নিশাত শারমিন নিশি
আমাদের দেশের বাজারে তরমুজের অভাব নেই। তরমুজে প্রায় ৯০ ভাগ পানি রয়েছে। এই ফলটিতে পানি ছাড়া রয়েছে পলিআনসেচুরেটেড ফ্যাট, পটাশিয়াম, ভিটামিস ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিস ‘বি১২’ ও ক্যালসিয়াম, আয়রন ইত্যাদি।
শারীরিক কোনো অসুবিধা না থাকলে একজন রোজাদার এই খাবারটি সেহরি বা ইফতারে অনায়াসে খেতে পারেন। রোজার সময় তরমুজ খাওয়ার কিছু উপকারের কথা জানানো হলো:
- তরমুজ খাওয়ার সবচেয়ে বড় উপকার হলো, এটি দেহের পানির ঘাটতি পূরণে অনেকটাই সাহায্য করে। সারাদিন রোজা রাখার পর ক্লান্ত শরীরে পানির ভারসাম্য রক্ষায়ও এটি উপকারী।
- ওজন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অনেকে দুশ্চিন্তায় থাকে। সে ক্ষেত্রে তরমুজ ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক। সারাদিন রোজা রাখার পর অনেক সময় মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার ইচ্ছা অনেকেরই হয়। এ ক্ষেত্রে চিনি না খেয়ে নিশ্চিন্তে তরমুজের জুসও খাওয়া যাবে। এতে বাড়তি ক্যালরির কোনো ঝামেলা নেই। ওজন বাড়ার আশঙ্কাও থাকে না।
- তরমুজে ভিটামিন ‘এ’ যথেষ্ট পরিমাণে থাকায় দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ত্বককে সজীব রাখতে ও বলিরেখা কমাতে তরমুজে থাকা লাইকোপেন উপকারী। এ ছাড়া হার্ট ও হাড়কে মজবুত রাখতে এটি সহায়ক।
লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ; পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল


