Monday, September 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 104

টক্সিক মানুষ সামলাবেন কীভাবে?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

আপনি কি এমন কাউকে চেনেন যার আচরণের কারণে তাকে বেশ অস্থিতিশীল, জটিল-কঠিন, দ্বন্দ্বময় মনে হয়? অথবা এমন কেউ যিনি আপনি বা আপনার চারপাশের মানুষের সঙ্গে খুব ছোট ছোট বিষয়েও মিথ্যা বলে? আবার আপনাকে সবসময় নিচু প্রমাণ করতে স্বস্তিবোধ করে? তাহলে আপনি একজন টক্সিক বা বিষময় মানুষের সঙ্গে মিশছেন।

এ ধরনের মানুষ অন্যকে আঘাত দিয়ে, সূক্ষ্মভাবে ব্যবহার করে, দ্বন্দ্বের ভেতর ফেলে, সারাক্ষণ অন্যের সমালোচনা করে নিজের মানসিক প্রশান্তি খুঁজে নেয়। এই প্রশান্তি তাদের মানসিক খাদ্য। নিজেদের নেতিবাচক আচরণ দিয়ে অন্যের জীবনকে নরকে পরিণত করতে এদের জুড়ি নেই।

পরিবার, কর্মক্ষেত্র, সমাজ বিভিন্ন জায়গাতেই টক্সিক মানুষের দেখা মেলে। জীবন থেকে এদের ঝেটে বিদায় করে দিতে পারলেই ভালো। তবে কখনো কখনো কাজের কারণে হয়তো যোগাযোগ রাখতেই হয়। নিজের মানসিক শান্তি বজায় রেখে এদের সামলানোর কিছু উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি।

প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না
আপনি অশান্তিতে থাকলে এদের শান্তি মিলবে। আপনাকে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করার জন্য হয়তো এহেন কোনো গালি-গালাজ, মিথ্যা অপবাদ নেই যা সে দেবে না। আর এতে কষ্ট পাওয়া, মন খারাপ হওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়। তবে একটু থামুন। নিজেকে শান্ত করুন। সেই মানুষটির ফাঁদে পা দেবেন না। ভাবুন, সে তো চাইছেই আপনাকে কষ্ট দিয়ে তার মানসিক শান্তি রক্ষা করতে। তাহলে আপনি কেন ওই মানুষটির ফাঁদে পা দিয়ে তাকে জিতিয়ে দেবেন। ফাঁদে পা দিতে না চাইলে তার কোনো আচরণেই প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না।

দেয়াল তৈরি করুন
তার সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলতে হলে বা কাজ সম্পর্কিত কোনো বিষয় থাকলে এক বা দুই শব্দের মধ্যে শেষ করুন। যেমন : হ্যাঁ, ঠিক আছে, চাইছি না ইত্যাদি। মোদ্দাকথা, তার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি বাউন্ডারি বা দেয়াল তৈরি করে ফেলুন, যেন আপনার ব্যক্তিগত জীবনে সে আর কোনোভাবেই প্রবেশের সুযোগ না পায়।

যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ করুন
এসব কিছুর পরও সে আপনার সঙ্গে একই রকম আচরণ করতে থাকলে, কষ্ট হলেও নিজের জীবন থেকে চিরতরে এ ধরনের মানুষ বিদায় করে দিন। সম্পূর্ণভাবে এদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করুন। এসব কাজগুলোই আপনাকে মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

স্ট্রোক হলে বুঝবেন কীভাবে?

ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু

স্ট্রোক হলে শরীরের একপাশ অচল হয়ে পড়ে। কথা বলার সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি বছরের পর বছর কথা বেশ জড়ানো থাকে। কারো সাহায্য ছাড়া চলা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। স্ট্রোকে মস্তিষ্ক রক্ত চলাচল কমে যায়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণ হয়। তবে রক্ত চলাচল কমে গিয়ে স্ট্রোক হয় বেশি। একবার কেউ এই রোগে আক্রান্ত হলে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়ে।

স্ট্রোক একটি জরুরি অবস্থা। এ রোগে আক্রান্তকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। স্ট্রোক আক্রান্তদের বেশিরভাগেরই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ থাকে।
সাধারণত প্রবীণরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। তবে ইদানিং মাঝবয়সীদেরও আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে বুঝবেন কিভাবে?

