Saturday, September 26, 2026
spot_img
Home Blog Page 98

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে কে ক্র্যাফট-এর আয়োজন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

নারী দিবসের প্রতীক বেগুনি রং সৃজনশীলতা, প্রেরণা, বিশ্বস্ততা, একনিষ্ঠতা, গৌরব, আভিজাত্য ও শক্তিকে উপস্থাপন করে। বেগুনি রঙের মাধ্যমেই এ দিনটিতে প্রকাশ হয় নিজের সংহতি বা একাত্মতা। আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে কেন্দ্র করে বরাবরের মতোই এবারও থাকছে কে ক্র্যাফটের আয়োজন।

রয়েছে ফ্লোরাল, ট্র্যাডিশনাল পেইসলে, জ্যামিতিক, মিক্সড মোটিফে তৈরি করা পোশাক। শাড়ি, সালোয়ার কামিজ ছাড়াও রয়েছে ট্র্যাডিশনাল ও ফিউশনধর্মী প্যাটার্নে লং-কুর্তি, রেগুলার কুর্তি, টপস, টিউনিক, কাফতান। কটন, লিনেন, সিল্ক, হাফ সিল্ক কাপড়ে তৈরি পোশাকগুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, অ্যামব্রয়ডারি, স্ক্রিন, ব্লক প্রিন্ট ও টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে।

তবে পার্পল, ল্যাভেন্ডার, ভায়োলেট, অরেঞ্জ, অফ হোয়াইটই শুধু নয়, নারী দিবসের মূলভাবনার সঙ্গে মিলে যায় এমন আরও কিছু রঙয়ের পছন্দের পোশাকও মিলবে কে ক্র্যাফট এর সকল বিক্রয় কেন্দ্রে।

নারী দিবসের এই আয়োজন কে ক্র্যাফট-এর সকল আউটলেট ছাড়াও অনলাইন সপ kaykraft.com এবং ফেসবুক পেজ থেকে অর্ডার করা যাবে।

সম্পর্ক ভালো রাখতে ৪ বিষয় কখনোই নয়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
মনোবিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্ক হলো গাছের মতো। গাছকে যেমন নিয়মিত পানি, সার, আলো দিয়ে পরিচর্যা করতে হয়, সম্পর্কও ঠিক তাই। টিকে থাকতে হলে এরও প্রয়োজন যত্ন, পরিচর্যা। তবে কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো একে ভয়ঙ্করভাবে নষ্ট করে দিতে পারে। সম্পর্ক নষ্ট করে এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছে রিলেশনশিপ বুস্টার।

সহজ ও বিশ্বস্ত না থাকা
যে আপনাকে ভালোবাসে বা আপনার প্রতি যার মনোযোগ শতভাগ, সেই মানুষটির সঙ্গে কপটতা করলে কিন্তু ক্ষতিটা আপনারই। সম্পর্কের ভেতর ‘গেইম’ না ঢুকিয়ে একে সহজ করুন। সম্পর্কে বিশ্বস্ত থাকুন।

প্রশংসা না করা
সঙ্গী হয়তো আপনার জন্য একটি বেলি ফুলের মালা নিয়ে এলো বা আপনার পছন্দের কোনো খাবার রান্না করলো- তাকে প্রশংসা করুন। বেশিরভাগ সময়ই তার চরিত্রের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরুন। বার বার নেতিবাচক কথা বলা বা দোষারোপ করতে থাকা সম্পর্ককে কখনোই সুন্দর বা মজবুত করে না।

সবার সামনে সঙ্গীকে নিয়ে হাসা-হাসি নয়
যেই মানুষটির সঙ্গে আপনি অনেকটা সময় কাটান, সেই মানুষটি আপনার সুখ, দুঃখের সময়টায় পাশে থাকার চেষ্টা করে, তাকে নিয়ে অন্যের সামনে সমালোচনা করতে যাবেন না। সেই মানুষটির আত্মসম্মানহানী হয়, এমন কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।

