শাশ্বতী মাথিন
ভেতরের ক্ষতগুলো শুকাতে চায় না;
যেই রক্তাত্ব, পঁচা-গলা ক্ষতগুলো
এতো দিন ঢেকে ছিলো,
‘সব ঠিকঠাক চলছে’র মুখোশের আড়ালে;
সেগুলো মাঝে মাঝেই মুখ উঁচিয়ে
দাঁত-নখ খিঁচড়ে জানান দেয় নিজের অস্তিত্ব;
চিৎকার করে, হোঁচট খায়।
বলে যায়, ‘নিজেকে আর কতকাল অবহেলা করবে, অযত্নে রাখবে?
যখন ভেতরটাকে দেখি
তখন বাইরের আমিটা ভীষণ নিস্তব্ধ, চুপ;
দূরে সরে যায়- মানুষ, শব্দ, কোলাহল থেকে।
ক্ষত সারতে বড্ড সময় লাগে।


