Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 115

রঙ বাংলাদেশ-এর শারদ আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

কদিন পরেই বাঙালি মেতে উঠবে শারদীয় উৎসবে। উৎসব সাজাতে প্রস্তুত বাংলাদেশের শীর্ষসারির ফ্যাশন হাউস রঙ বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটি ঈদ, পূজা-পার্বন ইত্যাদিতে থিমভিত্তিক সংগ্রহ নিয়ে আসে। এবারও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

এবারের পূজার পোশাকগুলো তৈরি করা হয়েছে আরামদায়ক কাপড়ে। কাপড়ের ভেতর থাকছে সুতি, স্লাব সুতি, লিনেন, হাফসিল্ক, জর্জেট, অ্যান্ডি সিল্ক, নেট ইত্যাদি। মূল রং হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে সাদা। সঙ্গে থাকছে লাল, নীল, হালকা বাদামি, মেজেন্টা, মেরুন, অকার ইয়েলো, চাপা সাদা রঙের মিশ্রণ। পোশাকের নকশাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নানা ভ্যালু অ্যাডেড মিডিয়ার ব্যবহারে।

কেবল বড়দের নয়, প্রতিটি উপলক্ষে ছোটদের পোশাককেও সমান গুরুত্ব দেয় রং বাংলাদেশ। পাশাপাশি রয়েছে পরিবারের সবার জন্য ম্যাচিং পোশাকের কালেকশন।

ষষ্ঠী থেকে দশমী, কুমারী পূজা থেকে সিঁদুর খেলা, ধুনুচি নাচ থেকে প্রসাদ বিতরণ, প্রতিদিন সন্ধ্যা, আর সকালের অঞ্জলি থেকে ভাসান- প্রতিটি উপলক্ষ্যকে বর্ণময় আর আনন্দময় করতে পারেন এবার রঙ বাংলাদেশ- এর পোশাকে। অনলাইন কেনাকাটায় সকল পণ্যে ১০ ভাগ ডিসকাউন্টের সুবিধাও রয়েছে। এ ছাড়া ‘অধিক ক্রয়ে, অধিক লাভ’ অফারে পাচ্ছেন গিফট কুপন।

ব্যথা কমাবে ৫ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

পেশি ব্যথা করছে ? একটু আদা চিবিয়ে নিন। দাঁত ব্যথায় ভুগছেন? এক কোয়া রসুন মুখের ভেতর রাখুন। আসলে কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো ব্যথার সঙ্গে লড়াই করতে বেশ উপকারী। বেশি ব্যথা হলে তো ওষুধ খেতেই হবে, তবে এর আগে এই খাবারগুলোও খেয়ে দেখতে পারেন। ব্যথা কমানোর কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

আদা
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে, সতেজ বা শুকনো আদা খাদ্যতালিকায় রাখলে জয়েন্ট ও পেশি ব্যথা কমতে সাহায্য হয়। গবেষণায় বলা হয়, এই খাবারটি ঋতুস্রাবের ব্যথা কমাতেও উপকারী।

তরমুজের বিচি
এর মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম। এটি মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে কার্যকর। এ ধরনের ব্যথা কমাতে খাদ্যতালিকায় আরো ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবার রাখতে পারেন। যেমন : কোসোনাট, গাঢ় সবুজ শাক-সবজি, বিচি জাতীয় খাবার ইত্যাদি।

হলুদ
হলুদ না হলে যেনো বাঙালির রান্না অসম্পূর্ণই রয়ে যায়। ঘরেই থাকা এই খাবারটিও ব্যথার সময় আপনার সঙ্গী হতে পারে। গবেষণায় বলা হয়, এটি দেহের প্রদাহের সঙ্গে লড়াই করে। রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস ও অস্টিওআরথ্রাইটিসের রোগীদের জন্য হলুদ ভালো পথ্য হতে পারে।

পুদিনা পাতা
পেট ব্যথা, গ্যাস, পেট ফোলাভাব ইত্যাদির সঙ্গে লড়াই করতে মোক্ষম হলো পুদিনা পাতা। পেটের সমস্যায় এক কাপ পুদিনা পাতার চা আপনাকে আরাম দিতে বেশ কার্যকর।

রসুন
রসুন থেঁতলে এর রস একটি কটন বাডের মধ্যে নিয়ে দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। দাঁত ব্যথা কমবে। এ ছাড়া থেঁতলানো রসুন টুথপেস্টের মতোও ব্যবহার করতে পারেন। উপকার পাবেন।