# হঠাৎ করেই কারো শরীরের একপাশ অবশ হয়ে গেলে, ওই পাশে বোধ শক্তি না থাকলে বুঝতে
হবে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছে।
# এর সঙ্গে কথা জড়ানোর সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। এগুলো কিন্তু হঠাৎ
করেই হবে। এমন উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

চিকিৎসক মস্তিস্কের সিটি স্ক্যান করতে দিবেন, প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন। স্ট্রোক ধরা পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো
ওষুধ সেবন করুন। মনে রাখবেন একবার স্ট্রোক হলে আবার হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। পরের বার আরো মারাত্মক হতে পারে। তাই অবহেলা
করবেন না। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

লেখক
রেজিস্ট্রার, ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স

রেসিপি : বড়দিনের ডিনারে আস্ত মুরগির রোস্ট

সাতকাহন২৪.কম
বড়দিনের ডিনার বা রাতের খাবার হয় বেশ আকর্ষণীয়। এই দিনের আনন্দের বড় অংশজুড়ে থাকে এই রাতের খাবারের আয়োজন। সারা বিশ্বেই বেশ ঘটা করে পরিবার-পরিজন নিয়ে এর আয়োজন করেন খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা। আজ আপনাদের জন্য বড় দিনের বিশেষ আয়োজনে রইলো আস্ত মুরগির রোস্ট।

উপাদান
# মুরগি – ১টি আস্ত ( ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে)
# ঘন টক দই -আধা কাপ
# লেবু – ১টি ( মাঝখান দিয়ে কেটে নিতে হবে)
# আদা-রসুন বাটা – ২ টেবিল চামচ
# ভাজা জিরার গুঁড়া -১ টেবিল চামচ
# লবণ – স্বাদমতো
# গরম মশলা গুঁড়া -১ টেবিল চামচ
# তান্দুরি চিকেন মশলা – ১ টেবিল চামচ
# মরিচের গুঁড়া -১ টেবিল চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে আস্ত মুরগির মাংসটি ছুরি দিয়ে চিড়ে নিতে হবে। তাহলে এতে ভালোভাবে মশলাগুলো মিশবে। এরপর এতে লেবুর রস দিতে হবে। এবার সামান্য লবণ নিয়ে মাখিয়ে নিন। ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।

এবার একটি আলাদা পাত্রে সবগুলো মশলা একসঙ্গে দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার মুরগির মাংসটির মধ্যে মশলাগুলো মাখিয়ে নিয়ে এক ঘণ্টার জন্য রেখে দিন।

এখন একটি বড় ফ্রাইপ্যানে পানি বসিয়ে গরম করতে থাকুন। এর ওপর একটি ছিদ্রযুক্ত স্টিলের পাত্র বসান। এই পাত্রে মুরগির মাংস দিয়ে সিদ্ধ করুন। প্রথমে ১০ মিনিট উচ্চ আঁচে এবং পরে মধ্য আঁচে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট রান্না করুন। এরপর ঢাকনা খুলে রোস্ট নামিয়ে নিন।

এবার একটি কড়াইয়ে তেল গরম করুন। এতে সিদ্ধ করা আস্ত মুরগির মাংস দিয়ে এপিঠ-ওপিঠ করে ভালোভাবে ভেজে নিন। বাদামি হয়ে এলে নামিয়ে রুটি বা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

সান্তা ক্লজ কি আসলেই রয়েছেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

লাল রঙের পোশাক, মাথায় চোঙা টুপি, গালে সাদা ধবধবে দাড়ি, পায়ে বুট জুতা, কোমরে বেল্ট, চোখে গােলাকার চশমা, পিঠে বাহারি সব উপহারে ভর্তি ঝোলা- সান্তা ক্লজের নাম শুনলেই এই অবয়বটি চোখের সামনে ভেসে উঠে।

যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন, বড়দিন বা ক্রিসমাসের সময়টাতে শিশুরা অপেক্ষা করে থাকে এই বুড়ো দাদুর জন্য। তিনি আসবেন, আর প্রাণ ভরে শিশুদের উপহার দিবেন। যার যেটা চাই, ঠিক সেটা। ক্রিসমাস ট্রি, কেক এসবের মতোই সান্তা ক্লজ ও তার উপহারও বিশেষ আকর্ষণের বিষয় সবার কাছে। ঘুমন্ত শিশুর মাথার পাশে রেখে যান উপহারের ডালা।

তবে কে এই সান্তা ক্লজ? তিনি কি কোনো রূপকথার কাল্পনিক চরিত্র? না কি বাস্তবের কোনো মানুষ? আর তাঁর জন্য কেন এই অপেক্ষা?

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জানা যায়, বর্তমান তুরস্কে জন্ম নিয়েছিলেন সেন্ট নিকোলাস নামের একজন ধর্মযাজক। তিনি বেশ ধনী ও দানশীল ছিলেন। এই মানুষটি শিশুদের খুব ভালোবাসতেন। বড়দিনের আগের রাতে, অর্থাৎ ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে ভোর রাত অবধি তিনি শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপহার দিয়ে আসতেন। পরে তাঁকেই সান্তা ক্লজ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

তবে মজার বিষয় হলো, এখন তার যেই অবয়ব আমরা দেখি, তিনি তেমন পোশাক পরেননি। আজকের সান্তা ক্লজের রঙিন পোশাকের যেই সূচনা সেটি হয় ১৮২৩ সালে; আমেরিকার বিখ্যাত লেখক ক্লেমেন্ট ক্লার্ক মুরের লেখা A visit from St. Nicholas কবিতায়। এরপর থমাস ন্যাসট নামক একজন আমেরিকান কার্টুনিস্ট ১৮৮১ সালে সান্তা ক্লজের একটি ছবি আঁকেন। একজন সন্ত আটটি হরিণটানা গাড়িতে করে মর্তে ঈশ্বরিক বার্তা ও উপহার নিয়ে এসেছে এবং শিশুদের বাড়ি গিয়ে সেগুলো দিচ্ছে- এমনই চিত্র ফুটে উঠে সেখানে। এই ছবি ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠে সবার ভেতর এবং ক্রিসমাসের আগের রাতে শিশুদের মাঝে উপহার দেওয়ার প্রচলনও শুরু হয়ে যায়। আর শিশুরাও বিশ্বাস করে সত্যিই সান্তা ক্লজ এসেছেন তাদের কাছে।

আর এভাবেই বড়দিনের সময় শিশুদের উপহার দেওয়ার সেন্ট নিকোলাসের এই ধারা সারা বিশ্বে প্রচলিত হয়ে উঠে। আর শিশুরাও সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে সান্তার জন্য।

সূত্র : ব্রিটেনিকা.কম

রেসিপি : বড়দিনে ঘরে তৈরি কেক

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
কেবল খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরাই নয়, সারা বিশ্বই বড়দিনকে বেশ আড়ম্বর করে পালন করে। বড়দিন আসবে, আর কেক খাওয়া হবে না, তা কি হয়? এ দিনের আনন্দকে কয়েকগুণ করতে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন মজাদার কেক। খুব সহজে ঘরে তৈরি করা যায়, এমন কেকের রেসিপি জানিয়েছে ভারতীয় জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

উপাদান
# ময়দা- দেড় কাপ
# ডিম- ২টি
# চেরি-১০০ গ্রাম
# চিনি – ১ কাপ
# কাজু বাদাম-১৫০ গ্রাম
# কিসমিস- ১০০ গ্রাম
# কাঠবাদাম-১০০ গ্রাম
# শুকনো আনারস-১৫০ গ্রাম
# সাদা তেল- ১/৪ কাপ
# দুধ- ১/২ কাপ
# বেকিং পাউডার- ১/২ চামচ
# লবণ- অল্প পরিমাণ
# বেকিং সোডা ১/৪ কাপ
# ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন

ডিমের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে পাঁচ-সাত মিনিট ফেটিয়ে নিতে হবে। এরপর বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা ও লবণ মেশান। এবার এতে তেল ঢালুন। এখন আরও কিছুক্ষণ ফেটিয়ে নিন। চিনি ভালো করে গলে এলে দুধ দিন। এবার এতে একটু একটু করে ময়দা মেশাতে থাকুন। মিশ্রণটি গাঢ় হওয়া যাবে না। এরপর এতে শুকনো ফলগুলো মেশাতে হবে।

