Monday, September 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 113

ফটোগ্যালারি : বিসর্জন

সাতকাহন২৪.ডেস্ক

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। দেবী দুর্গা এবার এসেছিলেন গজে, ফিরলেন নৌকায়। বিজয়া দশমির দিনে অশ্রু ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে তাঁকে বিদায় জানালেন ভক্তরা। বিসর্জনের কিছু ছবি রইল সাতকাহনের পাঠকদের জন্য।

দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গোৎসব। ছবি : সংগৃহীত
দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গোৎসব। ছবি : সাতকাহন২৪.কম
ভক্তি ও প্রেমের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানতে মেতেছিলেন ভক্তরা। ছবি : সংগৃহীত
ভক্তি ও প্রেমের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানতে মেতেছিলেন ভক্তরা। ছবি : সাতকাহন২৪.কম
বিসর্জনের আগে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেন ভক্তবৃন্দ। ছবি : সাতকাহন২৪.কম
বিসর্জনের আগে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেন ভক্তবৃন্দ। ছবি : সাতকাহন২৪.কম
দেবীকে বিদায় দিতে অগনিত ভক্তের আগমন। ছবি : সাতকাহন২৪.কম
দেবীকে বিদায় দিতে অগনিত ভক্তের আগমন। ছবি : সাতকাহন২৪.কম

খরচ কমাবেন কীভাবে?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
২০২০ সাল থেকে করোনা মহামারিতে পড়েছে গোটা বিশ্ব। এর প্রকোপ কিছুটা কাটতে না কাটতে শুরু হয়েছে যুদ্ধ, অর্থনৈতিক টানাপোড়েন, তেল ও জ্বালানি সংকট। এমন পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক মন্দার দিকে হাঁটতে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব- এমনটাই মতামত বিশ্লেষকদের। এমন পরিস্থিতিতে সংসারের খরচ সামলাতে কিছু বাড়তি খরচ কমানো বেশ জরুরি। আসুন জানি, খরচ কমানোর কিছু কৌশল।

# কোন খাতে ব্যয় বেশি ও অযথা হয়, সেগুলো বের করুন। এসবের মধ্যে কোনটি খুব গুরুত্বপূর্ণ, সেটি বেছে নিন।

# অযথা রেস্টুরেন্টে খাবার না খেয়ে বাড়িতে তৈরি খাবার খান। প্রয়োজনে মজাদার আইটেমগুলো রান্না করা ঘরেই শিখে নিন।

# অপ্রয়োজনে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ব্যবহার করবেন না। এতে বিল কমবে।

# ফোনে কথা বলার জন্য মাসে কতটুকু টাকা প্রয়োজন হয়, তা আগে থেকে ভেবে রিচার্জ করে নিন। অযথা মোবাইলের বিল বাড়াবেন না।

# কেনাকাটার আগে অবশ্যই একটি তালিকা তৈরি করুন। তালিকা অনুযায়ী কেনাকাটা করুন। পছন্দ হয়ে গেল বলেই বাড়তি জিনিস কিনে ফেললেন, তেমনটা যেন না হয়।

# সবজি, মাংস, কাঁচাবাজার করার আগে দেখুন কোনটাতে পুষ্টির চাহিদা বেশি পূরণ হবে এবং টাকাও কম খরচ হবে। যেমন: পেঁপে, চালকুমড়ার তুলনায় লতি থেকে বেশি পুষ্টি পাবেন। তাই একটু ভেবেচিন্তে খাবার কিনুন।

# খরচ কমাতে ডিসকাউন্টে কেনাকাটা করতে পারেন। নির্দিষ্ট কোনো পণ্যে ছাড় দিচ্ছে কিনা, সে বিষয়টি খেয়াল রাখুন।

# ধূমপান, মদপান থেকে বিরত থাকুন। এতেও বাজে খরচ কমবে।

# অফিস বা স্কুলের টিফিনে বাসা থেকে বানানো খাবার নিয়ে যান। টিফিনের জন্য আলাদা খরচও কমিয়ে আনুন।

# সঞ্চয়ের প্রতি মনোযোগী হোন। হাতে টাকা রয়েছে বলেই খরচ করে ফেলার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসুন। প্রতিদিন কিছু টাকা হলেও সঞ্চয়ের চেষ্টা করুন।