‘উজ্জ্বলায় মেয়েরা পূর্ণ নিরাপত্তা পায়’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মেয়েটি একদমই সাজতে জানতেন না। তবে বাবা সাজগোজ খুব পছন্দ করতেন। বাবার ইচ্ছাকে পূরণ করতে একটি স্যালনও খোলেন ঝিনাইদহে। পাশাপাশি উজ্জ্বলা থেকে বিউটিফিকেশনের ওপর সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করেন। বেশ সফলভাবেই চালাচ্ছেন সেই স্যালন।

কেবল তাই নয়, ঝিনাইদহের একটি স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে সংবাদও পাঠ করছেন। একটি বুটিক হাউজও রয়েছে তাঁর। মাদার তেরেসা ব্লাড ব্যাংকের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। যোশর জেলার অভয় নগর থানার প্রেম বাগ ১ নং ইউনিয়ন থেকে ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনও করেন তিনি। যাঁর কথা বলছি, তিনি সুরভী ইসলাম। শক্ত এই নারীটিকে উজ্জ্বলা কীভাবে আরো দৃঢ় করেছে এই গল্পই জানবো আজ।

ঘরে বসে আয়ের জন্য বিউটি আর্টিস্ট ভালো পেশা

আমি যোশর থেকে লেখাপড়া করি। এসএসসির পরে আর লেখাপড়া শেষ করতে পারেনি। বাবা সাজগোজ পছন্দ করতেন। তবে আমি কিছুই জানতাম না। বাবার ইচ্ছাকে পূরণের জন্যও অনেকটা এই পেশায় আসা।

আমার কয়েকজন বান্ধবী বিউটি আর্টিস্ট। একটা সময় আশেপাশের মানুষের কাছে শুনতাম তালাক হওয়া নারীরা বিউটি আর্টিস্ট হয়। কথাটা খুব খারাপ লাগতো। একটি মেয়ে তালাক হওয়ার পর আরেকটি বিয়ে না করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাইলে ক্ষতি কী? ঘরে বসে মেয়েদের কাজ করার জন্য এটি একটি সম্মানজনক পেশা।

উজ্জ্বলায় একটি মেয়ে পূর্ণ নিরাপত্তা পায়

আমার শ্বশুড় বাড়ির লোকেরা বিউটিফিকেশনের কাজ শেখার ক্ষেত্রে বাধা দেয়নি। আমি স্বাচ্ছন্দে কাজটি শিখতে পেরেছি। আমার শ্বশুড় বাড়ি বেশ সম্ভ্রান্ত পরিবার। উজ্জ্বলাতে কাজ শিখতে যাওয়ার আগে পার্লার ছিল আমার। বাইরের ক্লাইন্টরা যখন এসে বলতো মালিকের কাছে কাজ করাতে চাই। আমি পারতাম না। তখন মনে হলো কাজটি আমাকে ভালোমতো শিখতে হবে। উজ্জ্বলা থেকে শিখে এসে আমি এখন নিজে সাজাই। এটা আমার সফলতা। উজ্জ্বলার প্রশিক্ষকরা কোনো বিষয়ে বার বার প্রশ্ন করলেও বিরক্ত হন না। এই বিষয়টা দেখেছি।

কসমেটিকসের ভেতরে দুই রকম থাকে। অরগানিক ও কৃত্রিম। উজ্জ্বলা দুটো প্রোডাক্ট দিয়েই কাজ করা শিখিয়েছে। এখন কাস্টমার যেভাবে চায়, সেভাবেই তাদের সেবা দিতে পারি। আমার পার্লারে অরগানিক প্রোডাক্টের ক্লাইন্ট বেশি হয়। অরগানিক তেল দিয়ে হট ম্যাসাজ করি। আমাদের এলাকায় চাকরিজীবী নারীদের কাছে এটি খুব জনপ্রিয়। মাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় হয় পার্লার থেকে।

উজ্জ্বলায় ঢাকার বাইরের মেয়েদের সুবিধার্থে হোস্টেল রয়েছে। সেখানে স্বল্প খরচে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এখানে একটি মেয়ে পূর্ণ নিরাপত্তা পায়।

