Sunday, September 27, 2026
spot_img
Home Blog Page 96

৬ মাসের পর শিশুকে যেভাবে শক্ত খাবার দেবেন

ডা. আবু সাঈদ শিমুল

শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি কী খাওয়াবে, ভেবে পায় না অনেকেই। আবার কখন শক্ত খাবার শুরু করতে হবে, তা নিয়েও বিভ্রান্তির শেষ নেই।

ছয় মাস বয়স থেকে শক্ত খাবার শুরু করার কথা বলা হলেও অনেকেই মনে করে পাঁচ মাস শেষে বা ছয় মাস হলেই বুঝি শক্ত খাবার দিতে হবে। তা কিন্তু নয়। শিশু ছয় মাস শেষে সাত মাসে পড়লে তবেই শক্ত খাবার দিন।

প্রথম খাবার হিসেবে অনেকে চালের গুঁড়া বা সুজি খাওয়াতে চায়। এই দুটো মোটেও সুষম খাবার নয়। অনেকে আবার খিচুড়িকে বেছে নেয়। খিচুড়ি সুষম খাবার হলেও এতদিন শুধু দুধ খেয়েছে যে শিশু তার জন্য এর স্বাদ, গন্ধ, মসলা ও লবণ মোটেও কাক্ষ্মিত নয়।

খাবার খাওয়ানোর প্রথম ধাপে আপনার শিশুকে চামচ মুখে দেওয়ার অনুভূতির সঙ্গে পরিচিত করাতে হবে এবং একই সঙ্গে শক্ত খাবারের স্বাদ দিতে হবে। এই সময় এক চা চামচ পরিমাণ বুকের দুধের সঙ্গে নিন্মোক্ত খাবারগুলো মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। যেমন:
ক) তরল ভাত
খ) রান্না করা সবজি (চটকানো গাজর, পেঁপে,
মিষ্টি আলু )
গ) পাকা কলা খুব ভালো করে চটকে প্রয়োজনে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পানি মিশিয়ে তরলের মতো করে, এর থেকে এক চা চামচ পরিমাণ খাওয়ান। এভাবে দুই থেকে তিন দিন খাওয়াতে হবে।

এগুলো খাইয়ে এরপর শুধু নরম ভাত (বুকের দুধ ছাড়া) শুরু করুন। এরপর ধীরে ধীরে এর সঙ্গে ডাল মেশান। তারপর সবজি, ডিম, মাছ, মাংস ইত্যাদি তিন থেকে চার দিন পর পর একটি করে শুরু করুন। এভাবে ধীরে ধীরে একটি করে নতুন খাবার শুরু করলে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের খাবারের সঙ্গে শিশু যেমন পরিচিত হয়ে উঠবে, তেমনি কোনো খাবারে অ্যালার্জি হলে সেটি শনাক্ত করাও সম্ভব হবে।

অনেকেই মনে করে ডিম বা মাছ শিশুকে আরও পরে দিতে হবে। তবে আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়েট্রিক্স বলছে, সাত মাস থেকে শিশুকে সব খাবারই দেওয়া যাবে। তবে গরুর দুধ এক বছর পর দিতে হয়।

শিশু আলাদাভাবে সব খাবার গ্রহণ করতে শিখলে খিচুড়ি বানিয়ে দিন। খিচুড়িতে চাল, যেকোনাে একটি সবজি, ডাল ও এর সঙ্গে মাছ অথবা মাংস অথবা ডিম দিন। শিশুকে প্রতিদিন কিছু ফল খাওয়ান। এ ছাড়া গাজর, পেঁপে, মিষ্টি আলু বা শসা টুকরা করে দিতে পারেন। খুব সকালে বা রাতে শিশুর মেজাজ তেমন ভালো থাকে না। এ সময় শক্ত খাবার না দেওয়াই ভালো। শিশুকে কিছু বুকের দুধ খাওয়ানোর পর সে যখন হাসিখুশি থাকে তখন খাবার দিন।