অন্যের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের তুলনা নয়
প্রত্যেক মানুষ যেমন ভিন্ন, তাদের সম্পর্কের ধরন, বাঁকগুলোও আলাদা। তাই নিজের সঙ্গে অন্যের সম্পর্কের তুলনা করে অযথা বিষয়টিকে জটিল না করাই বুদ্ধিমানের।

শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শেখান ৩টি সহজ উপায়ে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অফিস থেকে বাড়ি ফিরেছেন। দরজা খুলতেই দেখলেন, সম্পূর্ণ ঘর এলোমেলো ও নোংরা হয়ে রয়েছে। আর এই কর্মটি ঘটিয়েছে আপনার ছোট্ট সন্তানটি। সারাদিন কর্মব্যস্ত থাকার পর ক্লান্ত হয়ে ফিরে এই রকম ঘর দেখতে নিশ্চয়ই কারো ভালো লাগার কথা নয়। আপনি গৃহিনীই হোন বা বাহিরেই চাকরি করেন ছেলে বা মেয়ে নির্বিশেষে ছোটবেলা থেকেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শেখানো জরুরি।

ঘর গোছানো, পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা, রান্না ইত্যাদি মূল কাজগুলো যেকোনো মানুষেরই শিখে রাখা আবশ্যক। আর ছোট বয়স থেকেই শিখলে পরবর্তী সময়ে ভীষণভাবে কাজে লাগবে। তবে পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা শিখতে গিয়ে অনেক শিশুই আরো বেশি নোংরা করে ফেলে। আর এতে মা-বাবাও শেখাতে আগ্রহ হারায়। তবে কয়েকটি সহজ উপায় মেনে চললে কিন্তু শিশুকে এ বিষয়ে আগ্রহী করে তোলা যায়।

ঘর পরিষ্কার রাখা কোনো শাস্তি নয়
অনেকেই শাস্তি হিসেবে শিশুকে দিয়ে পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতার কাজটি করায়। এটি একদমই করা যাবে না। তাকে বিষয়টিতে আগ্রহী করে তুলতে হবে। বোঝাতে হবে- ‘পরিষ্কার থাকলে ঘর দেখতে সুন্দর লাগবে’, ‘তোমার কাছেও প্রশান্তিময় মনে হবে’, ‘গুছানো থাকলে তোমারও ভালো লাগবে’ ইত্যাদি।

করণীয় কাজ বা টাস্ক হিসেবে দিন
খেলতে গিয়ে, পড়তে গিয়ে শিশু পড়ার টেবিল, ঘর খুব এলোমেলো করে ফেললে তাকে গুছাতে দিন। প্রথম কিছুদিন আপনি শিখিয়ে দিতে পারেন। তবে পরে তাকে নিজ দায়িত্বে কাজটি করতে হবে বলে রাখুন। এবং প্রতিদিন চেক করুন কাজটি সে করছে কি না।

পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতার রুটিন তৈরি করুন
নিয়মানুবর্তী হয়ে কাজ করার জন্য মানুষের সবসময়ই রুটিনের প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রেও শিশুর জন্য একটি রুটিন তৈরি করে দিন। বার ও সময় অনুযায়ী সে কী কী পরিষ্কার করবে তার তালিকা তৈরি করুন। হয়তো একদিন কাপড় ধুলো, আরেকদিন বাথরুম পরিষ্কার করলো বা জানালা পরিষ্কার করলো, সিলিংয়ের ঝুল ঝাড়ু দিলো। এভাবে কাজ ভাগ করে দিলে, তার জন্যও সহজ হবে এবং সেও আগ্রহী হয়ে উঠবে।

সূত্র : মমজংশন

বইমেলায় ফারহানা সিনথিয়ার ‘কৃষ্ণচূড়ার দিন’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