কেক তৈরির জন্য পাত্র নিন। এতে তেল ব্রাশ করে নিন। উপরে একটু বিস্কুটের গুঁড়া ছড়িয়ে নিতে পারেন। অথবা পাত্রের ভেতরের চারদিকে কাগজ দিয়ে দিন। এরপর আগে তৈরি করা ময়দার মিশ্রণটি পাত্রে ঢালুন। কিছু শুকনো ফল উপরেও ছড়িয়ে দিতে পারেন।

এরপর কেক তৈরির জন্য একটি বড় পাত্র নিয়ে আগে সেটিকে ভালো করে চুলায় গরম করে নিতে হবে। এরপর একটি স্টিল বা লোহার স্ট্যান্ড বসান। এর ওপর কেকের ব্যাটার যেই পাত্রে ঢালা হয়েছে সেটি বসিয়ে দিন। অল্প আঁচে ৪০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা রাখুন। হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ফ্রুট কেক।

আলোকময় হোক বড়দিনের অন্দরসজ্জা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সান্তা ক্লজের লাল-সাদা জামা, ক্রিসমাস ট্রি, চকোলেট-কুকিস, বেলুন, বিশেষ কেক, নতুন জামা-জুতো- এগুলোই যেন বড়দিনের আনন্দ। তবে এই আনন্দ আরেকটু বেড়ে যেতে পারে সুন্দর অন্দরসজ্জার মাধ্যমে। একটু ছোট-খাটো পরিবর্তনেই কিন্তু ঘরে আসতে পারে নতুনত্ব।

‘বসার ঘরের সম্পূর্ণ সিলিংয়ে হয়তো লাগালেন নীল, সাদা, বেগুণি রঙের মরিচ বাতি। জরির কাগজ, রিবন ঝুলিয়ে দিলেন তার চারপাশে। আরেকটু উৎসবের আমেজ আনতে বাসার সবগুলো ঘরই হয়তো এভাবে সাজিয়ে তুললেন। আবার ঘরের পর্দাগুলোতে আনলেন নতুনত্ব। সিল্ক, সার্টিন, ভেলভেট কাপড়ের পর্দা ব্যবহার করলেন। অথবা সাধ্য অনুযায়ী জামদানি, ব্লক প্রিন্ট বা মসলিন, তাঁতের কাপড়ও ব্যবহার করা যায়,’ বলছিলেন, অ্যাস্থেটিক ইন্টেরিয়র’স প্রধান পরামর্শক ও ডিজাইনার সাবিহা কুমু।

তবে পর্দা যে কাপড়েরই ঝুলান না কেন, তার সঙ্গে যেন বিছানার চাদর, সোফা বা বিছানার কুশন কভার, টেবিলক্লথগুলো মানানসই হয়। এগুলোর রঙ নির্বাচনে যেন উৎসব ও আভিজাত্যের আমেজ থাকে। সম্ভব হলে বসার ঘরের একটি দেয়ালকে লাল, কমলা, সোনালি, হলুদ ইত্যাদি রঙও করে দিতে পারেন। আর সেই দেয়ালকে সাজালেন একটু ভিন্নভাবে। সেই দেয়ালেই হলো ঘরের বিশেষ আর্কষণ। দেয়ালে ঝুলিয়ে দিলেন মরিচ বাতি। এর পাশে থাকলো ছোট ছোট ঘণ্টা, সান্তা ক্লজের ছোট পুতুল ইত্যাদি।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ডিজাইনার সাবিহা কুমু বলেন, ‘এ দিনের বিশেষ আকর্ষণ কিন্তু ক্রিসমাস ট্রি। লাইট, রিবন, সান্তাক্লজের ছোট পুতুল, ঘণ্টা, চাঁদ, তারা ইত্যাদি দিয়ে ক্রিসমাস ট্রি-কে সাজাতে পারেন মনের মতো করে। এখন বাজারে এগুলো সেট হিসেবে কিনতে পাওয়া যায়। বসার ঘরের এককোণে বা ঘরের সুবিধামতো একটি জায়গায় আয়তন অনুযায়ী ছোট বা বড় ক্রিসমাস ট্রি বসিয়ে দিতে পারেন। পাশেই থাকলো সান্তা ক্লজ বা মা মেরির একটি প্রতিকৃতি।’

