ডা. শাকিল মাহমুদ
করোনার প্রকোপ আবারও শুরু হয়েছে। এই লেখাটি লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনায় প্রায় তিনজন মারা গেছেন। দুই জন ঢাকায় এবং একজন চট্টগ্রামে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
বর্তমানে করোনার নতুন যে দুটি সাব-ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়েছে, সেগুলো হলো, এক্সএফজি ও এক্সএফসি। তবে আতঙ্কিত না হলে সতর্ক ও সচেতন হওয়াটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি। আর এই জন্য আবারও লক্ষণ ও প্রতিরোধ জানার বিকল্প নেই।
লক্ষণ
- গলাব্যথা
- শরীর ব্যথা
- জয়েন্ট ব্যথা
- শ্বাসকষ্ট
- নিউমোনিয়ার লক্ষণগুলো থাকতে পারে। তবে জ্বর ও কাশি না-ও থাকতে পারে।
প্রতিরোধে করণীয়
প্রতিরোধগুলো অনেকটা আগের মতোই। যেমন:
- বাইরে গেলে মাস্ক পরা
- জনসমাবেশ এড়িয়ে চলা
- সাবান পানি থেকে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধোয়ার চেষ্টা করা।
- ময়লা হাত দিয়ে নাক- মুখ-চোখ স্পর্শ না করা।
- পরিবারে প্রবীণ, শিশু, সন্তানসম্ভবা নারী বা অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি (যেমন: কিডনি, হার্ট, লিভারে রোগ) থাকলে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খাওয়া। এগুলো পাওয়া যাবে লেবু, মাল্টা, কমলা, পেয়ারা, মরিচ, আমলকী ইত্যাদিতে। এ ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জিংক ট্যাবলেটও খাওয়া যেতে পারে।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
প্রচণ্ড শরীর ব্যথা, প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট, শরীরে অস্বস্তি ইত্যাদি হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন।
মোদ্দাকথা, এই ভাইরাস সারাবার জন্য কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নেই। তাই প্রতিরোধই অন্যতম উপায়। তাই আতঙ্কিত না হয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিন, সুস্থ থাকুন।
লেখক : চিকিৎসক, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজ (সাভার)