‘পড়ো বই গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে শুরু হয়েছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৩। এ মেলা চলবে মাসব্যাপী। এ বছর বইমেলার আঙ্গিক ও বিন্যাসে এসেছে পরিবর্তন, বেড়েছে নতুন নতুন লেখক, প্রকাশক ও স্টলের সংখ্যা। তেমনি একজন উদীয়মান তরুণ প্রজন্মের লেখক হচ্ছেন ফারহানা সিনথিয়া। তার লেখা ‘কৃষ্ণচূড়ার দিন’ পাওয়া যাচ্ছে এবারের একুশের বইমেলায়।

একজন সৃজনশীল লেখক হিসেবে পাঠক মহলে ইতোমধ্যে গ্রন্থটি সারা ফেলেছে। ‘কৃষ্ণচূড়ার দিন’ একটি বহুমাত্রিক বিষয় ভিত্তিক গ্রন্থ। লেখক তার শিল্পসত্তার চমৎকার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন এতে। বইটি প্রকাশ করছে অন্যপ্রকাশ। প্রচ্ছদ করেছেন আলোকচিত্রী মিথিলা ফারজানা। উপন্যাসের মুদ্রিত মূল্য ৪০০ টাকা। বইটির প্রি-অর্ডার চলছে বইফেরী ডটকম ও রকমারি ডটকমে।

ফারহানা সিনথিয়ার শৈশব কেটেছে ঢাকায়। এরপর কানাডায়। বাবা চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ছিলেন। মা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা। বইপড়া শুরু হয় অধ্যাপক নানার ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায়। ম্যাক্সিম গোর্কির বাংলা অনূদিত লেখা পড়ে বিদেশি সাহিত্যের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। পছন্দের লেখক হুমায়ুন আহমেদ ও মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। কৈশোরের শীর্ষেন্দু, সমরেশ আর সুনীলের বইয়ের সঙ্গে সখ্য রয়েছে তার।

ইংরেজিতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়েও বাংলা সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ ছিল ছেলেবেলা থেকেই। কানাডা থেকে তড়িৎ প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে চাকরি করছেন।

২০২০ সালের বইমেলায় পেন্সিল প্রকাশনীর গল্প সংকলনে ছোটগল্প প্রকাশ হয় তার। ২০২১ বইমেলায় প্রকাশ থ্রিলার ‘আবর্ত’। ২০২১ সালে পাঁচটি সংকলনে আসে রহস্য আর সমকালীন ছোটগল্প। ২০২২ সালের বইমেলায় উপন্যাস ‘দ্বিতীয় জীবন’ পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে। তিনি ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই গল্প লিখতে পারঙ্গম। এ ছাড়াও বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কলাম ও ছোটগল্প লেখেন তিনি। বাংলাদেশের সঙ্গে মনের সংযোগ স্থাপন করতেই তিনি লেখালেখি করেন।

পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্য কি অবহেলিত?

অধ্যাপক সানজিদা শাহরিয়া

আমাদের দেশে মেয়েদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয় নিয়ে যত কথা হয়, পুরুষের ব্যাপারে ততটা হয় না। পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি ভীষণভাবে উপেক্ষিত।

এটি কেন? এর আলোচনায় যাওয়ার আগে একটু পেছন থেকে আসি। প্রত্যেক মানুষের মধ্যে চারটি মৌলিক অনুভূতি থাকে। আনন্দ, দুঃখ, ভয় ও রাগ। একজন ছেলে যখন ছোটবেলা থেকে বেড়ে উঠছে আনন্দ প্রকাশে তাদের কোনো বাধা নেই। তবে বিভিন্ন বয়সে আনন্দের ধারণা কিন্তু বদলে যায়। ওপরের যেই চারটি মৌলিক অনুভূতির কথা বলা হলো, এগুলো দিয়ে পৃথিবীর সব অনুভূতি তৈরি হয়। যেমন: মুখ্য রং তিনটি । লাল ,নীল, সবুজ। এই তিনটি দিয়ে পৃথিবীর সব শিল্পীরা সব রং তৈরি করে। ঠিক তেমনি উল্লেখিত চারটি অনুভূতি দিয়ে আমরা প্রত্যেকটা মানুষ জীবন পার করি।

একটি ছেলে শিশু খেলার মাঠে খেলতে গিয়ে যখন পড়ে যায়, আমরা তাকে বলি, ‘তুমি কাঁদবে না। তুমি ছেলে।’ ছোটবেলা থেকে একটি ছেলেকে আমরা কাঁদার অনুমতি দিই না। কাঁদতে শেখাই না ছেলেদের। ঠিক সেরকমই শিশুটি যখন ভূতের গল্প শুনে ভয় পাচ্ছে- আমরা বলছি, ‘তুমি ভয় পাচ্ছো কেন? তুমি তো ছেলে।’ তাহলে একজন ছেলের বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে আমরা তাকে ভয় পেতে দিচ্ছি না, আমরা তাকে কাঁদতে দিচ্ছি না।

তাহলে জন্ম থেকে, ছোটবেলা থেকে আমরা একজন ছেলের ওপর কিছু বিষয় চাপিয়ে দিচ্ছি অযাচিতভাবে। এতে ছেলেটি যখন বড় হচ্ছে দুঃখ ও ভয় প্রকাশ করতে পারছে না। তার বদলে সে রাগ প্রকাশ করছে। এতে দেখা যায় সে যখন দুঃখ বা ভয় পায়-সব কিছুরই আচরণগত বহিঃপ্রকাশ ঘটে রাগের ভেতর দিয়ে। আর যখন তা করছে, দেখা যাচ্ছে তিন গুণ বেশি রাগী।

সিনেমাতে নায়কদের রাগ আমরা মেনে নিই। নায়িকাদেরটি মেনে নিই না। কারণ সমাজ মেয়েদের কান্না সহজভাবে নিচ্ছে, রাগকে নয়। রাগ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ছেলেদের ক্ষেত্রে দুঃখ ও ভয় প্রকাশের জায়গাটা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে কোভিডের পর দেখা গেছে, অর্থনৈতিক টানাপোড়ের কারণে বিশ্বব্যাপী পুরুষের আত্মহত্যার প্রবণতা নারীর চেয়ে কোথাও কোথাও বেশি। গোটা বিশ্বে পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্য অনেক অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশও বোধ হয় সেই দিকেই হাঁটছে। সেই জায়গাটা খেয়াল রেখে আমাদের সচেতন হওয়াটা জরুরি।

লেখক
চিকিৎসক, কাউন্সেলর, সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার,
ফিনিক্স ওয়েলনেস সেন্টার বিডি

রেসিপি : সাদা মুরগির মাংস

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
ঝোল আলু দিয়ে মুরগি, কোরমা বা রোস্ট তো প্রায়ই খাওয়া হয়। তবে বৈচিত্র্য আনতে এবং মুখের স্বাদ বদলাতে রান্না করতে পারেন সাদা মুরগির মাংস। রুটি বা পরোটার সঙ্গে বেশ সুস্বাদু লাগবে খাবারটি।

উপাদান
মুরগির মাংস ১ কেজি
লেবুর রস ৩ চা চামচ
গোল মরিচের গুঁড়া দেড় টেবিল চামচ
আদা ১ টেবিল চামচ
রসুন ১ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদ মতো
দই ৩/৪ কাপ
কাঁচা মরিচ ৫ থেকে ৬টি

যেভাবে তৈরি করবেন
সব উপাদান দিয়ে মাংসের টুকরোগুলো ৩০ মিনিট মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইতে পরিমাণ মতো তেল দিন। মুরগির টুকরোগুলো ভেজে নিন। মেরিনেটের পর যতটুকু মশলা মাখানো দই বাকি থাকবে সেগুলো দিয়ে দিন। এরপর ঢেকে ২৫ মিনিট রান্না করুন। এবার ঢাকনা খুলে কাঁচা মরিচ দিন। এর ওপর লেবুর রস ও সামান্য গোল মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দিন। ঝোল ঝোল করতে চাইলে সঙ্গে একটু পানি দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন করুন সুস্বাদু সাদা মুরগির মাংস।

