Monday, September 28, 2026
spot_img
Home Blog Page 107

কখনো ভেঙে পড়লে ‘উজ্জ্বলা’র কথা মনে করি

সাতকাহন২৪কম ডেস্ক

ছোটবেলা যাকে পেতেন, তাকেই ধরে সাজাতে শুরু করতেন মাহমুদা জাবেদ ছায়া। সাজটা এতোই পছন্দের বিষয় ছিলো তাঁর। তবে কখনো ভাবেননি একে পেশা হিসেবে নেবেন। সন্তান যখন বিদেশে লেখাপড়ার জন্য চলে যায়, তখন খুব একা লাগতে শুরু করে। এরপর স্বামীর পরামর্শে নিজের ছোটবেলার পছন্দের কাজটি পেশা হিসেবে বেছে নেন।

দেশের বাইরে মেকআপের কোর্স শিখতে যান তিনি। তবে শিখে আসার পরও মনে হয়েছে বাংলাদেশের সাজের সঙ্গে সেটা যাচ্ছে না। এ জন্য আবার উজ্জ্বলায় মেকআপ কোর্স করা শুরু করেন। বর্তমানে দুটো স্যালন রয়েছে তাঁর। উজ্জ্বলার অ্যাসিসটেন্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে কাজ করছেন। মাসে আয় করছেন প্রায় এক থেকে দেড় লাখ টাকা। আজ তিনি হয়েছেন সফল একজন উদ্যোক্তা। জানান, উজ্জ্বলায় আমি প্রথম ব্যাচের ছাত্রী ছিলাম। আমার মনে হয়েছে মেকআপ শেখার যে কমতি রয়েছে সেটা উজ্জ্বলা থেকে সম্পূর্ণ শিখতে পারবো। এ জন্যই উজ্জ্বলায় ভর্তি হওয়া।

মাহমুদা জাবেদ ছায়া
মাহমুদা জাবেদ ছায়া

কোন ত্বকে কোন মেকআপ মানাবে, কোন বয়সে কোন মেকআপ ব্যবহার করতে হবে- সব খুঁটিনাঁটি খুব ভালোভাবে উজ্জ্বলার কাছ থেকে শিখেছি। আমার একটা পার্লার রয়েছে ঢাকার ইসলামপুরে, আরেকটি দোহার নবাব গঞ্জে। দুটো জায়গা থেকেই বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি- আনন্দের সঙ্গে বলছিলেন তিনি।

যদি কখনো ভেঙে পড়ি, উজ্জ্বলার কথা মনে করি। উজ্জ্বলার সহ প্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীন আপার প্রতিটি কথা আমাকে প্রেরণা জোগায়। তখন মনে হয় আমি একজন উজ্জ্বলা। আমি কেন হার মানার দলে থাকবো? তখন শক্তি পাই। একটা সময় আমি নিজেকে উপস্থাপন করতে পারতাম না। উজ্জ্বলা আমাকে বড় বড় ফ্যাশন শো-তে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। অন্যদের কাছে নিজের কাজ উস্থাপন করতে পেরেছি। আমাদের শুধু কাজ জানলেই হবে না। নিজেকেও সবার সামনে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে- এমনটাই মতামত তাঁর।

উজ্জ্বলা আন্তর্জাতিক মানের কাজ শেখায় জানিয়ে মাহমুদা জাবেদ ছায়া বলেন, ‘বেসিক, অ্যাডভান্স দুই ধরনের ক্লাসই আলাদা আলাদা হয় এখানে। আমার মনে হয়েছে কোনো সমস্যা নিয়ে উজ্জ্বলায় গেলে সেটা সহজেই সমাধান হয়ে যায়। একজন নারীকে কীভাবে সঠিক পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, সেটা উজ্জ্বলা খুব ভালোভাবে জানে। এখানে আসলে কাজের ক্ষেত্রে সাহস বাড়ে।’

ভবিষ্যতে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আরো প্রতিষ্ঠিত হতে চান তিনি। উজ্জ্বলার সঙ্গে থেকে এভাবেই প্রশিক্ষণের কাজটি চালিয়ে যাবেন এমনটা আশা তাঁর।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৪৯তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

