Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 105

শীতে পার্টিসাজ কেমন হয় শারমিন কচির?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ইংরেজি বছরের শেষ ডিসেম্বরে, আর শুরু জানুয়ারিতে। এ সময়ে শীত ঋতু যেন ধূসর রঙের ডানা বিস্তার করে দেয় পুরো প্রকৃতির মাঝে। হাড় কাঁপুনে শীতে কাবু বা জুবুথুবু হয়ে পড়েন অনেকে। পার্টি বা উৎসবের প্রচুর আয়োজনও থাকে এ সময়। পুরোনো বছরকে বিদায় দেওয়া আর নতুনকে বরণ করে নেওয়ার জন্য শুরু হয় তোড়জোড়।

পাশাপাশি বিয়ের উৎসবগুলো যেন এ সময়টাতেই বেশি চোখে পড়ে। যেহেতু এসব অনুষ্ঠানে যেতেই হয়, তাই সাজটাও হতে হয় আভিজাত্যপূর্ণ।

বাংলাদেশের স্বনামধন্য বিউটি আর্টিস্ট ও বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ারের স্বত্বাধিকারী শারমিন কচি শীতে পার্টিসাজের বিষয়টি বেশ আলাদা করেই গুরুত্ব দেন। পার্টি বুঝে নির্বাচন করেন পোশাক। কখনও থাকে পশ্চিমা পোশাক, কখনও লেহেঙ্গা, কখনও বা শাড়ি। তবে নথ পরতে ভালোবাসেন তিনি। নাকের নিচে ছোট নথ বা কান টানা নথ—দুটোতেই স্বাচ্ছন্দ্য তাঁর। বলেন, ‘আমার মনে হয়, পশ্চিমা হোক বা দেশি—যে কোনো পোশাকের সঙ্গেই নথ মানায়। আর এর ভেতর একটি পার্টি পার্টি ভাবও থাকে।’ কখনও বা গলায় পরেন পার্লের বড় মালা বা ছোট চেইন। কানে থাকে পোশাক অনুযায়ী মানানসই দুল।

এ তো গেল অনুষঙ্গের কথা। এবার মূল সাজটা কেমন হয়? তিনি জানান, শীতে যেহেতু ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে, তাই মেকআপের আগে প্রস্তুতিটা খুব জরুরি। এ ক্ষেত্রে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে অবশ্যই ডিপ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করি। এরপর সিলিকন বেজ প্রাইমার ব্যবহার করা জরুরি। ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রে এ সময় লিকুইড বেইজই আমার পছন্দ। এরপর কন্ট্যুরিংয়ের পালা। চিক বোন, গালের মাঝখান, নাকের দুই পাশ ইত্যাদি জায়গা কন্ট্যুর করে নিই। এখন যেহেতু হাইলাইটারের একটি চল চলছে, তাই ব্লাশনের পর ন্যাচারাল নুড রঙের হাইলাইটার ব্যবহার করি। কেউ ব্লাশন ব্যবহার করতে না চাইলেও অসুবিধা নেই।’

সাধারণত পার্টির সাজগুলোতে চোখে মব রঙের শ্যাডো পছন্দ তাঁর। এ ক্ষেত্রে হালকা স্মোকি বা বাদামি রঙের শ্যাডগুলো ব্যবহার করেন। অনেক সময় চোখে হাইলাইটারও দেন। বললেন, ‘এতেও ভালো লাগে। তবে খুব বড় কোনো পার্টি হলে চোখে গ্লিটার ব্যবহার করার পরামর্শ দেবো আমি। আর অবশ্যই ঘন করে মাশকারা দিতে হবে। এতে চোখের সাজটা ফুটে ওঠে। কেউ চাইলে আইল্যাশও ব্যবহার করতে পারেন। আর লিপস্টিকের ক্ষেত্রে হালকা বা গাঢ় রং—দুটোই ব্যবহার করা যায়। এটা নির্ভর করবে পোশাক, রুচি ও কোথায় যাচ্ছেন এর ওপর।’

সাজ মূলত ফুটে ওঠে ব্যক্তিত্বের ওপর। পাশাপাশি মাথায় রাখতে হয়, কোথায় যাওয়া হচ্ছে, পোশাক কেমন নির্বাচন করা হলো—এগুলো। আপনিও কিন্তু শীতের পার্টিসাজে ওপরের পরামর্শগুলো মেনে দেখতে পারেন। আর হয়ে উঠতে পারেন রূপ বিশেষজ্ঞ শারমিন কচির মতো গ্ল্যামারাস।

আজ থেকে ‘চিনি’ না

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
মিষ্টির দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছেন। রসগোল্লা, সন্দেশ, আঙুরলতা, চমচম, কালো জাম দেখেই হয়তো জিভে জল চলে এলো। থেমে কিনেও নিলেন এক কেজি। বাড়ি গিয়ে মনের স্বাদ মিটিয়ে খেলেন সবগুলো। তবে জানেন, এতে কি বিপত্তিটা ঘটে গেলো আপনার?

সারাবিশ্বে পুষ্টিবিদরা চিনিকে বিষের সঙ্গে তুলনা করে। এর কারণও রয়েছে অনেক। অতিরিক্ত চিনি খাওয়া দেহের নানা ব্যাধি তৈরির অন্যতম কারণ। তবে আমাদের উৎসব, বিয়ে, ঈদ, পূজা-পার্বনের শুরুতে মিষ্টিমুখ তো করতেই হয়। আর এভাবে একটু একটু করে চিনি খাওয়ার চলটাও ঐতিহ্য ও প্রথাগতভাবে ঢুকে গেছে আমাদের ভেতরে। তবে অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার এই অভ্যাস আপনাকে বেশ ভোগাতে পারে সারাজীবন।

‘চিনির মধ্যে কোনো পুষ্টিগুণ নেই। রয়েছে কেবল ক্যালরি। মিষ্টি জাতীয় পানীয় বা খাবার খেলে কেবল ক্যালরি বাড়বে, পুষ্টি পাওয়া যাবে না’, বলছিলেন পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি।

এ ছাড়া বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া ওজন বাড়িয়ে দেয়। যেহেতু মিষ্টি জাতীয় খাবার খুব দ্রুত হজম হয়, তাই ক্ষুধাও তাড়াতাড়ি লাগে। আর খাবার খাওয়াও বেশি হয়। ফলাফল ওজন বাড়া। আর এই অতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, হৃদপিণ্ডের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আবার বেশি মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে দেহে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বাড়ে। এ থেকে হৃদরোগ, স্ট্রোকের ঝুঁকি হয়।

অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার দাঁত ক্ষয়েরও অন্যতম কারণ জানিয়ে পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন জানান, মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে অনেকেই ভালোমতো দাঁত ব্রাশ করে না। এতে মুখে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে, দাঁত ক্ষয় হয়। আবার যেসব খাবারে অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট থাকে সেগুলো খেলে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর মিষ্টি জাতীয় খাবার ও পানীয়তে কার্বোহাইড্রেট ভালো পরিমাণেই রয়েছে।

খাদ্যতালিকায় বেশি পরিমাণ চিনি জাতীয় খাবার থাকা বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ চিনি জাতীয় খাবারের সঙ্গে আমাদের প্রাত্যহিক আচার-আচরণের সম্পর্ক রয়েছে। এ ধরনের খাবার আবেগীয় সমস্যা তৈরি করে। কেবল বিষণ্ণতায় আক্রান্তদেরই নয়, অতিরিক্ত দুরন্ত শিশুদেরও চিনি জাতীয় খাবার কম খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

এসব সমস্যা এড়াতে অতিরিক্ত ‘চিনি’-কে না বলুন। আর দৈনিক এক থেকে দেড় চা চামচের বেশি চিনি খাদ্যতালিকায় রাখা থেকে বিরত থাকাই ভালো- এমনই পরামর্শ পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিনের।

রেসিপি : পুরে ভরা পাটিসাপ্টা

কবিতা বিশ্বাস
পিঠা-পুলি ছাড়া কি শীত জমে? শীত মানেই তো পিঠার উৎসব। এ সময় বিকেল বা সন্ধ্যার স্ন্যাক্স হিসেবে এই খাবারটি যেন থাকতেই হয়। তবে অনেকের কাছে পিঠা বানানো কিছুটা সময়সাধ্য ও কঠিন। তাদের জন্যই রইলো পাটিসাপ্টা পিঠার সহজ এই রেসিপিটি।