শিশুর গোসলের সময় ৮ ভুল

ডা. আবু সাঈদ শিমুল

শিশুকে গোসল করানোর সময় অনেকেই প্রায় কিছু ভুল করে। এসব ভুল থেকে শিশুর হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি। এসব ক্ষতি এড়াতে জেনে নিন করণীয়-

১. অনেকেই যেমন জন্মের পরই শিশুকে গোসল করিয়ে দেয়। এতে ঠান্ডা লেগে নিউমোনিয়া পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। জন্মের ৭২ ঘণ্টা পরই গোসল করানো ভালো।

২. আবার ঠান্ডা লাগার ভয়ে গরমেও অনেকে শিশুকে গোসল করায় না। এটাও সঠিক নয়। তাদের নিয়মিত গোসল করালে ক্ষতি নেই। তবে খুব ছোট শিশু, অপরিণত বা কম
ওজনের শিশুর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৩. অনেকে আবার অনেকক্ষণ সময় নিয়ে শিশুর মাথায় পানি ঢালে। এতেও ঠান্ডা লাগতে পারে। এ ছাড়া কানে পানি ঢুকে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৪. গরমে অনেকে গোসলের পর শিশুর গায়ে তেল মাখে। এতে কিন্তু লাভ হয় না। গোসলের আগে অবশ্য তেল মাখলে ক্ষতি নেই।

৫. অনেকে আবার বড়দের সাবান শিশুর গায়ে মাখেন। এটিও করা যাবে না। শিশুদের জন্য কম ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করতে হবে।

৬. শিশুর গায়ে সাবান লাগানোর পর খেয়াল রাখবেন সেটি যেন পানি দিয়ে ভালোভাবে ধোয়া হয়। না হলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

৭. শিশুকে যেই গরম পানি দিয়ে গোসল করানো হয়, সেটি দিয়েও হতে পারে দুর্ঘটনা। এই পানি যেন খুব গরম না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। গোসলের পানি চুলায় গরম করে তা বহন করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই সময় খুব সাবধান থাকুন। শিশুকে এই সময় দূরে রাখুন।

৮. গোসলের পানিতে অ্যান্টিসেপ্টিক দিলে তাতে উপকারী জীবাণুগুলোও মারা যায়। শিশুকে গোসল করাতে গিয়ে এই ভুলটি করে থাকেন অনেকেই। এমন ভুলগুলো
পরিহার করতে পারলে গোসল করাতে গিয়ে শিশুর কোনো ক্ষতি হবে না। শিশুও থাকবে নিরাপদ।

লেখক
শিশু বিশেষজ্ঞ
মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

বইমেলায় থাকছে রেজিনা মনির ‘ভালোবাসা এক নীলাদ্র অনুভূতির নাম’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে লেখক রেজিনা করিম মনির গল্প গ্রন্থ ‘ভালোবাসা এক নীলাদ্র অনুভূতির নাম’। নানারকম ভালোবাসায় মাখামাখি মোট ২০টি গল্প নিয়ে লেখা এই বই।

এই গ্রন্থের পাতায় পাতায় পাঠক মানুষের স্বপ্ন, ভালোবাসা, আন্তরিকতা, মায়া, আত্মত্যাগ, মানবিক সম্পর্ক, জীবনবোধ, প্রাপ্তি, আনন্দ-বেদনার অনুভূতি খুঁজে পাবেন। এই গল্পগুলো যেন আমাদের জীবনেরই কথা, অতি চেনা পথ। প্রতিদিনের চেনা জানা শত মানুষের জীবনের ও মনের প্রতিচ্ছবিই যেন প্রতিটি গল্পের রেখাচিত্র।