সাত থেকে ১২ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ দেওয়ার পর বাড়তি খাবার খাওয়ান। আর ১৩ মাস থেকে আগে শক্ত খাবার, এরপর বুকের দুধ দিন। শিশু যদি প্রথমে খাবার খেতে বাধা দেয়, তবে হতাশ না হয়ে ঘণ্টা কয়েক পর শুরু করুন।

শিশুকে খাবার দেওয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করবেন না। পরিমাণ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও সপ্তাহখানেক অপেক্ষা করুন। সব সময় খেয়াল রাখবেন, শিশুর খাবার যেন অতিরিক্ত লবণাক্ত বা মিষ্টি না হয়; মসলাও কম দিন।

লেখক : শিশু বিশেষজ্ঞ

গ্রীন ভয়েস-এর মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রথম পরিবেশ বাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েস আয়োজিত মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১০ মার্চ, শুক্রবার, বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। এর বিষয়বস্তু ছিল, ‘সুখের চাবিকাঠি’।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এবং অন্যান্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যুক্ত হন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ‘গ্রীন ভয়েস’- এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব আলমগীর কবির, সহ সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সুমন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট জনাব শুভ কিবরিয়া।

‘গ্রীন ভয়েস’ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যুবকদের নিয়ে প্রকৃতি, পরিবেশ, জীবন বিষয়ে কাজ করে। সকলে পরিবেশ সচেতন হোক এবং সকল সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলুক এটাই তাদের লক্ষ্য। ২০০৫ সালে গ্রীন ভয়েস প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ এ পথ চলায় পাঁচ হাজার অ্যাকটিভ ভলান্টিয়ার রয়েছে।

কে ক্র্যাফট- এর ঈদ আয়োজন নিয়ে ফ্যাশন শো

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

দেশের অন্যতম ফ্যাশন হাউস কে ক্র্যাফট- এর প্রথম এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে উদ্বোধন হলো আজ। অনুষ্ঠানে কে ক্র্যাফটের ঈদ পোশাক নিয়ে একটি ফ্যাশন শো’র আয়োজন করা হয়।

সানজিদা হক আরেফিন লুনার কোরিওগ্রাফিতে দেশ সেরা মডেলদের অংশগ্রহণে ফ্যাশন শোতে উৎসবমুখী পোশাকের ১১টি কিউতে প্রদর্শিত হয়েছে ৫০ টি নতুন ডিজাইনের পোশাক।

এই নতুন এক্সপেরিন্স সেন্টারে সারা বছর জুড়ে নানা ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা জানালেন কে ক্র্যাফট- এর অন্যতম উদ্যোক্তা খালিদ মাহমুদ খান। জীবন যাপনকে সুন্দরতর করা, শিশুদের মনোবিকাশ, নতুন সৃজনশীল প্রতিভাদের সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয় এই আয়োজনে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার, সাংবাদিক, ক্রেতাসহ শুভানুধ্যায়ীরা।

হেলথ ড্রিংকস খেলে কি শিশু লম্বা হয়?

ডা. আবু সাঈদ শিমুল

হেলথ ড্রিংকস খেলে কি লম্বা হওয়া যায়? এই উত্তর দেওয়ার আগে, বরং একটি প্রশ্ন করা যাক, আমাদের দেশের গরীব মানুষ, যাঁরা শ্রমজীবী, তাঁদের তো দামি ওসব ড্রিংকস কেনার সামর্থ্য নেই। তো, তাঁদের সবার কি আকৃতি কম?

কিংবা চীন, জাপান ইত্যাদি দেশের মানুষরা কী এসব হেলথ ড্রিঙ্কস এর কথা জানে না ? তারাতো এই সব ড্রিংকস খেয়েই লম্বা হয়ে যেত। অন্তত পক্ষে তাদের ফুটবল টিমকে খাওয়াতো যাতে লম্বা হয়ে হেড দিয়ে গোল করা যায় !

আসলে শিশুদের লম্বা হওয়া নিয়ে মায়েদের বিভ্রান্তির একটি বড় কারণ হলো, তাদের বৃদ্ধির গতি সব সময় সমান নয়। জন্মের পর থেকে এক বছর বয়স পর্যন্ত যেভাবে শিশু বাড়ে, এর পর থেকে সেভাবে বাড়ে না। জন্মানোর পর থেকে প্রথম বছরে শিশু ১০ ইঞ্চি লম্বা হয়। এর পরের বছর পাঁচ ইঞ্চি, তিন থেকে ছয় বছরে প্রতিবছর তিন-চার ইঞ্চি করে বাড়ে। তবে সাত বছরের পর থেকে বছরে দুই ইঞ্চি করে বাড়ে। এখানেই মা-বাবারা বিভ্রান্ত হয়। কারণ, ছয়-সাত বছরে যখন দেখে, সন্তান আগের মতো দ্রুত বাড়ছে না, তখন শঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং বাজার থেকে বিভিন্ন হেলথ ড্রিংকস নিয়ে আসে।

একটু ভেবে দেখুন তো ব্যাপারটা, জন্মের সময় শিশু ১৮ থেকে ২০ ইঞ্চি লম্বা হয়। এরপর প্রথম বছরেই তার উচ্চতা ১০ ইঞ্চি বাড়ে। এই হারে প্রতি বছর উচ্চতা বাড়লে আট বছরে সন্তানের উচ্চতা হবে ছয় ফুট, আর ১৮ বছরে হবে ১০ থেকে ১২ ফুট! তবে এটা তো একেবারে অবাস্তব।

তাই প্রথম দিকে শিশু যে হারে বাড়ে, পরের দিকে সেই হারে বাড়ে না। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কোনো হেলথ ড্রিংকস বা ওষুধ খাইয়ে এর ব্যতিক্রম করা যাবে না।

আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, একটি শিশু তার সমবয়সী অন্য ছেলেমেয়েদের তুলনায় খাটো। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসক টেস্ট করে যদি দেখেন যে সব স্বাভাবিক, সে ক্ষেত্রে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। এক ধরনের অবস্থা আছে, যাতে প্রথম দিকে শিশুরা খাটো হয়। একে বলে কনস্টিটিউশনাল ডিলে। শিশু প্রথম দিকে ধীরে বাড়ে, তবে শেষ দিকে খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। এ পরিস্থিতিতেও কোনো ওষুধ বা ড্রিংকস দরকার নেই।

লেখক : শিশু বিশেষজ্ঞ

খাবারে বেশি লবণ, মৃত্যুর কারণ কেন?

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মানবদেহে পেশি ও নার্ভ ভালোভাবে কাজ করার জন্য সোডিয়াম খুব জরুরি উপাদান। এটি দেহের পানি ও মিনারেলের ভারসাম্য রক্ষায়ও উপকারী। সোডিয়াম পাওয়া যায় লবণে। তবে খাদ্যতালিকায় অতিরিক্ত সোডিয়াম থাকলে সেটা কিন্তু মৃত্যুঝুঁকি বয়ে আনে।

‘প্রতি বছর অন্তত ২ মিলিয়ন মানুষ মারা যায় কেবল বাড়তি সোডিয়াম গ্রহণের কারণে। অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়,’- বলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল টেড্রোস অ্যাডহানম ঘ্রেবিয়াস। গত ৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বার্গহেম অ্যান্ড ওমেন’স হসপিটালের চিকিৎসক নেন্সি কুক জানান, আমরা যে কতভাবে লবণ গ্রহণ করি, সেটা নিজেরাও জানি না। প্রক্রিয়াজাত খাবারের মধ্যে লবণ লুকায়িত অবস্থায় থাকে। তাই আমরা বুঝতেও পারি না প্রতিদিন কতটুকু লবণ খাচ্ছি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ২ হাজার মিলিগ্রাম অথবা ৫ গ্রাম লবণ গ্রহণ করতে পারে। যার পরিমাণ হবে এক চা চামচ লবণের মতো। তবে এর অধিক গ্রহণ করে বলেই এই সমস্যা হচ্ছে- এমনটাই মতামত টেড্রোসের।