এ দিন উপহার দেওয়ার একটি রেওয়াজ তো সবসময় থাকে। এসব উপহারসামগ্রী রঙিন কাগজে মুড়ে ক্রিসমাস ট্রি- এর নিচে একটি মাদুর বিছিয়ে ছড়িয়ে রেখে দিতে পারেন। অথবা ছোট একটি টেবিলও রাখতে পারেন উপহারগুলো। সেই টেবিল বা মাদুরের পাশে রইলো সান্তা ক্লজের টুপি, মুজো বা জুতো। পাশেই একটি জারে রেখে দিতে পারেন চকোলেট, ক্যান্ডি, কুকি ইত্যাদি।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ঘরের শোভা বাড়াতে ফুল ও আলোকসজ্জার কিন্তু বিকল্প নেই। একটি পাত্রে পানি নিয়ে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে দিতে পারেন। সঙ্গে জ্বালিয়ে দিলেন ভাসবান মোমবাতি। আবার সেন্টার, কর্নার টেবিল বা ডাইনিং টেবিলের উপরে রাখতে পারেন তাজা ফুল। মূল প্রবেশদ্বারে জায়গা বুঝে গাছ বা প্রদীপ জ্বালানো যেতে পারে। উৎসবের পাশাপাশি একটি স্নিগ্ধ আমেজও ফুলে উঠবে ঘরে।

মোদ্দাকথা, উৎসবের আমেজ ফুটে উঠে আসলে আলোকসজ্জার মাধ্যমে। তাই ঘরে যেন পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে- এমনটাই পরামর্শ দিলেন ইন্টরিয়র ডিজাইনার সবিহা কুমু।

ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাবেন এই ৫ উপায়ে

ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল

ঠান্ডা লাগলে গলায় খুসখুস ভাব, নাক-চোখ দিয়ে পানি পড়া, মাথা ভার হয়ে থাকা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দেবেই। সাধারণ সর্দি-কাশিতে এক সপ্তাহ পুরো অস্বস্তিতে থাকতে হয়। ওষুধপত্রে তেমন একটা কাজ হয় না। কারণ, ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করার মতো কার্যকর ওষুধ খুব একটা নেই। ঠান্ডা কিংবা সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।

১. কাশি ও সর্দিতে আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে কমপক্ষে তিন ফুট দূরে থাকুন
কাশি কিংবা সর্দি থেকে জীবাণুগুলো বাতাসে ভর করে ছোটে। এর একটি আপনার চোখে কিংবা নাকে এসে পড়লে কয়েক দিনের মধ্যেই আপনি আক্রান্ত হবেন কাশি বা সর্দিতে।

২. বারবার হাত ধোন
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঠান্ডা ছড়ায় পরোক্ষ শারীরিক সংস্পর্শে। অর্থাৎ একজন অসুস্থ ব্যক্তির ঠান্ডার জীবাণু নাক থেকে হাতে স্থানান্তরিত হয়। সে যখন কোনো ব্যক্তিকে স্পর্শ করে তখন হাত থেকে জীবাণু অন্য ব্যক্তির গায়ে লেগে যায়।

৩. বেশি করে তরল পান করুন
বেশি তরল পান করলে শরীর থেকে জীবাণু দূরীভূত হবে এবং শরীরে জীবাণু আক্রান্ত হওয়ার জন্য যে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হয় তাও পূরণ হবে। এ সময় দৈনিক কমপক্ষে আট গ্লাস পানি, ফলের রস কিংবা অন্যান্য ক্যাফিনমুক্ত তরল খাওয়া প্রয়োজন।

৪. নাক ও চোখ বেশি বেশি ঘষবেন না
এক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ প্রতি এক ঘণ্টায় তার নাক ও চোখ অন্তত তিনবার স্পর্শ করে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি আপনার এ রকম করতেই হয় তাহলে দয়া করে আঙুলের মাথা দিয়ে চোখ ও নাক ঘষবেন না।

