https://www.fapjunk.com https://pornohit.net london escort london escorts buy instagram followers buy tiktok followers
Wednesday, February 28, 2024
spot_img
Homeমন জানালাটলস্টয়ের 'অ্যানা ক্যারেনিনা'

টলস্টয়ের ‘অ্যানা ক্যারেনিনা’

কাজী ওমর ইফতেখার
লিঁও টলস্টয়, জগতখ্যাত রাশিয়ান লেখক; ছোট-বড় সকলেই তার নামের সঙ্গে পরিচিত। কেউ তার নাম জেনে থাকেন লেখার মাধ্যমে, আবার কেউ বা জানেন অগ্রজ ব্যক্তি অথবা ইলেকট্রনিক নানা মাধ্যমে। সে যা-ই হোক, লিঁও টলস্টয়ের ‘অ্যানা ক্যারেনিনা’ উপন্যাসটির নামের সঙ্গে কমবেশি সবাই আমরা পরিচিত। আমরা অনেকে উপন্যাসটি পড়েছি, আবার অনেকে শুধু নামেই জানি।
আজ সেই ‘অ্যানা ক্যারেনিনা’ সম্পর্কে রইল কিছু চমকপ্রদ তথ্য।
১. ‘অ্যানা ক্যারেনিনা’ মূলত ১৮৭৩ থেকে ১৮৭৭ সাল অবধি রাশিয়ান পত্রে সিরিয়ালযুক্ত আকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
২. লিঁও টলস্টয়ের রাজনৈতিক মতামতগুলো তখন জনপ্রিয় ছিল না এবং সাময়িকী সম্পাদকের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। সুতরাং উপন্যাসের প্রথম সম্পূর্ণ উপস্থিতি ছিল একটি বই হিসেবে।
৩. ‘অ্যানা ক্যারেনিনা’ চরিত্রটি রাশিয়ার কবি আলেকজান্ডার পুশকিনের কন্যা মারিয়া গার্টুং দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল।
৪. সমালোচকেরা উপন্যাসটিকে ‘উচ্চ জীবনের রোমাঞ্চকর রোম্যান্স’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। সমালোচক লেখক ফিয়োডর দস্তয়েভস্কির কাছ থেকে তাদের বক্তব্য গ্রহণ না করে বলেছিলেন, এটি ‘শিল্পের কাজ হিসেবে নির্দোষ’ এবং রাশিয়ান লেখক ভ্লাদিমির নবোকভ ‘টলস্টয়ের স্টাইলের নির্লজ্জ জাদু’ প্রশংসা করেছেন এবং আমেরিকান লেখক (এবং নোবেল বিজয়ী) উইলিয়াম ফকনার এটিকে ‘এখন পর্যন্ত সেরা লেখা’ বলেছেন।
৫. ২০০৭ সালের এক জরিপে ১২২ জন লেখক ‘অ্যানা ক্যারেনিনা’কে ‘সর্বকালের সেরা লেখা উপন্যাস’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
৬. বইটির শিরোনামটি কখনও কখনও ‘আন্না কারেনিন’ (যেমন রাশিয়ার বাইরে বিবাহিত হলে তাকে ডাকা হতো) বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
৭. নবোকভ রাশিয়ান ‘এ’ অপসারণের পক্ষে ছিলেন, তবে অন্যান্য অনুবাদক রাশিয়ান নামটি রেখে গেছেন।
৮. লিঁও ও সোফিয়া টলস্টয়ের আদালতের অনেক বিবরণ লেভিন ও কিটির রোম্যান্সে উপস্থিত হয়।
৯. লেভিন টলস্টয়ের একটি আধা-আত্মজীবনীমূলক উপস্থাপনা বলে মনে করা হয়; যেহেতু তিনি একই বিশ্বাস, সংগ্রাম ও অভিজ্ঞতা ধারণ করেছেন।
১০. টলস্টয় যখন ‘অ্যানা ক্যারেনিনা’ লিখেছিলেন, রাশিয়ায় তখন বিবাহবিচ্ছেদ একটি জটিল, ব্যয়বহুল ও অপমানজনক প্রক্রিয়া ছিল। কেবল তিনটি পরিস্থিতি ছিল যেখানে বিবাহবিচ্ছেদ মঞ্জুর হবে- স্ত্রী / স্ত্রীদের শারীরিক অক্ষমতা, নিখোঁজ পত্নী (বছরের পর বছর) ও ব্যাভিচার।
সূত্র : ম্যানোফলাবুকডটকম
লেখক : ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments