Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 117

‘সমাজের চোখ বাঁকা, তাই ভালো বিষয়ও বাঁকা করে দেখে’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
“পূজার সময় পাড়ার সব মেয়েরা আমার কাছে মেহেদি পরতে আসতো। সারারাত ধরে মেহেদি পরাতাম। মা বলতেন, ‘ ওদের কাছ থেকে পাঁচ/ ১০ টাকা করে চাইলেও তো কিছু আয় হয়। নিজেকে একটু একটু করে স্বাবলম্বী করতে পারো।’ মা গৃহীনি ছিলেন। বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে চলতে হতো তাঁকে। মায়ের জীবন দেখে এবং তাঁর কথা শুনে মনে হয়েছে আমাকে স্বাবলম্বী হতে হবে। সেভাবেই কাজ করে এগিয়ে যাই।

ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর বিউটিফিকেশনের কাজ শিখে নিজেই একটি পার্লার খুলি। সেখান থেকে ভালো আয় শুরু হয়”- কথাগুলো বলছিলেন ঝিনাইদহের মেয়ে চয়নিকা মজুমদার।

চয়নিকা মজুমদার একজন কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার। এর আগে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে বিউটিশিয়ান প্রশিক্ষক ছিলেন। বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে ২০১৮ সালে উজ্জ্বলা থেকে কোর্স করেন। বর্তমানে পার্লার থেকে তাঁর মাসিক আয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

একবার মমতাজ মেহেদি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উজ্জ্বলার চেয়ারম্যান আদিত্য সোম দাদা এবং উজ্জ্বলার সহকারী প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন আপা ঝিনাইদহে আসেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছিলো নিজেকে দক্ষ বিউটি আর্টিস্ট করতে এখানে অবশ্যই কোর্স করবো- জানান চয়নিকা মজুমদার।

বিউটি আর্টিস্ট হতে গিয়ে অনেক প্রতিবন্ধকতা পার করতে হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বাবা, ভাই চাইতেন না পার্লারের কাজ শিখি। এটাকে খুব খারাপ চোখে দেখতেন।অনেক পারিবারিক অশান্তি গেছে। বড় ভাই একদিন খুব মেরেছিলেন। তবে এখন সবাই উৎসাহ দেয়। আমার স্বামী উত্তম কুমার রায়, একটি কলেজের শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন। তিনিও অনেক উৎসাহ দেয়। শ্বশুর বাড়ির লোকেদের কাছ থেকেও এ কাজটি করতে কোনো বাধা পাইনি। আসলে সমাজের চোখ বাঁকা, তাই ভালো বিষয়ও বাঁকা করেই দেখে।’

উজ্জ্বলায় ট্রেনিং করার সময় অন্য মেয়েদের জীবনের গল্প শুনতেন চয়নিকা মজুমদার। গল্পগুলো শুনে মনে হতো মানুষ অনেক কষ্ট করে। সেখানে তাঁর কষ্ট সামান্য। ‘উজ্জ্বলা আমাকে শক্তিশালী হতে শিখিয়েছে। এখান থেকে বিউটিফিকেশনের অনেক খুঁটিনাঁটি কৌশল শিখেছি। পাশাপাশি কীভাবে ব্যবসা দাঁড় করাতে হয় সেই বিষয়টিও জেনেছি। শুরুর দিকে পার্লারের আয় ১০/১৫ হাজার টাকা ছিলো। এখন ডাবল।’ – বলছিলেন তিনি।

নিজেকে স্বাবলম্বী করতে পারলে কে কী বললো তাতে কিছু যায় আসে না মন্তব্য করে চয়নিকা বলেন,’অনেকেই প্রশ্ন করে আপনার স্বামী কী করেন? কিন্তু প্রথমে প্রশ্নটা হওয়া উচিত আপনি কী করেন? আমার স্বামীর পরিচয়ে আমি পরিচিত হবো না। নিজের পরিচয়ে পরিচিত হতে হবে। এটাই ক্রেডিট।’

ভবিষ্যতে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চান চয়নিকা মজুমদার। পার্লারকে আরো বড় করার ইচ্ছার কথা জানিয়ে বলেন, ‘নিজেকে অনেক শক্তিশালী করতে চাই। পাশাপাশি সবাইকে যতটুকু পারি সাহায্য করবো।’

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ১৮ তম।

আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন কীভাবে?

সাতকাহন২৪.কম

আত্মবিশ্বাসী মানুষ নিজের সুখ নিজেই তৈরি করতে পারে। আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তি জানে কীভাবে অনেক চাপের ভেতরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে সফল হওয়া যায়। আর এর অভাবে কী হয়? জীবনযুদ্ধে পিছিয়ে পড়েন অনেকেই। দ্বিধা, সংশয়ে থেকে বহু কাজই করে উঠা হয় না। কীভাবে বাড়াবেন আত্মবিশ্বাস? আসুন জেনে নিই।

# ছোট ছোট বিষয়েও আনন্দ খুঁজুন। লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। আর সেই অনুযায়ী কঠোর পরিশ্রম করে যান।
# অন্যকে বিচার করতে যাবেন না। অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করা থেকে বিরত থাকুন। নিজের কাজের প্রতি মনোযোগী হোন।
# ভয়কে জয় করুন। আর এ জন্য নিজেকে আরো দক্ষ করে গড়ে তুলুন।
# নিজের প্রতি ইতিবাচক হোন। নিজেকে বলুন, ‘আমি পারবো’, ‘আমি করবো’, ‘সফল হবো’।
# সবসময় হাসি মুখে থাকুন। কোনো কাজে ভুল হতেই পারে, একে স্বীকার করে নিন।
# আপনার দাঁড়ানো, হাঁটা-চলা, কথা বলার মধ্যে একটি স্মার্টভাব আনুন। তবে সেটি যেন বেশি না হয়ে যায়।
# যেই কাজটি করতে ভয় পান, সেটি বার বার করুন। হয়তো অংকে আপনার ভীষণ ভয়। অংক বার বার করতে থাকুন।একসময় ঠিকই দক্ষ হয়ে উঠবেন।
# কোথায় কোথায় আপনার আত্মবিশ্বাসের অভাব হয়, সেগুলো খুঁজে বের করুন এবং সেই কাজগুলোতে দক্ষ হোন।

এসব কৌশলের চর্চা কেবল একদিনের জন্য নয়, সারাজীবনই করে যেতে হবে। আর এতে আপনি এতোটা আত্মবিশ্বাসী হবেন যে নিজেই হয়তো অন্যের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবেন।

মাংকিপক্সের লক্ষণ কী?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
করোনার প্রাদুর্ভাব কমতে না কমতেই বিশ্বব্যাপি যেই রোগটি চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে তা হলো মাংকিপক্স। ইতোমধ্যে প্রায় ১১টি দেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়ছে। তবে রোগটি নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

মাংকিপক্স নামের এক ধরনের ভাইরাসের মাধ্যমে মানবদেহে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। মাংকিপক্সে আক্রান্ত রোগীর ঘনিষ্ট সংস্পর্শে এলে, শ্বাসের মাধ্যমে, চোখ, নাক, মুখের ভেতর দিয়ে এটি ছড়াতে পারে। বিভিন্ন প্রাণী যেমন, কাঠবিড়ালি, ইঁদুর, বানরের মাধ্যমে ভাইরাস বিস্তার লাভ করতে পারে। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির বিছানা-বালিশ ব্যবহারের মাধ্যমেও রোগ ছড়াতে পারে।

মাংকিপক্সের লক্ষণ
# জ্বর
# মাথাব্যথা
# পেশি ও জয়েন্টে ‌ব্যথা
# পিঠে ব্যথা
# গায়ে গুটি উঠা
# র্যাশ
#অবসাদ

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া ও বিবিসি

গরমে সুস্থ থাকুন ৫ উপায়ে

সাতকাহন ২৪.কম ডেস্ক

গরমে সাধারণত পানিশূন্যতা, ত্বকের রোগ-ব্যাধি, ক্লান্তিভাব অবসাদবোধ ইত্যাদি সমস্যায় পড়তে হয়। অতিরিক্ত গরমে জনজীবন হয়ে পড়ে অতিষ্ট। তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে কিন্তু এই ঋতু হয়ে উঠতে পারে আনন্দের। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ফার্মাইজি জানিয়েছে গরমে সুস্থ থাকার কিছু পরামর্শ।

