সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
সম্পর্কে টক্সিক আচরণ অপর সঙ্গীটিকে মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আবেগে বা মায়ায় পড়ে প্রথম দিকে অনেকেই হয়তো সঙ্গীর এসব আচরণ সহ্য করে নেয়। তবে ধীরে ধীরে সেটা চরম অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিছু লক্ষণ রয়েছে যেগুলো দেখলে বোঝা যায় সম্পর্ক টক্সিক বা বিষাক্ত হয়ে পড়ছে।
গ্যাসলাইটিং
গ্যাসলাইটিং এমন এক ধরনের ম্যানুপুলেটিভ বা অপরকে সূক্ষ্মভাবে ব্যবহার করার পদ্ধতি যেখানে সঙ্গী আপনার স্মৃতি, ধারণা ও বাস্তবতাকে চ্যালেঞ্জ করবে। হয়তো আপনার সঙ্গে এমন কোনো আচরণ করলো, যেটি সে পরবর্তী সময়ে পুরোপুরি অস্বীকার করে গেলো। আরেকটু খোলাসা করে বললে হয়তো, আগের দিন সে এমন একটি কাজ করেছে, যেটি আপনার মনে রয়েছে। তবে সে বলছে ‘এটি করেনি।’ এই ধরনের মিথ্যা বলা একধরনের কৌশল অন্যকে অস্থিতিশীল করার জন্য।
উপহাস করা
বাজে মন্তব্য, অযথা সমালোচনা, উপহাস ইত্যাদির মাধ্যমে অনেকেই সঙ্গীকে ছোট করে। এটা মোটেও কোনো ভালো লক্ষণ নয়। সম্পর্কে শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে সেটা সহজেই নষ্ট হয়ে যায়।
অভিযোগ করা
একটি সম্পর্কে একজন সঙ্গী যখন সবসময় অপরকে দোষারোপ করতে থাকে, তখন সেটা ভীষণ রকম টক্সিক হয়ে পড়ে। ব্লেইম গেইম খেলে কখনো জীবনে শান্তি আসে না। অযথা সম্পর্ক হারায়।
ঈর্ষা ও নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া
মাত্রাতিরিক্ত ঈর্ষা সম্পর্ককে ভীষণ রকম টক্সিক করে তোলে। ঈর্ষা থেকেই আসে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা। আসলে প্রত্যেকটা মানুষই কিছুটা হলেও স্বাধীনতা চায়। আর সেটাতে বাধা এলে সম্পর্কের ভিত নড়ে পড়ে।
সূত্র: কামডটকম