উপকরণ
# পুরের জন্য দুধ- দেড় লিটার
# নারকোল কোরা- এককাপ
# খেজুর গুড় – স্বাদ মতো
# চালের গুঁড়া -সামান্য
# পিঠার গোলার জন্য দুধ- আধা লিটার
# নারকেল বাটা- আধা কাপ
# চালের গুঁড়া -পরিমাণ মতো
# খেজুর গুড়- স্বাদ মতো

যেভাবে তৈরি করবেন

পুরের জন্য

পুরের জন্য রাখা দুধ জ্বাল দিয়ে আধ লিটার পরিমাণ করতে হবে। ঘন হয়ে এলে তাতে নারকেল কোরা দিয়ে কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে থাকুন। মোটামুটি থকথকে হয়ে এলে গুড় দিয়ে চেখে দেখুন। গুড় দেওয়ার পর একটু পাতলা আকার হবে। তাই এতে খুব সামান্য পরিমাণ চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এরপর নাড়াচাড়া করে নামিয়ে রাখুন।

পিঠার গোলা

পিঠার গোলার জন্য জ্বাল করা গরম দুধে পরিমাণ মতো চালের গুড়া, নারকেল বাটা, স্বাদমতো গুড় দিয়ে গোলা তৈরি করে এক ঘণ্টা রেখে দিন।

এবার পিঠা বানানোর পাত্র গরম হলে সামান্য ঘি বা তেল দিয়ে ব্রাশ করুন। অবশ্যই প্রতিটি পিঠার গোলা দেওয়ার আগে পাত্রটি ঘি দিয়ে ভালো করে ব্রাশ করে নেবেন। এরপর এর মধ্যে পিঠার জন্য তৈরি গোলা একটু একটু করে ঢেলে রুটির আকারে গড়িয়ে নিন। এটি হালকা সিদ্ধ হয়ে এলে পুর ভেতরে দিয় পাটিসাপ্টার আকারে তৈরি করুন। হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে পাত্রে সাজিয়ে রাখুন। তৈরি হয়ে গেলে পাটিসাপ্টা পিঠা।

এ.বি.সি আর্লি লার্নিং-এর ‘বুক প্যারাড’ উদযাপন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
আন্তর্জাতিক বই সপ্তাহ উপলক্ষে বাংলাদেশে তৃতীয় বারের মতাে ‘বুক প্যারাড’ উদযাপন করেছে এ.বি.সি আর্লি লার্নিং ডে-কেয়ার সেন্টার। গতকাল শনিবার রাজধানী গুলশানের নিকেতন এলাকায় এ.বি.সি আর্লি লার্নিং ডে-কেয়ার সেন্টারের ব্রাঞ্চে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল শিশুদের বিভিন্ন রূপে বিভিন্ন ঢঙে বইয়ের চরিত্রে সেজে আসা এবং বিজয়ীদের পুরষ্কারসহ অংশগ্রহণকারী সকলকে সনদ প্রদান করা। অনুষ্ঠানের বিচারক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ড. এম. এইচ. ফারুকী অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর অ্যান্ড হেড ডিপার্টমেন্ট অব অকুপেশনাল অ্যান্ড ইনভায়রোনমেন্টাল হেলথ, বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটি অব হেলথ সাইন্স। বিচারক হিসেবে আরো ছিলেন নীনা নাহার, কোঅর্ডিনেটর- নলেজ ম্যানেজমেন্ট এন্ড কমিউনিকেশন, ওয়ার্ল্ড ভিশন ইন্টারন্যাশনাল এবং শাশ্বতী মাথিন, সাংবাদিক ও সংগীত শিল্পী, ম্যানেজিং এডিটর সাতকাহন২৪.কম।

অনুষ্ঠানটির আরেক আকর্ষণ ছিল গোফি ওয়ার্ল্ড- এর পক্ষ থেকে শিশুদের বই ও পাপেটের স্টল। অংশগ্রহণকারী শিশু কিশোররা অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে স্টলগুলোতে ভিড় করছিলো।