তাই, সুস্থভাবে বাঁচতে হলে লবণ খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে এমনই পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রেমিকের মান ভাঙাতে বলতে পারেন ৯ কথা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

প্রেমে হোক বা দাম্পত্য জীবনে- সম্পর্কে কিন্তু মান- অভিমান, ঝগড়া-ঝাটি হয়েই থাকে। তবে এই মান-অভিমান নিয়ে বসে থাকলে তো আর চলে না। কারো না কারো তো এই বরফ গলাতেই হয়। তবে মান ভাঙাতে গিয়ে আবার নিজের আত্মসম্মান বোধটাই বিসর্জন দেবেন তা তো নয়। তাই নিজের আত্মসম্মান বজায় রেখেও কিছু কৌশল অবলম্বন করলে কিন্তু পরিবেশটা কিছুটা শান্ত হয়।

১. তুমি যা বলছো, আমি সেটা মেনে নিচ্ছি। তবে আমারও কিছু বিষয় বলার রয়েছে।

২. প্রথমত, আমি তোমায় ভালোবাসি। আর আমি ঝগড়া করতে চাই না।

৩. এভাবে করলে ঝগড়াটা চলতেই থাকবে। আমি এটা থামাতে চাই।

৪. আমি গতকাল মেজাজ হারিয়েছিলাম বা বেশ রেগে গিয়েছিলাম। তবে আমি এখন কথা বলতে চাই, যদি তুমি চাও।

৫. তুমি কি বুঝতে পারছো, আমরা কেবল বোকাদের মতোই ঝগড়া করছি? এখন আমাদের থামা উচিত।

৬. আমি আমার প্রেমিকের সঙ্গে গতকাল খুব ঝগড়া করেছিলাম। কিন্তু তুমি কি এখন বলতে পারো কী করে তাকে ‘দুঃখিত’ বলবো?

৭. আমি এই ঝগড়াটা আর নিতে পারছি না। চলো মাথা ঠান্ডা করে বসি। আর ঠান্ডা মাথায় সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলি।

৮. আমি ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব ঝামেলায় আছি। আর এই মুহূর্তে তোমার কাছ থেকে এই আচরণ চাইছি না।

৯. আমার বন্ধু বলেছে সম্পর্কে ঝগড়া-ঝাটি স্বাভাবিক বিষয়। তবে আমি এই কথাটা তখনই বিশ্বাস করবো যখন সেটা তুমি বলবে।

সূত্র : ইডিভা

উদ্বেগ দ্রুত কমবে ৪ উপায়ে

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটি বর্তমান সময়ের বেশ সাধারণ সমস্যা। অফিসের কাজের চাপ, অর্থনৈতিক টানা-পোড়েন, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, সম্পর্কে অবনতি ইত্যাদি কারণে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ কাজ করে। কখনো কখনো এটি আমাদের মস্তিষ্কে এতোটাই জটলা পাকিয়ে দেয় যে অযৌক্তিক, উল্টোপাল্টা চিন্তাগুলোও একটার পর একটা দানা বাঁধতে থাকে।

বিষয়টা ভীষণভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর। আর তাই, এ সময় শান্ত থাকার চেষ্টা করাটা জরুরি। উদ্বেগের সময় নিজেকে দ্রুত শান্ত করার কিছু সহজ উপায় বাতলেছে ভারতীয় ওয়েবসাইট ইডিভা। আসুন জানি-

গভীরভাবে শ্বাস নিন
খুব বেশি উদ্বিগ্ন লাগছে? নিজেকে একটু থামান। এই সময় গভীরভাবে শ্বাস নিন। নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে ছাড়ুন। এভাবে পাঁচ থেকে সাতবার অনুশীলন করুন। শান্ত লাগবে।

পরিবেশটাকে বদলান
হয়তো আপনি অফিসে রয়েছেন। সেখানকার পরিবেশ বর্তমান সময়ের জন্য আপনার কাছে খুব বিরক্তি, দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগের কারণ তৈরি করছে। এ সময় সম্ভব হলে অফিস থেকে বেরিয়ে একটু খোলা বাতাসে যান। পরিবেশটাকে বদলে ফেলুন।