শীতে শিশুকে সুস্থ রাখতে ৩ জরুরি পরামর্শ

ডা. সজল আশফাক

শীত মানেই বাড়তি কিছু রোগব্যাধির উপদ্রব। শীতে যেহেতু আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে যায় এবং বাতাসে জীবাণু ও ধুলাবালুর পরিমাণ বাড়ে, তাই এই সময়টায় শিশুদের জন্য কিছু বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি। শীতে শিশুকে সুস্থ রাখতে জরুরি পরামর্শ –

ত্বকের যত্ন

শীতে শরীরের যে অঙ্গটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেটি ত্বক। শীতে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে যায়। এ কারণে ত্বকের জলীয় অংশ চলে যায় বাতাসে। তাই ত্বকে শুষ্কতার সমস্যা হয়।

ত্বক ভালো রাখতে এ সময় ময়েশ্চারাইজার বা আর্দ্রতাকর উপাদান ব্যবহার করা জরুরি। এই ধরনের ময়েশ্চারাইজারের ভেতর রয়েছে সাধারণ তেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন কসমেটিক্স। কসমেটিক্সের দোকানে বিভিন্ন নামে ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যায়। তবে গ্লিসারিনই হচ্ছে কম দামে ভালো ময়েশ্চারাইজার। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে গোসলের পর শরীর মুছে ত্বকে ভেজাভাব থাকতেই মেখে দিতে হবে।

শুষ্কতার কারণে অনেক সময় ত্বক ফেটে যায়। বিশেষ করে পায়ের গোড়ালি ও ঠোঁট। এমন হলে ইমোলিয়েন্ট ব্যবহার করতে হবে। কসমেটিক্সের দোকানে বিভিন্ন ইমিলিয়েন্ট পাওয়া যায়। শিশুদের ত্বকের জন্য এটি উপকারী। তবে সাধারণের জন্য সবচেয়ে ভালো ইমিলিয়েন্ট হলো ভ্যাসলিন। ‌ভ্যাসলিন যেকোনো অবস্থাতেই মাখা যায়। তবে ভেজা অবস্থায় মাখলে উপকার বেশি।

সর্দি-কাশি থেকে রেহাই পেতে

শীতে সর্দি কাশির সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এটি সাধারণত ঠান্ডা ও ধুলবালির কারণে হয়। এ জন্য শিশুকে ঠান্ডা ও ধুলাবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। প্রয়োজনে অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ মতো খাওয়ানো যেতে পারে।

শীতে হাঁপানির সমস্যা বাড়তে পারে। এ জন্য সালবিউটামল ইনহেলার বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে।

শীতের পোশাকের যত্ন

শীতে ব্যবহৃত গরম কাপড় বেশিরভাগ সময় আলমারিতে তুলে রাখা হয়। নতুন করে শীতের পোশাক শিশুকে পড়ানোর আগে অবশ্যই রোদে দিতে হবে। কারণ, এসব কাপড়ের ভেতর বিভিন্ন জীবাণু থাকতে পারে। এতে সহজেই শিশু সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়ে পড়বে।

লেখক : ইনএনটি বিশেষজ্ঞ

শীতে কি বেশি ঘুম পাচ্ছে? কেন?

সাতকাহন২৪.কম

শীত পড়তে শুরু করেছে। এ সময়টায় বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় কি একটু বেশি ঘুম পাচ্ছে আপনার? নিজের আলসেমির জন্য নিজেকেই গালি দিচ্ছেন না তো? আসলে আপনি একা নন, এই সময়টায় অনেকেই এই সমস্যায় ভোগে। শীতকালে বেশি ঘুম পাওয়ার কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে।

আসলে ঋতুভেদে শরীর ও মনে পরিবর্তন হয়। তবে অনেকের ক্ষেত্রে শীতের সময় এটি বেড়ে যায়। শীতে দিন দ্রুত ছোট হয়ে পড়ে। সূর্যের আলো কমে যায়। অন্ধকার ছেয়ে আসে। সূর্যের আলোর ঘাটতির কারণে আমাদের মস্তিষ্ক মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ বাড়ায়। এই হরমোন ঘুমের জন্য দায়ী।