৫. ভিটামিন ই ও সি খান
ভিটামিন ই দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু চর্বি ও তেলজাতীয় খাবারে এটা বেশি থাকে বলে যারা স্বল্প চর্বিযুক্ত খাবারে অভ্যস্ত তারা ভিটামিন ই খুব একটা বেশি পান না। তাই চিকিৎকের পরামর্শ নিয়ে প্রতিদিন ১শ থেকে ২শ আইইউ সমৃদ্ধ ভিটামিন ই ট্যাবলেট খেতে পারেন। এ ছাড়া খেতে হবে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার। পেয়ারা, মাল্টা, কমলা, জলপাই, আমলকী ইত্যাদিতে ভিটামিন সি পাওয়া যাবে।

লেখক :
উপাধ্যক্ষ ও সহযোগী অধ্যাপক
অর্থোপেডিকস ও ট্রমাটোলজি বিভাগ
ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

নতুন বছরে শিশুদের জন্য কে ক্র্যাফট-এর নতুন পোশাক

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শীতে থাকে উৎসব আর ছুটির আমেজ। এ সময় শিশুদের স্কুল যেমন বন্ধ থাকে, আবহাওয়াও থাকে আরামদায়ক। তাই শীতকালকেই অধিকাংশরা ভ্রমণের জন্য বেছে নেয়। এ ছাড়া নানারকম সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানও থাকে এ সময়ে। উপলক্ষ্য যাই হোক, নতুন পোশাক পরে বেড়ানোর মধ্যে আনন্দে মাতবে শিশুরাই।

তাই এ সময়ে নানা উপলক্ষ্য ও প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে কে ক্র্যাফট এনেছে শিশুদের জন্য নতুন পোশাক। ইতিমধ্যে এ সকল আয়োজন কে ক্র্যাফট – এর সকল স্টোরে পৌঁছে গেছে।

মেয়েদের পোশাকে নজর কাড়বে ভিন্ন স্টাইলের টপস, প্যান্ট, পালাজো, স্কার্ট, কটি, কাফতান। এ ছাড়া পাওয়া যাবে পাফি ফ্রক, সালওয়ার কামিজ, কুর্তি, লং ফ্রক, লেহেংগা। ছেলেদের জন্য পাওয়া যাবে পাঞ্জাবি, পলো শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট, টি-শার্ট, কটি। এ ছাড়া থাকছে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানদের ম্যাচিং পোশাক।

রঙের ক্ষেত্রে নীলের মধ্যে রয়্যাল, টিল, স্কাই থেকে শুরু করে মেরুন, ম্যাজেন্টা, হট পিঙ্ক, অরেঞ্জ, ব্রিক রেড, সাদা, গোল্ডেন, ইয়েলো, অ্যাশ কোনোটাই বাদ পড়েনি।

শীতকে মাথায় রেখে উষ্ণতার পাশাপাশি স্বস্তিদায়ক পোশাক তৈরি করা হয়েছে। সেই ভাবনা থেকে থাকছে সিল্ক, লিনেন, রেইনবো সিল্ক, জর্জেট, টু-টোন, ডিজাইনড কটন, স্যাটিন ও অরগাঞ্জার মতো ফ্যাব্রিকের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার।

প্যাটার্নে ভিন্নতা, কুচি ও লেইসের ব্যবহার ছাড়াও কাপড়ের নকশায় দেখা যাবে হ্যান্ড ও মেশিন অ্যামব্রয়ডারি, স্ক্রিন প্রিন্ট, ট্যাসেল, কারচুপি। কে ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা সহ সকল আউটলেট ছাড়াও অনলাইন শপ kaykraft.com থেকে শিশুদের জন্য এ সকল পোশাক কিনতে পারেন বিশেষ সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।