মৌসুমী ফল খান
গরমের সময় তরমুজ, আম, কাঁঠাল, লিচু ইত্যাদি ফল বাজারে পাওয়া যায়। এগুলো দেহের পুষ্টি ও পানির চাহিদা পূরণে অনেকটা সহায়ক। ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেহকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

সাঁতার
এ সময় দেহকে ঠান্ডা রাখতে সাঁতার একটি উপকারী ব্যায়াম। এটি যেমন দেহকে আরাম দেয়, তেমনি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান
গরমে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান না করলে পানিশূন্যতা হয়ে মাথা ঝিমুনি, চোখে ঘোলা দেখা, ত্বকে শুষ্কতা, অবসাদসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হতে পারে। এ থেকে রেহাই পেতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। একজন সুস্থ সবল ব্যক্তি দৈনিক ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করতে পারেন।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান
গরমে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া বা অতিরিক্ত, ভাজা-পোড়া, তৈলাক্ত, বাসি-পঁঁচা খাবার বদ হজমসহ পেটের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এ সময় টাটকা স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি। এ ক্ষেত্রে সতেজ শাক-সবজি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

তরল জাতীয় খাবার
গরমের সময় পানি তো পান করবেনই। পাশাপাশি তরল জাতীয় খাবারগুলোও বেশি করে খেতে পারেন। যেমন, স্মুদি, স্যুপ, ডিটক্স পানি ইত্যাদি। এগুলো শরীরকে আর্দ্র রাখবে এবং বিষাক্ত পদার্থ দূর করতেও সাহায্য করবে।

কোন বয়সে ডায়াবেটিস পরীক্ষা জরুরি?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ডে একজন ব্যক্তি ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হোন। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এ দেশে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (নিপোর্ট) এর একটি জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ডায়াবেটিস নিরব ঘাতক। অনেক সময় কোনো লক্ষণ বুঝে উঠার আগেই ডায়াবেটিস দেহে বাসা বাঁধে। তবে রোগটি কেবল একা আসে না। সঙ্গে নিয়ে আসে হৃদরোগ, কিডনি ফেইলিউর, ত্বকের সমস্যা, চোখের সমস্যাসহ নানা ব্যাধি।
একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ রোগটি হওয়ার পরও বুঝতে পারে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব ডায়াবেটিস নির্ণয় জরুরি।

একটি সময় ৪৫ বছর বয়সকে ডায়াবেটিস নির্ণয়ের জন্য সঠিক সময় মনে করা হতো এবং প্রতি তিন বছর পর পর ডায়াবেটিস পরীক্ষা করার কথা বলা হতো। তবে সম্প্রতি ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের একটি তথ্যে বলা হয়েছে, আগে শিশু, কিশোর ও তরুণদের মধ্যে রোগটি প্রায় নেই বললেই চলতো। তবে বর্তমানে তাদের দেহেও এটি ধরা পড়ছে। আর তাই এর পরীক্ষা আগে থেকেই করা জরুরি। তাদের পরামর্শ অন্তত ২৫ বছর বয়স থেকেই ডায়াবেটিসের পরীক্ষা করা ভালো। বিশেষ করে যারা স্থূল বা বাড়তি ওজনের সমস্যায় ভুগছে তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আবশ্যক।

অপরদিকে, নিউ ডায়াবেটিস গাইডলাইনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩৫ বছরের পর থেকে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা যেতে পারে। বয়স যাই হোক, যেহেতু কিশোর- তরুণরাও এটি থেকে রেহাই পাচ্ছে না, তাই রোগটি আগেভাগে পরীক্ষা করাই শ্রেয়।

ডায়াবেটিস সারাজনমের রোগ হলেও জীবনযাপনের ধরনের পরিবর্তন, নিয়মানুবর্তিতা,স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ইত্যাদির মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক হোন। ডায়াবেটিস সম্পর্কে জানুন।

গর্ভাবস্থায় এসিডিটি কমাতে ৩ ঘরোয়া উপায়

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

গর্ভাবস্থায় এসিডিটি একটি প্রচলিত সমস্যা। বিশেষত মাঝামাঝি ও শেষের দিকে এই সমস্যা বেশি হয়। সাধারণত দুটো কারণে এই সময়ে এসিডিটি বাড়ে। রিল্যাক্সিন নামক হরমোন হজমের প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে। এতে পাকস্থলীতে খাবার বেশি সময় ধরে থাকে। এতে সমস্যা বেশি হয়।

দ্বিতীয়, ভেতরে থাকা শিশু পাকস্থলীতে চাপ দেয়। এ থেকেও এসিডিটি হয়। গর্ভাবস্থায় এই সমস্যা অতিরিক্ত হলে তো অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যা এসিডিটি কমাতে উপকারী। গর্ভাবস্থায় এই সমস্যা কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপটেন হোম রেমেডি।

১. আদা
গর্ভাবস্থায় এসিডিটি কমাতে আদা উপকারী। আদার ভেতর থাকা ভোলেটাইল ওয়েল ও ফেনল পাকস্থলীর এসিডকে নিষ্ক্রিয় করতে কাজ করে। এতে বুক জ্বালাপোড়াও কমে। এসিডিটি কমাতে আদা চা পান করতে পারেন। এ ছাড়া কাঁচা আদা চিবিয়েও খাওয়া যায়।

২. পানি
পানি পানে এসিডিটি কমে। এই সহজ সমাধানটি জেনে অবাক হচ্ছেন? পানি যেকোনো খাবারকে একটু তরল হতে সাহায্য করে। এতে হজম দ্রুত হয় এবং এসিডিটর সমস্যাও কমে। গর্ভাবস্থায় বেশি এসিডিটি হলে স্যুপ, দই, স্মুদি, মিল্কসেক, পুডিং ইত্যাদি তরল বা অর্ধতরল খাবার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

৩. একসঙ্গে বেশি খাবার নয়
গর্ভাবস্থায় দেহে খাবারের চাহিদা বাড়ে। এ সময় অনেকে একসঙ্গে একগাদা খাবার খেয়ে ফেলেন। এতে এসিডিটির সমস্যা বাড়ে। এটি কমাতে একসঙ্গে অতিরিক্ত না খেয়ে সারাদিন কিছুক্ষণ পর অল্প খাবার খান। এতে খাবার দ্রুত হজম হতে সাহায্য হবে।

বেশি গরমে থাকছেন? হিটস্ট্রোক থেকে সাবধান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
দেহের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে হিটস্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাধারণত বেশি গরমে এই সমস্যা হয়। আমাদের দেহে রাসায়নিক ক্রিয়া-কলাপের কারণে প্রতিনিয়ত তাপ তৈরি হয়। ঘামের মাধ্যমে সেই তাপ দেহ থেকে বেরিয়ে আসে।

তবে অতিরিক্ত গরম আবহাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ থাকার কারণে ঘামের পাশাপাশি পানিও বের হয়ে যায়। আর তখনই হিটস্ট্রোকের মতো ঘটনা ঘটে। এ থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। হিটস্ট্রোকের লক্ষণ ও করণীয় বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মায়ো ক্লিনিক।

দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া। থার্মোমিটারে দেহের তাপমাত্রা ১০৪ ফারেনহাইট বা তার বেশি হওয়া হিটস্ট্রোকের লক্ষণ।

মানসিক ভারসাম্যহীনতা। দ্বিধা, অস্বস্তি, কথা বলতে জড়তা, চোখে ঘোলা দেখা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি এর লক্ষণ।

বমি বমি ভাব ও বমি। এই সময় অনেকেরই বমি বা বমি বমি ভাব হতে পারে।

লালচে ত্বক। দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে ত্বক লালচে হয়ে যায়।

ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া। ঘন ঘন ও ছোট ছোট শ্বাস নেওয়াও হিট স্ট্রোকের একটি লক্ষণ।

হৃদস্পন্দন বাড়া। দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে হৃদস্পন্দনও বাড়তে পারে।

মাথাব্যথা। মাথাব্যথা হিটস্ট্রোকের একটি প্রচলিত লক্ষণ।

করণীয়
এসব লক্ষণ দেখলে রোগীকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। এ ছাড়া প্রাথমিকভাবে যা করতে পারেন-

# রোগীকে ছায়ার কাছে নিয়ে আসুন।
# শরীর থেকে বাড়তি পোশাক খুলে ফেলুন।
# রোগীকে যতটা সম্ভব ঠান্ডা জায়গায় রাখার চেষ্টা করুন।
# সারা শরীর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুছে দিতে পারেন বা গোসল করাতে পারেন।
# ঘাড়, কাঁধ, মাথা আইস প্যাক লাগাতে পারেন বা ভেজা তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে মুছে দিতে পারেন।

কঠিন সময়ে উজ্জ্বলা পাশে ছিলো : সুপ্রীতি

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মেয়েটির বিয়ে হয়ে যায় ছোটবেলায়; স্কুলে পড়া অবস্থায়। এরপর প্রায় তিন বছর আর লেখাপড়াটা চালিয়ে যেতে পারেনি। একটা সময় মনে হলো এটা আবার শুরু করা দরকার। বাসার সবার অজান্তে এসএসসি পরীক্ষা দেয়। রেজাল্টও ভালো আসে। গ্র্যাজুয়েট শেষ করে রবীন্দ্র সংগীতের উপর। পাশাপাশি উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিউটিফিকেশনের ওপর সব কোর্স সম্পূর্ণ করে এবং পঞ্চকর্মা আয়ুর্বেদিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে হার্বালজি ও ম্যাসাজের ওপর ডিপ্লোমা কমপ্লিট করে। পাশাপাশি ইয়োগা ও ডায়েটের ওপর কেরালা থেকে কোর্স করছে।

বর্তমানে নিজেই একটি স্যালন খুলেছে। এখানে চুল, ত্বকের সৌন্দর্য, ডায়েট ইত্যাদি বিষয়ে কাজ করছে। এখান থেকে বেশ ভালো একটি আয় আসে। এভাবে নিজের সংসারকেও সাহায্য করছে সুপ্রীতি গোস্বামী প্রিয়া। কেবল তাই নয়, এসবের পাশাপাশি মঞ্চে অভিনয় করছে, আবৃত্তি শিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বর্তমানে রবীন্দ্র সংগীতের ওপরও তালিম নিচ্ছে। জীবনের এই লড়াইটা কেমন ছিলো, তা জানবো তার মুখ থেকেই।

অর্থনৈতিকভাবে খুব স্ট্রাগল করেছি

বিয়ের কয়েক বছর পর আমার স্বামীর হিপ জয়েন্টে সমস্যা হয়। কাজ করতে পারছিলেন না। আমার বাবা ও শ্বশুরের ভালো অবস্থা ছিলো। তবে কাউকে বলতে পারিনি। টাকা চাইতে পারিনি। সন্তানকে খাওয়াতেও কষ্ট হতো। তখন মনে হলো এভাবে বসে থাকা যাবে না। কাজ করতে হবে এবং কাজের জন্য, নিজেকে দক্ষ করার জন্য প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

ঢাকায় চলে যাই উজ্জ্বলাতে প্রশিক্ষণ নিতে। সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করি। এটি ২০১৭ সালের ঘটনা। উজ্জ্বলার সবচেয়ে প্লাস পয়েন্ট প্রশিক্ষণ নিতে আহামরি টাকা লাগে না। পাশাপাশি ধীরে ধীরেও ফি দেওয়া যায়। টাকা আয়ের জন্য পরিচয় লুকিয়ে আমি বাড়ি বাড়ি গিয়ে মেনিকিউর, পেডিকিউর ও ফেসিয়াল করতাম। তবে বর্তমানে
নিজের পার্লার থেকে আমি প্রতি মাসে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় করছি।