এ ছাড়া বিশেষজ্ঞরা জানান, সূর্যের আলোতে ভিটামিন ডি থাকে। ভিটামিন-ডি’র ঘাটতির জন্যও অনেক সময় ক্লান্ত লাগে, ঘুম বেশি পায়। শীতে যেহেতু সূর্যের আলো কম সময়ের জন্য পাওয়া যায়, তাই অনেকের দেহেই ভিটামিন ডি’র ঘাটতি দেখা দেয়।

আবার নিয়মিত ভালো ঘুমের অভাবেও সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব হতে পারে। তাই ঘুমের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা জরুরি এবং সেই অনুযায়ী ঘুমানো জরুরি- এমনটাই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

সূত্র : হেনরি ফোর্ড হেলথ

শীতে সুস্থ রাখবে ৭ খাবার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

শীতে শুষ্ক আবহাওয়া, তাপমাত্রা কমে যাওয়া এবং ধুলাবালির উপদ্রব ইত্যাদির কারণে কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যা হয়। এ সময় ঠান্ডা, কাশি, ফ্লু, জ্বর ইত্যাদি সমস্যা সহজেই দেহে বাসা বাঁধে। এগুলো প্রতিরোধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই।

শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ৭ জরুরি খাবারের নাম জানিয়েছে পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি।

১. বাদাম
বাদাম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শীতে বাদামের মধ্যে সবচেয়ে ভালো পছন্দ হতে পারে ওয়ালনাট। ওয়ালনাটে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। এই উপাদানটি ফুসফুস ভালো রাখতে সাহায্য করে।

২. জলপাই
শীতে জলপাই পওয়া যায়। এটি খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। জলপাইয়ে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই। এগুলো সব অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ ছাড়া এতে কপার রয়েছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চাইলে প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় এটি রাখুন।

৩. রসুন
শীতে খাদ্যতালিকায় রসুন রাখতে পারেন। রসুনে থাকে সেলেনিয়াম। এটি ক্ষতিকর জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে দেহকে সুস্থ রাখতে উপকারী। রসুন রান্না করে খেতে পারেন বা খালিও খেতে পারেন। মুড়ির সঙ্গে ছোট কুচি করে রসুন খাওয়া যেতে পারে।

৪. গ্রিন টি/ আদা চা
গ্রিন টি-তে কেটিচিন রয়েছে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া আদার চা পান করতে পারেন। আদায় থাকে প্রদাহরোধী উপাদান। এটি ঠান্ডা-কাশি, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে কার্যকর।

৫. ফল বা ফলের রস
শীতে অবশ্যই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় ফল খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে কমলা হতে পারে অন্যতম সমাধান। কমলায় থাকে ভিটামিন সি। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। এ ছাড়া খোসাসহ আপেল খেতে পারেন। এতে ফুসুফুস ভালো থাকবে।

৬. টমেটো
শীতে খাদ্যতালিকায় টমেটো রাখুন। এটি লাইকোপেন সমৃদ্ধ খাবার। টমেটো কাঁচা না খেয়ে একটু রান্না করে খেলে লাইকোপেন যথাযথ কাজ করবে।

৭. ফুলকপি
ফুলকপিতে রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি। যারা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চায়, তাদের জন্য ফুলকপি খুব চমৎকার একটি সবজি। এ ছাড়া এতে থাকা আঁশ শীতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় প্রতিরোধেও কার্যকর।

শীতে কাশি ও শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে কী করবেন?

ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ
শীতে প্রধানত বাড়ে শ্বাসতন্ত্রের রোগ। শীতের বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়। এতে আমাদের শ্বাসনালীর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়; ভাইরাসের আক্রমণ সহজ হয়। শুষ্ক আবহাওয়া বাতাসে ভাইরাস ছড়ানোতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ধুলাবালি বাড়ে। ঠান্ডা, শুষ্ক বাতাস হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালিকে সরু করে দেয়। এতে শ্বাসকষ্ট হয়। শীতের প্রকোপ শুধু ফুসুফুসে নয়, সাইনাস, কান ও টনসিলের প্রদাহ বাড়ায়।

শীতে ঠান্ডা, কাশি ও শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে

# ঠান্ডা খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলুন।
# কুসুম কুসুম গরম পানি পান করা ভালো। হালকা গরম পানি দিয়ে করতে হবে।
# প্রয়োজন মতো গরম কাপড় পরা। তীব্র শীতের সময় কান-ঢাকা টুপি পরা এবং গলায় মাফলার ব্যবহার করা।
# ধুলাবালি এড়িয়ে চলা।
# ধূমপান পরিহার করা।
# ঘরের দরজা-জানালা সবসময় বন্ধ না রেখে মুক্ত ও নির্মল বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা।
# শ্বাসকষ্টের রোগীরা শীতের শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রতিরোধমূলক ইনহেলার বা অন্যান্য ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন।
# তাজা ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। এগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
# হাত ধোয়ার অভ্যাস করি। বিশেষ করে চোখ বা নাক মোছার পর হাত ধুতে হবে।

লেখক : মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

ডায়াবেটিসে রোগীর পায়ের যত্ন কেন জরুরি?

ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দেয়। পায়ের ক্ষত তেমনি একটি মারাত্মক জটিলতা। পায়ের ক্ষতের জন্য অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তির পা কেটে জীবন রক্ষা করতে হয়। তবে একটু সচেতন হলে এ জটিলতা থেকে রেহাই মেলে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর পায়ে ক্ষতের কারণ

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের স্নায়ু বৈকল্য দেখা দেয়। মানে তাদের স্নায়ুর সক্ষমতা কমে যায়। এতে তারা পায়ে আঘাত পেলেও ভালো করে বুঝতে পারে না। আমরা একটু আঘাত পেলেই যেমন বুঝতে পারি, তাদের পক্ষে সেটি সাধারণত সম্ভব হয় না। এতে তারা পায়ে কোনো কারণে আঘাত পেলে তা ক্ষত না হওয়া পর্যন্ত বোঝার ক্ষমতা হারায়। আর ক্ষত নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলেই বিপদ।

আবার ডায়াবেটিসে আত্রান্ত রোগীর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কমে যায়। তাই একবার ঘা হলে তা শুকাতে চায় না। পায়ের ক্ষত দূর করতে হলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার বিকল্প নেই। তাই কোনো ক্ষত হওয়ার আগেই সাবধান হতে হবে।

পায়ের যত্নে করণীয়

# নিয়মিত পা পরীক্ষা করুন, কোনো ক্ষত দেখতে পান কি না। # প্রতিদিন শোয়ার আগে পা ভালো করে পরিষ্কার করে ময়েশ্চার ক্রিম লাগান।
# নখ কাটার সময় খুব সাবধানে কাটুন যেন ত্বক কেটে না যায়।
# খালি পায়ে কখনোই হাঁটবেন না। জুতা যেন আঁটসাঁট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।
# জুতা পরার আগে দেখে নিন জুতার মধ্যে কোনো কিছু রয়েছে কি না।
# মোজা পরলে প্রতিদিন পরিবর্তন করুন।
# একটু কেটে গেলেও অবহেলা করবেন না। চিকিৎসককে দেখিয়ে ড্রেসিং করে নিন।
# শরীরে কোনো ফোষ্কা উঠলে তা ফাটাবেন না।
# খুব বেশি বা খুব কম তাপমাত্রা পরিহার করুন।
# ধূমপান একেবারেই বাদ দিন।
# কোনো ক্ষত দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করুন।

লেখক
রেজিস্ট্রার, ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স

শীতে ভিন্ন স্বাদের লাউ-চিংড়ি রেসিপি

কবিতা বিশ্বাস

লাউয়ের মধ্যে ৯৬ শতাংশ পানি রয়েছে। শীতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পানের অভাবে অনেকেই পানি শূন্যতায় ভোগেন। শীতে খাদ্যতালিকায় লাউ রাখতে পারেন। চিংড়ি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ১২, প্রোটিন ইত্যাদির চমৎকার উৎস। ওমেগা-তি ফ্যাটি এসিড হৃদপিণ্ড ভালো রাখে, ভিটামিন বি-১২ অবসাদ ও রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং প্রোটিন পেশি গঠনে সহায়তা করে। এসব উপাদান একসঙ্গে থাকছে লাউ-চিংড়িতে।

উপকরণ
# মাঝারি আকারের কচি লাউ একটি (পছন্দমতো কেনে নিন)
# চিংড়ি মাছ ১৫০/২০০
# পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ
# আদা বাটা ১ চা চামচ
# রসুন বাটা আধা চা চামচ
# হলুদ ও মরিচ গুঁড়া (সামান্য)
# ভাজা জিরার গুঁড়া ১ চা চামচ
# ২/৩ টি কাঁচা মরিচ
# ধনেপাতা কুচি (অল্প পরিমাণ)

ফোঁড়নের জন্য

#তেচপাতা ১ টি
# শুকনো মরিচ ২ টি
# জিরা, মৌরি ও সরিষা (সামান্য)

যেভাবে তৈরি করবেন
রান্নার কড়াইয়ে দেড় টেবিল চামচ সরিষার তেল ঢালুন। এর সঙ্গে পেঁয়াজ, আদা ও রসুন বাটা দিন। এবার এতে হলুদ, মরিচ গুঁড়া এবং পরিমাণমতো লবণ দিন। চিংড়িগুলো ঢেলে
এক মিনিট ডেকে রাখুন। চিংড়ি কষানো হয়ে এলে লাউ দিয়ে নাড়াচাড়া করে আবার ডেকে দিন। সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত বেশি আঁচে রান্না করুন।

অন্য একটি পাত্রে ১ টেবিল চামচ তেল দিন। গরম হয়ে এলে তাতে ফোঁড়ন দেওয়ার জন্য তেচপাতা, শুকনা মরিচ, জিরা, মৌরি ও সরিষা ভেজে নিন। এবার এতে সিদ্ধ করা লাউ চিংড়ি ঢেলে দিন। এরপর ভজা জিরার গুঁড়া ও স্বাদমতো একটু চিনি মেশান। এবার কাঁচা মরিচ দিয়ে কয়েক মিনিট রান্না হতে দিন। হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে এর ওপর ধনে পাতি কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

শীতে কে ক্র্যাফট-এর স্টাইলিশ পোশাক

সাতকাহন২৪.কম
বাতাসে শীতের হিম হিম পরশ। তবে বেশি ভারী পোশাক পরার মতো শীত এখনো পরেনি। তাই উপযোগী পোশাক হতে হবে এ সময়ে। আবার তরুণদের পছন্দেও এসেছে পরিবর্তন। শীতে উষ্ণতার পাশাপাশি অভিজাত ও স্টাইলিশ লুক থাকা চাই। কে ক্র্যাফট- এর ভিন্নধর্মী চমৎকার সব স্টাইলিশ পোশাক হতে পারে আপনার এ সময়ের সঙ্গী।

মেয়েদের ভিন্ন স্টাইলের ব্লেজার, ওপেন ফ্রন্ট ওভার কোট, জ্যাকেট, রিভারসেবল জ্যাকেট, ফুল লেংথ কটি রয়েছে এখানে। এসব পোশাক জিন্স বা পছন্দের স্টাইলের প্যান্টের সঙ্গে মিলিয়ে পরতে পারেন। এ ছাড়া রয়েছে ছেলেদের জন্য ফুল স্লিভ শার্ট, পলো, সোয়েট শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট, কটি সহ অন্যান্য আরও শীতের পোশাক। এরই সঙ্গে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্যই রয়েছে শীতের উপযোগী ক্যাজুয়াল পোশাক ও এক্সেসরিজ। নিয়মিত আয়োজনে সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, টপস, টিউনিক,কাফতান ও শাড়ি তো থাকছেই। এসব পোশাকের কাট ও ষ্টিচ সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে এবং অরনামেন্টেশন ও প্রেজেন্টেশনেও রয়েছে বৈচিত্র্য।

বিভিন্ন রঙের প্রিন্ট ও উইভিং ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে শাল; যা এই শীতের জন্য বেশ উপযোগী। শুধু শীতের পোশাক বলেই নয়, ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে পছন্দের নানা পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পরতে শালের রয়েছে আলাদা কদর।

কে ক্র্যাফট-এর ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা সহ সকল আউটলেট ছাড়াও অনলাইন শপ থেকে শীতের পোশাক কিনতে পারেন বিশেষ সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা রয়েছে।

উজ্জ্বলা আমার কাছে পরিবারের মতো

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

২০২০ সালে তালাক হয়ে যায় সোভা রায় প্রমার। দুটো সন্তান ছিল। তাদের রেখে দেয় তাঁর স্বামী। এ সময় খুব ভেঙে পড়েন তিনি। অর্থের দরকার ছিল। দরকার ছিল স্বাবলম্বী হওয়ার। একটা ভীষণ টানাপোড়েনের ভেতর দিন পার করছিলেন তখন। নিজের পায়ে দাঁড়াতে কী কাজ করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না।

এ সময় ফেসবুকে অ্যাড দেখে যোগাযোগ করেন উজ্জ্বলার সঙ্গে। আগে থেকেও রূপচর্চার বিষয়ে আগ্রহ ছিল তাঁর। ভাবলেন, বিউটি আর্টস্টকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া যায়। এ ভাবনা থেকেই উজ্জ্বলায় কোর্স করে বর্তমানে একজন ফ্রি ল্যান্সার বিউটি আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন তিনি। মাসে মোটামুটি ভালোই আয় হয়। এখন তিনি হয়েছেন একজন স্বাবলম্বী নারী। দুঃখ-কষ্টের ভেতরেও জীবনকে পার করে নিচ্ছেন আপন গতিতে। বলছিলেন, ‘উজ্জ্বলা আমার জীবনকে বদলে দিয়েছে। আমার জীবনে মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য শতভাগ ভূমিকা উজ্জ্বলার। প্রতিষ্ঠানটি পাশে ছিল বলেই নিজেকে সামলাতে পেরেছি। তারা কেবল মেকআপই শেখায়নি। এখানকার মানসিক স্বাস্থ্য ও গ্রুমিং ক্লাসটি আমার অনেক উপকারে লাগে। ডিভোর্সের পর ভীষণ বিষণ্ণ হয়ে পড়েছিলাম। এ থেকে মুক্তি পেয়েছিলাম উজ্জ্বলায় গিয়ে।’

বিউটি আর্টিস্ট হবো এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বিভিন্ন পার্লারে যোগাযোগ করি শেখার জন্য। তবে কোনোটাই মনের মতো হচ্ছিলো না। এরপর উজ্জ্বলার খোঁজ পাই। আর এখানে ভর্তি হই। উজ্জ্বলাতে শেখার আগে বিউটিফিকেশনের কিছুই জানতাম না আমি। প্রতিষ্ঠানটি আমাকে মেকআপের সব খুঁটিনাঁটি শিখিয়েছে। এখন আমার কাজ দেখে অনেকেই প্রশংসা করে- মিষ্টি হেসে জানান প্রমা।

কোনো মানুষ কাজ শিখতে চাইলে ছোট পার্লারে না শিখে উজ্জ্বলায় এ টু জেড শেখা ভালো মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘উজ্জ্বলা থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল শেখায়। এখানে একজন শিক্ষার্থী মেকআপ ও বিউটি ইন্ডাসট্রিতে দাঁড় হওয়ার জন্য যা দরকার তার এ টু জেড শিখতে পারবে।’

ভবিষ্যতে একটি বড় পার্লার খুলতে চান প্রমা। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান শক্ত নারী হিসেবে যেন উজ্জ্বলার শেখানোর মান ধরে রাখতে পারেন।