সূত্র : উইকিহাউ

‘ছেলেরা বিউটি আর্টিস্ট হলে সমাজ বাঁকা চোখে দেখে’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একজন ছেলের বিউটি আর্টিস্ট হওয়া কিছুটা কঠিন। সমাজ বিষয়টিকে বাঁকা চোখে দেখে। এমনকি প্রশিক্ষণ নেওয়াটাও সহজ হয় না। অনেক প্রতিষ্ঠানই শেখানোর ক্ষেত্রে সরাসরি ‘না’ বলে দেয় তাঁদের। তবে এসবের ভতরেও যাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন এবং পুরুষ বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে সমাজে অবদান রাখছেন, তাঁদের মধ্যে একজন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিনি বরিশালের ছেলে। বর্তমান সময়ে বরিশালে তিনিই একমাত্র পুরুষ আর্টিস্ট। উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি স্যালন খুলেছেন তিনি। আয়ও ভালোই করছেন। অনেকে প্রশিক্ষণও নেয় তাঁর কাছ থেকে। তাঁর জীবনের চড়াই-উৎরাই, সফলতা, ব্যর্থতা, উজ্জ্বলার প্রভাবের গল্পগুলো শুনবো আজ।

উজ্জ্বলা খুব যত্ন নিয়ে কাজ শেখায়

আমি পেশাগতভাবে পার্লার শুরু করি ২০১৮ সালে। ১০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে এই কাজের। এরপরও উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নিই। উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা ও বিউটি ইন্ডাসট্রির অন্যতম নাম আফরােজা পারভীন আপা। তাঁর করা কাজগুলো বিভিন্ন মিডিয়াতে দেখতাম। তাকে ভীষণভাবে অনুসরণ করতাম। আফরোজা আপা বিউটিফিকেশনের বিষয়টিকে খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেন। এতো সুন্দরভাবে যে বিষয়টিকে উপস্থাপন করা যায়, এটা ভেবে অবাক হতাম! তাঁর কাজ দেখতে দেখতে মনে হয়েছে উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া দরকার। উজ্জ্বলা খুব যত্ন নিয়ে আমাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। আর তারা ছেলেদেরও প্রশিক্ষণ দেয়। এটা বাংলাদেশের অনেক স্বনামধন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতেও দেয় না।

মেয়েদের কাজ ছেলেরা করবে, কেমন কথা?

কাজ শুরুর প্রথম দিকে খুব কটু কথার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ‘মেয়েদের কাজ ছেলেরা করবে, কেমন কথা?’ এসব প্রচুর শুনেছি। এ ধরনের পেশাগুলোতে ছেলেদের বঞ্চিত করা হয়। কাজ শিখতে দেওয়া হয় না। মেকআপ আর্টিস্ট ছেলেরা হবে এটা চায় না। কিন্তু কখনো দমে যায়নি। স্যালন খোলার আগে বাসাতেই একটু স্টুডিওর মতো ছিলো আমার। সেখানে কাজ শুরু করি। সেখানেই সাজাতাম। পাঁচ থেকে ছয় বছর অন্যের বাড়িতে গিয়ে প্রচুর সাজিয়েছি। এভাবে নিজের প্রচার করি। এখনতো নিজেরই স্যালন রয়েছে।

উজ্জ্বলাতে সবাই পরিবারের মতো

উজ্জ্বলা এমন একটা পরিবার যেখানে সবাই বাড়ির মানুষের মতো। কোনো প্রোগরাম হলে আমাকে একটি ফোন দেয়। এখান থেকে সবার খোঁজখবর সবসময় নেওয়া যায়। উজ্জ্বলার সাবিহা আপা ভীষণ সহযোগী একজন মানুষ। যেকোনো সময় তাদের কাছে ফোন দিয়ে তথ্য নেওয়া যায়।

করোনার মহামারির সময় যখন পার্লার নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিলাম, তখন আমার কর্মীদের জন্য কিছু সহযোগিতাও পাঠিয়েছিলো তারা। উজ্জ্বলার কাছ থেকে পুরুষ বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে সম্মাননা পেয়েছি। এটা আমার কাজে অনেক প্রেরণা জুগিয়েছে।

উজ্জ্বলার পক্ষ থেকে একটি অনুষ্ঠান হয় বরিশালে। সেখানে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। সেদিন আফরোজা পারভীন আপার সঙ্গে আমি একটি লাইভ করি। আপা যে বিষয়টিতে সহমত জানিয়েছিলেন, সেটা আমার জন্য বড় পাওয়া। এটা আমাকে খুব আবেগপ্রবণ করে। আফরোজা আপার কথা এক ঘণ্টা কথা শুনলেও কিছু একটা শেখা যায়। এই গুণ অনেকের ভেতর থাকে না।

ছেলেরা এই কাজে আগ্রহী হোক

বিউটিফিকেশনের কাজে ছেলেরাও আগ্রহী হোক, এমনটাই চাই। আমার স্যালনে যেসব মেয়ে কাজ করে, তারা আমার ওপর নির্ভরশীল। যারা আমার সঙ্গে একবার কাজ করে, তারা অন্য কোথাও যেতে চায় না। আমি সহকর্মীদের জন্য কাজ করতে চাই। তাদেরকে টিকিয়ে রাখতে চাই কাজের ভেতর দিয়ে। তাদের জীবনকে যেন সুন্দর করতে পারি। এটাই চাওয়া।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ২৯তম।

ডেঙ্গু জ্বরে কী খেলে শক্তি পাবেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। এই জ্বর হলে খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। শরীরে শক্তি দেবে এবং দ্রুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এমন খাবারই খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে। না হলে পানিশূন্য ও রক্তশূন্য হয়ে দেহ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।

ডেঙ্গু জ্বর হলে স্বাস্থ্যকর খাবারের বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী :

# ডেঙ্গু জ্বর হলে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার খেতে হবে। পাকা পেঁপে, মাল্টা, আপেল, কমলা, আনারস ইত্যাদি ফল ও ফলের রস খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে।

# এ সময় অনেকের দেহে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। এ সমস্যা এড়াতে ডাবের পানি পান করতে পারেন।

# জ্বর হলে প্রচুর পরিমাণ তরল ও তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে পালং শাক, ব্রকলি, গাজর ইত্যাদির স্যুপ খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। এ ছাড়া বাসায় তৈরি করা ছোট মুরগির স্যুপও ভালো হবে। এর মধ্যে লেবুর রস যোগ করতে পারেন। এতে ভিটামিন সি-ও পাওয়া গেল।

# জ্বর হলে অনেকেরই মুখে রুচি কমে যায়। রুচি ফিরিয়ে আনতে ধনেপাতার চাটনি, পুদিনা পাতার ভর্তা ইত্যাদি খেতে পারেন।

# চা, কফি এ সময় পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দিতে পারে। এসব খাবার এড়িয়ে আদা চা, দারুচিনি চা, সব মসলার মিশ্রণে চা, লেবু চা পান করতে পারেন। এ ধরনের চায়ের মধ্যে প্রদাহরোধী ও ব্যথানাশক উপাদান রয়েছে। এতে ব্যথা কমবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে।

# সহজে হজম হবে এমন খাবারই এ সময়ের খাদ্যতালিকায় রাখবেন। যেমন : জাও ভাত, সাগু, পেঁপে, শিং মাছের ঝোল ইত্যাদি।

# হজমের সমস্যা না হলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই দুধ রাখতে পারেন। এটি দেহের পুষ্টির চাহিদা অনেকটাই মেটাতে সাহায্য করবে।