ভেষজ উপাদান দিয়ে কাজ করি

মেনিকিউর, পেডিকিউর, হেয়ার ট্রিটমেন্ট, স্কিন ট্রিটমেন্ট ও মেকওভার নিয়ে কাজ করছি। আমার কাজটাই ভিন্ন। ভেষজ উপাদান ব্যবহার করি। আমরা শুদ্ধতা দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। কাঁচা উপকরণ দিয়ে ফেসিয়াল করানো হয়। স্ট্রবেরি, লিকোরিক পাউডার, জাফরানের জল, দুধ ইত্যাদিকে প্রক্রিয়াজাত করে সার্ভিস দিই।

উজ্জ্বলায় কোর্স করার সময় গ্রুমিংয়ের একটি বিষয় ছিলো। উজ্জ্বলা আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে সততার সঙ্গে ব্যবসা করতে হয়। অনেক স্যালনেই সস্তা ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করা হয়। তবে আমি কাজ করার সময় ব্রান্ডের প্রোডাক্ট ব্যবহার করি। বর্তমানে আমার স্যালনে তিনজন কর্মী কাজ করছেন।

জীবনের কঠিন সময়ে উজ্জ্বলাকে পাশে পেয়েছি

জীবনের খুব কঠিন সময়ে উজ্জ্বলা আমার পাশে ছিলো। মেনটর হিসেবে আফরোজা আপাকে পেয়েছি। উজ্জ্বলা আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে নিজেকে আলোকিত করে অন্যদের উজ্জীবীত করতে হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি আমাকে শিখিয়েছে নিজেকে ঠিক রেখে কীভাবে অন্যদের সাহায্য করতে হবে। স্বাস্থ্য, ত্বক নিয়ে আমার আরো কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। আমার উদ্দ্যশ্য কেবল টাকা আয় করা নয়, মানুষেরও উপকার করা। এভাবেই এগিয়ে যেতে চাই।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ১৭তম।

মানুষের কথা শুনে জীবন নষ্ট করা যাবে না

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রূপ রহমান ২০১৭ সালের শেষের দিকে উজ্জ্বলায় আসেন। এখান থেকে বিউটিফিকেশনের উপর সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করেন। বর্তমানে বাসাতেই একটি স্টুডিও স্যালন খুলেছেন। পাশাপাশি কিছু ফ্রি ল্যান্সিং কাজ করছেন। এই আয় দিয়েই নিজের ও বোনের সংসারের হাল ধরেছেন তিনি। জীবনযুদ্ধে কীভাবে লড়াই করছেন এবং সফলতা পাচ্ছেন, আজ তাঁর মুখেই শুনবো সেই গল্প।

পার্লারে কাজ করি, এ নিয়ে অনেক কথা শুনেছি

আমার মা খুব গোছানো থাকতেন। খুব পরিপাটি ছিলেন তিনি। তাঁর কাছ থেকেই নিজেকে ও অন্যকে গোছানোর বিষয়টি শিখি। আমরা তিন বোন আর এক ভাই। বয়স যখন কম ছিলো তখন লিপস্টিক, আইলাইনার দিয়ে বাড়ির ছোট ছোট মেয়েদের সাজিয়ে দিতাম। টুথপেস্ট দিয়ে আল্পনা আঁকতাম। মিরপুরে একটি পার্লারেও কিছুদিন কাজ করেছি।

তবে পার্লারে কাজ করাটা আমার আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীরা খুব বাজে চোখে দেখতো। কাজ শেষে আমাকে রাত করে বাড়ি ফিরতে হতো। এ নিয়ে অনেক বাজে কথা শুনেছি। খুব অবাক লাগতো, মানুষ তাদের ধারণা বশবর্তী হয়ে এতো খারাপ কথা কীভাবে বলে। খুব আহত হতাম। একটা সময় তো মানসিকভাবে এত বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিলাম যে কাজ ছেড়ে ঘরে বসে যাই। কাজের কোনো মূল্যায়ন পাচ্ছিলাম না। মনে হয়েছিলো কাউকে আর সাজাবো না, কিছু করবো না। আমাকে দিয়ে আর কিছু হবে না। আমি হয়তো হেরে গেলাম।

