সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক
মেজাজ খুব খিটখিটে লাগছে? কোনো কারণ ছাড়াই কান্না পাচ্ছে? বা মনটা খুব বিষণ্ণ হয়ে পড়েছে? এমন তো অনেক সময়ই হয়।
তবে নারীরা, কখনো কি খেয়াল করেছেন ঠিক কোন সময়ে এসব সমস্যা বেশি হচ্ছে আপনার? এই মন-মেজাজের উঠা-নামার কিছুদিন পরই কি পরিয়ড হয় যাচ্ছে? তাহলে হয়তো আপনি প্রিমিন্সট্রুয়াল সিনড্রম (পিএমএস) বা পিরিয়ডের আগে মুডসুইং জাতীয় জটিলতায় ভুগছেন।
প্রিমিন্সট্রুয়াল সিনড্রম (পিএমএস) নারীদের ক্ষেত্রে খুব প্রচলিত একটি সমস্যা। এই সমস্যায় ভোগেনি এমন নারী পাওয়াও হয়তো মুশকিল। কেন হয় এই সমস্যা এবং এর লক্ষণগুলো কীভাবে প্রকাশ পায়- এসব বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মায়োক্লিনিক।
পিরিয়ডের আগে নারীর শরীরে অভুলেশন (ডিম্বোস্ফোটন) হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময় নারীর শরীরে ইসট্রোজেন ও প্রোজেসটেরন হরমোনের মাত্রা অনেক কমে যায়। আর এতে মেজাজের এই তারতম্য ঘটে।
কারো ক্ষেত্রে এটি প্রকাশ পায়, মুড সুইং (মেজাজের উঠা-নামা) বা খিটখিটে মেজাজের মাধ্যমে। আবার কারো ক্ষেত্রে এর প্রকাশ ঘটে অবসন্নতা, উদ্বেগ, কান্না, ঘুমের অসুবিধা, যৌন চাহিদার পরিবর্তন, মনোযোগের অভাব, বিরক্তি, বিষণ্ণতা, হতাশা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে।
কেবল মেজাজের যে তারতম্য ঘটে, তা নয়। কিছু শারীরিক সমস্যাও তৈরি হয় এই সময়ে। যেমন : তলপেটে ব্যথা, ব্রণ বেড়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, পেশি ব্যথা, পেটে ফোলাভাব, খাবার খাওয়ায় অনিহা, খাবার খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা, স্তন নরম হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
সাধারণত পিরিয়ড হওয়ার এক থেকে দুই সপ্তাহ আগে থেকে এসব লক্ষণ প্রকাশ পায়। চলতে থাকে পিরিয়ডের মাঝখান পর্যন্ত। আবার অনেকের ক্ষেত্রে পিরিয়ড শেষ হওয়ার কিছুদিন পর বিষয়টি ঠিক হয়। তবে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, ব্যায়াম, ধ্যান ইত্যাদির মাধ্যমে এই সমস্যা অনেকটা কমিয়ে আনা যায়।