# জ্বর সেরে গেলে বা হাসপাতাল থেকে ফেরার পরও খাবার-দাবারের বিষয়ে অসতর্ক হওয়া যাবে না। এই সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাদ্যতালিকায় প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার অবশ্যই রাখতে হবে। যেমন : কলিজা, ডিম, মাশরুম, ডাল ও বিচিজাতীয় খাবার ইত্যাদি।

# এ সময় আয়রনজাতীয় খাবার খাওয়াও জরুরি। যেমন: গাঢ় সবুজ শাক, আনার, খেজুর ইত্যাদি।

# জ্বর হলে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা যাবে না। এতে শরীর আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। একটু পরপর হলেও কিছু খেয়ে ক্যালরি বাড়াতে হবে।

ডেঙ্গু হলে কী করবেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে মৃত্যুর হারও। ডেঙ্গু জ্বর মূলত হয় এডিস মশার কামড়ে। এই মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায়। ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজ (সাভার)-এর চিকিৎসক ডা. শাকিল মাহমুদ জানান, ডেঙ্গু একটি ভাইরাস জনিত রোগ। জ্বর হওয়ার সাত দিনের মধ্যে সাধারণত এটি সেরে যায়। ডেঙ্গুর চারটি সেরিওটাইপ রয়েছে। সব সেরিওটাইপের ক্ষেত্রে প্রধান লক্ষণ হলো, প্রচণ্ড জ্বর হওয়া। জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, বমি হওয়া, পেট ব্যথা ইত্যাদি থাকবে। কারো কারো ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানা হতে পারে। এই লক্ষণগুলো প্রথম দিন থেকে পঞ্চম দিন পর্যন্ত থাকে। পঞ্চম দিনের পর থেকে সাধারণত ডেঙ্গুর লক্ষণ কমে যায়। স্বাভাবিক ভাইরাস জ্বরে নাক দিয়ে পানি পড়ে। হাঁচি কাশি থাকে। তবে ডেঙ্গুতে এটা থাকবে না। ‘

তবে পঞ্চম দিনের পরে কারো কারো দেহে র্যাশ দেখা দিতে পারে; মাড়ি বা দেহে রক্তক্ষরণ হতে পারে জানিয়ে ডা. শাকিল বলেন, ‘এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে একে হেমোরোজিক ডেঙ্গু বলা হয়। হেমোরেজিক ডেঙ্গুতে সতর্ক ব্যবস্থা না নিলে ডেঙ্গু শক সিনড্রমে চলে যেতে পারে। মৃত্যুর যে খবরগুলো আমরা পাই সেটি সাধারণত এ কারণে হয়ে থাকে।’

পরীক্ষা- নিরীক্ষা

ডেঙ্গু সনাক্তে করণীয় বিষয়ে ডা. শাকিল মাহমুদ বলেন, ‘ প্রথমে সিবিসি টেস্ট করতে হবে। এরপর প্লাটিলেট কাউন্ট দেখবো। প্রথম তিন দিনে এনএসওয়ান করবো। রোগী তিনদিনের পরে আসলে রোগ সনাক্তের জন্য আইজি এন করি। ১০ থেকে ১৪ দিন পর রোগী আসলে আইজিজি করা হয়। এরপর ডেঙ্গু ভাইরাল কালচার করবো। নিশ্চিত হওয়ার জন্য ডেঙ্গু পিসিআরও করা যায়। তবে এটি একটু ব্যয়বহুল।’

চিকিৎসা
ডেঙ্গু মশা দিনে কামড়ায়। পর্যাপ্ত আলোতে ডেঙ্গু মশা কামড়ায়। তাই লম্বা হাতাযুক্ত পোশাক পরতে হবে। আর দেহের যেসব জায়গাগুলো খোলা থাকে সেখানে মশা নিরোধক লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এ ধরনের লোশন লাগানোর আগে দেখতে হবে, দেহে কোনো র‍্যাশ হয়েছে কি না। ডেঙ্গু হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খেতে হবে। মাড়িতে রক্ত ক্ষরণ বা মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা হলে হাসপাতালে যেতে হবে। যেহেতু এ সময় প্লাটিলেট কমে যায়, তাই প্যারাসিটামলের বাইরে কোনো ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ না সেবন করাই ভালো। তবে ওষুধ সেবনের বিষয়টিতে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ছাড়া জ্বর হলে প্রচুর পরিমাণ পানি বা তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে এবং বিশ্রামে থাকতে হবে। এমনটাই পরামর্শ দিলেন ডা. শাকিল মাহমুদ।

‘উজ্জ্বলা নতুন পথ দেখিয়েছে’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের ওপর অনার্স করেন নাজিয়া তাজনিন প্রিমা। লেখাপড়া শেষে বিয়ে হয়ে যায় তাঁর। সাত মাসের মাথায় সন্তানসম্ভবা হন। সংসার, ছোট সন্তান সামলাতে গিয়ে চাকরি করা হয়ে উঠছিলো না। একটা সময় ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েন। বন্ধু-বান্ধবরা চাকরি করে শক্ত অবস্থান তৈরি করে ফেলছে। তিনি কিছুই করতে পারছেন না। ভাবছিলেন, সংসার-সন্তান সামলে নিজের মতো কী করা যায়। এ সময় মাথায় এলো স্যালন শুরু করার কথা। তার মায়েরও একটি স্যালন ছিল। তিনি সেখান থেকে কিছু কাজ শিখেছেন। তবে আরো দক্ষ হতে উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নেন।

বর্তমানে তিনি একটি স্যালন খুলেছেন। আয়ও মোটামুটি ভালোই। এখন তিনি নিজেই স্বাবলম্বী। সংসার সামলে ভালোভাবেই ব্যবসাকে দাঁড় করাতে পেরেছেন। জানালেন, এখন আর নিজেকে লুজার মনে হয় না। একটা সময় অনেক বাজে কথা শুনেছি মানুষের। ডিপ্রেশনে ভুগতাম খুব। উজ্জ্বলা আমাকে নতুন পথ দেখিয়েছে।

আমার মায়ের স্যালন ছিলো ২০০৫ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত। সে সময় কিছু কাজ শিখেছিলাম। তবে নতুন করে নিজের ব্যবসা দাঁড় করাতে গিয়ে দেখলাম, আগের সঙ্গে এখনকার সাজের অনেক পার্থক্য। অনেক আপগ্রেড হয়েছে সব। তাই নিজেকে বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে দক্ষ করতে ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নিতে চাইছিলাম। উজ্জ্বলাকে আমার কাছে সব প্রতিষ্ঠানের চেয়ে আলাদা মনে হয়েছে। খুব গুছানোভাবে কাজটা শিখেছি। এখানে কোর্সগুলো খুব আপডেট। অন্যান্য যারা এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে তারাও উদ্বুদ্ধ করেছে- জানান তিনি।

কাজ করার সময় ক্লাইন্টের ইতিহাসও নেন তিনি। যেমন, কেউ হয়তো ফেসিয়াল করতে চাইলো, তখন তার ত্বকের অবস্থা কেমন সে সম্পর্কে বিশদভাবে জেনে নেন। এরপরই সেবা দেন। বললেন, এতে ক্লাইন্ট সন্তুষ্ট হয়। আর এ বিষয়টি শিখেছি উজ্জ্বলার কাছ থেকে। উজ্জ্বলা খুব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব কিছু শিখিয়েছে। এখানকার আরেকটি ভালো বিষয় ছিল, শিক্ষকদের প্রশ্ন করলে তারা বিরক্ত হতেন না। যেকোনো ধরনের প্রশ্ন করা যেতো। শিক্ষকরা খুব সুন্দর করে বোঝাতেন। প্রতিষ্ঠানটির সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন আপা প্রত্যেকটা মেয়েকে দাড় করিয়ে তাদের কথা শুনতেন। তাদের সুবিধা-অসুবিধা, মানসিক অবস্থা জানতে চাইতেন। এটা খুব উৎসাহ যোগাতো।’

বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে উজ্জ্বলার পক্ষ থেকে ‘সেরা উজ্জ্বলা’-এর অ্যাওয়ার্ড পান তিনি। জানান, এটা আমার জীবনের সেরা অর্জন। করোনার সময় পার্লার নিয়ে একটি বাজে অবস্থা পার করছিলাম। সে সময়টায় হতাশ হয়ে পড়ছিলাম খুব। এই সময় অ্যাওয়ার্ডটি পেলাম। এটা আমাকে সামনের পথটি চলতে খুব সহায্য করেছে। মনে হয়েছে, আমি পারবো। আসলে ব্যবসা করতে গেলে কখনো ভালো হবে, কখনো মন্দ। এটি মেনেই ব্যবসা করতে হবে। আর এই মনোবলটা উজ্জ্বলার প্রশিক্ষণ থেকেই পেয়েছি।

‘ভবিষ্যতে বিউটি সেক্টরে আরো ভালোভাবে কাজ করতে চাই। আর যেহেতু ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের ওপর লেখাপড়া করেছি। এটিও নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে’- বলেন তিনি।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ২৮তম।

শরতে সাজপোশাক কেমন হবে?

সাতকাহন২৪.কম

মিষ্টি নীল আকাশ আর শুভ্র মেঘের ভেলা। কাশবনে ফুলের সমারোহ, যেন তুলা ছড়িয়ে রেখেছে কেউ। আবহাওয়া খুব গরমও না, আবার ঠান্ডাও না। এটাই শরতের প্রকৃতি। প্রকৃতির এই আবেশ ছড়িয়ে যায় মানুষের মনেও।

আর আবহাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে সাজপোশাকটা হলেই তাে স্বস্তি পাবেন আপনি। এতে ব্যক্তিত্ববানও লাগবে। শরতের সময় ঢাকা স্বরকল্পন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সদস্য আবৃত্তিশিল্পী ফারিন তামান্না ইসলামের প্রথম পছন্দ সুতি ও খাদির পোশাক। সুতির শাড়ি এর মধ্যে বেশি প্রাধান্য পায়। এ ছাড়া উৎসব-অনুষ্ঠানে জামদানিও পরেন। আর খুব দৌড়ঝাঁপের কাজ হলে টপস, কুর্তি, পাঞ্জবি থাকে পছন্দের তালিকায়। বললেন, ‘শরতে প্রকৃতি ও আবহাওয়ার সঙ্গে মানাবে এমন সাজপোশাকই পরতে পছন্দ করি। এ সময় সাদা, নীল, হালকা গোলাপি ইত্যাদি হালকা রং বেছে নিই। আমার মনে হয়, এতে চোখ আরাম পায়। আর সাজের ক্ষেত্রে সাধারণত চোখকে গুরুত্ব দিই। একটু গাঢ় রঙের শ্যাডো ও কাজল দিয়ে স্মোকি লুক আনার চেষ্টা করি। অনেক সময় হালকা রঙের শ্যাডো দিয়ে মোটা করে আইলাইনার টানি। ঠোঁটে থাকে নুড বা ন্যাচারাল রঙের কোনো লিপস্টিক। হালকা গোলাপি, পিচ বা বাদামি রং ইত্যাদি।’

