Monday, May 18, 2026
spot_img
Homeস্বাস্থ্যকাহননারী স্বাস্থ্যপিসিওস হলে খেতে পারেন পাঁচ ধরনের খাবার

পিসিওস হলে খেতে পারেন পাঁচ ধরনের খাবার

লিনা আকতার

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো পিসিওস। এটি একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা, যা বিশ্বজুড়ে অসংখ্য নারীকে প্রভাবিত করে।

ধারণা করা হয়, সন্তান ধারণ ও প্রজনন বয়সের ১০জন নারীর মধ্যে একজনের পিসিওস রয়েছে। সাধারণত এই সমস্যায় প্রজনন হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে উর্বরতা সংক্রান্ত বিষয়, অনিয়মিত মাসিক, ডিম্বাশয়ে সিস্ট, ব্রণ, ওজন বৃদ্ধি, অবাঞ্চিতস্থানে অতিরিক্ত চুল গজানো, চুল পড়া, বন্ধ্যত্ব, মেজাজের পরিবর্তন ইত্যাদিসহ বিভিন্ন লক্ষণ দেখা যায়।

পিসিওস কীভাবে হয়?
গবেষকরা এখনও পর্যন্ত এর সঠিক কারণ চিহ্নিত করতে পারেনি। আমরা যা জানি তা হলো, পিসিওস প্রতিটি ব্যক্তিকে আলাদাভাবে প্রভাবিত করে। প্রাথমিকভাবে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার সঙ্গে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে কিছুটা উপকার হতে পারে। সেই সঙ্গে সঠিক পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ।

পিসিওস সঠিকভাবে চিকিৎসা করা না হলে এবং খাদ্যাভ্যাসে নিয়ন্ত্রণ করা না হলে, টাইপ-টু ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও বন্ধ্যত্বের মতো দীর্ঘমেয়াদে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

পিসিওস হলে খাওয়া উপকারী এমন পাঁচ ধরনের খাবারের কথা চলুন জানি-

প্রোটিন
চর্বিহীন প্রোটিন ও তৈলাক্ত মাছ খেতে হবে। যেমন: ইলিশ, পাঙ্গাস, রুই, টুনা, স্যামন, সারদিন ইত্যাদি। এ ছাড়া বাড়িতে চাষ করা ও অ্যান্টিবায়োটিক না দেওয়া মুরগির মাংস, ডিম খাওয়া ভালো।

উদ্ভিদভিত্তিক উৎস
সয়াবিন, টফু, ডাল ইত্যাদি খেতে পারেন।

স্বাস্থ্যকর চর্বি
বিভিন্ন প্রকার বাদাম খাওয়া যেতে পারে। যেমন: আখরোট, পেস্তা বাদাম, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম ইত্যাদি। পাশাপাশি বীজ জাতীয় খাবার খেতে পারেন। যেমন: তিসিবীজ, কুমড়ো বীজ, সূর্যমুখী বীজ ইত্যাদি। পাশাপাশি জলপাই তেল, অ্যাভোকাডো ইত্যাদি উপকার করবে।

প্রিবায়োটিক ও প্রোবায়োটিক
প্রিবায়োটিক ও প্রোবায়োটিক পেতে রসুন, পেঁয়াজ, বিটরুট, বাঁধাকপি, স্যুরক্রট, কিমচি, অ্যাসপারাগাস, দই, পান্তাভাত ইত্যাদি গ্রহণ করতে পারেন।

কম জিআই ডায়েট
কম জিআই ডায়েট রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করে। এটি পিসিওসের লক্ষণগুলাে কমাতে উপকারী। কম জিআইযুক্ত খাবার ইনসুলিনের মাত্রা এবং অ্যান্ড্রোজনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যা হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে। যেমন: গোটা শস্য, স্টার্চবিহীন সবজি ইত্যাদি।

লেখক: পুষ্টিবিদ;
রাইয়ান হেলথ কেয়ার হসপিটাল এন্ড রিসার্চ সেন্টার, দিনাজপুর

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.