আবার হয়তো ঘরেই রয়েছেন, তবে সেখানেও খুব অস্বস্তি হচ্ছে। কেডস পড়ে বাইরে থেকে হেঁটে আসুন। অবস্থা বা জায়গা থেকে এই ধরনের বিরতি আপনাকে মানসিকভাবে শিথিল হতে সাহায্য করবে।

শরীরকে নাড়ান
বসে আছেন, উঠে পড়ুন। একটু হাঁটুন। অথবা হাতগুলোকে একটু নড়াচড়া করান। এই বিষয়টিও খানিক স্বস্তি দেবে।

লিখে ফেলুন
আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন? তাহলে, খাতা-কলম বের করে এ সময় মাথায় আসা কথাগুলো লিখে ফেলুন। লিখতে লিখতে এক সময় দেখবেন নিজেকে গুছাতে পারছেন। উদ্বেগের সময় এই নিয়মটি মেনে চলতে মনোবিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে জোর দেয়।

রঁদেভু৯৬৯৮ ফাউন্ডেশন আয়োজিত উদ্যোক্তা মেলা

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

রঁদেভু ৯৬৯৮ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘আনন্দ পসরা’ শীর্ষক উদ্যোক্তা মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) রাজধানী মহাখালীর রাওয়া ক্লাবে ৩ দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করা হয়। এটি চলবে শনিবার (১১ মার্চ) পর্যন্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ খান (ডেপুটি সেক্রেটারি, ইন্টারপ্রেনারশিপ ইকো সিস্টেম প্রোগরাম স্পেশালিস্ট, ইউএনডিপি বাংলাদেশ)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেছেন মোহসিনা ইয়াসমিন (গ্রেড-১, সেক্রেটারি, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভলপমেন্ট অথরিটি)। অনুষ্ঠানে আরো অতিথি হিসেবে ছিলেন আফসানা বিন্দু (অভিনেত্রী ও ডিজাইনার), মো. আব্দুস সালাম সরদার (ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, এসএমই ফাউন্ডেশন)।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

রঁদেভু৯৬৯৮ ফাউন্ডেশন- একটি অলাভজনক অনলাইন প্লাটফর্ম, যেটি তৈরি হয়েছে ‘এসএসসি ৯৬ ও এইচএইসসি ৯৮’ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে। এই ফেসবুক গ্রুপে বর্তমানে ২২ হাজারেরও বেশি সদস্য রয়েছে। রঁদেভু৯৬৯৮ ফাউন্ডেশন- শিক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, স্বাস্থ্য, শিশু ও নারী উন্নয়ন ইত্যাদি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড করে থাকে। ফাউন্ডেশনে রয়েছে বিভিন্ন ওইং। এর মধ্যে ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, ডিজেস্টার ম্যানেজমেন্ট, চিল্ডরেন ও ওমেন ওইং অন্যতম। ওমেন ওইং প্লাটফর্মটি প্রতি বছর ‘প্রজাপতির আড্ডা’ নামে নারীদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এখান থেকে বিভিন্ন সেক্টরের সফল নারীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

এসব সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় ফাউন্ডেশনের ওমেন উইং থেকে এবার বড় পরিসরে উদ্যোক্তা মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় সংগঠন ও সংগঠনের বাইরে থেকে প্রায় ৩০ জনের মতো উদ্যোক্তা অংশ নেয়। গ্রুপের নতুন উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বর্তমানের সফল উদ্যোক্তাদের সামাজিক যোগাযোগ তৈরি করা এবং ব্যবসায়িক অনুপ্রেরণার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

মেলা সাজানো হয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের তৈরি পোশাক, জুয়েলারি, হোম ডেকর, অরগানিক ফুড, মেহেদি আর্ট, কাথা স্টিচ, মসলিন, পেইন্টের পন্য, অরগানিক বিউটি পন্য, স্কেচ আর্ট ইত্যাদি দিয়ে। মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