এ সময় পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে অ্যান্টিক, কাঠ বা মাটির গয়না পরতে পছন্দ করেন তিনি। গলায় ভারী মালা পরলে কানে সাধারণত ছোট দুল থাকে। আবার কানে ভারী পরলে গলায় ছোট মালা। বলেন, ‘মানুষের রুচি ও ব্যক্তিত্ব কেমন, সেটি আসলে ফুটে ওঠে তার সাজসজ্জায়। এ বিষয়টি খুব খেয়াল রাখি। আর সাজপোশাকের ক্ষেত্রে সব সময় বাঙালিয়ানাকে ফুটিয়ে তুলতে চাই।’

শরতের সাজপোশাকের বিষয়ে বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ারের কর্ণধার শারমিন কচি বলেন, ‘এ সময় হালকা রঙের প্রাধান্য হলেই ভালো। প্রকৃতির সঙ্গে হালকা ভাবটাই যায়। আসলে প্রকৃতি বাড়তি কিছু পছন্দ করে না। যত হালকাভাবে সাজা যাবে, তত স্নিগ্ধও লাগবে।’

শরতের সাজে মেকআপের ক্ষেত্রে প্রথমে ত্বকে পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। ঘাম এড়াতে প্রাইমার লাগালে ভালো। হালকা সাজের জন্য ন্যাচারাল রঙের বিবি ক্রিম ব্যবহার করা যায়। এরপর ফেসপাউডার লাগিয়ে আই মেকআপে যাবেন। অতিরিক্ত রং ব্যবহার না করাই ভালো। চোখে মভ রঙের শ্যাডো এ সময় বেশ মানাবে। এ ছাড়া হালকা বাদামি রংও ব্যবহার করা যায়। হালকা স্মোকিভাবও আনা যেতে পারে চোখে। তবে চোখ যেভাবেই সাজান না কেন, ঘন করে মাশকারা দিতে ভুলবেন না।

ব্লাশনের ক্ষেত্রেও হালকা রং বেছে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে টিন্ট রং বেশ ভালো মানাবে। হাইলাইট বোনে হাইলাইটার ব্যবহার করবেন। এ ক্ষেত্রে হালকা সোনালি রং ব্যবহার করা যেতে পারে। এ সময় বেশি কন্টুর না করাই ভালো। এতে চেহারা কালো দেখায়। হালকা রঙের ম্যাট ও ড্রাই লিপস্টিকই এ সময় বেশি স্বস্তি দেবে। লিপস্টিকের ক্ষেত্রে বাদামি, গোলাপি, পিচ ইত্যাদি রং ব্যবহার করতে পারেন। আর শাড়ি পরলে কিন্তু টিপ দিতে ভুলবেন না। শরতের সাজপোশাকের ক্ষেত্রে এমনটাই পরামর্শ দিলেন রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি।

নবমীর ভূরিভোজে মাটন কষা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ষষ্ঠী থেকে সপ্তমী হয়তো বাইরেই খেলেন। তবে অষ্টমী বা নবমীর দিন ঘরের রান্না না হলে কি চলে? আর নবমীর খাবারে মাটন বা খাসির মাংস যেন চাই-ই চাই। সে ক্ষেত্রে ঝুটঝামেলা ছাড়া খুব সহজেই রান্না করে নিতে পারেন মাটন কষা।

উপকরণ
মাটন ১ কেজি
পেঁয়াজ টুকরো করে কাটা আড়াই কাপ
পেঁয়াজ বেরেস্তা হাফ কাপ
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা দেড় টেবিল চামচ
ধনিয়া গুঁড়া ১ চা চামচ
ভাজা জিরার গুঁড়া ১ চা চামচ
হলুদ মরিচের গুঁড়া পরিমাণ মতো
আধা কাপ নারকেলের দুধ
কাঁচা মরিচ ৩ থেকে ৪টি
সরিষার তেল আধা কাপ
তেচপাতা ২ টি
এলাচ ৬ টি
দারুচিনি ২ টুকরা
লবঙ্গ ৩টি

