Tuesday, September 29, 2026
spot_img
Home Blog Page 109

উজ্জ্বলা সব বাধা পেরোতে সাহায্য করেছে

সাতকাহন২৪.কম

মেকআপের প্রতি ছোটবেলা থেকে আগ্রহ ছিলো তাঁর। তবে ছেলে হয়ে মেয়েদের কাজ করবে- এ নিয়ে অনেক প্রতিবন্ধকতা পার করতে হতো। সব প্রতিবন্ধকতা পার করে, উজ্জ্বলা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি আজ বিউটি আর্টিস্ট হয়েছেন। ফ্রিল্যান্সিং কাজ করছেন বেশ ভালোভাবে। যারা একসময় তাকে শেখাতেই চাইতো না, তারাই এখন তাঁর কাছ থেকে শিখতে চায়। যার কথা বলছি তিনি প্রান্ত সরকার। কুমিল্লার এই ছেলেটি পার করেছে অনেক প্রতিবন্ধকতা, কিন্তু থেমে যায়নি। মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উজ্জ্বলা তার জীবনের মোড় কীভাবে বদলে দিয়েছে সেই গল্পই শুনবো।

ছেলে হওয়ার কারণে কোথাও শেখাতে চাইতো না

এইচএসসি পাশ করার পর ভাবলাম বিউটি সেকটর নিয়ে কিছু করা যায়। তখন এ বিষয়ে নিজে নিজে পড়াশোনা করতে থাকি। এরপর একজন আপু উজ্জ্বলার খোঁজ দেয়, সেখান থেকে বিউটি কোর্স শেষ করি। এর আগে কয়েকটি জায়গায় কোর্স করার জন্য যোগাযোগ করি। কিন্তু ছেলে বলে কেউ শেখাতে চাইতো না। একমাত্র উজ্জ্বলাই শিখিয়েছে। উজ্জ্বলা নারী-পুরুষ ভেদাভেদ করে না। সবাইকেই শিক্ষার্থী মনে করে।

এলাকার মানুষ সমালোচনা করতো

মেকআপ আর্টিস্ট হওয়ার জন্য আমার পরিবারের লোকেরা সহযোগিতা করেছে। তবে এলাকার মানুষ সমালোচনা করতো। ছেলে হয়ে মেয়েদের কাজ কেন করবে এ নিয়ে কথা বলতো। তবে উজ্জ্বলা আমাকে সব প্রতিবন্ধকতা, বাধা পেরোতে সাহস জুগিয়েছে। তাদের জন্যই আজ এই সেকটরে কাজ করতে পারছি। স্বাবলম্বী হতে পেরেছি। যারা আমাকে শেখাতে চাইতো না, তারাই আমাকে এখন প্রশিক্ষক হিসেবে ডাকে।

উজ্জ্বলার শিক্ষকরা বন্ধুর মতো

উজ্জ্বলার শিক্ষকরা আমার সঙ্গে খুব বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতো। অনেক মেয়েদের মাঝে আমাকে গুরুত্ব দিয়ে শেখাতো। এই বিষয়টি খুব ভালো লেগেছে। কখনো হীনমন্য বোধ করতে দেয়নি। তারা বলতো, আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করতে হলে ছেলেদেরও বিউটি আর্টিস্ট হতে হবে। আই লুক ও ব্রাইডাল লুকের ক্লাসগুলো খুব ভালো লেগেছিলো। খুব সুন্দর করে ক্লাসে শিক্ষকরা বুঝিয়ে দিতেন এবং পরীক্ষাও নিতেন। উজ্জ্বলার পক্ষ থেকে ‘অদম্য উজ্জ্বলা’ হিসেবে সম্মাননা পেয়েছি আমি। সেটা আমার কাছে বেশ অন্যরকম একটা অনুভূতি। এটা খুব স্মরণীয় একটা দিন।

উজ্জ্বলার খরচ কম

অন্যান্য বিউটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গুলো থেকে উজ্জ্বলায় খরচ কম। আর ধীরে ধীরেও সেই টাকা পরিশোধ করা যায়। এটা খুব সুবিধাজনক। উজ্জ্বলা সব কিছুতেই বেশ হেল্পফুল। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের টপ মেকআপ আর্টিস্ট হতে চাই। উজ্জ্বলার সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাই।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৪৩তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

ইমপালস-মাই কেয়ারের ফুসফুসের ক্যানসার সচেতনতার মাস উদযাপন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

ইমপালস-মাই কেয়ার (প্যালিয়েটিভ অ্যান্ড জেরিয়াট্রিক কেয়ার সেন্টার)- এর ‘ফুসফুসের ক্যানসার সচেতনতার মাস’ উদযাপন উপলক্ষে অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার নটর ডেম ইয়োগা ও মেডিটেশন ক্লাবের সহায়তায় নটর ডেম কলেজে একটি ভিন্নধর্মী সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানটির মূল প্রতিপাদ্য তুলে ধরেন মাই কেয়ারের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ডা. ফারজানা ইসলাম। ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিভিন্ন যোগ অভ্যাস/ইয়োগা প্রদর্শন করে ইয়োগা থেরাপিষ্ট কুশল রয় জয় (প্রতিষ্ঠাতা, জয়সান ইয়োগা) ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল নটর ডেম কলেজে চারশ জন শিক্ষার্থী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও এবং নটর ডেম ইয়োগা ও মেডিটেশন ক্লাবের সম্মানিত মডারেটর স্বপন হালদার। আরও উপস্থিত ছিলেন মাই কেয়ার-এর ক্যানসার বিষয়ক জনসচেতনতা প্রচারকারী দল ফারজানা আলী (হেড অব সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট), মো. জুলহাস উদ্দিন (হেড অব প্রোগ্রাম ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) ও শাখাওয়াতউল্লাহ (বিজনেস রিলেশনশিপ ম্যানেজার) ।

‘গ্রীন ভয়েস’- এর আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

সাতকাহন২৪.কম

‘গ্রীন ভয়েস’ আয়োজিত ‘আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন’ প্রশিক্ষণ-২০২২ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে। গত ১৯ নভেম্বর, শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. এম. কামরুজ্জামান, মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর, হাবিপ্রবি দিনাজপুর। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর ড. মো. মামুনুর রশিদ, প্রচার, হাবিপ্রবি দিনাজপুর, প্রফেসর ড. ইমরান পারভেজ, প্রফসর ড. বিকাশ চন্দ্র সরকার, উপদেষ্টা, মন ভরেন, হাবিপ্রবি শাখা, ড. মো. রবিউল ইসলাম, উপদেষ্টা, গ্রীন ভয়েস, হাবিপ্রবি শাখা, ড. মো. ইয়াছিন প্রধান, উপদেষ্টা, গ্রীন ভয়েস, হাবিপ্রবি শাখা, মো. মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা, হাবিপ্রবি শাখা।

সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর রোজিনা ইয়াসমিন (লাকী), উপদেষ্টা, গ্রীন ভয়েস, হাবিপ্রবি শাখা। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন মো. আলমগীর কবির, প্রধান সমন্বয়ক প্রতিষ্ঠাতা, গ্রীন ভয়েস, ফারজানা ফাতেমা (রুমী), মনোবিজ্ঞানী, প্রতিষ্ঠাতা ‘সোনারতরী’।

গ্রীন ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা মো. আলমগীর কবির বলেন, ‘আজকে আমাদের আত্নরক্ষার কৌশল কেন জানতে হচ্ছে? আমরা যে সমাজে রয়েছি তা বিবেচনা করলে গ্রীন ভয়েসের প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য আমরা বুঝতে পারবো।’

সেশনে মনোবিজ্ঞানী ফারজানা ফাতেমা (রুমী) শুরুতেই সকলের নাম এবং নিজের সম্পর্কে একটি ইতিবাচক শব্দ দিয়ে সকলের পরিচয় জানতে চান। তিনি বলেন, ‘আত্মবিশ্বাসী হতে নিজেকে ভালোবাসতে হবে। নিজের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে। তবে নিজেকে ভালোবাসা মানে স্বার্থপরতা নয়। ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য নেতিবাচক বিষয়গুলো এড়িয়ে গিয়ে নিজের চারপাশে একটি সুরক্ষা বলয় তৈরি করতে হবে যেখানে আমরা নিজের ভালো-মন্দ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করে নিজেকে শুধরে নেবো।’

ইয়াংকে এনেছে ভ্রমণের পোশাক

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
হালকা শীত, ছুটির আমেজ, নতুন বছরে নতুন লক্ষ্যে নামার আগে বেড়াতে তো যেতেই হবে। মন তো তৈরি, অনুষঙ্গ তৈরি তো?

ঘুরতে যাওয়ার আগে অনেকেই বুঝে উঠতে পারে না কোন পোশাক পরবে আর কোনটা নয়! সারাদিন ঘুরে বেড়ানো, এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার জন্য বেশি ভারী নয়, আরামদায়ক আবার আবহাওয়া উপযোগী পোশাকতো চাই-ই। তবে ফ্যাশনেবলও হতে হবে পোশাকটি। তাই ইয়াংকে আয়োজনে এনেছে হালকা শীতে পড়ার মতো মেয়েদের জন্য ট্রেন্ডি টপস্, টিউনিক, কুর্তি, কাফতান, পঞ্চ, হালকা হুডি জ্যাকেট এবং ছেলেদের জন্য ডেনিম শার্ট, ফুল স্লিভের স্মার্ট ক্যাজুয়াল শার্ট, হালকা হুডি জ্যাকেট, পলো, টি-শার্ট, শার্ট । ট্রেন্ডি, আধুনিক এবং আরামদায়ক পোশাকের কালেকশন মানিয়ে যাবে নানা পরিবেশে।

শুধু তাই নয় বেড়াতে যাওয়ার জন্য চাই ব্যাগ অথবা ব্যাকপ্যাক, যা পোশাকের সঙ্গেও হওয়া চাই মানানসই। এ ছাড়া স্টাইলিশ স্কার্ফ,মাফলার হওয়া উচিত এই সময়ের সঙ্গি। আর এই সবকিছুই পাওয়া যাবে ইয়াংকের কালেকশনে।

কে ক্র্যাফটে বছর শেষের মেগা সেল

সাতকাহন২৪.কম

বছর শেষে পছন্দের ব্র্যান্ড কে ক্র্যাফট দিচ্ছে ৫০ শতাংশ র্পযন্ত মূল্যছাড়। প্রতিটি আউটলেটেই রয়েছে ঋতু উপযোগী দারুণ সব পোশাকের বিশাল সংগ্রহ। রুচিশীল, ঘরোয়া ও উৎসবভিত্তিক বৈচিত্রময় আয়োজন থেকে বেছে নিতে পারেন পছন্দের পোশাক এবং উপভোগ করতে পারেন বিশেষ ছাড়।

মেয়েদের পোশাকের বিশাল সংগ্রহে থাকছে- সালোয়ার কামিজ, শাড়ি, টপস, টিউনিক, কটি, শার্ট, টপস- স্কার্ট, টি-শার্ট ও অন্যান্য অনুসঙ্গ। ছেলেদের জন্য ক্যাজুয়াল শার্ট, পলো, টি-শার্ট, ডেনিম জিন্স, কটি ছাড়াও রয়েছে রেগুলার ও ফিটেড পাঞ্জাবী। কিডস কর্নারে থাকছে ছোটদের জন্য সকল ধরনের পোশাক। এ ছাড়া ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্য শাল ও অন্যান্য শীত উপযোগী পোশাকতো থাকছেই। পোশাক ছাড়াও থাকছে স্কুল-কলেজ, অফিস ও নানা প্রয়োজনে ব্যবহার উপযোগী ব্যাগ ও ব্যাকপ্যাক।

কে ক্র্যাফট এর সকল শো-রুম থেকেই বিশেষ ছাড়ে কেনাকাটার সুবিধা পাবেন। ঘরে বসে মূল্য ছাড়ে পোশাকসহ যে কোন পণ্য অর্ডার করতে পারেন অনলাইন স্টোর kaykraft.com থেকে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।

উজ্জ্বলার কারণে স্বাবলম্বী হয়েছি

সাতকাহন২৪.কম

২০১৪ সালে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেন রাজিয়া হোসেন। ২০১৫ সালে মা হন। সন্তানটি প্রি মেচিউর হয়েছিলো। তখন সন্তানকে সুস্থ রাখতে তার পেছনে অনেক সময় দেওয়া লাগতো। সংসার-সন্তান সামলাতে গিয়ে চাকরি করা হয়ে উঠেনি। একটা সময় খুব হতাশায় পড়েন তিনি। সবাই বলতো, ‘লেখাপড়া শিখে কী হলো?’ ভীষণ মানসিক চাপে পড়ে গিয়েছিলেন তখন। সে সময় স্বামী তাকে সহযোগিতা করেন। ঘরে বসে করতে পারবে এমন কোনো কাজ শিখতে বলেন।

