সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
আপনি কি আবেগীয়ভাবে পরিপক্ব? হ্যাঁ, আপনি হয়তো একা অনেক বিষয়ই সামলাচ্ছেন, অনেক চড়াই-উৎড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তবে এর মানে এই নয় যে আপনি আবেগীয়ভাবে পরিপক্ব হয়েছেন।
আবেগীয় পরিপক্বতা এমন একটি বিষয়, যা মানুষ নিরবতার সঙ্গে পছন্দ বা গ্রহণ করে এবং দৈনন্দিন জীবনে সেটার অভ্যাস বজায় রাখে। কয়েকটি প্রশ্ন করে নিজের কাছ থেকেই জেনে নিন, আপনি কতটা পরিপক্ব।
সব তর্কে আপনি আর জিততে চান না
এখন কি আর তর্কে জড়াতে ইচ্ছে করে না আপনার? কখনো কখনো যে যা ভাবে তাকে সেভাবেই ভাবতে দেন। এক কথায় বলা চলে অন্যের সঙ্গে তর্কে না জড়িয়ে নিজের শক্তি বাঁচান। বিষয়টি এমন হলে আপনি আবেগীয়ভাবে পরিপক্ব হচ্ছেন।
কাউকে পাওয়ার জন্য আর দৌড়ান না
মানুষের জীবনে হয়তো এক একটা সময় আসে যখন প্রিয় মানুষটিকে পাওয়ার জন্য সে দৌড়াতে থাকে। সে ভুল করুক আর না করুক সঙ্গীর মান-অভিমান ভাঙানোর জন্য উঠে-পড়ে লাগে। তবে আপনি কি এই অধ্যায়টা পার হয়ে গেছেন? এখন কি নিজেকে আর অন্যের কাছে ছোট করতে ইচ্ছে করে না আপনার? নিজের মানসিক শান্তিটাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন? তাহলে আপনি পরিপক্বতার দিকে এগোচ্ছেন।
আপনার ভুলগুলো আপনি বুঝতে পারছেন
আবেগীয়ভাবে পরিপক্বতার একটি বড় দিক হলো নিজের ভুল নিজে দেখতে পাওয়া। অনেকেই রয়েছেন যারা ভুল করার পরও অন্যকে আক্রমণ করতে থাকে। বিষয়টি থেকে বের হয়ে আসতে পারলে শুভ কামনা আপনার জন্য। নিজের ভুল নিজে ধরে সেখানে দুঃখ প্রকাশ করাও একটা বড় গুণ।
প্রিয় মানুষের সফলতায় আপনি খুশি হন
আবেগীয়ভাবে পরিপক্ব হওয়ার এটি একটি বড় লক্ষণ। অন্যের সাফল্য যে ঈর্ষাপরায়ণতা না নিয়ে দেখতে পারে, সে নিঃসন্দেহে পরিপক্ব মনের মানুষ।
যেসব মানুষ নিজেকে বদলাতে চায় না, তাদের জন্য আপনি সময় নষ্ট করেন না
যে যেমন আপনি তাকে সেভাবেই গ্রহণ করছেন। কারো কাছে আপনি হয়তো এখন আর আশা করেন না। আপনি এখন জানেন, মানুষ নিজে থেকে বদলাতে না চাইলে তাকে বদলানো যায় না। তাই আপনি এখন নিজের সমৃদ্ধি নিয়েই চিন্তা করেন। বিষয়টি এমন হলে আপনি ঠিক পথেই এগোচ্ছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