শালে বৈচিত্র্য

উপমা ইসলাম রুপা

শীত মৌসুম বরাবরই ছন্দময়। পিঠাপুলির উৎসব, ভ্রমণে যাওয়া, বাহারি শীতপোশাকে ফ্যাশন- সবকিছুই যেন একই লয়ে গতিবদ্ধ। তবে এই ঋতুটি এলে প্রথমেই যেই পোশাকটির কথা মাথায় আসে সেটি হলো- শাল। শীত মানেই যেন বাহারি কারুকার্যের শালের মেলা। হালকা হোক বা কনকনে শীত, এ সময় দেহকে উষ্ণ রাখবে, এমন পোশাকের তালিকায় শালের আবেদন সবসময়।

একটা সময়ে রাজা ও বণিক ছাড়াও অভিজাত পরিবারের মানুষ আভিজাত্যের নিদর্শন হিসেবে কাঁধে ঝুলিয়ে নিতেন রাজকীয় কারুকাজ করা শাল। আবার সেলোয়ার-কামিজ, শাড়ি, পাঞ্জাবি যাই হোক না কেন তার সঙ্গে শীতপোশাক হিসেবে শালের কদর অনস্বীকার্য। শীতকালীন বিয়ের উৎসবেও এই পোশাকটি ব্যবহৃত হয় ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে।

আগে শাল মানেই যেনো ছিলো একরঙা জমিন আর পাড় বা কর্নারে কারুকাজ। আবার কিছু শালের মাঝখানে দেখা যেতো সুতা ও পুতির কাজ। তবে এখন পরিবর্তন এসেছে। পুরো শাল জুড়েই দেখা যায়, হ্যান্ডপেইন্ট বা ব্লকবাটিকের কাজ। নকশায় দেখা মেলে মণিষীদের বাণী- রবিন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল বা সুনীলের কবিতার পঙ্তি। অথবা বাঙালির ঐতিহ্য- ঢেকি, কুলা, নারীর নকশিকাঁথা তৈরির গল্প ইত্যাদি। আবার বিপ্লবী চে গুয়েভেরা বা ক্ষুদিরামের চেহারার প্রতিচ্ছবিও বিদ্রোহী মনে আগুণের স্ফুলিঙ্গ তৈরি করে পোশাকের ভেতর দিয়ে।

ছবি কৃতজ্ঞতা : হরিতকি
ছবি কৃতজ্ঞতা : হরিতকী

ফ্যাশন হাউজ হরিতকীর সহকারী প্রতিষ্ঠাতা অনিক কুন্ডু বললেন, ‘ক্রেতাভেদে রুচি ও পছন্দের পরিবর্তন এসেছে। গতবাঁধা নকশার বাইরেও তারা এখন ভিন্ন কিছু খোঁজে। কারো পছন্দ রঙচঙে নকশা, কারো ভরাট কাজ, কারো আবার একদমই সাদামাটা শাল পছন্দ। রঙের সমন্বয়টা এখানে সবচেয়ে বড় বিষয়। যার রুচির সঙ্গে যেটা মেলে, সেটাই বেছে নেয়। সাদা, লাল, কালো, নীল, বাদামি রঙ বেশি প্রাধান্য পায়। তবে লাল থাকে সবার আগে। কারণ, বেশিরভাগ বাঙালি নারীর প্রথম পছন্দ লাল। তবে বিভিন্ন রঙেরও সমন্বয় থাকে। ইদানিং শালে সব ধরনের ক্রেতার কথা মাথায় রেখেই নকশা করা হয়। আর এই শালগুলো বেশ আরামদায়কও।’

দেশি শালের নকশা যেমন বাহারি, তেমনি নামেও রয়েছে বৈচিত্র্য। জামদানি, খেশ, টাঙ্গাইল তাঁতের শাল, মালা, বাটিক, রাজশাহী সিল্ক, হ্যান্ডলুম মনিপুরি, উল, কুশিকাটা, কাঁথা স্টিচ, গুজরাটি শেলাইয়ের শাল, নেটের শাল, কটকি শাল ইত্যাদি। এসবের বাইরেও লুধিয়ানা, জয়পুরি, চায়নিজ, বার্মিজ ও ইরানি শালও হতে পারে শীতের অন্যতম পোশাক। কাশ্মীরি শালের মধ্যে পশমিনা জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এখন দেশেও তৈরি হচ্ছে এটি।