উজ্জ্বলা আস্থা ও ভরসার জায়গা

উজ্জ্বলায় একটি গ্রুমিং ক্লাস করা হতো। এখানে শেখানো হতো স্বল্প পরিসরে ব্যবসা কীভাবে করতে হয়। ব্যবসার বিভিন্ন নিয়মগুলো সেখান থেকে শিখেছি। উজ্জ্বলাতে কোর্স ফি একসঙ্গে পরিশোধ না করলেও চলে। ভেঙে ভেঙে দেওয়া যায়। এটি খুব ভালো বিষয়। এতে যেকোনো মেয়ের শিখতেই সুবিধা হয়।

ব্যবসা প্রসারিত করার জন্য আমরা বিভিন্ন সময় পন্য বা সেবার ওপর ছাড় বা অফার দিই। আমি আগে জানতাম না, এটি কেন দেয় এবং কীভাবে দেয়। উজ্জ্বলা থেকে ইন্টার্নি করার সময় এই বিষয়টি শিখেছি। শিখেছি নতুন ক্লাইন্টদের কীভাবে আকৃষ্ট করতে হয়। এগুলো খুব সাহায্য করেছে বাস্তব জীবনে।

উজ্জ্বলার প্রত্যেক শিক্ষক খুব সুন্দর করে হাতে ধরিয়ে শিখিয়ে দেয়। এখানকার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা ম্যামকে দেখলে নিজের ভেতর উৎসাহ জাগে। যত ম্যাম রয়েছে প্রত্যেকেই যোদ্ধা। ওখানে যাওয়ার পর আরো মেয়েদের গল্প জীবনযুদ্ধের গল্প শুনতাম ।এটা আমাকে অনেক প্রেরণা জোগাতো। উজ্জ্বলা আস্থা ও ভরসার জায়গা।

উজ্জ্বলার শ্যাম্পু, হেয়ার, বডি ওয়েল ইত্যাদি কসমেটিক পন্য রয়েছে। সেগুলো বেশ মানসম্মত। আমি নিজে ব্যবহার করি এবং ক্লাইন্টদের কাছেও বিক্রি করি। মোটামুটি ভালোই সারা পাচ্ছি।

সুবিধাবঞ্চিত মেয়েদের জন্য কাজ করতে চাই

আমি যেই এলাকায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলাম, সেখানে গিয়ে দেখি মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পরও নারীরা জানেই না, ঘরে বসেও আয় করা যায়। এই বিষয়গুলো খুবই পীড়া দিয়েছে। ভবিষতে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের বিউটিফিকেশন শেখাতে চাই। খুব ইচ্ছা রয়েছে একটি বৃদ্ধাশ্রম করার। আল্লাহ সহায় হলে সেটিও নিশ্চয়ই হবে।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ২৫তম।

চোখ উঠলে পানির ঝাপটা দেওয়া কি ঠিক?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
চোখের ছোঁয়াচে এক রোগের নাম কনজাংটিভাইটিস। অনেকে একে চোখ ওঠাও বলেন। সাধারণত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এই রোগ হয়। চোখের সাদা অংশের ওপর একটি পর্দা বা কাভার থাকে। একে খালি চোখে দেখা যায় না। এই অংশে সংক্রমণই কনজাংটিভাইটিস।

এই রোগ হলে চোখে বার বার পানির ঝাপটা দিতে হবে- এমন একটি ধারণা বেশ প্রচলিত। তবে আসলেই কি এটি ঠিক? জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. মো. ফরহাদ বিন সিদ্দিক বলেন, ‘বিষয়টি একেবারেই ভুল। এতে উল্টো চোখের ক্ষতি হয়। কারণ, পানিতে নানা ধরনের জীবাণু থাকতে পারে। এতে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি এবং উপসর্গগুলোও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’

সাধারণত যাদের ঠান্ডা বা অ্যালার্জির প্রবণতা রয়েছে, তাদের এই সমস্যা বেশি হতে দেখা যায়। চোখ লাল হওয়া, পানি পড়া, ময়লা জমা, খচ খচ করা, ব্যথা হওয়া, ফুলে যাওয়া ও ব্যথার সঙ্গে জ্বর ইত্যাদি এই রোগের লক্ষণ। কখনো কখনো উপসর্গ এমনিতেই কমে আসতে পারে। তবে দুই থেকে তিন দিনের বেশি হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