এ ছাড়া আমি ছোট থাকতেই মা মারা যান। আমার পড়া-লেখায় গ্যাপ পড়ে। মানুষ বলতো, ‘মা মারা গেছে। বিয়ে হবে না।’ সমালোচনাকে খুব ভয় পেতাম। আমার বন্ধুর সংখ্যা খুব কম। সোস্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভিটিও তেমন নেই। ছোটবেলায় একটি বুটিক করেছিলাম। সেটিও বেশিদিন চালাতে পারিনি।

বড় ভাই এগিয়ে এলেন

আমার অবস্থা দেখে বড় ভাই এগিয়ে এলেন। তিনি বেশ ধমকের সুরে বললেন, ‘বসে আছো কেন? কাজ করো না কেন? বললাম, ‘মানুষ বাজে কথা বলে।’ তখন ভাইয়া মানসিকভাবে সাহায্য করলেন। খুব বোঝালেন। বললেন, ‘মানুষ কী বললো তা ভেবে তোমার জীবন কতদিন চালাবে? তুমি কাজ করো। নতুন কোর্স করো, নতুন কাজে যুক্ত হও।’

২০১৭ সালে উজ্জ্বলায় আসি। এখানে এসে উজ্জ্বলার বিজনেস হেড ও স্টুডেনন্ট কাউন্সিলর সাবিহা মোস্তফা আপার সঙ্গে কথা হয়। উনার সঙ্গে কথা বলে যেন সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম। উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভিন আপা প্রথম দিন ক্লাস করান। তিনি আমাদের হাতে ধরে ধরে শেখাতেন। ওখানে না গেলে বুঝতাম না মানুষ কী বলবে সেটার জন্য বসে থেকে নিজের জীবনকে নষ্ট করা যাবে না। আত্মবিশ্বাস বাড়ালো। উজ্জ্বলায় যাবার জন্য বড় ভাইয়া একটা বাইকও কিনে দিলেন। এখানে এসে সবার সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক হলো।

করোনার সময়টা খুব খারাপ গেছে

কোভিডের আগে একটি স্যালন নিই। তবে কোভিডের সময় সব নষ্ট হয়ে গেলো। করোনার ওই সময়টা খুব খারাপ গেছে। ব্যক্তিগতকারণে পল্লবীতে চলে আসি মিরপুর থেকে। আয় কমে গেলে। বাসায় পার্টি ও ব্রাইডাল মেকআপ করা শুরু করলাম। আমি বেশ ভালো প্রোডাক্ট দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করি।

উজ্জ্বলার চেয়ারম্যান আদিত্য সোম দাদা একবার ক্লাসে বলেছিলেন, ‘বিজনেস করবা, আর কখনো লস হবে না এরকম চিন্তা করা যাবে না।’ সেটা মাথায় রেখেই পুরোদমে নিজের মতো করে কাজ শুরু করি।

উজ্জ্বলার প্রতি কৃতজ্ঞতা

উজ্জ্বলার প্রতি আমার অনেক কৃতজ্ঞতা। আফরোজা আপা শিখিয়েছে, শেখার কোনো শেষ নেই। একটা বাচ্চার কাছ থেকেও অনেক কিছু শেখা যায়। তিনি বুঝিয়েছেন, আমরা অন্যের কোথায় খুব প্রভাবিত হই। সেটা না করে আমার যেটা পছন্দ সেটা শালীনভাবে আমি করবো। এসব কথা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। এখন আমি একটি স্যালন করতে চাই। আর এভাবেই কাজ করে এগিয়ে যাবো আশা রাখি।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ১৬তম।

রবীন্দ্রনাথের বর্ষার গান গাইলেন রবিরশ্মির সদস্যরা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রবীন্দ্র ভিত্তিক সংগীত সংগঠন ‘রবিরশ্মি’, ৩০ জুলাই, শনিবার সন্ধ্যায় কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ, ঢাকায় ‘ এসো শ্যামল সুন্দর’ শীর্ষক কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষণগীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

স্বাগত বক্তব্য : মহাদেব ঘোষ, পরিচালক, রবিরশ্মি ও বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী।

সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়: সোহেলা হোসেন, বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, প্রেসিডেন্ট- মীর আক্তার হোসেন, মীর সিমেন্ট, ডিরেক্টর- এন সি সি ব্যাংক লিমিটেড।
শুভেচ্ছা বক্তব্য: তপুব্রত ভট্টাচার্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ব্যাংকার ( অবসরপ্রাপ্ত)।
সভাপতির বক্তব্য : মোখলেস আলম, সভাপতি- রবিরশ্মি ও অনুষ্ঠানের সভাপতি, বিশিষ্ট সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও লেখক।

এরপর শুরু হয় রবিরশ্মির শিল্পীদের সম্মেলক গান। ১. এসো শ্যামল সুন্দর। ২. এসো এসো ওগো শ্যাম ছায়াঘন দিন। ৩. পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে

সম্মেলক গানের পর শুরু হয় একক গানের পালা। একক গান পরিবেশন করেন রবিরশ্মির ২৭ জন শিল্পীবৃন্দ। একক গানের শিল্পীদের নাম ও গানের তালিকা –
১. রুমা সাহা- ছায়া ঘনাইছে বনে বনে
২. এজাজ হোসেন- ঝর ঝর বরিষে বারিধারা
৩. অরুণা বিশ্বাস- আজি গধূলি লগনে
৪. সুকুমার চক্রবর্তী- এসো গো জ্বেলে দিয়ে যাও
৫. শাশ্বতী মাথিন – আজি ঝর ঝর মুখর বাদর দিনে
৬. আশরাফুল করিম চৌধুরী- আমি কী গান গাব যে
৭. মাকসুদা খানম তুলি-বজ্রমানিক দিয়ে গাঁথা
৮. ইফতেখার উদ্দিন- মন মোর মেঘের সঙ্গী
৯. ময়না রাণী দাস – আমি তখন ছিলেম মগন
১০.সাঈদ মাহমুদ সাইফুল আলম- ওই যে ঝড়ের মেঘে
১১. শিউলি ভৌমিক- মোর ভাবনারে কী হাওয়ায়
১২. দিলীপ কুমার দাস- বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল
১৩. কংকন চৌধুরী- ওগো তুমি পঞ্চদশী
১৪.পল উৎপল সাহা- আমার নিশিথ রাতের বাদল ধারা
১৫. মিথিলা ঘোষ- উতল ধারা বাদল ঝরে
১৬. বিষ্ণুপদ (বীর মুক্তিযোদ্ধা) – আমার দিন ফুরালো
১৭. পারমিনা তোরা দাস- শ্রাবণের ধারার মতো
১৮. সঞ্জীব সরকার- পুব হাওয়াতে দেয় দোলা
১৯. সুস্মিতা হোসেন- আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে
২০. স্বপন কুমার চক্রবর্তী- ওই মালতি লতা দোলে
২১. মাহমুদা আপন – আজি হৃদয় আমার
২২. শামীম আরা বেগম- গহন রাতে শ্রাবণ ধারা
২৩. বনশ্রী পাল- শ্যামল ছায়া নাইবা গেলে
২৪. উষা ভট্টাচার্য- যেতে দাও গেল যারা
২৫. মৌসুমী মৈত্র- বাদল ধারা হল সারা
২৬. অর্চনা রায়- কে দিল আবার আঘাত
২৭. মহাদেব ঘোষ- আমার যে দিন ভেসে গেছে।

মিলনায়তনে রবীন্দ্র অনুরাগী দর্শকবৃন্দ ও বিদগ্ধজন কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। উপস্থিত দর্শকবৃন্দ রবিরশ্মিরর কর্ণধার শিল্পী মহাদেব ঘোষের কাছে আরো এই ধরনের অনুষ্ঠান তিন মাস অন্তর অন্তর করার জন্য অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠানে যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন : কি বোর্ড- রবিন্স চৌধুরী
সেতার- মো. ফিরোজ খান, তবলায়- মো. ফারুক, এস্রাজ- অসিত বিশ্বাস, মন্দিরায়- দুলাল উদ্দিন খাঁন।
উপস্থাপনায় : শাশ্বতী মাথিন
অনুষ্ঠান পরিকল্পনায় ও পরিচালনায় : শিল্পী মহাদেব ঘোষ, পরিচালক, রবিরশ্মি।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.