বি : দ্র : বাংলাদেশের বিউটি অ্যান্ড গ্রুমিং ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে উজ্জ্বলা লিমিটেড। উজ্জ্বলায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সংগ্রাম করে সাফল্য অর্জন করেছেন, এমন কয়েকজন নারী ও পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সাতকাহনের ধারাবাহিক পর্ব চলছে। এই পর্বটি ছিলো ৪৮তম। উজ্জ্বলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন :

https://www.facebook.com/UjjwalaBD

https://www.instagram.com/UjjwalaBD/

ফোন : ০১৩২৪৭৩৪১৫৭

শীত জেঁকে বসার আগেই প্রস্তুতি নিন অ্যাজমা রোগীরা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
শীতে তাপমাত্রা কমতে থাকে। আর এতে বাতাসের আর্দ্রতাও কমে। আবার এই সময়টায় ধুলাবালির প্রকোপ, বায়ুদূষণ ইত্যাদি বাড়ে। এসব কারণে অ্যাজমা রোগীরা বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় একটু বেশিই ভোগেন। অনেক সময় অ্যাজমা অ্যাটাকের মতো সমস্যা হয়ে রোগীর প্রাণ হুমকির মুখেও পড়ে যায়। তাই শীত সম্পূর্ণ জেঁকে বসার আগেই এ ধরনের রোগীদের সতর্ক থাকা জরুরি।

শীতের প্রস্তুতি হিসেবে অ্যাজমা রোগীদের করণীয় বিষয়ে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ (সাভার)-এর চিকিৎসক ডা. শাকিল মাহমুদ। তাঁর পরামর্শমতে,

# অ্যাজমা রোগীরা বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। মাস্ক বাইরের ধুলাবালি, জীবাণু, ফুলের রেণুর সংক্রমণ ইত্যাদি প্রতিরোধে সাহায্য করে।

# যাদের এ সময়টায় অ্যাজমা বাড়ে, তারা শীত শুরুর আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রিভেনটিভ ইনহেলার ব্যবহার করুন। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের ডোজ ঠিক করে সেবন করুন।

# যারা ব্যায়াম করতে বা হাঁটতে ঘরের বাইরে বের হোন, তারা সকাল ও সন্ধ্যাবেলা এড়িয়ে যান। এ সময়টায় যেহেতু কুয়াশা ও শিশির পড়ে, তাই ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। সম্ভব হলে ঘরে ব্যায়াম করুন।

# উলের পোশাকে যাদের অ্যালার্জির সমস্যা হয়, তারা এ ধরনের পোশাক এড়িয়ে মোটা সুতির কাপড় পরতে পারেন। মাথা, নাক, কান, গলা, পা ভালো করে ঢাকুন। রাতে ঘুমানোর আগে গলায় একটি পাতলা সুতির কাপড় জড়িয়ে ঘুমাতে পারেন। এতে ঠান্ডা কম লাগবে।

# সাধারণত শীতের পোশাকগুলো অনেক দিন ধরে আলমারিতে রাখা হয়। এসব পোশাক আলমারি থেকে বের করেই পরতে যাবেন না। রোদে শুকান এবং ধুয়ে নিন। এরপর পোশাক ব্যবহার করুন। না হলে পোশাকে থাকা মাইট থেকে শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে।

# ঝুল ঝাড়ু দেওয়া, ঘর মোছা, পরিষ্কার করা ইত্যাদি কাজে সতর্কতা অবলম্বন করুন। ঘর পরিষ্কার করতে গেলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন। পাশাপাশি গরম পানি ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

# সম্ভব হলে শীতের শুরুতে ফ্লু ও নিউমোনিয়ার টিকা নিন।

# অনেকে বাড়িতে নেবুলাইজার ব্যবহার করেন। শীত আসার আগেই যন্ত্র ও প্রয়োজনীয় তরল ঠিকঠাক রয়েছে কিনা দেখুন।

# মূলত অ্যাজমা সম্পূর্ণ ভালো হয় না। একে ওষুধ ও জীবনযাপনের ধরন পরিবর্তনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। তাই নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন। ওষুধের ডোজ বাদ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.