Sunday, May 10, 2026
spot_img
Homeঅন্যান্যমায়ের যত্ন: চার বিষয় খেয়াল রাখুন

মায়ের যত্ন: চার বিষয় খেয়াল রাখুন

সাতকাহন২৪.কম ডেস্ক

মা দিবস আজ। মা হওয়া সহজ নয়। না শেষ হওয়া কাজের তালিকা, ক্যারিয়ার ও সন্তানের যত্নে ভারসাম্য রাখা- কঠিনই বটে। এসবের ভীড়ে কখনো কখনো মায়ের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যই হয়ে পড়ে উপেক্ষিত। তাই মা-কেও তার স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিতে হবে। সব কাজের ভীড়ে বের করতে হবে নিজস্ব সময়। আর সন্তানদেরও মায়ের যত্নের ব্যাপারে সচেতন হওয়াটা জরুরি।

সাহায্য চান
অনেক মা যেন দেবী দুর্গার মতো। ১০ হাতে সব সামলে নেবেন- এমন একটা শক্তি রাখেন ভেতরে। এটা ভালো। তবে কখনো কখনো মানুষ হিসেবে দেহ-মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর তখন অন্যের সাহায্য জরুরি। সব একা করতে না গিয়ে কখনো কখনো অন্যের সাহায্য নিন বা সাহায্য চান। এটা কিছুটা হলেও একজন মা-কে মানসিক চাপ, দমবন্ধ করা কষ্ট থেকে রেহাই দেবে। আর সন্তানরা একটু বড় হলে তাদেরও কাজের দায়িত্ব দিন। তাদের বুঝিয়ে বলুন। এতে তারাও শিখবে। মায়েরও একটু চাপ কমবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করুন
পরবর্তী দিনের কাজের তালিকা তৈরি করে ফেলুন। সন্তানকে কী খাওয়াবেন, স্কুলে কখন নেবেন, সারাদিনের রান্না কী হবে- ইত্যাদি আগের রাতেই পরিকল্পনা করে ফেলুন। আর কর্মজীবী মায়েদের তো চাপ আরো। পরের দিন অফিসে কি কাজ করবেন, তার পরিকল্পনাটিও আগেই করে রাখুন। সম্ভব হলে এক সপ্তাহের কাজের তালিকা করুন। কাজ গুছানো থাকলে মাথা ঠান্ডা থাকবে।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন
প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমান। সন্তানেরও ঘুমের শিডিউল ঠিক রাখুন। প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা হাঁটুন। প্রয়োজনে সন্তানকে নিয়ে বের হোন (যদি সে হাঁটতে পারে)। খাদ্যতালিকায় সবজি, ফল, মাছ ইত্যাদি রাখুন। পাশাপাশি সন্তানকেও এই ধরনের খাবারে অভ্যস্ত করে তুলুন। এসব অভ্যাসগুলো একজন মা-কে যেমন সুস্থ রাখবে, তেমনি শিশুটিরও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি হবে।

নিজের জন্য সময় রাখুন
সব কাজের মাঝে অবশ্যই নিজের জন্যও সময় রাখুন। একটু পার্লারে যান বা বন্ধুদের সঙ্গে কফি খেতে যান বা একটু ঘুরে আসুন একা একা বা ভালো বই পড়ুন। সবসময় সন্তানকে আষ্টেপৃষ্ঠে রাখলেই যে ভালো মা হওয়া যায়, বিষয়টি কিন্তু তা নয়। এতে সন্তান ও মা- দুজনেরই একে অপরের প্রতি ভীষণরকম নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বা আসক্তি দুজনেরই মানসিক স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর। সন্তানের যত্ন অবশ্যই নেবেন, তবে নিজের যত্নটাও নেবেন। কারণ, একজন মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ মা-ই পারে একটি সুন্দর পরিবার দিতে।

সূত্র: মায়োক্লিনিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

সাতকাহন
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.