বইটি প্রকাশ করেছে বাবুই প্রকাশনী (স্টল নং-৯৭-৯৮) প্রচ্ছদ করেছেন মো. সাদিতউজজামান। লেখক রেজিনা মনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যের নর্দান আয়ারল্যান্ডে বসবাস করছেন।

বইমেলায় নাজনীন মোসাব্বেরের দুই বই

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষ্যে প্রকাশ হয়েছে প্রতিভাবান লেখিকা নাজনীন মোসাব্বের দুই বই। প্রথমটি চিঠি গ্রন্থ ‘অপরাহ্নের চিঠি’ এবং দ্বিতীয়টি কাব্যগ্রন্থ ‘কে বলে বুড়ো’।

‘অপরাহ্নের চিঠি’ গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে অনুজ প্রকাশনী। গ্রন্থটির প্রচ্ছদ করেছেন সজিব ওয়ার্সী। ৬৪ পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে ‘অপরাহ্নের চিঠি’ নামে একটি গল্প এবং ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির উদ্দেশ্যে লেখা ১৪টি চিঠি স্থান পেয়েছে। গ্রন্থটির মূল্য রাখা হয়েছে ২০০ টাকা। তবে মেলা উপলক্ষে গ্রন্থটি ২৫ শতাংশ ছাড়ে ১৫০ টাকায় পাওয়া যাবে এশিয়া পাবলিকেশন্সের ১৩, ১৪, ১৫ এবং ১৬ নাম্বার স্টলে।

এ ছাড়া মেলা উপলক্ষে নাজনীন মোসাব্বেরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘কে বলে বুড়ো’র দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ হয়েছে। প্রথমে গ্রন্থটি প্রকাশ করে আজব প্রকাশনী। তবে এবারের মেলা উপলক্ষে গ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করছে প্রিয়জন প্রকাশনী। গ্রন্থটি এবারের মেলার ২৪১-২৪২ নাম্বার স্টলে পাওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত লেখিকা নাজনীন মোসাব্বেরের ডাক নাম রুচি। জন্ম ৩ জুলাই। পড়াশোনা শেষ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। একই সঙ্গে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বি এড ডিগ্রি নিয়েছেন।

প্যানডেমিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হবে এই বই

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

২০২০ সালের শুরু। হঠাৎ করেই আমাদের চারপাশটা বদলে গেল। বদলে গেল পুরো বিশ্ব। করোনা নামক ভাইরাসের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে মরিয়া বিশ্ববাসী এক সময় ঘরবন্দী হলো। সামনে আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে, এমন অসহায়ত্বের কাছে নিজেদের সমর্পণ করা ছাড়া উপায় ছিল না; আন্দাজ করাও ছিল দুঃসাধ্য।

হয়তোবা মৃত্যু না হয় অনেক হারানোর পর বেঁচে থাকা। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে ফারাহ জাবিন শাম্মী শুরু করেন তার গৃহবন্দী সময়ের ডায়েরি লেখা।

ধীরে ধীরে দেশ-বিদেশে চেনা-জানা অনেকেরই মৃত্যু- একদিকে জীবন অন্যদিকে জীবিকার লড়াই, মানুষের অসহায়ত্ব। পাশাপাশি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত, সামাজিক, বৈশ্বিক পরিস্থিতি- এসব বিষয়ই লেখক আন্তরিকভাবে তুলে ধরেছেন ডায়েরির পাতায়।

২০২০ সালের শুরুতে দেশে করোনা প্যানডেমিক ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত করোনা প্যানডেমিকের দেশ ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির একটা খণ্ডচিত্র পাওয়া যাবে এই ডায়েরি ‘করোনাপঞ্জি’ তে। প্যানডেমিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হবে এই বই, লেখক এমনটাই মনে করেন।

শীঘ্রই পাওয়া যাবে বইমেলায়। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শিল্পী মাসুক হেলাল। বের করছে স্বপ্ন ৭১ প্রকাশন।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.