ছবি কৃতজ্ঞতা : হরিতকি
ছবি কৃতজ্ঞতা : হরিতকী

এবারের শীতে পাতলা কাপড়ের প্রাধান্য বেশি। তবে বেশি শীতের জন্য থাকছে উলেন কাপড়ের শাল। এ ছাড়া সুতা, চুমকি, পুঁতি, অ্যামব্রয়ডারি, ব্লক প্রিন্ট, টাইডাই, স্ক্রিনপ্রিন্ট, স্কেচ, কাশ্মীরি শাল ও জরির কাজ করা শাল তো রয়েছেই। থাকছে নানা বাহারি রকমের সেলাই ও নকশার কারুকাজ। কাপড়ের মান, সুতার কাজ ও নকশার বৈচিত্র্যের ওপর নির্ভর করে এসব শালের দাম ১ হাজার ২শ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে।

শীতে শিশুর নিউমোনিয়া : লক্ষণ ও করণীয়

ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু

ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবী- যেকোনোটি দিয়েই নিউমোনিয়া হতে পারে। সাধারণত বেশির ভাগ নিউমোনিয়া হয় অ্যাডেনোভাইরাস, রাইনোভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, রেসপিরেটরি সিনসাইটিয়াল ভাইরাস, প্যারা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দিয়ে।

ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়ার মধ্যে স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনি, হিমেফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, নাইসেরিয়া মেনিনজাইটিডিস অন্যতম। জীবাণু শরীরে প্রবেশ করার পর থেকে লক্ষণ দেখা দেয়। জ্বর জ্বর, শরীর ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া দেখা দিতে পারে।

নিউমোনিয়ার লক্ষণগুলো হলো-
জ্বর, যা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার হয়ে থাকে। কাশি, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত নেওয়া, শ্বাস গ্রহণের সময় বাঁশির মতো শব্দ হওয়া, শ্বাস নিতে কষ্টবোধ বা কষ্টকর শ্বাস-প্রশ্বাস, বুকের খাঁচা দেবে যাওয়া, বুকে ব্যথা, খেতে না চাওয়া বা খেতে না পারা, শিশুর চঞ্চলতা কমে যাওয়া বা নিস্তেজ হয়ে যাওয়া, বমি করা ইত্যাদি।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস খুব দ্রুত হয়। দুই মাসের কম বয়সের শিশুদের মিনিটে ৬০ বার বা তার চেয়ে বেশি শ্বাস নিতে দেখা যায়। দুই মাস থেকে ১২ মাস বয়সের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু মিনিটে ৫০ বার বা তার চেয়ে বেশি শ্বাস নেয় এবং এক বছরের বড় শিশু ৪০ বার বা তার চেয়ে বেশিবার শ্বাস নেয়। দ্রুত শ্বাসের সঙ্গে বুকের খাঁচা দেবে যায়।

এ লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসককে দেখাতে হবে। মনে রাখবেন, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু মৃত্যুর কারণ কিন্তু দেরি করে চিকিৎসা শুরু করা। শীতকালে নিউমোনিয়া আক্রান্তের হার অনেক বেশি। তাই শীতকালে উপরের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি করবেন না।

করণীয়

নিউমোনিয়া মারাত্মক রোগ হলেও এটা কিন্তু প্রতিরোধ করা যায়। শিশুদের ছয় মাস পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ খাওয়ালে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি কমে। শিশুকে কৌটার দুধ খাওয়াবেন না। যেসব শিশুকে কৌটার দুধ খাওয়ানো হয়, তাদের এ রোগে আক্রান্তের হার অন্যদের চেয়ে চার গুণ বেশি। শিশুর অপুষ্টি নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের কারণ। তাই শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে।

শীতকালে সুস্থ শিশুকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের কাছে যেতে দেওয়া যাবে না। হাঁচি-কাশি আক্রান্ত লোকের সামনে শিশুকে যেতে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। অর্থাৎ বাইরে থেকে এসে হাত-মুখ সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলা জরুরি। শিশুকে ভিড়ের মধ্যে অর্থাৎ বেশি লোক সমাগমের মধ্যে যেতে না দেওয়াই ভালো।

ভ্যাকসিন দিয়েও এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়। শিশুকে এ ভ্যাক্সিন দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

লেখক
রেজিস্ট্রার, ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.