকে ইরেকটাইল ডিসফাংশন বলে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল, বিষণ্ণতা, উদ্বেগ ইত্যাদি এর কারণ। খেয়াল করুন আপনিও এই সমস্যায় ভুগছেন কি না।

ডিলেইড ইজাকুলেশন

নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, থাইরয়েডের সমস্যা বা সহবাসে অনাগ্রহ ইত্যাদি ডিলেইড ইজাকুলেশন বা দেরিতে বীর্যপাত হওয়া কারণ।

পেরানয়েড’স ডিজিজ

যৌনাঙ্গ বাঁকা হয়ে গেলে বা বীর্যপাতের সময় ব্যথা পেলে অনেক সময় এই সমস্যা হয়। এটি হলে বীর্যপাতে ব্যাঘাত ঘটে। অনেক সময় বাম্পের মতো হতে পারে। এ সমস্যায় দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

সপ্তমীর ভোজে থাকুক ছোলার ডাল

কবিতা বিশ্বাস
ষষ্ঠী থেকে দুর্গা পূজার উৎসব শুরু হয়ে গেলেও সপ্তমীর দিন থেকে দশমী পর্যন্ত তোড়জোড়টা বেশি হয়। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব বাড়িতে বেড়াতে আসে। নিজেদের জন্য ভালোমন্দ কিছু রান্না হয়। সপ্তমীর দিনে খাবারের আইটেম হিসেবে রাখতে পারেন ছোলার ডাল। ছোলা দেহের শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। উৎসবের সময় ক্লান্তি কমাতে পাতে রাখতে পারেন এই পদটি।

উপকরণ
ছোলার ডাল হাফ কেজি
তেচপাতা ২টি
শুকনো মরিচ ২/৩ টি
আদা বাটা ১ চা চামচ
নারকেল বাটা ২ টেবিল চামচ
ভাজা জিরার গুঁড়া ১ চা চামচ
গরম মসলা (এলাচ, দারুচিনি)-এর গুঁড়া এক চা চামচ
কাঁচা মরিচ ৫/৬ টি
হলুদ ও লবণ পরিমাণ মতো
চিনি ২ চা চামচ
তেল ২/৩ টেবিল চামচ
ঘি ২ টেবিল চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন
ছোলার ডাল দুই ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ডাল ধুয়ে পানিসহ সিদ্ধ করে নিন । চুলায় একটা কড়াই বসিয়ে তেল দিন। তেল গরম হলে একটু জিরা, তেচপাতা আর শুকনাে মরিচ ফোঁড়ন দিন। তেল একটু ঠান্ডা করে তাতে নারকেল বাটা, আদা বাটা , কাঁচা মরিচ আর সামান্য হলুদ দিয়ে কষিয়ে নিয়ে সিদ্ধ ডাল ঢেলে দিন। পরিমাণমতো লবণ মেশান। একটু ফুটে উঠলে ঘি, জিরা গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া দিন। এর ওপর সামান্য চিনি মেশান। এরপর লবণ-মিষ্টি চেখে দেখে নামিয়ে সার্ভিং ডিসে ঢেলে পরিবেশন করুন।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.