‘প্রতিবন্ধকতা আসবেই, এর মধ্যেও এগোতে হবে’

শাশ্বতী মাথিন

একটা সময় কেবল কিছু নির্দিষ্ট পেশাতেই নারীকে চিন্তা করা হতো। কিন্তু সেই অচলায়তন ভেঙে নারী তাঁর কাজের বিস্তার ঘটিয়েছে বিভিন্ন সেক্টরে। নারীরা ব্যাপকভাবে এগিয়ে আসছেন সৃজনশীল মাধ্যমগুলোতে। কেবল ক্যামেরার সামনে অভিনেত্রী বা উপস্থাপক হয়েই নয়, পেছনে থেকেও সে পরিচালনা করছে অনুষ্ঠান বা চলচ্চিত্র। নারী সমানতালে কাজ করে চলেছে ক্যামেরার সামনে ও পেছনে। তেমনই একজন নারী জাকিয়া সুলতানা। যিনি একাধারে অনুষ্ঠান প্রযোজক ও উপস্থাপক।

তিনি বর্তমানে কাজ করছেন নেক্সাস টেলিভিশনের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রযোজক হিসেবে। পাশাপাশি নেক্সাস টেলিভিশনের ‘সাতদিন’ অনুষ্ঠানের একজন অন্যতম উপস্থাপক তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত নাট্যশিল্পী। এর আগে কাজ করেছেন বৈশাখী টেলিভিশনের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রযোজক হিসেবে। তিনি ‘কী কমিউনিকেশন’ বিজ্ঞাপন সংস্থায় ক্রিয়েটিভ কনসালটেন্ট হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। যুক্ত রয়েছেন পাপেট থিয়েটার রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট সেন্টার অব বাংলাদেশের একজন সদস্য হিসেবে।

অনুষ্ঠান প্রযোজক ও উপস্থাপক জাকিয়া সুলতানা। ছবি : সংগৃহীত
অনুষ্ঠান প্রযোজক ও উপস্থাপক জাকিয়া সুলতানা। ছবি : সংগৃহীত

এতো যার গুণ, নারী হিসেবে তাঁর চলার পথটা কেমন ছিল? উত্তরে জানান, একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে এগোতে হলে পুরুষের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয়। নারী উর্ধ্বতন অবস্থায় কাজ করছে এটা অনেকে মেনে নিতে পারে না। পুরুষের তুলনায় নারী এগিয়ে যাবে, এটা যেন মেনে নেওয়া এই সমাজের জন্য কঠিন। তবে আমি এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পেয়েছি। আমার পরিবারের সদস্য এবং অফিসের সহকর্মীরা কাজের ক্ষেত্রে বেশ সহযোগিতা করেছে। আর নেক্সাস টেলিভিশনের পরিবেশ ভীষণভাবে নারীবান্ধব। এখানে কাজ করতে অসুবিধা হয় না।

‘তবে ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে আমার সন্তান জন্ম হওয়ার পর একটু অস্থিতিশীল অবস্থায় পড়তে হয়েছিলো। আসলে সন্তান জন্মের পর নারীর ক্যারিয়ার ব্রেক একটি সাধারণ সমস্যা। সন্তানকে কোথায় রেখে অফিস করবো, এ নিয়ে খুব দ্বিধায় পড়ে যাই সেই সময়। তখন একটি বিরতি পড়ে আমার জীবনে। সেখান থেকে আবার কাজে ফেরা। নতুন করে নিজের অবস্থান তৈরি করা। সময়টা সহজ ছিল না। এভাবেই এগোতে হয়েছে। আমার ধারণা বাংলাদেশে ডে কেয়ার ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় অনেক কর্মজীবী মা-ই এই সমস্যায় পড়েন; ঝরে পড়েন কর্মক্ষেত্রে’, বলছিলেন তিনি।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

জাকিয়া সুলতানা এসএসসি পাশ করেন পাবনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। এইচএসসি শেষ করেন পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড কলেজে। এরপর ভর্তি হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্য ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে। এখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে পিএইচডি করেন।