এ.বি.সি আর্লি লার্নিং ডে-কেয়ার সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, সোনিয়া আকরাম অনুষ্ঠানটির তৃতীয় বারের এই যাত্রার উদ্দেশ্য ও উপকারিতা তুলে ধরেন। এ.বি.সি আর্লি লার্নিং ডে কেয়ার সেন্টার- এ ২০২০ সালে কোভিড-১৯ লকডাউন পরিস্থিতির সময় বাংলাদেশে প্রথম বই প্যারেড চালু করা হয়। এখানে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে স্টোরি টেলিং সেশন আরেকটি অনন্য প্রোগ্রাম। মহামারী চলাকালীন, শিশুরা বাড়িতে ছিল এবং প্রায় স্কুল ও পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। এই অনলাইন বই প্যারেড প্রোগ্রামটি গত বছর একটি দুর্দান্ত সাড়া পায়।

সোনিয়া আকরাম বলেন, ‘আমরা বাচ্চাদের গ্যাজেট থেকে দূরে রাখতে এবং গল্পের বই নিয়ে তাদের ব্যস্ত রাখতে সক্ষম হয়েছি এই আয়োজনটির মাধ্যমে । বুক প্যারাডের আয়োজনটি শিশু ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। পরবর্তী সময়ে এই প্যারাড আরো বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে। এবারের বুক প্যারাডের থিম ছিল ‘ড্রিমিং উইথ আইজ ওপেন’।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পুরষ্কার বিতরণির সময় সকল অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান করা হয় এবং গোফি ওয়ার্ল্ড ও গুবা বুকস -এর পক্ষ থেকে বিজয়ীদের দেওয়া হয় আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

ছোট্ট এই বিজয়ীদের বাছাই করা ছিল বিচারকদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তবু নিয়ম মেনে ২টি বয়সভিত্তিক গ্রুপ থেকে ৯জনকে বিজয়ী করা হয়।

উজ্জ্বলা ও প্রাভা হেলথের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

সাতকাহন২৪.কম

বিউটি আর্টিস্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উজ্জ্বলা ও প্রাভা হেলথের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এটি অনুযায়ী উজ্জ্বলার শিক্ষার্থীরা প্রাভা হেলথ থেকে আকর্ষণীয় অফারে সেবা নেওয়ার সুযোগ পাবে। গত ১১ ডিসেম্বর উজ্জ্বলার ঢাকা শাখায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এই চুক্তি অনুসারে, উজ্জ্বলার শিক্ষার্থীদের অফার হিসেবে রয়েছে প্রাভা হেলথ থেকে যেকোনো টেস্টে ২০ শতাংশ ছাড় এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবায় ২০ শতাংশের উপরে ছাড়।

অনুষ্ঠানে উজ্জ্বলার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান আদিত্য সোম ও সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন। প্রাভা হেলথের পক্ষ থেকে ছিলেন আয়শা আক্তার আশা, অ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার, মার্কেটিং ও ফাতিন খন্দকার সিনিয়র, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন উজ্জ্বলার সহকর্মীরা।

‘উজ্জ্বলাতে না আসলে দাঁড়াতে পারতাম না’

সাতকাহন২৪.কম
এস কে লাকী বা সাজেদা লাকী নামে তাঁর পরিচিতি। ছোটবেলা থেকেই নিজেকে সাজাতে পছন্দ করতেন, পরিপাটি থাকতে পছন্দ করতেন। অন্যকেও একইভাবে সাজিয়ে দিতে চাইতেন। তবে তাদের পরিবারের কেউই পার্লারে কাজ করা পছন্দ করতেন না। শিক্ষিত মেয়েদের জন্য পার্লারের কাজ নয়- এমনাই ধারণা ছিলো তাদের। তবে তাঁর মনের প্রবল ইচ্ছা উদ্যোক্তা হবেন।

লেখাপড়া শেষ করার পর চাকরিও হয়েছিলো। তবে স্বামী সেই চাকরিটা করতে দেয়নি। তখন ব্যবসা করার ইচ্ছাটা আরো দৃঢ় হলো তাঁর মনে। নিজের ব্যবসা থাকলেও টাকাও আয় করা যাবে, আবার সংসারেও সময় দেওয়া যাবে-এই ভাবনাগুলোই ঘুরপাক খেতো। এরপর উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেন তিনি। বর্তমানে তাঁর নিজের দুটি স্যালন রয়েছে। স্বাবলম্বী তো হয়েছেনই, হয়েছেন উদ্যোক্তা। তাঁর পথ চলাতে উজ্জ্বলার সহযোগিতার গল্পই শুনবো-

না খেয়ে টাকা জমাতাম প্রশিক্ষণ নিতে

রিক্সার টাকা বাঁচিয়ে, না খেয়ে টাকা জমাতাম প্রশিক্ষণ নিতে। সাজানোর কাজটি আমাকে ভীষণভাবে আকর্ষণ করতো। অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছি। তবে লক্ষ্য অটুট ছিলো। আর লক্ষ্যে অটুট থাকার বিষয়টা উজ্জ্বলার কাছ থেকে পেয়েছি।

উজ্জ্বলার কারণেই উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সফল হয়েছে

উজ্জ্বলা শুরু হওয়ার আগেই উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন আপার সঙ্গে আমার পরিচয় হয় এসএমই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে। তাঁকে দেখে ভীষণ উৎসাহিত হয়েছিলাম। এর পর উজ্জ্বলায় আসা। এখানে ক্লাস করে খুব উপকৃৃত হয়েছি। প্রশিক্ষকরা সবকিছু খুব নিঁখুতভাবে শেখায়। তাঁদের শেখানো পথ ধরেই আজ আমি এখানে এসেছি। উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন সফল করতে পেরেছি। উজ্জ্বলাতে কোর্স করতে বার বার ভালো লাগে। কারণ, প্রশিক্ষকরা খুব সহানুভূতিশীল। তারা এতো ভালো করে শেখায় যে কখনো অন্য জায়গায় যাওয়ার প্রয়োজনই মনে করিনি।

উজ্জ্বলাতে খাবারের আলাদা জায়গা রয়েছে। রয়েছে রান্নাঘরও। এগুলো খুব পরিচ্ছন্ন। আমরা ক্লাস শেষে সেখানকার ডাইনিংয়েই খেতাম। উজ্জ্বলার পরিবেশ সত্যিই অসাধারণ।

আমি উজ্জ্বলাতে না গেলে এই পর্যায়ে দাঁড়াতে পারতাম না

আমার এখন দুটো পার্লার। তবে এটাকে আরো বড় পরিসরে করতে চাচ্ছি। আমি উজ্জ্বলাতে না গেলে এই পর্যায়ে দাঁড়াতে পারতাম না। আজ আমরা উজ্জ্বলা হয়েছি আফরোজা পারভীন আপার কারণে। উজ্জ্বলার পথ চলা সুদীর্ঘ ও সফল হবে এটা সবসময় কামনা করি এবং এখানকার শিক্ষার্থী হতে পেরেছি বলে গর্ববোধ করি।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৫২তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

‘উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা উজ্জ্বলা শিখিয়েছে’

সাতকাহন২৪কম

জীবনের শুরুটা খুুব সুখের ছিলো না তাঁর। ভালোবেসে বিয়ে করে ফেলেন ২০০১ সালে। পড়ালেখা শেষ করতে পারেননি এ কারণে। তবে শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার পর বার বার শুনতে হয়েছে, ‘সে খুব কালো’। কালো হওয়ার কারণে তাকে নিয়ে মানুষের সামনে মুখ দেখানো যায় না। যেন ফর্সা লাগে, তাই বেশি বেশি করে পাউডার দিয়ে মানুষের সামনে আনা হতো তাকে।

এসব সহ্য করতে করতে একটা সময় খুব জেদ ধরলেন। ভাবলেন, সৌন্দর্য নিয়ে কাজ করতে হবে। কীভাবে সব অবস্থাতেই নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায় সেই কৌশল জানতে হবে। এ ভাবনা থেকেই উজ্জ্বলায় মেকআপের কোর্স শিখতে আসা।