এরপর উজ্জ্বলা থেকে কোর্স করে নিজেই একটি স্যালন খুলেন রাজিয়া। আয় ভালোই হয়। এখন ঘর-সন্তান সামলে নিজের কাজটাও করতে পারেন। জানান, এখন আমি স্বাবলম্বী হতে পেরেছি। খুব অশান্তি লাগতো আগে। উজ্জ্বলায় কোর্স করে কাজ শুরু করার পর সেটা কমে গেছে। অন্যান্য জায়গার তুলনায় উজ্জ্বলার কোর্সগুলো স্বল্প টাকায় হয়। যেটা খুব সুবিধাজনক। এই জন্যই উজ্জ্বলায় ভর্তি হয়েছিলাম। ‘

উজ্জ্বলা আমাকে শক্ত হতে শিখিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ কোর্স করার সময়ও অনেকে বাজে কথা বলতো। কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে কেন বিউটিফিকেশনের কাজ করছি এসব নিয়ে কথা হতো। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্তে অটল ছিলাম। আর আজ আমি ভালো আছি। উজ্জ্বলা খুব যত্নশীল। প্রত্যেকটা ক্লাস ভালো লেগেছে। গ্রুমিং ক্লাসটা খুব ভালো ছিলো। মেন্টাল হেলথের ক্লাস করানো হয় এখানে। কেবল বিউটি আর্টিস্ট হওয়া নয় একজন ব্যক্তি হিসেবে কীভাবে কঠিন পরিস্থিতি পার করবে সেটাও শিখেছি উজ্জ্বলার মাধ্যমে। আমার ভেতরে অনেক জড়তা ছিলো। আজ সেই জড়তা উজ্জ্বলার জন্য কেটে গেছে। ‘

উজ্জ্বলা থেকে ‘সেরা উজ্জ্বলা’ হিসেবে সম্মাননা পান রাজিয়া। জানান, উজ্জ্বলা আমার আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। আমার প্রথম ক্লাস ছিলো ফান্ডামেন্টাল মেকআপের। সেই ক্লাসটি নিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন আপা। তার ক্লাস করতে গিয়ে অনেক ভালো লেগেছে। তাঁর কথায় মনে শক্তি পেতাম। মনে হতো, তার কথা কেবল শুনি।’

ভবিষ্যতে উজ্জ্বলার সঙ্গে থাকতে চাই। সুযোগ পেলে সেখানে কাজ করতে চাই। আর নিজের স্যালনকে আরো বড় করার ইচ্ছা রয়েছে জানান তিনি।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৪২তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

‘উদ্যোক্তা হতে সহযোগিতা করে উজ্জ্বলা’

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

খুব রক্ষণশীল একটি পরিবারে বড় হন সাভারের মেয়ে জেসমিন আক্তার। মেয়েরা বড় হয়ে গেলে বিয়ে হবে, সংসার করবে-এর বাইরে তাঁরা ভাবতে পারতেন না। ২০০৭ সালে বিয়ে হয়ে যায় জেসমিনের। স্বামী-সংসার এই ছিলো তাঁর গণ্ডি।

২০১০ সালে বাবা মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর এমন কিছু দুর্ঘটনা ঘটে, যখন মনে হয় অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে তাকে। কিছু করতে হবে। এরপর অনেক পেশাতেই যান। তবে সন্তুষ্টি পাননি। তখন মনে হয়েছে মেকআপ আর্টিস্ট হওয়া যায়। এরপর উজ্জ্বলায় আসেন। এখান থেকে মেকআপের কোর্স শেষ করে বর্তমানে নিজেই একটি স্যালন দিয়েছেন। নিজের আত্মপরিচয় তৈরি করেছেন, হয়েছেন উদ্যোক্তা। তাকে স্বাবলম্বী করতে এবং অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে উজ্জ্বলা কতটা ভূমিকা রেখেছে সে গল্প জানাবো আপনাদের।

প্রথম দিনই উজ্জ্বলার পরিবেশ ভালো লেগেছিলো

যখন সিদ্ধান্ত নিলাম মেকআপ আর্টিস্ট হবো, তখন বিভিন্ন জায়গায় কোর্স করার জন্য খোঁজ নিতে যাই। কিন্তু কোথাও ভালো লাগেনি। এরপর উজ্জ্বলায় আসি। প্রথম দিনই উজ্জ্বলার পরিবেশ ভালো লাগে। সবার সঙ্গে কথা বলে খুব আন্তরিক মনে হয়। প্রথম দিনই ভর্তি হয়ে যাই। এরপর এখান থেকে মেকআপের ওপর সম্পূর্ণ কোর্স করি।

উজ্জ্বলা কাজটা সঠিকভাবে শেখায়

উজ্জ্বলা কেবল কাজ দেখিয়ে ছেড়ে দেয় না। তারা কাজটাকে সঠিকভাবে শেখায়। উজ্জ্বলা চায় তাদের শিক্ষার্থীরা যেন প্রকৃত অর্থেই শিখতে পারে এবং বাইরে গিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। এ জন্য তারা থিওরি, প্র্যাকটিক্যাল শেখায় তো বটেই পরীক্ষাও নেয়। এখান থেকে কারিগরি বোর্ডের আওতায় পরীক্ষা হয়। সেই পরীক্ষায় আমি এ প্লাস পেয়েছিলাম।

উজ্জ্বলা আমাকে স্বনির্ভর হতে সাহায্য করেছে

উজ্জ্বলা থেকে আমি ‘সেরা উজ্জ্বলা’ হওয়ার সম্মাননা পাই। এটি আমার আত্মবিশ্বাসকে অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছিলো। আমি একদম ফ্রেশার ছিলাম। মেকআপের কিছুই জানতাম না। আমিও এখান থেকে শিখে ভালো রেজাল্ট করেছি। তাহলে যারা কিছুটা শিখেছে তাদের জন্য কোর্সগুলো কত উপকারী! উজ্জ্বলায় যাওয়ার পর মনে হয়েছিলো পৃথিবী কত এগিয়ে গেছে। মেয়েরা কত এগিয়ে গেছে। আমি পিছিয়ে আছি। কিন্তু উজ্জ্বলা আমাকে শক্তি দিয়েছে এগিয়ে যেতে, স্বনির্ভর হতে সাহায্য করেছে।

উদ্যোক্তা হতে সহযোগিতা করে উজ্জ্বলা

উজ্জ্বলা একজন মেয়েকে উদ্যোক্তা হতে সহযোগিতা করে। ব্যবসাকে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় সেই পরামর্শ দেয়। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাংক লোনেরও ব্যবস্থা করে তারা। উজ্জ্বলা এমন একটি প্লাটফর্ম যেটি প্রত্যেক বিউটিশিয়ানের জন্য সবসময় খোলা থাকে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পাশে সবসময় থাকে। এখনো কোনো সমস্যায় তাদের পরামর্শ নিতে পারি আমরা। ভবিষ্যতে নিজেকে আরো দক্ষ বিউটি আর্টিস্ট করতে চাই এবং উজ্জ্বলার দেখানো পথেই হাঁটতে চাই।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৪১তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

উজ্জ্বলার জন্যই বিউটি আর্টিস্ট হয়েছি

সাতকাহন২৪.কম

ছেলে হয়ে মেকআপ আর্টিস্ট হবেন- এ ভাবনাটি এলেই ভয় পেয়ে কুঁকড়ে যেতেন তিনি। এলাকার লোকে কী বলবে, সমাজ কী বলবে-এসব ভাবনা তাকে তাড়িয়ে বেড়াতো। কিন্তু কাউকে মেকআপ করাতে যে খুব ভালো লাগতো তাঁর! মেকআপের তুলিতে, নতুন রঙের ছোঁয়ায় মানুষের চেহারায় যখন অন্যরকম মাধুর্য আসতো সেই বৈচিত্র্য তাকে আপ্লুত করতো। টিফিনের টাকা জমিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে মেকআপের সামগ্রী কিনতেন। আর ছোট বাচ্চাদের সাজাতেন।

একটা সময় মনে হলো এভাবে আর চলে না। নিজের ইচ্ছাটাকে লুকিয়ে রেখে কয়দিন বাঁচা যায়? পা বাড়ালেন বিউটি আর্টিস্ট হওয়ার পথে। আর উজ্জ্বলা সেই পথ সুগম করলো। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জে নিজেই একটি পার্লার খুলেছেন। মাসে আয় করছেন প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। যেই পেশাকে এতো ভয় পেতেন সেটাই আজ তাকে স্বাবলম্বী ও সফল করেছে। যার কথা বলছি তিনি অর্নব নয়ন। উজ্জ্বলা থেকে পুরুষ বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে ‘অদম্য উজ্জ্বলা’ হওয়ার সম্মাননাও পেয়েছেন তিনি। তাঁর পথ চলায় উজ্জ্বলা কীভাবে সহযোগী হয়েছিলো সেই গল্পই শুনবো।

উজ্জ্বলা শক্তি দিয়েছে

আমার বাবা একদমই চাইতেন না আমি বিউটি আর্টিস্ট হই বা মেকআপ নিয়ে কাজ করি। কিন্তু আমি মেকআপের ভিডিও প্রচুর দেখতাম। কাজটি ভীষণ ভালো লাগতো। বাংলাদেশের স্বনামধন্য বিউটি আর্টিস্টদের ভিডিও দেখতাম। তাদের দেখতে দেখতে মনে হতো, আমিও যদি তাঁদের মতো হতে পারতাম!

একদিন ফেসবুকে দেখি রেড বিউটি স্যালনে উজ্জ্বলার প্রশিক্ষণের কাজ হচ্ছে। তাদের কাছে প্রশিক্ষণ নেওয়ার খুব ইচ্ছে হচ্ছিলো। কিন্তু তখনও ভয় পাচ্ছিলাম উজ্জ্বলায় ফোন দিবো কি না- এই ভেবে। এরপর সাহস করে ফোন দিই। তবে কথা বলি মেয়ে সেজে। বলি, ‘আমার একটি ভাই রয়েছে, তাকে প্রশিক্ষণ দেবে কি না উজ্জ্বলা। তাকে আমি মেকআপ শেখাতে চাই।’ উজ্জ্বলা এক কথায় রাজি হয়ে যায়। এটা যে আমার কাছে কত বড় একটি বিষয় ছিলো! এরপর উজ্জ্বলায় যাই। এটা ২০১৭ সালের কথা। তখন আমার হাতে টাকা সীমিত। অল্প অল্প করে কোর্স করা শুরু করি। উজ্জ্বলা শক্তি দিয়েছিলো বলেই আজ বিউটি আর্টিস্ট হতে পেরেছি।

উজ্জ্বলা আমাকে মানুষ হিসেবে বাঁচতে শিখিয়েছে

উজ্জ্বলায় যখন পাড়া দিই জীবনটাই বদলে যায়। উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশের স্বনামধন্য বিউটি আর্টিস্ট আফরোজা পারভীন আপা বলেছিলেন, ‘তুমি ছেলে বা মেয়ে হও তোমার কাজ তোমাকে অনেক দূরে নিয়ে যাবে।’ ম্যামের অনুপ্রেরণায় এতো দূর এগিয়ে এসেছি। আমাদের মতো মানুষকে উজ্জ্বলা কতটা যে সহযোগিতা করে তা বলার মতো নয়। উজ্জ্বলায় যাওয়ার পর একবারও বলা হয়নি ছেলেদের ক্লাস করাতে চায় না। আমি একটা মানুষ। সেই হিসেবেই আমাকে পরিচিত করেছে।

উজ্জ্বলার সঙ্গে থাকতে চাই

বর্তমানে আমি যতটুকু দাঁড়িয়েছি, স্বাবলম্বী হতে পেরেছি তা উজ্জ্বলার জন্য। উজ্জ্বলায় মেকআপ শেখানোর কৌশল, ব্যবসা দাঁড় করানোর কৌশল দিয়েই আজ এত দূর আসা। শিক্ষকরা ঠিক যেভাবে শিখিয়েছেন সেভাবেই কাজ করি। এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি। উজ্জ্বলা আমাদের অনেক দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সবসময় থাকতে চাই। উজ্জ্বলার সুনাম ধরে রাখতে চাই নিজের কাজের মাধ্যমে।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৪০তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ডায়াবেটিস হলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে কেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রক্তে সুগারের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে গেলে একে ডায়াবেটিস বলে। আর স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কের জটিল রোগ। এটি হলে মস্তিষ্কের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ডায়াবেটিসের সঙ্গে স্ট্রোকের সম্পর্ক রয়েছে। আসলে ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ, যা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে কেন? এ বিষয়ে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের রেসিডেন্ট ইন কার্ডিওলজি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. সঞ্জয় শীল জানান, ডায়াবেটিস অনেক দিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ডের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রক্তনালি সরু হয়ে রক্ত চলাচল কমে যায়। তখনই হার্ট অ্যাটাক, ব্রেইন স্ট্রোকের মতো ঘটনা ঘটে।