‘প্রযোজক হিসেবে আমার কাজের শুরুটা হয় বৈশাখী টেলিভিশনে। ড. রশীদ হারুন স্যারের মাধ্যমে বৈশাখী টেলিভিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হই। এরপর ইন্টারভিউ দিই। সিলেক্ট হবার পর সহকারী প্রযোজক হিসেবে কাজ শুরু হয়। এখান থেকেই ধীরে ধীরে আমার সব শেখা। বৈশাখী টেলিভিশনে সহকর্মী হিসেবে পেয়েছিলাম বাংলাদেশের বিখ্যাত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান, হায়দার রিজভী, খ. ম হারুন, ম হামিদ, মনজুরুল আহসান বুলবুল, ইশতিয়াক রেজা, মজিবুর রহমান দিলু। তাঁদের কাছ থেকে অনেক শিখেছি। নেক্সাস টেলিভিশন পেয়েছি সানাউল্লাহ লাবলু, মনজুর আহমেদ, মহিউদ্দিন টিপু, জিয়াউল হক রাসেলের মত অভিভাবক সহকর্মী। তাঁদের কাছে প্রতিনিয়ত শিখছি। কাজের ক্ষেত্রে সবসময় তারা গাইড লাইন দেন। তাঁদের শিক্ষা আমাকে সমৃদ্ধ করে প্রতিনিয়ত। উপস্থাপনায় যুক্ত হবার ক্ষেত্রে মহিউদ্দিন টিপু ও আমীন আল রশীদ ভাইয়া সবসময় উৎসাহিত করেছেন,’ বলেন তিনি।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

২০২১ সালের নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে নেক্সাস টেলিভিশনে শুরু হয় ‘লেডিস ক্লাব’ নামে একটি অনুষ্ঠান। এর মধ্যে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। ‘নেক্সাস লেডিস ক্লাব’ পরিণত হয়েছে হাজার হাজার নারীর প্রাণের আড্ডায়। নারীদের নিয়ে বাংলাদেশের মিডিয়াতে অনেক অনুষ্ঠান প্রচারিত হলেও একে একদমই ভিন্নধর্মী বলা চলে। এই অনুষ্ঠানটির প্রযোজক জাকিয়া সুলতানা। এ ছাড়া এই টেলিভিশন চ্যানেলের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘তুমিই প্রথম’, ‘তারকা মা ও সন্তানকে নিয়ে অনুষ্ঠান ‘স্টার মম’, দুটির প্রযোজকও তিনি।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নিজের কাজের প্রসঙ্গে জাকিয়া সুলতানা জানান, লেডিস ক্লাব-এর ক্ষেত্রে শুরু থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল সব শ্রেণি-পেশার নারীদের নিয়ে অনুষ্ঠানটি সাজানো। এখানে অংশ নিতে পারে সেলিব্রেটিরা ছাড়াও উদ্যোক্তা, গৃহিনী, সাংবাদিক, লেখক, অভিনয়শিল্পী, সংগীতশিল্পী, চিকিৎসক, নৃত্যশিল্পী ও রাজনীতিবিদগণ। যারা নিজেদের ভাবনা, মনের কথা তুলে ধরতে চায় তারা প্রত্যেকেই লেডিস ক্লাবের স্টুডিওতে অতিথি হতে পারে। কেবল বাংলাদেশেরই নয়, অন্যান্য দেশেরও নারী সেলিব্রেটি ও অতিথিরা অংশ নেয় অনুষ্ঠানে। ‘তুমিই প্রথম’ অনুষ্ঠানে চিকিৎসক, ট্রেন চালক, শিল্পী- বিভিন্ন সেক্টরে যিনি প্রথম নারী, তার বায়োগ্রাফি নেওয়া হয়। এটিও বেশ জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। পাশাপাশি ‘স্টার মম’ নামে অনুষ্ঠানটিও বেশ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে দর্শকের কাছে। ইতোমধ্যেই নেক্সাস টেলিভিশন নারীবান্ধব চ্যানেল হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এটা আমাদের জন্য আনন্দের।