যেই মানুষটির গল্প এতক্ষণ পাঠকদের জানালাম তিনি মাকসুদা পারভীন শিউলি। উজ্জ্বলা থেকে মেকআপের কোর্স করে এখন তিনি নিজেই একটি স্যালন খুলেছেন। হয়েছেন উদ্যােক্তা। এখন তাঁর কাছেই সবাই সাজতে আসে, সুন্দর হতে চায়। মাসে যেই টাকা আয় করছেন তা দিয়ে মোটামুটি ভালোভাবেই চলছে সংসার। স্বামীকেও সাহায্য করতে পারছেন। স্বামীর ব্যবসার জন্য আলাদা করে দোকান তৈরি করে দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঠাকুরগাঁয়ে পার্লার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। নিজের জীবনের সংগ্রাম ও উজ্জ্বলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের গল্পগুলোই জানবো এ পর্বে-

উজ্জ্বলা ছায়ার মতো ছিলো

জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। বিয়ের পর ভাসুর পাঁচ বছর শ্বশুর বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি। স্বামীকে বার বার শোনানো হয়েছে ‘কী দেখে বিয়ে করেছো? শ্বশুর তো যৌতুকও দেয়নি।’ তবে আজ আমি স্বাবলম্বী। স্বামীকে নিজেই সহযোগিতা করতে পারি। এ পথটা বেশ কঠিন ছিলো। এই ইন্টারভিউর জন্য যখন ফোন দেওয়া হলো, তখন আমার স্বামী কেঁদে দেয়। বললো, ‘অনেক কষ্ট করে এখানে এসেছো তুমি!’

উজ্জ্বলায় যখন শিখতে এসেছি ঢাকায় থাকতে হতো। স্বামী মাত্র পাঁচ হাজার টাকা দিতে পারতো মাসে। খুব কষ্ট হতো থাকতে। কিন্তু উজ্জ্বলা সহযোগিতা করেছে। তারা মাথার ওপর ছায়ার মতো ছিলো। আমি ছিলাম উজ্জ্বলার প্রথম শিক্ষার্থী।

উজ্জ্বলাতে যা শিখেছে, সেটা কোথাও পাইনি। উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন আপার কাছ থেকে গ্রুমিং শিখেছি। গ্রুমিং সম্পর্কে প্রথম ধারণা হয় এখানেই। মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কীভাবে নিজেকে গঠনমূলকভাবে তৈরি করতে হবে, সেই শিক্ষাই পেয়েছি।

উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা উজ্জ্বলা থেকেই পাই

উজ্জ্বলার সব খুব গোছানো। তারা সবাই খুব আন্তরিক। বর্তমানে আমি মাসে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা আয় করি। পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এসব করার সাহস জুগিয়েছে উজ্জ্বলা। উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতাটা উজ্জ্বলা থেকেই পেয়েছি।

আমার জীবনে আফরোজা পারভীন আপার অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে। তাঁর সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক। আপুর জীবনও অনেক স্টাগলিং ছিলো। আপুকে দেখে মনে হয়েছে, এতো কিছুর পর তিনি যদি পারেন, আমি কেন পারবো না। উজ্জ্বলার সঙ্গে সম্পর্কটা এমনই থাকুক এটাই চাই। উজ্জ্বলা যেমন আমাদের দিয়েছে, আমরাও প্রতিষ্ঠানটির নাম উজ্জ্বল করতে চাই।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৫১তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

ক্লান্ত লাগা কমাতে মেনে চলুন ৭ অভ্যাস

ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু
ক্রনিক ফ্যাটিগ বা দীর্ঘমেয়াদে ক্লান্তি বা অবসাদ লাগার সমস্যায় অনেকেই ভোগে। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনযাপন বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়। এতে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে তারা। আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়ে। দীর্ঘমেয়াদে ক্লান্তি বা অবসাদ প্রতিরোধে কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি। চলুন জেনে নিই বিষয়গুলো-

১. অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রমের কাজ করা যাবে না।
২. প্রতিদিন একটি সময় বের করে শিথিলায়ন অভ্যাস করতে হবে। লম্বা লম্বা শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। মেডিটেশন করতে পারেন।
৩. ভালো লাগার বইগুলো পড়তে পারেন। হাসুন প্রাণ খুলে। ভালো না লাগলেও ভালো লাগানোর চেষ্টা করুন।
৪. নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। শুরুতে যতটুকু ব্যায়াম করলে ভালো লাগে বা শরীর ক্লান্ত না হয় ততটুকু করুন। ধীরে ধীরে ব্যায়ামের পরিমাণ বাড়ান।
৫. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান। ঘুমে বাধা সৃষ্টি হয় এমন কোনো কাজ করবেন না। ঘুমের ঘর হোক শব্দমুক্ত ও আলোমুক্ত। দুচিন্তা, রাগ-ক্ষোভ নিয়ে ঘুমুতে যাবেন না।
৬. সুষম খাবার খান। কফি, মদ, মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাবেন। ধূমপানকে না করুন চিরতরে।
৭. প্রয়োজনে মানসিক থেরাপির প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ সেবন করতে পারেন।

লেখক : রেজিস্ট্রার, ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স

বিজয়ের পোশাকে সবুজের সঙ্গে সাদার মিশেল

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

সুতি, তসর বা হাফ সিল্কের সবুজ শাড়িতে আল্পনা বা ব্লকের কাজ। পাড় একরঙা লালের। আবার হয়তো পাড়ে রয়েছে লাল, সবুজ, সোনালি রঙের বৈচিত্র্য। সাধারণত বিজয় দিবসকে ঘিরে করা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাকগুলোতে এমনটাই দেখা যায়।

তবে এবার কিন্তু এসেছে একটু ভিন্নতা। সবুজের সঙ্গে প্রাধান্য পাচ্ছে সাদা, কমলা ও মেজেন্টা রঙও। আবার সম্পূর্ণ লাল শাড়ির ভেতর সবুজ হ্যান্ড পেইন্ট বা জরির কাজও দেখা যাচ্ছে। এদিকে অনেক ব্র্যান্ডই তৈরি করেছে একদম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নকশায় শাড়ি। পুরো শাড়িতে সবুজ। পাড়ে গোল লাল বৃত্ত।

রঙ বাংলাদেশের স্বত্ত্বাধিকারী সৌমিক দাস বলেন, ‘এবারের বিজয় দিবস ঘিরে যেসব পোশাকগুলো তৈরি করা হয়েছে সেগুলো সাধারণত থিম ভিত্তিক। আল্পনার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। সবুজকে তো প্রাধান্য দেওয়া হয়েছেই, তবে এর ভেতর বিভিন্ন শেডের ব্যবহার রয়েছে। যেমন : গাঢ় সবুজ, হালকা সবুজ, কলাপাতা, টিয়া রং ইত্যাদি।’

কেবল শাড়ি নয়, ব্লাউজেও এসেছে ভিন্নতা। গলা ও হাতার কাজে এসেছে বৈচিত্র্য। ব্যান্ড কলার, গলা ও হাতায় কুচি, হাতায় বড় ঘের- বাজার ঘুরে এ ধরনের নকশাই দেখা গেলো। আবার শীতকে মাথায় রেখে এবার ছোট গলার প্রাধান্য চোখে পড়লো।

কে ক্র্যাফটের মার্কেটিং বিভাগ জানালো, সময়, আবহাওয়া ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করেই এবারের পোশাকগুলো তৈরি করা হয়েছে। শাড়ির পাশাপাশি মেয়েদের জন্য রয়েছে আরামদায়ক সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি ও বিভিন্ন প্যাটার্নের টপস। প্রধানত জামদানি, কাঁথা, মান্ডালা, জিওমেট্রিক, ট্র্যাডিশনালসহ নানা মোটিফের অনুপ্রেরণায় তৈরি করা হয়েছে পোশাকগুলো। এ ছাড়াও রয়েছে দেশের মানচিত্রের নকশায় তৈরি বিভিন্ন পোশাক।

কটন, সিল্ক, লিনেন, অরগাঞ্জা ও তাঁত এর মতো আরামদায়ক কাপড়ে তৈরি পোশাক গুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে ব্লকপ্রিন্ট, স্ক্রিনপ্রিন্ট, হাতের কাজ ও অ্যামব্রয়ডারি করা হয়েছে। রঙ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে গ্রিন, ফরেস্ট গ্রিন, পেইল গ্রিন, লাল। তবে অন্যান্য রঙের সমন্বয়ও থাকছে।