এটি নিয়ন্ত্রণের উপায় সম্পর্কে ডা. সঞ্জয় শীল বলেন, ‘ডায়াবেটিস হলে অবশ্যই রক্তের শর্করা বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণের উপায়ের অন্যতম হলো খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা। ডাক্তার নির্দেশিত ডায়েট চার্ট মেনে চলতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট জোরে হাঁটা জরুরি এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ বা ইনসুলিন নেবেন।’

এ ছাড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাদা কিংবা প্রক্রিয়াজাত চালের ভাত, প্রক্রিয়াজাত আটা, চিনি, আলু, কলা, পাকা পেঁপে, গাজর ইত্যাদি খাবার পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে। সময়মতো এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নেওয়াও জরুরি।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের উপায় প্রসঙ্গে ডা. সঞ্জয় শীল আরও বলেন, ‘অনুমোদিত গ্লুকোমিটারের সাহায্যে বাসায় সকালে খালি পেটে এবং খাবারের দুই ঘণ্টা পর ব্লাড সুগার মাপতে হবে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে না থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন।’

পাশাপাশি নিয়মিত নির্দিষ্ট সময় পরপর চোখ, কিডনি, হার্টের পরীক্ষা করতে হবে। যেন কোনো সমস্যা হলে আগেই বোঝা যায়। কারণ, এসব অঙ্গ ডায়াবেটিস রোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির স্লোগান 3D (Diet, Discipline, Drug)— এই তিনিটি জিনিস মেনে চললে ডায়াবেটিস রোগীর পক্ষে প্রায় সারাজীবন স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব বলে জানান এই চিকিৎসক।

 

শীত আসছে, উলের পোশাকের যত্ন নেবেন যেভাবে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

উত্তরের বাতাস বইছে। শীত আসছে। শীতে কাবু না হতে চাইলে আগে থেকেই সোয়েটার, উলের পোশাকগুলো বের করে রাখা জরুরি। তবে দীর্ঘদিন আলমারি বা বাক্সবন্দি হওয়ার কারণে এসব পোশাক পরার আগে বাড়তি যত্ন নিতে হয়। উলের পোশাকের যত্নআত্তির বিষয়ে কিছু পরামর্শ জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট স্টাইল কাস্টার।

# শীত জাঁকিয়ে পড়ার আগে আলমারি থেকে পোশাক বের করে ফেলুন। তবে বের করেই পরতে যাবেন না। অন্তত দুই থেকে তিন দিন রোদে শুকান। না হলে স্যাঁত স্যাঁতেভাব থেকে যাবে। আবার পোশাকে থাকা মাইট থেকে অ্যালার্জির সমস্যা হওয়ারও আশঙ্কা থাকবে।

# পোশাকে কোনো দাগ থাকলে টিস্যু পেপার দিয়ে পরিষ্কার করে নিন।

# রোদে দেওয়ার দুই থেকে তিন দিন পর পোশাকগুলো ধুবেন। তবে ধোয়ার ক্ষেত্রে খুব ক্ষার জাতীয় সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না। কম ক্ষারযুক্ত ডিটারজেন্ট বা শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এতে উলের পোশাক ভালো থাকবে।

# এ ধরনের পোশাক দড়িতে টাঙিয়ে শুকানো ভালো। এতে শেপ ঠিকঠাক থাকে। হ্যাঙ্গারে টাঙিয়েও শুকাতে পারেন।

# উলের পোশাক ধোয়ার সময় অবশ্যই উল্টো করে ধোবেন। শুকানোর ক্ষেত্রেও বিষয়টি এমন। তাহলে রং দ্রুত নষ্ট হবে না।

# উলের কাপড়ে লোম বা সুতা বেশি থাকলে ব্রাশ দিয়ে ঝেড়ে পরিষ্কার করে নিন।

# এ ধরনের পোশাক কখনো ড্রাই ক্লিন করতে যাবেন না। এতে পোশাক দ্রুতই নষ্ট হয়ে যায়।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.