‘রোগ নিরাময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ও ওয়েনমেন্ট ব্যবহার করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই রোদে যাওয়া যাবে না। আর যেতে হলে অবশ্যই রোদ চশমা ব্যবহার করবেন। চোখ দিয়ে পানি এলে টিস্যু একবার ব্যবহার করে ফেলে দিন। রোগটি যেন অন্যদের মাঝে না ছড়ায় তাই মানুষের ভিড় এড়ানোই ভালো’, বলেন ডা. মো. ফরহাদ।

এ ছাড়া অনেকে অপচিকিৎসা করে গাছ-গাছরার রস, মধু দেন জানিয়ে ডা. মো. ফরহাদ বলেন, ‘এগুলো চোখের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। ‘

তাই এই ধরনের সমস্যায় অপচিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে জানান এই চিকিৎসক।

পূজার পাতে আলু-মটর-পনির

কবিতা বিশ্বাস
পূজা মানেই উৎসব, আর ভুরিভোজের আয়োজন। তাই ষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী- সবদিনই খাবারে চাই ভিন্ন বৈচিত্র্য। পূজার সময় খাবারের পাতে রাখতে পারেন আলু-মটর-পনির। এই সুস্বাদু খাবারটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। চলুন জেনে নিই রেসিপিটি-

উপকরণ
আলু ১ কেজি (কিউব করে কাটা)
পনির ৩০০ গ্রাম (কিউব করে কাটা)
১৫০ গ্রাম মটরশুঁটি
পেঁয়াজ ও আদা পরিমাণ মতো

মসলা
ভাজা জিরা ১ চা চামচ
ছোট এলাচ ৩ টি
বড় এলাচ ১ টি
দারুচিনি ১ টি (ছোট)
কাজু বাদাম ১০ টি
পোস্ত ১ চা চামচ
টমেটো ১টি

যেভাবে তৈরি করবেন

পেঁয়াজ ও আদাসহ সবগুলো মসলা একসঙ্গে অল্প তেলে ভেজে ঠান্ডা করে নিন। এবার মিক্সচার মেশিনে দিয়ে পেস্ট করে ফেলুন।

আলুগুলোকে সামান্য লবণ ও হলুদ দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এভাবে পনিরও হালকা বাদামী করে ভাজুন । এবার কড়াইয়ে ১০০ গ্রামের মতো তেল দিয়ে গরম হয়ে এলে তেজপাতা, আস্ত জিরা ফোঁড়ন দিন। হালকা গরম হলে কড়াই চুলা থেকে নামিয়ে অল্প হিং ডাস্ট দিন। রান্নাটা একটু সাদাটে হবে। কড়াই আবার চুলায় চাপিয়ে একে একে পেষ্ট করা মশলা, সামান্য হলুদ, হালকা গুঁড়া মরিচ দিয়ে একসঙ্গে কষে নিন। এবার আলু দিয়ে কিছুক্ষণ কষে নিয়ে পরিমাণমতো গরম পানি দিন।

তিন থেকে চারটি কাঁচা মরিচ ভেঙ্গে ছেড়ে দিন। লবণ স্বাদমতো দিয়ে চেখে নিন। এরপর দেড় চা চামচ চিনি আর দুই টেবিল চামচ ঘি দিন। সব ঠিকঠাক হলে ভাজা পনির ছেড়ে দিন। পনির দিয়ে চুলায় ৩০ সেকেন্ডের মতো রেখে মটরশুঁটি দিয়ে চুলা নিভিয়ে দিন । ঝোলটা যেন মাখো মাখো হয়, এমনভাবে রান্না করতে হবে। হয়ে এলে সার্ভিং ডিসে ঢেলে পরিবেশন করুন।

দিনভেদে পূজার সাজ

শারমিন কচি

পাঁচ দিনে পাঁচ রকম সাজে যারা পূজার উৎসবে যোগ দিতে চাচ্ছেন, তারা ঘুরেফিরে একই রূপে না থেকে সাজুন ভিন্ন ভিন্ন ধাঁচে। এক দিনের সাজ থেকে আলাদা থাকুক অন্য দিনের সাজটা। রঙ হোক, হোক পোশাকের উপাদান কিংবা মুখের সাজ, ভিন্নতার ছোঁয়া থাকা চাই সব কয়টা দিন।

ষষ্টীর সাজ

হালকা সাজে কাটাতে পারেন এই দিনটি। পোশাকের ক্ষেত্রে পছন্দ মতো রঙের তাঁতের শাড়ি বেছে নিতে পারেন । উজ্জ্বল, তবে মিষ্টি রঙ প্রাধান্য পাবে এই সময়। শরতের ঝকঝকে আসমানি রঙের শাড়িতে জড়াতে পারেন নিজেকে। অথবা নরম সুতি বা জর্জেট রাখতে পারেন বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে। এই শাড়ির সাথে সাদা মুক্তোরমালা, চুলে বেলি বা চাঁপাফুল আর হাতে এলোমেলো চুড়ির দল, দারুণ মানাবে আপনার ষষ্টীর সাজে।

সপ্তমীর সাজ

উজ্জ্বল কোনো রঙ বাছুন শাড়িতে। হতে পারে সেটি সবুজ, টিয়া, কমলা বা লালচে কোনো রঙ। এক রঙের শাড়ি আর প্রিন্টের বা লেইস বসানো ব্লাউজ পরা যায় দিনটিতে। আগের দিন খোঁপা হলে সেদিন বেণি চলবে, কিংবা ছেড়ে দেওয়া চুলেই এক পাশে ফুল গুঁজে দিন। কানে বড় ঝোলা দুল আর হাতে চুড়ি, গলা না হয় খালিই থাকুক। সপ্তমীতে ঘুরে বেড়ানো হলে গয়না হালকা রাখাই ভালো।

অষ্টমীর সাজ

ছাই, গাঢ় নীল, বেগুনি কিংবা বাদামি রঙের পোশাক পরতে পারেন এই দিনে। সঙ্গে ভিন্নমাত্রা আনতে পরতে পারেন সাবেকী গয়না। চুল পরিপাটি করে বেঁধে রাখুন। গয়না পরতে পারেন চুলেও; ঝুমকো দেয়া কাঁটা বেশ মানাবে। সঙ্গে নাকফুল বা নথ আরো নজরকাড়া করবে আপনাকে।

নবমীর সাজ

হালকা গোলাপি জামদানিটা পরে ফেলুন নবমীতেই। কিংবা মেরুন রঙের সিল্কের শাড়িটা। ভারী গয়না আর সাজে আভিজাত্য নিয়ে আসুন নবমী উপলক্ষে। একপাশে সিঁথি টেনে এলোখোঁপা মানিয়ে যাবে, তাতে পাথরের অনুষঙ্গ জমকালোভাব যোগ করবে আরো।

বিজয়া দশমীর সাজ

দেবী বিদায়ের পালা এলে মনে আনন্দের সঙ্গে কষ্টও থেকে যায়। তার মাঝেই চলে উৎসবের সমাপনী আয়োজন। এই দিনে সাবেকী লাল পেড়ে সাদা শাড়িই চলুক। সঙ্গে জরির আরেকটা পাড় যোগ হলে আরো দারুণ দেখাবে শাড়িটা। হালকা সোনার গয়না মানানসই বিসর্জনের দিন সাজে। চুল খোলাই রাখুন, কাজল আর লাল টিপ মন্দ দেখাবে না।

লেখক
রূপবিশেষজ্ঞ
কর্ণধার, বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ার

এবারের পূজার পোশাক

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

হাফ সিল্কের চাপা সাদা শাড়ি। লাল রঙের পাড়ে সোনালি প্রিন্ডেট ছোট ফুল। এর নিচেই পাড় ঘেঁষে গোলাপি, মেজেন্টা রঙের বাহারি কাজ। আবার হয়তো লাল ও বেগুনির মিশ্রণে জমিন, পাড়ে রয়েছে কমলা রং। আঁঁচল ও শাড়ির নিচে স্কয়ার বা বাহারি ফুলের নকশা।

আবার একটু আরামে পরা যায়, এমন সুতি শাড়িগুলোর ক্ষেত্রে নতুনত্ব আনার জন্য করা হয়েছে হ্যান্ডপ্রিন্ট, ব্লকের কাজ। যেহেতু শরৎকাল, তাই প্রকৃৃতির সঙ্গে মিলিয়ে নীল, সাদা, পিচ, চাপা সাদা ইত্যাদি রং প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এবার পূজার পোশাকে বাজার ঘুরে এ ধরনের শাড়িই চোখে পড়ল।