যেভাবে তৈরি করবেন
মাটন ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে সব মসলা মেখে এক ঘণ্টা মেরিনেট করে রাখুন। এবার একটি কড়াইয়ে সরিষার তেল দিয়ে তেচপাতা, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ ও পেঁয়াজ ভেজে নিন। মেরিনেট করা মাংসগুলো এর ওপর ঢেলে দিন। নাড়াচাড়া দিয়ে মিডিয়াম আঁচে ঢেকে রাখুন।

অন্তত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট রান্না করুন। মাঝে মাঝে নাড়াচাড়া দিন, যাতে তলায় না লাগে । মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে নারকেলের দুধ, ভাজা জিরার গুঁড়া, পেঁয়াজের বেরেস্তা আর কাঁচা মরিচ দিয়ে ১ মিনিট দমে রাখুন। তৈরি হয়ে গেলো মাটন কষা।

ফটোগ্যালারি : পূজার সাজে আবৃত্তি শিল্পী সুপ্রীতি গোস্বামী

একপেঁচে শাড়ি, টানা নথ আর মোটা করে দেওয়া সিঁদুরে অতুলনীয় সুপ্রিতী। ছবি : সংগৃহীত
গাঢ় নেভিব্লু রঙের শাড়ি, কুচিকাটা লাল ব্লাউজ, সঙ্গে টানা কাজলে অনন্য তিনি। ছবি : সংগৃহীত
গাঢ় নেভিব্লু রঙের শাড়ি, কুচিকাটা লাল ব্লাউজ, সঙ্গে টানা কাজলে অনন্য তিনি। ছবি : সংগৃহীত
আঁটসাঁট করে বাঁধা চুল, কপালে বড় সবুজ টিপ আর গায়ে কলাপাতা রঙের শাড়িতে মনোমুগ্ধকর সুপ্রীতি।
আঁটসাঁট করে বাঁধা চুল, কপালে বড় সবুজ টিপ আর গায়ে কলাপাতা রঙের শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে সুপ্রীতি। ছবি : সংগৃহীত

পূজার পাতে টমেটোর চাটনি না হলে কি চলে?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
পূজার খাবার মানেই ভুরিভোজ। পূজার সময় ভারী খাবারের পাশাপাশি চাটনি না হলে কি চলে? চাটনির টক-মিষ্টি স্বাদ জিভে বাড়তি তৃপ্তি আনে। খাবারটাও পরিপূর্ণ হয়। চলুন জেনে নিই, টমেটোর চাটনির রেসিপি।

উপকরণ
টমেটো ১ কেজি
আদা বাটা আধা চা চামচ
ফোঁড়নের জন্য (তেচপাতা ১টি, শুকনো মরিচ ১টি, মৌরি ১ চিমটি ও সরিষা ২ চিমটি )
ভাজা পাঁচফোড়নের গুঁড়া ১ চা চামচ
সামান্য হলুদ
লবণ ও চিনি পরিমাণ মতো
খেজুর ৫ থেকে ৬ টা
একটু আমসত্ত্ব টুকরো করে কাটা

যেভাবে তৈরি করবেন
টমেটো ধুয়ে টুকরো করে কেটে নিয়ে অল্প লবণ ও সামান্য হলুদ দিয়ে সিদ্ধ করুন। এবার একটু নেড়ে দিন। একটি কড়াইতে ২ টেবিল চামচ সরিষার তেল দিন। গরম হলে তেচপাতা, শুকনো মরিচ, মৌরি, সরিষা ফোঁড়ন দিন। একটু ঠান্ডা হলে আদা বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে সিদ্ধ টমেটো ঢেলে দিন। ফুটে উঠলে পরিমাণ মতো চিনি আর পাঁচফোড়নের গুঁড়া দিয়ে একটু ফোটান। হালকা ঘন হবে। লবণ-মিষ্টি ঠিক রয়েছে কি না দেখে চুলা থেকে নামিয়ে খেঁজুর ও আমসত্ত্ব মেশান। এবার সার্ভিং ডিসে ঢেলে পরিবেশন করুন।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.