‘পরিবারের সব সদস্যদের মিলিয়ে পরার জন্য রয়েছে ম্যাচিং পোশাক। আলাদা করে যুগলদের জন্য পোশাকও থাকছে। পাশাপাশি মা- মেয়ে বা বাবা- ছেলে মিলিয়ে পরতে পারবে এমনভাবেও তৈরি করা হয়েছে পোশাকগুলো’, বলছিলেন রঙ বাংলাদেশের স্বত্ত্বাধিকারী সৌমিক দাস।

ছেলে ও শিশুদের পোশাক

প্রতি বছরের মতো এবারও রয়েছে ছেলেদের পোশাক। রয়েছে পাঞ্জাবি, কটি, শার্ট, টি-শার্ট ইত্যাদি। বিজয়ের ফ্যাশনে লাল অথবা সবুজ রঙের পাঞ্জাবির সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য দারুণ কিছু কটি রয়েছে। নারী- পুরুষ উভয়ই পাঞ্জাবি বা টপসের সঙ্গে এগুলো বেছে নিতে পারেন। শিশুদের জন্য রয়েছে বৈচিত্রময় পোশাকের সমাহার। মেয়ে শিশুদের জন্য আকারে ছোট ও পরতে সুবিধাজনকভাবে তৈরি করা হয়েছে শাড়ি। সঙ্গে কুর্তি, ফ্রগ তো রয়েছেই। ছেলে শিশুদের জন্য রয়েছে টি শার্ট, পাঞ্জাবী, ফতুয়ার ভিন্ন সমারোহ।

‘বহ্নিশিখা ও গ্রীন ভয়েস’-এর আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

সাতকাহন২৪.কম

‘বহ্নিশিখা ও গ্রীন ভয়েস’ আয়োজিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় সাত দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ‘আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন’ শুরু হয়েছে।

এখানে গত নয় ও ১০ ডিসেম্বর আত্মবিশ্বাস উন্নয়নের দুইটি সেশন নেন ফারজানা ফাতেমা (রুমী), মনোবিজ্ঞানী, প্রতিষ্ঠাতা ‘সোনারতরী’। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মো. আলমগীর কবির, প্রধান সমন্বয়ক প্রতিষ্ঠাতা, গ্রীন ভয়েস।

মনোবিজ্ঞানী ফারজানা ফাতেমা (রুমী) শুরুতেই সকলের কাছ থেকে তাদের বর্তমান মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অবস্থা জানতে চান। তিনি বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা জীবনে, ভালো ফলাফল, অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতা, পরিবার থেকে দূরে থাকা, প্রেমের সম্পর্ক, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সব কিছু নিয়ে আমরা অনেক দুশ্চিন্তা করি। আমরা চাই সব একসঙ্গে রাতারাতি সমাধান করে ফেলার। এটা কঠিন। প্রথমে আমাদের সমস্যাগুলোকে লিখিত আকারে সাজাতে হবে। কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটা চিহ্নিত করে, সমস্যা সমাধানে কাজ করতে হবে।’

অংশগ্রহণকারীদের দেওয়া মনের কথা সংক্ষিপ্ত লিখিত আকারের চিরকুট পড়ে শোনান গ্রীন ভয়েসের রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় সমন্বয়ক ফাহমিদা নাজনীন তিতলী। গোপনীয়তা রক্ষা করে নাম না জেনে সমস্যাগুলো নিয়ে একটি দলগত আলোচনা পরিচালনা করতে সাহায্য করেন গ্রীন ভয়েসের ইডেন কলেজের সমন্বয়ক ইসরাত জাহান রাহা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সমন্বয়ক হাফসা তাসনিম।

এই সাত দিনের কার্যক্রমে প্রায় ৫৫ জন নারী অংশগ্রহণকারী রয়েছে। এখানে আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ দেবেন বিশিষ্ট প্রশিক্ষক সেন্সি বাদল লাল দাশ। প্রশিক্ষণ শেষে হবে সনদ বিতরনি অনুষ্ঠান।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.