তবে কুর্তি বা ওয়ান পিস, টপস, টিউনিকের চলও রয়েছে বেশ। এ ক্ষেত্রে কাপড় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে সেমি মসলিন, ভিসকস, সুতি, সিল্ক, নরম জর্জেটের কাপড়গুলো। পুতি, চিকন সুতা বা জড়ির কাজ রয়েছে এসবে। এবার পূজায় পোশাকের ধরন কেমন? জানতে চাইলে, কে-ক্র্যাফটের স্বত্বাধিকারী খালিদ মাহমুদ খান জানান, পূজার উৎসবকে আরও বর্ণিল করতে আমরা বৈচিত্র্যময় নতুন পোশাক নিয়ে এসেছি। মানডালা, ট্রাইবাল ও ফ্লোরাল মোটিফের অনুপ্রেরণায় এবং বিচিত্র রঙের বিন্যাসে চলমান ট্রেন্ড অনুযায়ী নকশা করা হয়েছে পোশাকগুলোর। পাশাপাশি ক্ল্যাসিক লুকের সঙ্গে রেট্রো লুকের কম্বিনেশন নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে। রঙের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে সাদা, লাল, কোরা, ছাই, কোরালরেড, রুপালি, কোরালপিঙ্ক, পার্পল, বাদামি ইত্যাদি ।

কেবল বাজারেই নয়, ফেসবুকের বিভিন্ন পোশাকের পেজগুলো ঘুরেও দেখা যায় পূজা উপলক্ষে নিত্যনতুন নকশার পোশাকের সমারোহ। এমনই একটি ফেসবুক পেজ ‘ঊ’-এর কর্ণধার তাসনিয়া জহুরা। পাঁচ বছর ধরে তিনি চালাচ্ছেন এটি। পোশাক তৈরির নিজেরই একটি কারখানা রয়েছে তাঁর। বললেন, আমার পেজের একটি বড় অংশ হিন্দু সম্প্রদায়। তাঁদের জন্য হাফ সিল্কের মধ্যে সাদা ও লাল পাড় শাড়ি এনেছি। পাড় ও আঁচলে রয়েছে সোনালি রঙের ব্লকের কাজ। এ ছাড়া যেহেতু শরৎকাল চলছে এবং এখনো গরম রয়েছে, তাই আরামদায়ক কিছু পোশাক এনেছি। খাদি ও সুতির শাড়ি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আকাশি, নীল, গাঢ় নীল, সাদা ইত্যাদি রং বেছে নেওয়া হয়েছে। থ্রিপিসও রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সেমি মসলিন কাপড়ের ওপর ব্লকের কাজ করা হয়েছে। এগুলো বেশ চাহিদা রয়েছে ক্রেতাদের মাঝে।

বাজারে দেখা গেল, ছেলেদের জন্য রয়েছে পাঞ্জাবি, ফতুয়া, টি-শার্ট। পাঞ্জাবির ক্ষেত্রে হাফ সিল্ক, সুতি, খাদি ইত্যাদি কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। বুকে, গলায় ও হাতায় রয়েছে সোনালি চিকন সুতা বা পুতির কাজ। এ ছাড়া ব্লকের পাঞ্জাবির চলও রয়েছে বেশ। ছোট মেয়েদের ফ্রগ, স্কার্ট, সালোয়ার-কামিজ, শাড়ি এবং ছোট ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবি, টি-শার্ট রয়েছে। কে-ক্র্যাফটের কর্ণধার খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘মূলত এমন পোশাক তৈরি করা হয়েছে, যা আরামদায়ক, সময়োপযোগী ও উৎসবধর্মী হবে। ছোটদের জন্যও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের রঙিন পোশাক। এ ছাড়া থাকছে যুগল ও ফ্যামিলি পোশাক। একটি পরিবারের সবাই চাইলে একই নকশা ও কাপড়ের পোশাক পরতে পারবে।’

বই যত্নে রাখার ৫ উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

টাকা, স্বর্ণ বা কোনো দামি উপাহার নয়; বিয়েতে দেনমোহর হিসেবে বই নিয়েছেন সান্ত্বনা খাতুন। বগুড়ার উত্তর চেলোপাড়া দাখিল মাদ্রাসার ইংরেজি শিক্ষকের এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোড়ন ফেলে। স্বামী নিখিল নওশাদও খুঁজে খুঁজে স্ত্রীর পছন্দের বইগুলো কিনে দেন তাকে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি হওয়া এই ঘটনাটি নিয়ে খবর হয় পত্র-পত্রিকায়। আসলে বইপ্রেমীদের বিষয়টা অনেকটা এমনই। পঠন-পাঠন তাদের জীবনের সব অংশেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়ে।