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

‘একজন নারীকে সামনে এগোতে হলে অবশ্যই নিজের কাজের প্রতি ভীষণ ডেডিকেটেড হতে হবে, সৎ থাকতে হবে। কেবল নারী নয়, যেকোনো মানুষের ক্ষেত্রেই বিষয়টি এমন। প্রতিবন্ধকতা আসবেই। এসব ভেবে হয়তো মন খারাপ হবে, কষ্ট লাগবে। কিন্তু সবকিছু মাড়িয়ে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। তাহলেই গন্তব্যে পৌঁছুনো যাবে’,- বলেন তিনি।

বাংলাদেশে এই প্রথম ৩ নারীর মিলিত গান

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

বাংলাদেশে এই প্রথম ‘ছায়াসঙ্গী’ নামে একটি গানে সম্মিলিতভাবে কাজ করেছেন তিন স্বনামধন্য নারী। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। গানের সুর করেছেন সেতার শিল্পী রীনাত ফওজিয়া এবং গানের কথা লিখেছেন কবি ও লেখক তাহেরা আফরোজ। আজ, ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে গানটি অবমুক্ত করা হয়। গানটির মিউজিক করেছেন এজাজ ফারাহ্।

গানটি তৈরির বিষয়ে গীতিকার ও লেখক তাহেরা আফরোজ বলেন, “গান লিখবো বা আমার গান কেউ করবে এটা কখনো ভাবিনি। আর এমন বিখ্যাত শিল্পী আমার লেখা গান করবেন সেটাও ভাবিনি। এটি লেখা হয়েছে অনেক আগে। প্রতিটি মানুষের জীবনে ছায়ার মতো জড়িয়ে রয়েছে কেউ না কেউ। সারাদিনের কর্মব্যস্ততায় একান্ত আপনজনকে কাছে পাওয়া না গেলেও সমস্ত কাজের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকে সেই মানুষটি। এমন একটা উপলব্ধি থেকেই লেখাটি লিখেছিলাম। গান হিসেবে কখনো লিখিনি। একজন আমার কাছে লিরিক চাইলো। ২০২১ সালের কথা এটা। তখন রীনাত ফওজিয়া আপার কাছে দিলাম সুর করতে। আপা আমার সহকর্মী। ততদিনে আমার লেখা বেশ কয়েকটি গান আপা সুর করেছেন। এটাও সুর করা হলো। তবে গানটি করার জন্য আপা সাবিনা ইয়াসমিনকে ভেবে রেখেছিলেন। তিনিই মূলত শিল্পী ঠিক করেছেন। আপার খালাম্মা হন সম্পর্কে। ভাগ্য বলে একটা বিষয় থাকে আসলে। আমার ভাগ্যে ছিল বলেই একজন কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পীর কণ্ঠে গানটি রেকর্ড হয়েছে। আসলে কোনো কিছু ভেবে কাজটি করিনি। সময়ের স্রোতে ভেসে ভেসে কাজটা হয়ে গেছে। কাজটা শেষ হবার পর দেখলাম তিনজন নারীর সমন্বিত কাজ। তখনই রীনাত আপা বললেন, এটা আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মুক্তি দিব।’ ”

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গানের সুর প্রসঙ্গে তাহেরা আফরোজ জানান, এটি একটি রোমান্টিক গান। প্রেমের গান। ছায়ার মতো যে প্রেমিক জড়িয়ে থাকে মনে, কাজে; তার ভাবনায় ডুবে থাকার গান। সুরটা দারুণ হৃদয় ছোঁয়া। মেলোডিয়াস একটা সুর। রীনাত আপার করা সুরগুলো খুব ভালো লাগে আমার।

গানের মিউজিক ভিডিওর চিত্রনাট্য লিখেছেন গানটির গীতিকার তাহেরা আফরোজ। এর মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই সময়ের জনপ্রিয় অভিনয় শিল্পী মাহিমা সুলতানা মাখনুন এবং মডেল ও টিভি নিউজ প্রেজেন্টার ইফতেখার আলম।

- Advertisement -
সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.