সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
প্রযুক্তির এই উৎকর্ষের বিশ্বে মানুষ প্রতিনিয়ত দৌড়াচ্ছে। কেউ দৌড়াচ্ছে অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য। কেউ বাড়তি কিছু পাওয়ার লক্ষ্যে। একটুও যেন বিরাম নেই।
সব মিলিয়ে এক অস্থির জীবন-যাপনের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে বেশিরভাগ মানুষকে। আর এই চাপ থেকে এক সময় শুরু হয় স্ট্রেস বার্ন আউট, অ্যাংজাইটি, ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাগুলো। তাই সময় থাকতে কাজ ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো না শিখলে চাপটা বাড়বে আপনারই। কাজের চাপ ব্যবস্থাপনার কিছু কৌশল জানিয়েছে মাইকেলপেইজ ডট কো ডট ইউকে। চলুন জানি-
গুরুত্ব অনুসারে কাজকে ভাগ করুন
সব কাজই করতে হবে। তবে কাজের গুরুত্ব অনুযায়ী সেটা ভাগ করে নিলে চাপটা একটু কমবে। এই ক্ষেত্রে কাজকে চারটি ভাগে ভাগ করে নিতে পারেন।
১. জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ
২. গুরুত্বপূর্ণ তবে এখনই জরুরি নয়
৩. জরুরি তবে গুরুত্বপূর্ণ নয়
৪. জরুরিও নয়, গুরুত্বপূর্ণও নয়
এভাবে করতে পারলে কাজের চাপ খানিকটা কমবে। সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনাও হবে।
লক্ষ্য পরিষ্কার রাখুন
লক্ষ্য নির্দিষ্ট করুন। আপনার কাজ থেকে আপনি কী চান, সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে আগান। একদিন বড় লক্ষ্যও পূর্ণ হয়ে যাবে।
রুটিন তৈরি করুন
দৈনন্দিন কাজের একটি রুটিন তৈরি করুন। রুটিন অনুযায়ী আগান। এখানে অফিসের কাজ, কাজের বিরতি এবং ব্যক্তিগত কাজগুলো রাখুন। এতে কিছুটা রিল্যাক্স হওয়ার সময়ও পাবেন।
অন্যদের মধ্যে কাজ ভাগ করে দিন
কাজের চাপ বাড়লে সব একা সামলানো বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। তাই যেসব কাজ অন্যরা করতে পারে, তাদের মধ্যে সেগুলো ভাগ করে দিন। সব নিজে করতে যাবেন না। কেবল তদারকি করুন, কাজগুলো ঠিকমতো হলো কি না।
ছোট ও সহজ কাজগুলো আগে করুন
ধরুন একটি ফোন কল করা খুব জরুরি। আর সেটা করতে এক মিনিট হয়তো লাগবে। এই ধরনের কাজগুলো আগে করে ফেলুন। এসব কাজে গড়িমসি করতে যাবেন না।
অফিসের কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্য রাখুন
জীবনের ভারসাম্য রাখতে অফিস ও ব্যক্তিগত জীবন দুটোর ভারসাম্য রাখাটা জরুরি। খুব কাজের চাপের মধ্যে কখনো কখনো এটা করা একটু কঠিনই হয়ে পড়ে হয়তো। তবে দুটো সেক্টরকেই আলাদা গুরুত্ব চায়। আর সেটা ঠিকমতো করতে পারলে হয়তো আপনি শান্তিও পাবেন। তাই পরিবারের জন্যও সময় রাখুন।