তবে বই যত্নে রাখার বিষয়টিতে কিন্তু বেশ ঝক্কি পোহাতে হয় বইপ্রেমীদের। একটু অবহেলাতেই অত্যন্তু গুরুত্বপূর্ণ, প্রয়োজনীয় বইটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তবে একটু সতর্ক হলে দীর্ঘদিন ভালো থাকে এটি। বই যত্নে রাখার কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ রইল পাঠকের জন্য। চলুন, জেনে নিই :

সূর্যের আলো থেকে সাবধান
সূর্যের আলো সরাসরি পড়বে না, এমন জায়গায় বই রাখতে হবে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি বইয়ের কভারকে নষ্ট করে দেয় এবং মলিন করে দেয়। একটু ছায়া পাওয়া যায় এমন জায়গাতেই এটি রাখা ভালো।

একভাবে বই রাখতে হবে
বই রাখার সময় সবকটির অবস্থান যেন এক রকম হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বড় থেকে ছোট এভাবে ক্রমান্বয়ে সাজাতে হবে। আবার লেখক বা বিষয়ের নামানুসারে সারি করে বই রাখা যেতে পারে। এতে খুঁজে পেতে সহজ হবে।

 

শুষ্ক ঘরে বই রাখুন
বই রাখার জন্য শুষ্ক একটি ঘর বেছে নিন। স্যাঁতেসেঁতে ঘরে রাখলে বই দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে। তাই শুষ্ক, বাতাসপূর্ণ জায়গায় এটি রাখুন।

বই পরিষ্কার করুন
প্রতি এক বা দুই মাস পরপর বুকশেলফ থেকে নামিয়ে বইগুলো পরিষ্কার করুন। ধুলো-বালি ঝাড়ুন। নরম পরিষ্কার কাপড় অথবা ব্রাশ বই পরিষ্কারের জন্য ভালো।

বইয়ের গায়ে বাড়তি মলাট
সম্ভব হলে একটু টাকা খরচ করে বইয়ের ওপর বাড়তি পুরু মলাটের ব্যবস্থা করুন। এতে দীর্ঘদিন বই ভালো থাকবে। আর সব বই সম্ভব না হলে অন্তত খুব গুরুত্বপূর্ণ, দামি বইয়ের ক্ষেত্রে এটি করতে পারেন।

ডায়েট করেও পেটের মেদ কমছে না, কারণ জানুন

সাতকাহন২৪. কম ডেস্ক

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস পেটের মেদ তৈরির অন্যতম কারণ। অতিরিক্ত শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাবার ওজন বাড়ানোর জন্য দায়ী। এসবের পরিবর্তে আমিষ, ভালো চর্বি, শাক-সবজি খাদ্যতালিকায় রাখলে ওজন কমতে সুবিধা হয়। তবে এ ধরনের খাবার খাওয়ার পরও অনেকের পেটের মেদ ধীরে কমতে দেখা যায়। এর কারণ কী? আসুন জানি।

ধূমপান
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর- এ কথা তো আর অজানা নয়। তবে জানেন কি ধূমপান পেটের মেদ তৈরিরও অন্যতম কারণ?
গবেষণায় দেখা যায়, ধূমপায়ীদের মেদ বেশি হয়, অধূমপায়ীদের চেয়ে। তাই শরীর ফিট রাখতে এই অভ্যাস দ্রুত ত্যাগ করুন।

মানসিক চাপ
করটিসল হলো মানসিক চাপ তৈরিকারী হরমোন। এই হরমোনের পরিমাণ বাড়লে অর্থাৎ মানসিক চাপের ভেতর থাকলে পেটের মেদ বাড়ে। ধ্যান, যোগ ব্যায়াম, ব্যায়াম ইত্যাদি হতে পারে এসব থেকে পরিত্রাণের উপায়। এ ছাড়া মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসকেরও পরামর্শ নিতে পারেন।

পর্যাপ্ত ব্যায়াম না করা
ওজন কমাতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করাটাও জরুরি। পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যায়াম না করলে পেটের মেদ কমতে দেরি হয়। ফিটনেস বাড়াতে হাঁটা, দৌড়, সাঁতার ইত্যাদি উপকারী।

মদ্যপান
ধূমপানের মতো মদ্যপানও পেটের মেদ বাড়িয়ে দেওয়ার অন্যতম আরেকটি কারণ। মদের শর্করা পেটের মেদ বাড়ায়। তাই শরীরকে ফিট রাখতে এই অভ্যাসটিও অবশ্যই বাদ দিতে হবে জীবন থেকে।

পর্যাপ্ত পানি পান না করা
শুনে অবাক হচ্ছেন? আসলেই তাই, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান না করাও মেদ বাড়াতে পারে। গবেষণায় দেখা যায়, পর্যাপ্ত পানি পান ওজন কমাতে উপকারী। তবে এ ক্ষেত্রে কোমল পানীয় বা চিনিযুক্ত পানীয় কিন্তু উপকার করবে না। মেদ কমাতে আপনাকে প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস সাধারণ পানি পান করতে হবে।

সূত্র : ওয়েবএমডি

‘বিউটিফিকেশনের এ টু জেড উজ্জ্বলা শিখিয়েছে’

0

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ইডেন মহিলা কলেজ থেকে ইংরেজি বিভাগে অনার্স শেষ করে চাকরি করছিলেন জেবুন্নেসা রিপা। তবে এক পর্যায়ে মনে হলো এমন কিছু করা দরকার যেটার পাশাপাশি সংসারেও সময় দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে বিউটি আর্টিস্ট হতে পারে ভালো পেশা। যেই ভাবা সেই কাজ। উজ্জ্বলায় এসে ভর্তি হলেন এবং কোর্সগুলো শেষ করলেন। বর্তমানে নিজেই একটি স্যালন খুলেছেন। আয়ও ভালোই হচ্ছে। উদ্যোক্তা হিসেবে ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন।

জানালেন, কাজ করার শুরুর দিকে পরিবার থেকে তেমন সহযোগিতা পাচ্ছিলাম না। চাকরি ছেড়ে ব্যবসা করবো- এই বিষয়টি নিয়ে ভাবছিলো সবাই। আবার বিউটি আর্টিস্ট বিষয়টিকেও ভালোভাবে দেখছিলো না। যা হয় আমাদের সমাজে! তবে এখন অনেকেই প্রশংসা করছে। নতুন স্যালন হিসেবে আয়ও মোটামুটি ভালো হচ্ছে।

কাজল, লিপস্টিক ও পাউডার দেওয়া ছাড়া আমি মেকআপের কিছুই জানতাম না। উজ্জ্বলা আমাকে সম্পূর্ণ বেসিকটা শিখিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উজ্জ্বলায় মেকআপের কোর্সগুলো খুব ভালো হয়। ছোট শিশুদের যেভাবে অ, আ, ক, খ শেখায়, তারা ঠিক তেমন করে শিক্ষার্থীদের মেকআপটা শেখায়। বিউটিফিকেশনের এ টু জেড উজ্জ্বলা থেকে শেখা যায়। ক্লাস করার সময় মনে হতো কিশোর বয়সের শিক্ষা জীবনে ঢুকেছি।’

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে উজ্জ্বলার ক্লাস শুরু করেন রিপা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি থেকে একটি- দুটি অ্যাডভান্স কোর্সও করেছেন। বলেন, ‘উজ্জ্বলায় বেসিক ও অ্যাডভান্স- সব ধরনের কোর্স করায়। একই জায়গায় সব শিখতে পারছি এটা বড় পাওয়া।’

আসলে উজ্জ্বলা কেবল মেকআপ শিখিয়েছে বিষয়টি এমন নয়। প্রতিষ্ঠানটি কাজ করার শক্তিও জুগিয়েছে। এখানকার প্রশিক্ষকরা খুব ভালো। যেকোনো সমস্যায় তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা যায়। যেকোনো পরিস্থিতিতে কীভাবে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হয়- এটা শিখেছি উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা ম্যামের কাছে। ফ্যাকাল্টি সোনিয়া আপার কাছ থেকে শিখেছি কীভাবে মনোযোগ দিয়ে কাজ করে যেতে হয়-জানান রিপা।

কাজ রিপাকে ভালো রাখে। সবসময় ব্যস্ত থাকতে চান তিনি। জানালেন, ‘ভবিষ্যতে নিজের স্যালনকে আরো বড় করার ইচ্ছা রয়েছে। উদ্যোক্তা হিসেবে আরো এগিয়ে যেতে চাই।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ২৪তম।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.